শিরোনাম
থানায় হামলাকারী যুবকের পরিচয় মিলেছে, গিয়েছিলেন জিডি করতে
গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় ঢুকে এএসআই মহসিন আলীকে ছুরিকাঘাত করে পালানোর সময় পুকুরে ডুবে নিহত যুবকের নাম সাজু মিয়া (৩০)।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, তার পকেটে থাকা একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরীক্ষার প্রবেশপত্র থেকে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সাজু মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম দুলাল মিয়া।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে হারানো মোবাইল ফোনের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে থানায় যান সাজু মিয়া। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় পুলিশ তাকে পরে আসতে বলে। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে তিনি ফেরত যান। পরে আবার থানায় ফিরে আচমকা এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
এই সময় এএসআই মহসিন আলী বাধা দিলে সাজু তার শরীরে লুকানো ছুরি বের করে মহসিনের মাথা ও হাতে আঘাত করেন।
এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে সাজু দৌড়ে সাঘাটা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে ঝাঁপ দেন। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয় দমকল বাহিনীর সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
সাঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার রতন চন্দ্র শর্মা বলেন, রংপুর থেকে আসা পাঁচ সদস্যের ডুবুরি দলসহ সাতজন মিলে ৪০ মিনিটের মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করি।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, সাজু মিয়া কাগজপত্রের অভাবে হারানো মোবাইলের বিষয়ে জিডি করতে পারেননি। সে জানায়, তার কাছে বাড়ি ফেরার ভাড়াও নেই। তাকে ৫০ টাকা দিয়ে সিএনজি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এক ঘণ্টা পর সে আবার থানায় ফিরে আসে এবং হামলা চালায়।
তিনি বলেন, ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীনও হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম এবং গাইবান্ধার পুলিশ সুপার নিশাত এ্যাঞ্জেলা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
থানার ভেতরে এএসআইকে ছুরিকাঘাত, পুকুর থেকে হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় ঢুকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মহসিন আলীর ওপর ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। ঘটনার পরদিন সেই অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা থানার পেছনের সাঘাটা হাই স্কুলের পুকুর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করে। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাঘাটা থানার ভেতরে ঢুকে এএসআই মহসিন আলীর মাথা ও হাতে ছুরিকাঘাত করে রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে ওই অজ্ঞাত যুবক। হামলার পরপরই সে থানার পেছনের পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে লুকিয়ে পড়ে। পুলিশ ও স্থানীয়রা রাতভর পুকুরে তল্লাশি চালালেও তাকে খুঁজে পায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, হামলাকারীর মরদেহ ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এএসআই মহসিন আলী বর্তমানে সুস্থ আছেন। এদিকে আহত এএসআই মহসিন আলীকে বৃহস্পতিবার রাতেই সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।
ইসরাইলের পার্লামেন্টে পশ্চিম তীর দখলের প্রতীকী প্রস্তাব অনুমোদন
ইসরাইলের পার্লামেন্ট অধিকৃত পশ্চিম তীর দখলের আহ্বান জানিয়ে একটি প্রতীকী প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বুধবার প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন ৭১ জন আইনপ্রণেতা। আর বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৩টি। তবে এই প্রস্তাবের আইনী বাধ্যবাধকতা নেই। প্রস্তাবে জুডিয়া, সামেরিয়া এবং জর্ডান উপত্যকায় ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়। খবর আল জাজিরার।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরকে সংযুক্ত করার ফলে ইসরাইল রাষ্ট্র এবং এর নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। এরফলে মাতৃভূমিতে ইহুদি জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার মৌলিক অধিকার নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠবে না।
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকার প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। এই প্রস্তাবটির সরাসরি কোন আইনি প্রভাব নেই। তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়টি নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হলো।
গত বছর ইসরাইলের অতি-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ প্রাথমিকভাবে এই ধারণাটি সামনে এনেছিলেন। যিনি নিজেও পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতিতে থাকেন। তিনি পশ্চিম তীর এবং এর অবৈধ বসতিগুলোর বিষয়ে প্রশাসনিক কাজ তত্ত্বাবধান করেন।
১৯৬৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকা এবং পূর্ব জেরুজালেমসহ পশ্চিম তীর ইসরাইলি দখলদারিত্বে রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপন অবৈধ হওয়া সত্ত্বেও, ইহুদী বসতি সম্প্রসারিত হয়েছে।
বর্তমানে পশ্চিম তীরে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি এবং ৫ লাখের বেশি ইহুদী অবৈধ বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছেন।
পশ্চিম তীরের সংযুক্তি একটি কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনকে অসম্ভব করে তুলতে পারে।
মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে নিহতের স্মরনে মোমবাতি প্রজ্বলন
মৌলভীবাজার জেলা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন মৌলভীবাজার জেলার পক্ষ থেকে মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে মর্মান্তিক বিমান বিধ্বস্তে দূর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলনের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (২৩শে জুলাই) সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর জেলা সভাপতি জহরলাল দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথ, চারণ জেলা সংগঠক হৃদয় অধিকারী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব সূত্রধর, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি জ্যোতিষী মোহন্ত সহ সকল সংগঠন সমূহের সদস্যবৃন্দরা।
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার
ভারতে যাওয়ার সময় মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের এক সহ-সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। গ্রেপ্তাররকৃত ছাত্রলীগ নেতার নাম আব্দুস সামাদ আজাদ।
বুধবার (২৩শে জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা যায়, আব্দুস সামাদ আজাদ ইমিগ্রেশনে প্রবেশ করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তথ্য যাচাইয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৬টা চলমান মামলা রয়েছে। আব্দুস সামাদ আজাদ মৌলভীবাজার জেলা সদরের মোস্তফাপুর গ্রামের বাসিন্দা আকিব আলীর ছেলে।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, বুধবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন আব্দুস সামাদ আজাদ। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তার বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার জেলার সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৬টি মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার দেখিয়ে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি ইলিয়াস হোসেন মুন্সি জানান, ইমিগ্রেশনে খবর ছিল মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ভারতে যেতে পারেন। সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সব অফিসারকে সতর্ক করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশ করে বহির্গমন ডেস্কে তার পাসপোর্টে সিল মারার জন্য জমা দেন আব্দুস সামাদ আজাদ। অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মো. রাসেল মিয়া বলেন, ‘ইমিগ্রেশনে আটক সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাকে মৌলভীবাজার থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য