শিরোনাম
জামিনে মুক্ত আ‘লীগ নেতাকে এবার ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে জুলাই আন্দোলনের একাধিক মামলার আসামি মদ্যপানে নৃত্যে মেতে ওঠা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক ভূঁইয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এবার কাজের মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে দুপুরে উপজেলার ধোবাজোড়া গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ওমর ফারুক ভূঁইয়া মিঠামইন উপজেলার ধোবাজোড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে। আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক ভূঁইয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মামাতো ভগ্নিপতি হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতে তার দাপট ছিল।
জানা যায়, মিঠামইন থানার পুলিশ জুলাই আন্দোলনের একাধিক মামলার আসামি ওমর ফারুক ভূঁইয়াকে ঘাগড়া বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠান।
পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে দুই মামলায় গত ২৭ জুন জামিন নিয়ে কারাগার থেকে ছাড়া পান। জামিনে বেরিয়ে ওমর ফারুক ভূঁইয়া আওয়ামী লীগের লোকজনকে নিয়ে রাতে বিভিন্ন গ্রামে গোপন বৈঠক করে বেড়ান এবং নেশাগ্রস্ত হয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওমর ফারুক ভূঁইয়া কাজের মেয়ে শাহানাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় ওই কাজের মেয়ে বাদী হয়ে আজ শুক্রবার সকালে ওমর ফারুক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মিঠামইন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।মামলায় উপজেলার ধোবাজোড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, অর্থ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক সাংবাদিকসহ গ্রামবাসীর নামে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছেন। গত (০২ জুলাই) স্থানীয় সাংবাদিক গোলাপ ভূঁইয়াসহ ৮ জনকে আসামি করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওমর ফারুক ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীমঙ্গলে গৃহবধুর অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বড় বিদ্যাবিল নামক এলাকার শেষ প্রান্ত থেকে জনৈক নৃপতি নায়েক (২৭) এর স্ত্রী রুপ তেলেঙ্গা (২২) এর মৃত দেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতের মামা রাজকুমার তেলেঙ্গা ও স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য জয়দেব এর সূত্রের বরাতে জানা যায়, পরকীয়ার সূত্র ধরে স্বামীর ঘর থেকে ওই নারী চলে যেতে চাইলে এ নিয়ে পঞ্চায়েত সহ বিচারে বসে। এক পর্যায়ে তাদের ঝামেলা মিটিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনা সমাধানে স্বামীর ঘরে রাত পেরুতেই পর দিন সকালে স্বামী কাজে চলে গেলে রূপ তেলেঙ্গা একাই বাড়ির বাহিরে চলে যায়। যাওয়ার সময় এলাকার লোকজন দেখতে পায় যে, সে একাই চলে যাচ্ছে। তারপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তারা থানাকে এ বিষয়ে কোন অবগত করেনি।
নিখোঁজের চার দিন পর বৃহস্পতিবার (১০ই জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বাঁশ কাটতে গিয়ে জঙ্গলের মধ্যে তার অর্ধ গলিত লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। এ খবর শ্রীমঙ্গল থানাকে অবগত করলে এসআই বাবলু সহ থানা পুলিশের একটি দল নিহত নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল থানায় নিয়ে আসা হয়। সংবাদ লেখা পর্যন্ত মৃতদেহ শ্রীমঙ্গল থানায় রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্যে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিনুল ইসলাম মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন। এবং তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
রেস্ট হাউজে নারীসহ ‘ধরা পড়া’ সেই ওসি প্রত্যাহার
স্ত্রী পরিচয়ে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে যশোরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) রেস্ট হাউজে অবস্থানকালে হাতেনাতে ধরা পড়ার ঘটনায় ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।
পুলিশ দেওয়া তথ্যে জানা যায়, গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় যশোর পাউবোর পুরাতন রেস্ট হাউজের কপোতাক্ষ কক্ষে উঠেছিলেন ওসি সাইফুল ইসলাম। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন তিনি। পরে খবর পেয়ে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসান সনি দলবল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। রেস্ট হাউজের কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে ওসি সাইফুল বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলে তাকে টেনেহিঁচড়ে আবার ঘরের ভেতর নিয়ে যান ছাত্রদল নেতারা। ওই সময় বাগবিতণ্ডা, ধস্তাধস্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ওসি সাইফুলকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়।
রেস্ট হাউজের কেয়ারটেকার মিজানুর রহমান বলেন, ওসি সাইফুল নিজে এসে স্ত্রী পরিচয়ে এক নারীকে নিয়ে কক্ষ নেন।
পাউবো যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন, ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের চিঠির ভিত্তিতে রেস্ট হাউসে কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খতিয়ে দেখছে।
ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, কোনো অনৈতিক কিছু ঘটেনি। আমি যশোরে ব্যক্তিগত কাজে এসেছিলাম। নারী বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে রেস্ট হাউজে অবস্থান করছিলাম। এ সময় কিছু ছাত্রনেতা এসে স্বাভাবিক কথাবার্তা বলে চলে যান। আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে মহেশপুরসহ পুরো জেলাজুড়ে এ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, যশোরের ঘটনার বিষয়ে আমরা তেমন কিছুই জানি না। তবে তিনি ক্লোজ হয়েছেন এমন একটি চিঠি পেয়েছি।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইমরান জাকারিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঘটনার পরপরই ওসি সাইফুল ইসলামকে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেললেন যুবক
পাবনার বেড়ায় পরিবার থেকে বিয়ের চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলেছেন নাজমুল নামের এক যুবক। বুধবার (২৬ জুন) উপজেলার কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মানিকনগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি জানাজানি হয়েছে। নাজমুল ওই গ্রামের মিন্টু মোল্লার ছেলে।
পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল পেশায় একজন ভেকু চালক। তার তিন বোনের মধ্যে বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। নাজমুল মেঝ, তার ছোট আরও দুটি বোন অবিবাহিত রয়েছে। তাকে পরিবার থেকে মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলা হলে এতে সে রাজি হতো না। ঘটনার দিন দুপুরে তার পরিবার থেকে বিয়ের কথা বলা হলে সে বলে, আগে আমার বোনদের বিয়ে দিয়ে তারপর আমি বিয়ে করব। এ নিয়ে একটু কথাকাটাকাটি হয়।
পরে নাজমুল বাজার থেকে ব্লেড কিনে নিজেই নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে বাথরুমে ফেলে দেয়। কিছুক্ষণ পর তার চিৎকারে সবাই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
পরে জানা যায়, লিঙ্গ কাটার পর ছয় ঘণ্টার মধ্যে অপারেশন করা গেলে তা জোড়া লাগানো সম্ভব। এরপর বাথরুম থেকে বিছিন্ন অন্ডকোষ ও লিঙ্গ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলেও তার অপারেশন করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশীরা জানায়, নাজমুলকে তার নানা, দুলাভাই ও তার মা প্রায়ই বিয়ের কথা বলত, এতে সে রাজি হতো না। তবে ঘটনার দিন কেউ তাকে হিজরা বলেছিল। সে রাগেই নিজের লিঙ্গ কেটে ফেলতে পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ইউপি সদস্য মো. রফিক জানান, ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে গেলে পুলিশ কেস হওয়ায় হাসপাতালে তাকে তাৎক্ষণিক ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। পরে ভর্তি করা গেলেও ছয় ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে তার বিশেষ অঙ্গ জোড়া লাগানো সম্ভব হয়নি। নাজমুল এখন পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।
নাজমুলের বাবা জানান, যুবক ছেলেকে সবাই বিয়ের কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। ওর নানা ও দুলাভাই মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলতো। তবে ঘটনার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। কী কারণে এমন কাজ করল আমরা বুঝতে পারছি না।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের অস্ত্রপচার ঢাকা মেডিকেল কলেজেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন সে আশঙ্কামুক্ত।
বোরকা পরে এসে দিনদুপুরে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে বাজারের মধ্যে মুহাম্মদ সেলিম নামের এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ইশানভট্টের হাটবাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুহাম্মদ সেলিম একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সমশের পাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির মুখে গুলি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে মুহাম্মদ সেলিম ইশানভট্টের হাটে একটি দোকানের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় বোরকা পরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ৫/৬জনের একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এসে সেলিমকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। হত্যাকাণ্ডের পর অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। মুহাম্মদ রায়হান নামের একজন সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।
উল্লেখ্য, রাউজানে গত ৫ আগস্টের পর সহিংসতায় মোট ১৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। বিএনপির দুপক্ষে সংঘর্ষ হয় অন্তত শতাধিকবার। তিন শতাধিক মানুষ এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য