ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেললেন যুবক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৬ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫৭
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
বিয়ের জন্য চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেললেন যুবক

পাবনার বেড়ায় পরিবার থেকে বিয়ের চাপ দেওয়ায় নিজের বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলেছেন নাজমুল নামের এক যুবক। বুধবার (২৬ জুন) উপজেলার কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মানিকনগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি জানাজানি হয়েছে। নাজমুল ওই গ্রামের মিন্টু মোল্লার ছেলে।

পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল পেশায় একজন ভেকু চালক। তার তিন বোনের মধ্যে বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। নাজমুল মেঝ, তার ছোট আরও দুটি বোন অবিবাহিত রয়েছে। তাকে পরিবার থেকে মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলা হলে এতে সে রাজি হতো না। ঘটনার দিন দুপুরে তার পরিবার থেকে বিয়ের কথা বলা হলে সে বলে, আগে আমার বোনদের বিয়ে দিয়ে তারপর আমি বিয়ে করব। এ নিয়ে একটু কথাকাটাকাটি হয়।

পরে নাজমুল বাজার থেকে ব্লেড কিনে নিজেই নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে বাথরুমে ফেলে দেয়। কিছুক্ষণ পর তার চিৎকারে সবাই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পরে জানা যায়, লিঙ্গ কাটার পর ছয় ঘণ্টার মধ্যে অপারেশন করা গেলে তা জোড়া লাগানো সম্ভব। এরপর বাথরুম থেকে বিছিন্ন অন্ডকোষ ও লিঙ্গ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলেও তার অপারেশন করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশীরা জানায়, নাজমুলকে তার নানা, দুলাভাই ও তার মা প্রায়ই বিয়ের কথা বলত, এতে সে রাজি হতো না। তবে ঘটনার দিন কেউ তাকে হিজরা বলেছিল। সে রাগেই নিজের লিঙ্গ কেটে ফেলতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কৈটলা ইউনিয়নের ৯নং ইউপি সদস্য মো. রফিক জানান, ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে গেলে পুলিশ কেস হওয়ায় হাসপাতালে তাকে তাৎক্ষণিক ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। পরে ভর্তি করা গেলেও ছয় ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে তার বিশেষ অঙ্গ জোড়া লাগানো সম্ভব হয়নি। নাজমুল এখন পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে।

নাজমুলের বাবা জানান, যুবক ছেলেকে সবাই বিয়ের কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। ওর নানা ও দুলাভাই মাঝে মধ্যে বিয়ের কথা বলতো। তবে ঘটনার দিন আমি বাড়ি ছিলাম না। কী কারণে এমন কাজ করল আমরা বুঝতে পারছি না।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নাজমুলের অস্ত্রপচার ঢাকা মেডিকেল কলেজেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন সে আশঙ্কামুক্ত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বোরকা পরে এসে দিনদুপুরে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    বোরকা পরে এসে দিনদুপুরে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা
    মুহাম্মদ সেলিম। ছবি : সংগৃহীত

    চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে বাজারের মধ্যে মুহাম্মদ সেলিম নামের এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ইশানভট্টের হাটবাজারে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত মুহাম্মদ সেলিম একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সমশের পাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।

    রাউজানে বোরকা পরে এসে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির মুখে গুলি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে মুহাম্মদ সেলিম ইশানভট্টের হাটে একটি দোকানের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় বোরকা পরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ৫/৬জনের একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এসে সেলিমকে লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। হত্যাকাণ্ডের পর অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলে করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। মুহাম্মদ রায়হান নামের একজন সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।

    উল্লেখ্য, রাউজানে গত ৫ আগস্টের পর সহিংসতায় মোট ১৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। বিএনপির দুপক্ষে সংঘর্ষ হয় অন্তত শতাধিকবার। তিন শতাধিক মানুষ এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিশেষ অভিযানে সারা দেশে গ্রেপ্তার ১৪৫৪

      অনলাইন ডেস্ক
      ৬ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১
      অনলাইন ডেস্ক
      বিশেষ অভিযানে সারা দেশে গ্রেপ্তার ১৪৫৪

      পুলিশের বিশেষ অভিযানে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত। এ ছাড়া অন্য ঘটনায় ৪৫১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

      রোববার (৬ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।

      তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ১০০৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য ঘটনায় ৪৫১ জন। মোট গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪৫৪ জনকে।

      এসময় চাইনিজ কুড়াল ছয়টি, ডেগার ২৫টি, হাসুয়া একটি, বার্মিচ টিপ চাকু একটি, ছোরা দুটি, ২.২ এম এম গুলি ২০টি উদ্ধার করা হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মসজিদের ছাদে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

        অনলাইন ডেস্ক
        ৬ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৩
        অনলাইন ডেস্ক
        মসজিদের ছাদে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

        ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ঘটে গেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মসজিদের ছাদে পাওয়া গেল শিশু মাইমুনা আক্তার ময়নার নিথর দেহ। তার বয়স মাত্র ৮ বছর।

        রোববার (৬ জুলাই) সকালে শাহবাজপুর ইউনিয়নের হাবলী পাড়া জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলার ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। শিশুটির গলায় পেঁচানো ছিল একটি ওড়না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

        নিহত ময়না উপজেলার শাহবাজপুরের চান্দু মিয়া পাড়ার বাসিন্দা ও প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার একমাত্র কন্যা।

        শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় ময়না। পরিবার ও স্থানীয়রা সারারাত খুঁজেও তার কোনো খোঁজ পাননি। পরদিন সকালে এক ব্যক্তি মসজিদের ছাদে মেয়েটির মরদেহ দেখতে পেয়ে বিষয়টি জানায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।

        সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাত,আ.লীগ নেতার মায়ের মৃত্যু

          জেলা প্রতিনিধি
          ৬ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২
          জেলা প্রতিনিধি
          ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাত,আ.লীগ নেতার মায়ের মৃত্যু

          নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হোসনে আরা বেগম (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হামলার সময় ওই নারীর ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করা হয়।  

          রোববার (৬ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে ঢাকার অ্যাপোলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, গত মঙ্গলবার ১ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জগদানন্দ গ্রামের কামাল কোম্পানির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

          আহত হোসনে আরা বেগম আত্মগোপনে থাকা কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল খাঁন ওরফে কামাল কোম্পানির মা।  

          স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বৃদ্ধা নারী হোসনে আরা বসত ঘরে একা ছিলেন। তখন পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরের বাহিরে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে একা পেয়ে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনটি কোপ দেয়। এরপর তার দুই কান ছিঁড়ে শরীরে থাকা প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও ঘরের ভেতর বিছানার নিচে থাকা সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।  

          পরে নিহতের নাতি সালমান এসে দেখে তার দাদি রক্তাক্ত অবস্থায় সামনের কক্ষে অচেতন হয়ে পড়ে আছে। তাৎক্ষণিক তার শৌরচিৎকারে শুনে সবাই এগিয়ে আসে। তাৎক্ষণিক তার দাদিকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।  

          নিহতের ছেলে মাইনউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, এটি কোনো চুরি নয়, এটি ডাকাতির ঘটনা।  

          মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে মাইন উদ্দিন বাদী হয়ে এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে,তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না। নিহত হোসনে আরা বেগম সব সময় শরীরে স্বর্ণালংকার ব্যবহার করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, চুরি করতে আসা লোককে চিনে ফেলায় তাকে গুরুতর জখম করা হয়। তবে এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা না, একাধিক ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে।  
           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত