শিরোনাম
বিশেষ অভিযানে সারা দেশে গ্রেপ্তার ১৪৫৪
পুলিশের বিশেষ অভিযানে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত। এ ছাড়া অন্য ঘটনায় ৪৫১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
রোববার (৬ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ১০০৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য ঘটনায় ৪৫১ জন। মোট গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪৫৪ জনকে।
এসময় চাইনিজ কুড়াল ছয়টি, ডেগার ২৫টি, হাসুয়া একটি, বার্মিচ টিপ চাকু একটি, ছোরা দুটি, ২.২ এম এম গুলি ২০টি উদ্ধার করা হয়েছে।
মসজিদের ছাদে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় ঘটে গেছে এক মর্মান্তিক ঘটনা। বাড়ি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর মসজিদের ছাদে পাওয়া গেল শিশু মাইমুনা আক্তার ময়নার নিথর দেহ। তার বয়স মাত্র ৮ বছর।
রোববার (৬ জুলাই) সকালে শাহবাজপুর ইউনিয়নের হাবলী পাড়া জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলার ছাদে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। শিশুটির গলায় পেঁচানো ছিল একটি ওড়না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
নিহত ময়না উপজেলার শাহবাজপুরের চান্দু মিয়া পাড়ার বাসিন্দা ও প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার একমাত্র কন্যা।
শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় ময়না। পরিবার ও স্থানীয়রা সারারাত খুঁজেও তার কোনো খোঁজ পাননি। পরদিন সকালে এক ব্যক্তি মসজিদের ছাদে মেয়েটির মরদেহ দেখতে পেয়ে বিষয়টি জানায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাত,আ.লীগ নেতার মায়ের মৃত্যু
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হোসনে আরা বেগম (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হামলার সময় ওই নারীর ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করা হয়।
রোববার (৬ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে ঢাকার অ্যাপোলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, গত মঙ্গলবার ১ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জগদানন্দ গ্রামের কামাল কোম্পানির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত হোসনে আরা বেগম আত্মগোপনে থাকা কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল খাঁন ওরফে কামাল কোম্পানির মা।
স্থানীয়রা জানায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বৃদ্ধা নারী হোসনে আরা বসত ঘরে একা ছিলেন। তখন পরিবারের অন্য সদস্যরা ঘরের বাহিরে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে একা পেয়ে তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনটি কোপ দেয়। এরপর তার দুই কান ছিঁড়ে শরীরে থাকা প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও ঘরের ভেতর বিছানার নিচে থাকা সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
পরে নিহতের নাতি সালমান এসে দেখে তার দাদি রক্তাক্ত অবস্থায় সামনের কক্ষে অচেতন হয়ে পড়ে আছে। তাৎক্ষণিক তার শৌরচিৎকারে শুনে সবাই এগিয়ে আসে। তাৎক্ষণিক তার দাদিকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে মাইনউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, এটি কোনো চুরি নয়, এটি ডাকাতির ঘটনা।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে মাইন উদ্দিন বাদী হয়ে এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দিয়েছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে,তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না। নিহত হোসনে আরা বেগম সব সময় শরীরে স্বর্ণালংকার ব্যবহার করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, চুরি করতে আসা লোককে চিনে ফেলায় তাকে গুরুতর জখম করা হয়। তবে এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা না, একাধিক ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চালাচ্ছে।
যারা জুলাইয়ের কথা সংবিধানে রাখতে চায় না তারা মুজিববাদের নতুন পাহারাদার : নাহিদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে আজকের এ বগুড়া থেকে বলতে চাই, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অবশ্যই নতুন সংবিধানে যুক্ত হবে। জুলাই কোনো আবেগের বিষয় নয়, জুলাই আমাদের রাজনৈতিক ইস্তেহার। আমাদের রাজনৈতিক গন্তব্য। এ জুলাইয়ের পথেই আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, যারা জুলাইয়ের কথা, এ শহীদদের কথা ও আহতদের কথা সংবিধানে রাখতে চায় না, তারা মুজিববাদের নতুন পাহারাদার। মুজিববাদের নতুন পাহারাদারদেরও আমরা স্থান দেব না।
শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে বগুড়া শহরের সাতমাথায় মুক্তমঞ্চে ‘জুলাই পদযাত্রা’র পঞ্চম দিনের কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। এ দিকে নতুন সংবিধানে ‘জুলাই সনদ’ সংযুক্ত না হলে আগামী ৩ আগস্ট থেকে ঢাকার রাজপথে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, শহীদ ও আহত হয়েছে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার কথা থাকতে হবে নতুন বাংলাদেশের সংবিধানে। ইনশাআল্লাহ আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতীয় নাগরিক পার্টি জমায়েত হবে এবং অন্তবর্তী সরকার থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম এক বছরে দেশের পরিবর্তন হবে। কিন্তু এখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হয়নি। আমরা দেখছি, আগের স্বৈরাচারি কাঠামো এখনও বহাল রয়েছে। লুটেরা, দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল নতুন কাঠামো, নতুন রাষ্ট্র, নতুন দেশের জন্য। কেবল একটি দলকে সরিয়ে অন্য দল বসানোর জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা মাঠে নেমেছি গণঅভ্যুত্থানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে। ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করে গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমরা বগুড়ায় এসে শুনতে পেয়েছি, বগুড়ার প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। ২৪ এর গণঅভ্যুন্থানের পরে আমাদের দাবি নিরপেক্ষ প্রশাসন। নিরপেক্ষ পুলিশ এবং নিরপেক্ষ আদালত নিশ্চিত করতে হবে। যদি কেউ সেই পুরোনো কায়দায় দলবাজ প্রশাসনের মতো আচরণ করে তার পরিণতিও ফ্যাসিস্ট মুজিববাদের দোসরদের মতোই হবে। ২০১৮ সালে যারা ডিসি ছিল, ভোট ডাকাতি করেছিল তাদের কী পরিণতি হয়েছে। বগুড়ায় কোনো দলবাজ প্রশাসক দলবাজ পুলিশ অফিসারের স্থান হবে না। বগুড়ার প্রশাসককে পুলিশকে আইন আদালতকে নিরপেক্ষ আচরণ করতে হবে।
পথযাত্রায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাকিব মাহদী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনীম জারা, বগুড়া জেলার যুগ্ম মূখ্য সংগঠক আব্দুল্লাহিত তাকি।
বগুড়ায় পদযাত্রা শুরুর আগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাকে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সকাল ১১টায় শহরের পর্যটন মোটেলে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ পরিবারের সদস্যরা জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে নিহতদের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদের মাধ্যমে শহীদদের মর্যাদা ও আত্মত্যাগ নিশ্চিত করা হবে। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ এবং পুলিশের যারা ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছেন, তাদের বিচার অবশ্যই নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, জুলাই ঘোষণাপত্রের মধ্য দিয়ে দেশের কাঠামোগত সংস্কারও বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিচার, সংস্কার, তারপর নির্বাচন। বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। বিচার শুরু করতে হবে। যারা গুলি করেছে, গণহত্যা করেছে, তাদের বিচার করতে হবে। বাংলার মাটিতেই শেখ হাসিনা ও যেসব পুলিশ গুলি করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এনসিপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, বিচারে হাত দিতে পারবে না। শহীদ ও আহত পরিবারকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাব্যবস্থা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপির জুলাই ঘোষণাপত্রে শহীদদের মর্যাদা ও অবদানের কথা থাকবে। জুলাই সনদে সংস্কারের কথা থাকবে।
নাহিদ বলেন, বছর ঘুরে আবারও জুলাই এসেছে। ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শহীদদের স্মরণের দিনগুলো পালিত হবে। শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক স্থায়ী। শুধু বর্তমান সরকার নয়, ভবিষ্যতের যে কোনো সরকারকেই শহীদ পরিবারগুলোর আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা বলেন, যেকোনো মৃত্যু কষ্টকর। জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। যদিও আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে, তবে রাষ্ট্র শহীদ ও আহত পরিবারের সব সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করবে।
শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নাহিদ ইসলাম এনসিপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে সাতমাথা পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেন।
জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তি করা সেই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
কুষ্টিয়ায় জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তিমূলক ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ফারজুল ইসলাম রনি নামে ট্রাফিক পুলিশের সেই সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলের দিকে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে জুলাই অবমাননাকর পোস্ট করেন কুষ্টিয়া ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ফারজুল ইসলাম রনি। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ছাত্রসমাজ। এরপর রনিকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তার ছুটিও বাতিল করা হয়। ওই পুলিশ সদস্য ছুটিতে গিয়ে এই পোস্ট করেন। এরপর তিনি আর কাজে না ফিরে আত্মগোপনে রয়েছেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ফারজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে৷ এর আগে তাকে ক্লোজড করা হয়েছিল। তার ছুটি বাতিল করা হয়েছিল এবং তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুষ্টিয়া ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর শেখ শাহাদাত আলী বলেন, ফারজুল ইসলাম রনি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার দহকুলা গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন মৃধার ছেলে। তিনি ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই থেকে কুষ্টিয়া ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি গিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য