ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

যারা জুলাইয়ের কথা সংবিধানে রাখতে চায় না তারা মুজিববাদের নতুন পাহারাদার : নাহিদ

অনলাইন ডেস্ক
৫ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৯
অনলাইন ডেস্ক
যারা জুলাইয়ের কথা সংবিধানে রাখতে চায় না তারা মুজিববাদের নতুন পাহারাদার : নাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে আজকের এ বগুড়া থেকে বলতে চাই, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অবশ্যই নতুন সংবিধানে যুক্ত হবে। জুলাই কোনো আবেগের বিষয় নয়, জুলাই আমাদের রাজনৈতিক ইস্তেহার। আমাদের রাজনৈতিক গন্তব্য। এ জুলাইয়ের পথেই আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, যারা জুলাইয়ের কথা, এ শহীদদের কথা ও আহতদের কথা সংবিধানে রাখতে চায় না, তারা মুজিববাদের নতুন পাহারাদার। মুজিববাদের নতুন পাহারাদারদেরও আমরা স্থান দেব না।

শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরে বগুড়া শহরের সাতমাথায় মুক্তমঞ্চে ‘জুলাই পদযাত্রা’র পঞ্চম দিনের কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। এ দিকে নতুন সংবিধানে ‘জুলাই সনদ’ সংযুক্ত না হলে আগামী ৩ আগস্ট থেকে ঢাকার রাজপথে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা অংশগ্রহণ করেছে, শহীদ ও আহত হয়েছে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার কথা থাকতে হবে নতুন বাংলাদেশের সংবিধানে। ইনশাআল্লাহ আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতীয় নাগরিক পার্টি জমায়েত হবে এবং অন্তবর্তী সরকার থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র আদায় করে নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম এক বছরে দেশের পরিবর্তন হবে। কিন্তু এখনও সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হয়নি। আমরা দেখছি, আগের স্বৈরাচারি কাঠামো এখনও বহাল রয়েছে। লুটেরা, দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা হচ্ছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল নতুন কাঠামো, নতুন রাষ্ট্র, নতুন দেশের জন্য। কেবল একটি দলকে সরিয়ে অন্য দল বসানোর জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা মাঠে নেমেছি গণঅভ্যুত্থানের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করতে। ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করে গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, আমরা বগুড়ায় এসে শুনতে পেয়েছি, বগুড়ার প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। ২৪ এর গণঅভ্যুন্থানের পরে আমাদের দাবি নিরপেক্ষ প্রশাসন। নিরপেক্ষ পুলিশ এবং নিরপেক্ষ আদালত নিশ্চিত করতে হবে। যদি কেউ সেই পুরোনো কায়দায় দলবাজ প্রশাসনের মতো আচরণ করে তার পরিণতিও ফ্যাসিস্ট মুজিববাদের দোসরদের মতোই হবে। ২০১৮ সালে যারা ডিসি ছিল, ভোট ডাকাতি করেছিল তাদের কী পরিণতি হয়েছে। বগুড়ায় কোনো দলবাজ প্রশাসক দলবাজ পুলিশ অফিসারের স্থান হবে না। বগুড়ার প্রশাসককে পুলিশকে আইন আদালতকে নিরপেক্ষ আচরণ করতে হবে।

পথযাত্রায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারওয়ার নিভা, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাকিব মাহদী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনীম জারা, বগুড়া জেলার যুগ্ম মূখ্য সংগঠক আব্দুল্লাহিত তাকি।

বগুড়ায় পদযাত্রা শুরুর আগে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাকে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সকাল ১১টায় শহরের পর্যটন মোটেলে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ পরিবারের সদস্যরা জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে নিহতদের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেন।

এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদের মাধ্যমে শহীদদের মর্যাদা ও আত্মত্যাগ নিশ্চিত করা হবে। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ এবং পুলিশের যারা ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়েছেন, তাদের বিচার অবশ্যই নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া, জুলাই ঘোষণাপত্রের মধ্য দিয়ে দেশের কাঠামোগত সংস্কারও বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিচার, সংস্কার, তারপর নির্বাচন। বিচার দৃশ্যমান করতে হবে। বিচার শুরু করতে হবে। যারা গুলি করেছে, গণহত্যা করেছে, তাদের বিচার করতে হবে। বাংলার মাটিতেই শেখ হাসিনা ও যেসব পুলিশ গুলি করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

এনসিপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, বিচারে হাত দিতে পারবে না। শহীদ ও আহত পরিবারকে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাব্যবস্থা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। এনসিপির জুলাই ঘোষণাপত্রে শহীদদের মর্যাদা ও অবদানের কথা থাকবে। জুলাই সনদে সংস্কারের কথা থাকবে।

নাহিদ বলেন, বছর ঘুরে আবারও জুলাই এসেছে। ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শহীদদের স্মরণের দিনগুলো পালিত হবে। শহীদ পরিবারগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক স্থায়ী। শুধু বর্তমান সরকার নয়, ভবিষ্যতের যে কোনো সরকারকেই শহীদ পরিবারগুলোর আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা বলেন, যেকোনো মৃত্যু কষ্টকর। জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। যদিও আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে, তবে রাষ্ট্র শহীদ ও আহত পরিবারের সব সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করবে।

শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নাহিদ ইসলাম এনসিপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে সাতমাথা পর্যন্ত পদযাত্রায় অংশ নেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তি করা সেই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১০
    অনলাইন ডেস্ক
    জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তি করা সেই পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

    কুষ্টিয়ায় জুলাই বিপ্লব নিয়ে কটূক্তিমূলক ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ফারজুল ইসলাম রনি নামে ট্রাফিক পুলিশের সেই সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    শনিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন।

    এর আগে, মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলের দিকে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে জুলাই অবমাননাকর পোস্ট করেন কুষ্টিয়া ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ফারজুল ইসলাম রনি। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ছাত্রসমাজ। এরপর রনিকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    ওইদিন রাতেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তার ছুটিও বাতিল করা হয়। ওই পুলিশ সদস্য ছুটিতে গিয়ে এই পোস্ট করেন। এরপর তিনি আর কাজে না ফিরে আত্মগোপনে রয়েছেন।

    কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ফারজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে৷ এর আগে তাকে ক্লোজড করা হয়েছিল। তার ছুটি বাতিল করা হয়েছিল এবং তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কুষ্টিয়া ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর শেখ শাহাদাত আলী বলেন, ফারজুল ইসলাম রনি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার দহকুলা গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন মৃধার ছেলে। তিনি ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই থেকে কুষ্টিয়া ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি গিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মদিনা থেকে ফিরেই চট্টগ্রামে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে রানওয়েতে আটকে গেল বিমান

      অনলাইন ডেস্ক
      ৫ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪৪
      অনলাইন ডেস্ক
      মদিনা থেকে ফিরেই চট্টগ্রামে যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে রানওয়েতে আটকে গেল বিমান

      চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের মদিনা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ (বিজি-১৩৮) রানওয়েতে আটকা পড়েছে। এ ঘটনায় অন্য উড়োজাহাজগুলো চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। উড়োজাহাজটিতে প্রায় ৪০০ হজযাত্রী ও প্রবাসী যাত্রী রয়েছেন।

      পবিত্র হজ পালন শেষে উড়োজাহাজটিতে ফিরছিলেন চট্টগ্রামের দোস্ত মোহাম্মদ নামের এক যাত্রী। উড়োজাহাজে বসে বেলা সোয়া ১১টায় মুঠোফোনে তিনি জানান, সৌদি আরবের মদিনা থেকে উড়োজাহাজটি গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় উড্ডয়ন করে। চট্টগ্রামে সকাল সোয়া ৯টায় অবতরণ করে। তখন প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। উড়োজাহাজটি অবতরণের পর ইউটার্ন নেওয়ার সময় রানওয়ের মাঝপথে আটকে যায়। দুই ঘণ্টা ধরে উড়োজাহাজে বসে আছেন তিনি।

      চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি–১৩৮ সকাল সাড়ে ৯টায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর রানওয়ে-২৩ প্রান্তে এসে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকা পড়ে। যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে উড়োজাহাজটিকে দ্রুততম সময়ে রানওয়ে থেকে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ধামরাইয়ে নাচের কারণে কনের বিয়ে ভাঙার সংবাদটি সত্য নয়

        অনলাইন ডেস্ক
        ৪ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৫৮
        অনলাইন ডেস্ক
        ধামরাইয়ে নাচের কারণে কনের বিয়ে ভাঙার সংবাদটি সত্য নয়

        সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া “কনের নাচের কারণে ধামরাইয়ে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে” — এমন দাবি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক সূত্র। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশ, যেটিকে মিথ্যা বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনার সঙ্গে জুড়ে ভাইরাল করা হয়েছে।

        সম্প্রতি একটি ভুয়া ফেসবুক পেইজ থেকে দাবি করা হয়, ধামরাইয়ের এক কলেজছাত্রীর ‘অশ্লীল’ নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পাত্রপক্ষ বিয়ে বাতিল করে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একজন তরুণী মঞ্চে নৃত্য পরিবেশন করছেন, যা দেখে নেটিজেনদের একাংশ কটাক্ষ শুরু করেন। ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে চরম আলোড়ন তোলে।

        তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি এই বিয়ের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। এমনকি ধামরাইয়ে এ ধরনের কোনো বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটেনি। ভুয়া তথ্য ছড়ানোর জন্য ওই ফেসবুক পেইজটিই পরবর্তী পোস্টে স্বীকার করে যে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও তরুণীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদের কোনো সম্পর্ক নেই।

        এদিকে, ইউটিউবার ও কিছু অনলাইন চ্যানেল ইচ্ছাকৃতভাবে ভাইরাল ভিডিওটিকে বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও বানানো সংলাপসহ ছড়িয়ে দেয়। এতে স্থানীয় এক কলেজছাত্রী ও তার পরিবারের মানসম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়।

        আইনজীবীরা বলছেন, এ ধরনের গুজব ছড়ানো, কারও সম্মানহানিকর ভিডিও ছড়ানো এবং ভুল তথ্য প্রকাশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধ। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে মানহানি ও সাইবার অপরাধে মামলা করতে পারেন।

        বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বহীন কনটেন্ট ছড়ানো রোধে কড়া নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ধনেপাতার কেজি ৬০০ টাকা

          অনলাইন ডেস্ক
          ৪ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ধনেপাতার কেজি ৬০০ টাকা

          খুলনার বাজারে ধনেপাতার মূল্য এখন আকাশচুম্বি। এক মাস আগেও যে ধনেপাতা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। যা নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

          বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে ধনেপাতার সরবরাহ কম, আর মূল্য অস্বাভাবিক। প্রতি ১০০ গ্রাম ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। অনেকে মূল্য শুনেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। 

          বিক্রেতারা বলছেন, শীতের মৌসুমে প্রতি কেজি ধনেপাতার দাম থাকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। এখন হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে ধনেপাতা পাওয়া যাচ্ছে। তাই দাম বেশি।

          সরকারি ব্রজলাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ধনেপাতা দিয়ে সুস্বাদু খাবার বা আচার তৈরি হয়। বর্তমানে এই পাতার মূল্য অনেক বেশি, যা আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। কিছুদিন আগেও ১০০ গ্রাম ধনেপাতা ২০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকায়। 

          শেখপাড়া হেফজখানার ছাত্র জুবায়ের হোসেন বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার বন্ধুরা ১৫-২০ টাকা করে চাঁদা তুলে ছোলা-মুড়ি খাই। এর সঙ্গে যদি ধনেপাতা না দেওয়া হয়, তাহলে শূন্যতা থেকে যায়। দাম যতই হোক, আমাদের ধনেপাতা চাই। আজ দাম বেশি হওয়ায় ৫০ গ্রাম কিনেছি ৩০ টাকায়। 

          খুলনার ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম হোসেন বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম চলছে। যারা ধনেপাতার চাষ করছেন, তারা ক্ষেতের ওপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন যেন বৃষ্টির পানি না লাগে। এত যত্ন নেওয়ার পরও ফলন কম হচ্ছে, তাই সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণেই দাম বেড়েছে। 

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত