ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ধনেপাতার কেজি ৬০০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
৪ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১৯
অনলাইন ডেস্ক
ধনেপাতার কেজি ৬০০ টাকা

খুলনার বাজারে ধনেপাতার মূল্য এখন আকাশচুম্বি। এক মাস আগেও যে ধনেপাতা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। যা নিম্নআয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে ধনেপাতার সরবরাহ কম, আর মূল্য অস্বাভাবিক। প্রতি ১০০ গ্রাম ধনেপাতা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। অনেকে মূল্য শুনেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। 

বিক্রেতারা বলছেন, শীতের মৌসুমে প্রতি কেজি ধনেপাতার দাম থাকে ১০০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। এখন হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে ধনেপাতা পাওয়া যাচ্ছে। তাই দাম বেশি।

সরকারি ব্রজলাল কলেজের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ধনেপাতা দিয়ে সুস্বাদু খাবার বা আচার তৈরি হয়। বর্তমানে এই পাতার মূল্য অনেক বেশি, যা আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। কিছুদিন আগেও ১০০ গ্রাম ধনেপাতা ২০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটি কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকায়। 

শেখপাড়া হেফজখানার ছাত্র জুবায়ের হোসেন বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার বন্ধুরা ১৫-২০ টাকা করে চাঁদা তুলে ছোলা-মুড়ি খাই। এর সঙ্গে যদি ধনেপাতা না দেওয়া হয়, তাহলে শূন্যতা থেকে যায়। দাম যতই হোক, আমাদের ধনেপাতা চাই। আজ দাম বেশি হওয়ায় ৫০ গ্রাম কিনেছি ৩০ টাকায়। 

খুলনার ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারের সবজি বিক্রেতা সেলিম হোসেন বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম চলছে। যারা ধনেপাতার চাষ করছেন, তারা ক্ষেতের ওপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছেন যেন বৃষ্টির পানি না লাগে। এত যত্ন নেওয়ার পরও ফলন কম হচ্ছে, তাই সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণেই দাম বেড়েছে। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মোটরসাইকেল কেনার টাকা না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৮
    অনলাইন ডেস্ক
    মোটরসাইকেল কেনার টাকা না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মোটরসাইকেল কেনার জন্য টাকা চেয়ে না পেয়ে নিজের বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে তার ছেলে।

    শুক্রবার (৪ জুলাই) সকালে  উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের বিশনন্দী পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মো. মাহবুব (৪২)। ঘটনার পর থেকে তার ছেলে মো. ইয়াসিন (২২) পলাতক রয়েছে।

    এলাকাবাসী জানায়, সকালে ইয়াসিন তার বাবার কাছে মোটরসাইকেল কেনার টাকা দাবি করেন। মাহবুব টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইয়াসিন উত্তেজিত হয়ে হাতুড়ি দিয়ে বাবাকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুবকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত মাহবুব কৃষি কাজ করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ছেলে ইয়াসিন মাদকাসক্ত ছিলেন।

    আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    মন্তব্য

    মুরাদনগরে নারীকে নির্যাতন করে ভিডিও

    ‘বড় ভাই ফজর আলীকে শায়েস্তা করতে ভিডিও ছড়ায় ছোট ভাই শাহ পরান’

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘বড় ভাই ফজর আলীকে শায়েস্তা করতে ভিডিও ছড়ায় ছোট ভাই শাহ পরান’

    কুমিল্লার মুরাদনগরে নারীকে নির্যাতনের পর ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মূল পরিকল্পনাকারী মো. শাহ পরানকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

    র‍্যাব জানায়, শাহ পরান ও অভিযুক্ত ফজর আলী আপন দুই ভাই। দুই মাস আগে একটি গ্রাম্য সালিসে বড় ভাই ফজর আলী জনসমক্ষে ছোট ভাই শাহ পরানকে চড়-থাপ্পড় মারেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শাহ পরান বড় ভাইয়ের ওপর প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজছিলেন।

    শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।

    তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে কুমিল্লার বুড়িচং থানার কাবিলা বাজার এলাকা থেকে শাহ পরানকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বাহেরচর গ্রামের শহিদের বড় ছেলে ফজর আলী ও ছোট ছেলে শাহ পরান দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী নারীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। ঘটনার দুই মাস আগে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের জেরে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রাম্য সালিসে জনসম্মুখে বড় ভাই ফজর আলী তার ছোট ভাই শাহ পরানকে চর-থাপ্পর মারে। তৎপরবর্তী সময় শাহ পরান তার বড় ভাইয়ের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সুযোগের সন্ধানে থাকে। সালিসের কিছুদিন পর ভুক্তভোগী নারীর মা ফজর আলীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা সুদের বিনিময়ে লোন নেয়।

     ‘বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে ভিডিও ছড়ায় ছোট ভাই শাহ পরান’

    ঘটনার দিন ভুক্তভোগী নারীর বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফজর আলী সুদের টাকা আদায়ের অজুহাতে রাত সাড়ে ১১টার দিক কৌশলে ওই নারীর শয়নকক্ষে প্রবেশ করে। একই সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগী নারীর বাড়ির আশপাশে অবস্থান করা শাহ পরান ও ফজর আলীর পূর্বশত্রু একই গ্রামের আবুল কালামসহ অনিক, আরিফ, সুমন, রমজানসহ ৮ থেকে ১০ জন দরজা ভেঙে প্রবেশ করেই ভুক্তভোগীকে শারীরিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ও অশ্লীল ভিডিও চিত্র ধারণ করে এবং পরে ওই ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

    ঘটনার পর মূলহোতা শাহ পরানসহ আবুল কালাম ও অন্য আসামিরা আত্মগোপন করেন। পরবর্তী সময় তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহ পরানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার শাহ পরান স্বীকার করেছেন যে, পূর্বশত্রুতার কারণে তার ভাই ফজর আলীর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে তার নির্দেশনা মোতাবেক অন্যদের সহায়তায় ভুক্তভোগী নারী ও ফজর আলীকে নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ও অশ্লীল ভিডিও চিত্র ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটায়।

    র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক বলেন, গ্রেপ্তার শাহ পরানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় তাকে হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে কৃষক দল নেতার মাথা ফাটালেন বিএনপি নেতা

      অনলাইন ডেস্ক
      ৪ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১৯
      অনলাইন ডেস্ক
      কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে কৃষক দল নেতার মাথা ফাটালেন বিএনপি নেতা

      কুমিল্লার দাউদকান্দির গোয়ালমারী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে কাঙ্ক্ষিত পদ না পেয়ে উপজেলা কৃষকদল নেতার মাথা ফাটিয়েছেন ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রধান।

      বৃহস্পতিবার (৩জুলাই) রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলার গোয়ালমারী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত দাউদকান্দি উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আহমেদ হোসেন তালুকদার দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

      দলীয় সূত্র জানায়, জুন মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন সম্পন্ন করে দলটি। বৃহস্পতিবার নয়টি ইউনিয়নের পাঁচ সদস্য করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে গোয়ালমারী ইউনিয়নে দলটির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রায়হান উদ্দিন রেনু মুন্সি ও মিজানুর রহমান প্রধান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন রেনু মুন্সিকে সভাপতি এবং মিজানুর রহমান প্রধানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন। এরপর মিজানুর রহমানের সমর্থকরা উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন তালুকদারের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আহত আহমদ হোসেন দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

      আহমদ হোসেনের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন সাকু বলেন, আমার ভাই মিজানুর রহমানকে সমর্থন করেনি বলে তিনি সভাপতি হতে পারেননি- এমন এমন অভিযোগ তুলে আমার ভাইকে মারার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছেন।

      এদিকে এ হামলার ঘটনায় মিজানুর রহমান প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা বিএনপি। উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় দাউদকান্দি উপজেলার আওতাধীন গোয়ালমারীসহ ৯টি ইউনিয়ন বিএনপির আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।  কমিটি ঘোষণার পর রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় দাউদকান্দি উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ও গোয়ালমারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন তালুকদারের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। অনুসন্ধানে জানা যায়, এই হামলার পেছনে আপনার (মিজানুর রহমান প্রধান) সরাসরি ইন্ধন ও নির্দেশ ছিল।

      উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আহমেদ হোসেন তালুকদারের ওপর হামলার ঘটনায় সরাসরি ইন্ধন ও সংশ্লিষ্টতা থাকায় কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চেয়ে মিজানুর রহমানকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায়, দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

      এ ব্যাপারে জানতে মিজানুর রহমান প্রধানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মায়ের মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন দুই শিক্ষার্থী

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫২
      অনলাইন ডেস্ক
      মায়ের মরদেহ ঘরে রেখে পরীক্ষা দিচ্ছেন দুই শিক্ষার্থী
      ছবি : সংগৃহীত

      শোকে বিহ্বল স্বজনরা মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমন অবস্থায় মায়ের মরদেহ বাড়িতে রেখে বৃহস্পতিবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে দুই শিক্ষার্থী। হাতিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিন এবং সানস্টার ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ নাছির উদ্দিন এ বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

      ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায়। উপজেলার হাতিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার এবং সানস্টার ইনস্টিটিউট অব টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তারের মা মারা গেছেন। 

      লাবনীর মায়ের জানাজা সকাল সাড়ে ১১টায় নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সায়মার মায়ের জানাজা পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পর বাদ যোহর অনুষ্ঠিত হবে।  

      মা হারানো সায়মা আক্তার সখীপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এবং লাবনী আক্তার সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজ কেন্দ্রে থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অশ্রুসিক্ত চোখে কেন্দ্রে আসেন তারা। সহপাঠী ও কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সহযোগিতায় পরীক্ষায় অংশ নেয় তারা। 
       
      পরিবার ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার হতিয়া গ্রামের মো. রায়হান মিয়ার মেয়ে সায়মা আক্তার। সায়মার মা শিল্পী আক্তার (৪০) কিডনি জনিত সমস্যার কারণে ২ জুলাই দিবাগত রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়িতেই মারা যান। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে।  

      অপরদিকে উপজেলার কচুয়া পশ্চিম পাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান মিয়ার মেয়ে লাবনী আক্তার। তার মা সফিরন (৪৫) গতরাত সাড়ে নয়টার দিকে মারা যান। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলের মা ছিলেন। 

      দুই বাড়িতেই চলছে মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি। মায়ের মৃত্যুর পর সায়মা আক্তার ও লাবনী আক্তার ভেঙে পড়লেও স্বজনদের কথায় এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসেন।

      হাতিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিন বলেন, সায়মা মেধাবী শিক্ষার্থী। তবে মায়ের লাশ বাড়িতে রেখে পরীক্ষা দিতে আসা সত্যি কষ্টদায়ক। আল্লাহ যেন তার সহায় হোন।

      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত