শিরোনাম
নোয়াখালীতে মেয়েকে নিয়ে মায়ের আত্মহত্যা
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চার বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে দুই রশিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক নারী। এ সময় পুলিশ ঘর থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশপুর গ্রামের মান্নানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, একই বাড়ির মো.রুবেলের স্ত্রী রাবেয়া বসরী রাহী (২৭) ও তার মেয়ে মাইশা (৪)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে রুবেল রাহীকে বিয়ে করে। তিনি একটি মাংসের দোকানে চাকরি করেন। গত ১০ জুন রাহী তার বোনকে মুঠোফোনে কল দিয়ে নিজের মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। রাহীর অভিযোগ ছিল তার স্বামী জুয়া খেলে টাকা নষ্ট করে। তার অন্য দুই ভাই নতুন ঘর করলেও তার স্বামী কোন ঘর করতে পারেনি। সংসারের দিকে তেমন খেয়াল রাখেনা। রুবেল তার বোনেদের বেশি সহযোগিতা করত। এসব ঘটনার জের ধরে রাহী স্বামীর ওপর অভিমান করে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিহতের স্বামী কাজ থেকে বাড়ি ফিরেন। একপর্যায়ে দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ তার শয়ন কক্ষের আঁড়ার সাথে দুটি রশিতে ঝুলছে। পরে তার শৌরচিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়।
সুধারাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লন্ডন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে এটিকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়না তদন্তের প্রতিবদেন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ডাস্টবিন থেকে ওষুধ তুলে রোগীর কাছে বিক্রি! ওয়ার্ড বয়ের
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাস্টবিন থেকে ওষুধ তুলে তা রোগীর স্বজনের কাছে বিক্রি এবং সেই ওষুধ রোগীর শরীরে প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। রোগীর স্বজনদের এ অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন এবং অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক ওয়ার্ড বয়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১১ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালে এ অনিয়মের চিত্র সামনে আসে। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনীর একটি টহল দল। তারা হাসপাতালের মেডিসিন (মহিলা) বিভাগে গিয়ে অভিযুক্ত ওয়ার্ড বয় হরষিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে হরষিত স্বীকার করেন, তিনি ওই ওষুধ রোগীর স্বজনের কাছে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘ছয়-সাত মাস আগে ডাস্টবিন থেকে কিছু ওষুধ সংগ্রহ করি। সম্প্রতি সুযোগ পেয়ে সেগুলো বিক্রি করি।’
সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর কাছে ওই ইনজেকশন বিক্রি ও তার স্ত্রীর শরীরে সেটি প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘ঈদের পরদিন স্ত্রীকে ভর্তি করি। তারা যে ওষুধ দেয় প্রথমে সেটা হাসপাতালে নেই বলে তারা জানায়। পরে ওয়ার্ড বয় হরষিত প্রতিটি ইনজেকশন ৫০০ টাকা করে আমার কাছে বিক্রি করে। ইনজেকশন দেওয়ার পর দেখা যায়, সেগুলোর মেয়াদ চার মাস আগেই শেষ।’
হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরতে খোদা বলেন, ‘ঘটনাটি আমি পরে জেনেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তি আমার স্থায়ী স্টাফ নয়, সে একজন স্বেচ্ছাসেবক। তারপরও আমরা তাকে সাসপেন্ড করেছি। এছাড়া তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ওয়ার্ড মাস্টারকে বলেছি, লিখিত অভিযোগ যেন আমার বরাবর জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনার পেছনে আর কারা জড়িত, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখছি, রোগীর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা। এখন পর্যন্ত আমার কাছে কোনো বড় সমস্যা ধরা পড়েনি।’
ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসকরাও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক রয়েছেন। মেডিসিন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. কাজী আরিফ আহমেদ বলেন, আমি ওই দিন ছুটিতে ছিলাম। ছুটিতে যাওয়ার আগে ওই রোগীকে আমি যে ওষুধগুলো দিয়েছিলাম সেগুলোর মেয়াদ ঠিক ছিল এবং রোগীর কোনো সমস্যা হয়নি। তবে আমার অনুপস্থিতিতে যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো হাসপাতালের কিনা, তা আমার জানা নেই।
ভুক্তভোগী রোগীর ছেলে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমার আম্মু এখনো ওখানেই ভর্তি। কর্তৃপক্ষ আমাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। ঘটনার পর কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়েছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়ে ডাক্তাররা সরাসরি কিছু বলেননি, তবে এখন চিকিৎসা ভালো চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি শুধু আমার মায়ের জন্য না, সব রোগীদের জন্যই এটা করেছি। ওখানে সবাই আমার মা, ভাই, বোন। তাই আমরা যখন বিষয়টি জানতে পেরেছি তখন সেনাবাহিনীকে জানাই এবং তারা এসে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।’
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, কেবল একজন স্বেচ্ছাসেবককে সাসপেন্ড করে দায়িত্ব শেষ করা যাবে না, এ ঘটনায় যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
হাসপাতালের একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনদের মতে, ওষুধ চুরি ও বিক্রি, কমিশন বাণিজ্য, রোগী রেফার ও অর্থ আদায়ের বিষয়গুলো বহুদিন ধরেই চলে আসছে।
শ্বশুরের কবল থেকে স্ত্রীকে ফিরে পেতে অসহায় স্বামীর সংবাদ সম্মেলন
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দুই লাখ টাকা মোহরানা নির্ধারণে বিয়ে করা স্ত্রীকে শ্বশুরের কবল থেকে ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আশাদুজ্জামান আশিক (২৫) নামে ভূক্তভোগী এক যুবক।
বুধবার (১১ জুন) রাতে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রীকে ফিরে পাবার আকুতি জানান তিনি।
আশাদুজ্জামান আশিক পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের আসমতপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।
তার স্ত্রী আঁখি মনি (১৯) একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে আশিক বলেন, একই গ্রামে বাড়ি হওয়ার সুবাদে আশিক ও আঁখি দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আখিঁর পরিবারের মত না থাকায় গত ২৮ মে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ২ লাখ টাকা মোহরনা নির্ধারণে আঁখিকে বিয়ে করেন আশিক। এদিকে, আঁখির বাবাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এ বিয়ে মেনে না নিয়ে বিরোধিতাসহ আশিককে নানাভাবে হয়রানিসহ হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
একপর্যায়ে তাদের আক্রোশ থেকে বাঁচতে ঢাকার গাজিপুরে গিয়ে বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন এ দম্পতি। এবং জীবিকার জন্য গার্মেন্টেস এ চাকুরী নেয় আশিক।
সেখান থেকে গত মঙ্গলবার ( ১০ জুন) আশিকের শ্বশুর লোকজনসহ সেখানে গিয়ে তাকে মারধর করে জোরপূর্বক আঁখিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বর্তমানে জোরপূর্বক বাড়িতে আটকে রেখেছেন।
এতে নিরুপায় হয়ে আশিক স্ত্রীকে ফিরে ফেতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
নোয়াখালীতে বিএনপি নেতার অর্থায়নে ২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার
জনদুর্ভোগ কমাতে নোয়াখালীর পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের মতিপুর থেকে আব্দুল্লাহ মিয়ারহাট পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করেছেন লন্ডন প্রবাসী ও লন্ডন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আবু তাহের শাহজাহান। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে ইট, বালু ও খোয়া ফেলে দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন তিনি।
বুধবার (৪মে) সকাল থেকে সংস্কারের কাজ চলতে থাকে। ১২ জন শ্রমিক তিন দিনব্যাপী সংস্কারের কাজ করবেন।
স্থানীয়রা জানায়, এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না হওয়ায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে দুর্ঘটনার হারও বাড়ছিল। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কাদা পানিতে একাকার হয়ে সড়কটিতে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন আমার ছেলে স্কুলে যায়। আগে প্রায়ই পড়ে যেত, জামাকাপড় ভিজে যেত। এখন স্বস্তিতে যেতে পারে।”
মতিপুর গ্রামের গৃহবধূ রহিমা খাতুন জানান, “রাস্তাটা আগে এতই খারাপ ছিল, রিকশা পর্যন্ত আসতো না। এখন অন্তত জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি আনা নেওয়া করা যায়।”
একই এলাকার যুবক নাজিম উদ্দিন বলেন, “আমরা অবাক হয়েছি—দেশের বাইরে থেকে এসে উনি এলাকার কথা ভাবেন। আবু তাহের ভাইয়ের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয়দের অভিযোগ,সরকারিভাবে রাস্তাটি বারবার দাবি করা হলেও তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। একজন প্রবাসী উদ্যোগ নিয়ে তা সংস্কার করায় স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বিএনপি নেতা মো.আবু তাহের শাহজাহান বলেন, আমি এলাকায় এসেছি আট দিন হয়েছে এর মধ্যেই কয়েকটি দুর্ঘটনা আমার সামনে ঘটেছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের কে নিয়ে রিক্সায় উল্টে যেতে দেখেছি। তাদের অবস্থা দেখে আমার খারাপ লেগেছে, তার জন্য আমি এ সংস্কার কাজ করি।
নোয়াখালীতে প্রতিবেশির সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে পুকুর খনন, হুমকির মুখে কোটি টাকার পাকা বাড়ি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবেশির বাড়ির পাকা সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে পুকুর খননের ফলে প্রাচীর ভেঙে পড়ার পাশাপাশি কোটি টাকা মূল্যের একটি পাকা ভবন ভাঙনের মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত শুক্রবার (৩০ মে) উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি। উল্টো প্রতিপক্ষের লোকজনের হুমকিতে অবরসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সিরাজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর গ্রামের অবরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মাইন উদ্দিন চার বছর আগে তাঁর বাড়ির সীমানায় একটি পাকা দেওয়াল (প্রাচীর) নির্মাণ করেন। বছরখানেক আগে সীমানা প্রাচীরের পাশ্ববর্তী জমির মালিক নাছির উদ্দিন তাঁর প্রাচীর ঘেঁষে পুকুর খনন করে। তিনি প্রতিবাদ করেন এবং সীমানা প্রাচীর থেকে অন্তত: ১০ ফুট দূরে পুকুর খনন করার অনুরোধ করেন। এতে তাঁর সীমানা প্রাচীর অনেকটা হুমকির মুখে পড়ে।
মাইন উদ্দিন অভিযোগ করেন, গত ৩০ মে প্রতিপক্ষ তাঁর সীমানা প্রাচীর ঘেঁসে খনন করা পুকুর পুণরায় খনন গভীর করে খনন করেন। এতে তাঁর সীমানা প্রাচীরের একটি বিশাল অংশ ভেঙে পুকুরের মধ্যে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে সীমানা প্রাচীর সরে যাওয়ায় প্রাচীরের ভেতরে তাঁর কোটি টাকা খরচ করে তৈরী করা নতুন পাকা ভবন বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু নাছের বলেন, তিনি সেখানে দীর্ঘদিন ধরে মাছের খামারের ব্যবসা করছেন। তিনি খামার করার অনেক পরে মাইন উদ্দিন বাড়ির সীমানা প্রাচীর করেছেন। তিনি প্রাচীর নির্মাণ করার সময়ই পুকুরের কিনার ঘেঁষে প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। তা ছাড়া তিনি প্রাচীরের ভেতরের অংশ খনন করে পাইপ বসিয়েছেন। এতে প্রাচীর ভেঙে তাঁদের খামারের পুকুরে পড়েছে। তিনি এখন বিষয়টি নিয়ে অপপ্রাচার চালাচ্ছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে পুকুর খনন এবং পুকুরে প্রাচীর ভেঙে পড়ার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। এ বিষয়ে আদালতে একটি নন-এফআইআর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিবেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য