ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

২শ সিলিন্ডারসহ উল্টে গেল ট্রাক, একের পর এক বিস্ফোরণ

অনলাইন ডেস্ক
৪ জুন, ২০২৫ ১২:৫৮
অনলাইন ডেস্ক
২শ সিলিন্ডারসহ উল্টে গেল ট্রাক, একের পর এক বিস্ফোরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বিরাসার এলাকায় চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়কে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। গ্যাস সিলিন্ডারবাহী একটি ট্রাক উল্টে গিয়ে আগুন ধরে গেলে অন্তত দুই শতাধিক এলপি গ্যাস সিলিন্ডার রাস্তায় পড়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

 বুধবার (৪ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। তবে সৌভাগ্যবশত এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। যদিও ঘটনাস্থলে ব্যাপক আগুন, ভয়ানক শব্দ ও ধোঁয়ার কারণে চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, ঢাকার শাহবাগ থেকে ছেড়ে আসা সিলিন্ডারবাহী একটি ট্রাক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মধ্যপাড়ার বর্ডার বাজারের দিকে যাচ্ছিল। পথে শহর বাইপাসের বিরাসার এলাকায় বড় একটি গর্তে চাকা পড়ে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।

সামনে থাকা একটি প্রাইভেট কারের সঙ্গে সংঘর্ষে মুহূর্তেই ট্রাকটিতে আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে ট্রাকের সিলিন্ডারগুলোর মধ্যে। কিছুক্ষণের ব্যবধানে ট্রাক ভর্তি সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের ঘুমন্ত মানুষ আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। বহু দূর থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক নিউটন দাস বলেন, সম্ভবত প্রাইভেটকারের ইঞ্জিন থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, যা পরে ট্রাকের সিলিন্ডারে ছড়িয়ে পড়ে। ট্রাকে থাকা সব সিলিন্ডারই বিস্ফোরিত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকারও বেশি হতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মহাসড়কের দীর্ঘদিনের ভাঙাচোরা অবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ। বৃষ্টির কারণে গর্তে পানি জমে থাকায় ট্রাকের চাকা গর্তে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়।

অটোরিকশাচালক মাহাবুব রহমান সাকিব বলেন, এই রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। রক্ষণাবেক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। এত বড় গর্তে না পড়লে এমন দুর্ঘটনা হতো না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, “দুর্ঘটনার পর দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে। সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলেছে। কেউ হতাহত না হলেও সড়কে বিশাল যানজট তৈরি হয়েছিল।”

ঘটনার পর শহরের ভেতর দিয়ে বিকল্প রুটে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ১৫ লাখ টাকায় ‘সান্ডা’ কিনলে ‘পান্ডা’ ফ্রি!

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৩
    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ লাখ টাকায় ‘সান্ডা’ কিনলে ‘পান্ডা’ ফ্রি!

    কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই আলোচনায় আসছে ‘সান্ডা’। তবে এটি কোনো সান্ডা জাতীয় চর্বি বা তেল নয়, বরং বিশালাকৃতির এক কোরবানির ষাঁড়ের নাম। ঢাকার ধামরাই উপজেলার ইকুরিয়া গ্রামের তরুণ খামারি নাঈম হোসেনের খামারে বেড়ে ওঠা এই ষাঁড় এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছে।

    খামারি জানিয়েছেন, ‘সান্ডা’ নামের এই ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির উচ্চতা ৬ দশমিক ৫ ফুট, দৈর্ঘ্য ১০ ফুট এবং ওজন প্রায় ৩১ মণ। পশুটির দাম হাঁকা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। যদিও এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রস্তাব এসেছে প্রায় ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত।

    এই ‘সান্ডা’ কিনলেই খামারি বিনামূল্যে দিচ্ছেন আরেকটি কোরবানির পশু একটি খাসি, যার নাম ‘পান্ডা’। পান্ডা মূলত একটি মাঝারি আকৃতির খাসি, যেটিকে তিন বছর ধরে লালনপালন করছেন নাঈম।

    নাঈম হোসেন জানান, তিন বছর আগে নিজের খামারে পালের একটি বাছুরকে মোটাতাজা করার পরিকল্পনা করেন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে। শুরু থেকেই পশু চিকিৎসকের নিয়মিত পরামর্শ এবং আদর্শ খাদ্য তালিকা অনুসরণ করে লালন-পালন করা হয় ‘সান্ডা’ ও ‘পান্ডা’-কে। গেল বছর ‘সান্ডা’র আকার বড় হলেও কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় এবার কোরবানির মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন তিনি।

    তীব্র গরমে সান্ডাকে দিনে তিন থেকে চারবার গোসল করানো হয়। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য গোয়ালঘরে দিনে কয়েকবার মশানাশক স্প্রে করা হয়। আবার যাতে গরুটির গরম না লাগে, সেজন্য চলছে ফ্যানের বাতাসে রাখার ব্যবস্থা। খামারি বলেন, সান্ডার প্রতি আমাদের আলাদা মায়া জন্মে গেছে।

    সান্ডার রোজকার খাদ্য তালিকায় রয়েছে খৈল, ভেজানো ছোলা, ভুট্টা, গমের ভুসি, কুমড়া ও তাজা ঘাস। প্রতিদিন তার পরিচর্যা ও খাবারের পেছনে খরচ হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত।

    এই বিশাল ষাঁড় দেখতে ইতোমধ্যেই দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে ধামরাইয়ের ওই খামারে। তবে এত উচ্চ মূল্যে স্থানীয়ভাবে ক্রেতার অভাব রয়েছে। এর মধ্যে একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রস্তাব দিয়েছেন।

    তবুও খামারি নাঈম ও তার পরিবার চাইছেন রাজধানীতে নিয়ে সান্ডাকে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে। সেই সঙ্গে রয়েছে আকর্ষণীয় অফার—এই বিশাল ষাঁড়ের সঙ্গে একেবারে ফ্রি ‘পান্ডা’ খাসি!

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঈদের ছুটিতে হলো না বাড়ি ফেরা, সড়কে প্রাণ গেল বাবা ও ২ ছেলের

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুন, ২০২৫ ১৪:৫৮
      অনলাইন ডেস্ক
      ঈদের ছুটিতে হলো না বাড়ি ফেরা, সড়কে প্রাণ গেল বাবা ও ২ ছেলের

      ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

      মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল ৯টার দিকে বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারা ঈদের ছুটিতে শেরপুরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন।

      নিহতরা হলেন, শেরপুর সদর উপজেলার কামারচর এলাকার আমজাদ হোসেন (৬৫), তার দুই ছেলে রাহাত (২৬) ও অতুল (১৪)। এছাড়া গাড়িতে থাকা অপর তিনজন আহত হয়েছেন।

      আহতরা হলেন, নিহত আমজাদ হোসেনের স্ত্রী মাকসুদা (৬০), নিহত রাহাতের স্ত্রী মরিয়ম (২৫) ও নাজমুল (৪০) বরিশাল জেলার হযরত আলীর ছেলে।

      বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, তারা ঢাকা থেকে ঈদ উপলক্ষ্যে শেরপুরের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় এলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে মাইক্রোবাস ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে আমজাদ হোসেন ও তার দুই ছেলে নিহত হন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মেঘনায় ট্রলার ডুবি

      ২দিন পরও খোঁজ মেলেনি পুলিশ সদস্য সাইফুলের,অপেক্ষায় স্বজনেরা

      জেলা প্রতিনিধি
      ২ জুন, ২০২৫ ১৬:২৫
      জেলা প্রতিনিধি
      ২দিন পরও খোঁজ মেলেনি পুলিশ সদস্য সাইফুলের,অপেক্ষায় স্বজনেরা

      নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবে নিখোঁজের ২দিন পার হলেও পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম (২৮) ও রোহিঙ্গা শিশু মো.তামিমের (৩) খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। ছেলেদের সন্ধান পাওয়া নিয়ে অনেক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দিন পার করছে স্বজনেরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক রোহিঙ্গা নারীসহ ২জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

      নিহতরা হলেন, ভাসানচর থানার সাব পোস্ট মাস্টার ও ফেনীর পৌর দৌলতপুর গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো.গিয়াস উদ্দিন (৫৩) ও ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৬১নং ক্লাস্টারের মো.তারেকের স্ত্রী হাসিনা খাতুন (২৫)।    

      সোমবার (২ জুন) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা। এর আগে, গতকাল শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টার দিকে মেঘনা নদীতে ঝড়ো বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ৩৯জন যাত্রী নিয়ে উপজেলার করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

      নিখোঁজ সাইফুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার চরশাহী গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। তিনি নোয়াখালী জেলা পুলিশ লাইনসে কর্মরত ছিলেন এবং তামিম ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৬১নং ক্লাস্টারের মো.তারেকের ছেলে।

      জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ  ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

      হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৫জনকে জীবিত উদ্ধার করে। একজনকে উদ্ধারের পর মারা যান। এক পুলিশ সদস্যসহ এখনো ২জন নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।  

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মেঘনায় ট্রলার ডুবিতে সাব পোস্টমাস্টারসহ ২জনের মৃত্যু, নিখোঁজ-২

        অনলাইন ডেস্ক
        ১ জুন, ২০২৫ ১৯:৩৪
        অনলাইন ডেস্ক
        মেঘনায় ট্রলার ডুবিতে সাব পোস্টমাস্টারসহ ২জনের মৃত্যু, নিখোঁজ-২

        নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ঝড়ো বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি  ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক রোহিঙ্গা নারীসহ ২জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জেলা পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলাম (২৮) ও এক রোহিঙ্গা শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিহতরা হলেন, ভাসানচর থানার সাব পোস্ট মাস্টার ও ফেনীর পৌর দৌলতপুর গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো.গিয়াস উদ্দিন (৫৩) ও ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৬১নং ক্লাস্টারের মো.তারেকের স্ত্রী হাসিনা খাতুন (২৫)।    

        রোববার (১ জুন) দুপুরের দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা। এর আগে, গতকাল শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

        এদিকে নিখোঁজরা হলেন,সুধারাম থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম (২৮) ও ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৬১নং ক্লাস্টারের মো.তারেকের ছেলে মো.তামিম (৩)।

        খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ  ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

        হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৫জনকে জীবিত উদ্ধার করে। একজনকে উদ্ধারের পর মারা যান। রোববার সকালে লক্ষীপুরের রামগতি থেকে এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক পুলিশ সদস্যসহ এখনো ২জন নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।  
         

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত