ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গহিন জঙ্গল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার ৫ পাহাড়ি তরুণ

অনলাইন ডেস্ক
১ জুন, ২০২৫ ১৮:৭
অনলাইন ডেস্ক
গহিন জঙ্গল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার ৫ পাহাড়ি তরুণ
পুলিশের অভিযানে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জঙ্গলের গহিন এলাকা থেকে পাঁচ উপজাতীয় তরুণকে উদ্ধার করা হয়েছে

চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের অভিযানে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জঙ্গলের গহিন এলাকা থেকে পাঁচ উপজাতীয় তরুণকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ রোববার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিফাতুল মাজদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল শনিবার (৩১ মে) রাতে পদুয়া ইউনিয়নের মহিষেরবাম এলাকার গহিন পাহাড় থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। তারা ব্যাঙ ধরতে এসে অপহরণের শিকার হন। অপহরণের শিকার তরুণদের সেখানে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।

উদ্ধাররা হলেন— পাইসুইচিং মারমা, মংক্যউ মারমা, উসিংমং মারমা, থুইসামং মারমা ও চসিং মারমা।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩০ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যায় রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা থানার  আমতলী পাড়ায় বসবাসকারী ওই পাঁচ তরুণ বৃষ্টির মধ্যে ব্যাঙ ধরতে বের হন। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তারা দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকায় পৌঁছালে ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গহিন পাহাড়ে নিয়ে যায় এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।

পরদিন শনিবার সকাল ৯টার দিকে অপহরণকারীরা ভিকটিমদের পরিবারের কাছে মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে, না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভিকটিমদের স্বজনরা সন্ধ্যার পর পুলিশকে জানালে রাতেই দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নামে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল জানান, ভিকটিমদের অবস্থান শনাক্ত করে নারিশ্চা রাস্তা হয়ে বড়খোলা মার্মাপাড়া ও পরে মহিষেরবাম এলাকার ত্রিপুরা সুন্দরী চিকনছড়া পাহাড়ে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে সেখানকার গহিন জঙ্গলে গাছের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় ভিকটিমদের উদ্ধার করে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, অপহরণের ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মেঘনায় ট্রলার ডুবি, ১জনের মৃত্যু, নিখোঁজ-৮

    জেলা প্রতিনিধি
    ৩১ মে, ২০২৫ ১৮:৫১
    জেলা প্রতিনিধি
    মেঘনায় ট্রলার ডুবি, ১জনের মৃত্যু, নিখোঁজ-৮

    নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ঝড়ো বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি  ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় উদ্ধারের পর একজন মারা যান। জেলা পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ (২৮) এখনো ৮জন নিখোঁজ রয়েছেন।

    শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

    হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।  

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ  ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

    হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩০জনকে জীবিত এবং একজনকে উদ্ধারের পর মারা যান। ১পুলিশ সদস্য এখনো ৮জন নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।  
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হজে গিয়ে হৃদরোগে বাংলাদেশির মৃত্যু

      জেলা প্রতিনিধি
      ৩১ মে, ২০২৫ ১৮:২৭
      জেলা প্রতিনিধি
      হজে গিয়ে হৃদরোগে বাংলাদেশির মৃত্যু

      চলতি বছর সৌদি আরবে হজে গিয়ে মো. আবুল কালাম আজাদ (৬৫) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

      শনিবার (৩১ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রিপন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ২৯ মে দিবাগত রাত ২টার সময় মক্কায় মারা যান তিনি।    

      নিহত আবুল কালাম নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছিলেন।

      জানা যায়,  গত ২৮ এপ্রিল আবুল কালাম আজাদ পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে স্ত্রীসহ সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে মক্কা শরীফে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। মরহুমের জানাজা ও দাফন সৌদি আরবেই সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।

      অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রিপন আরো বলেন, তিনি অসুস্থ হয়ে মারা যান বলে শুনেছি। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  
       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ৩ দিন পর হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ শুরু

        জেলা প্রতিনিধি
        ৩১ মে, ২০২৫ ১৮:২০
        জেলা প্রতিনিধি
        ৩ দিন পর হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ শুরু

        নিম্নচাপের কারণে তিন দিন বন্ধ থাকার পর নোয়াখালীর হাতিয়ার সাথে জেলা সদরসহ সারা দেশের নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।

        শনিবার (৩১ মে) সকাল ৮টা থেকে দ্বীপটির সাথে নৌ-যোগাযোগ শুরু হয়।

        অপরদিকে জেলা শহর মাইজদীর বেশ কয়েকটি এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা রযেছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। নোয়াখালী পৌরসভার ড্রেন ও খালে ময়লা আবর্জনা জমে থাকার কারণে পানি নামতে না পারায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।  

        স্থানীয় বাসিন্দা লাল মিয়া সবুজ বলেন, নৌ যোগাযোগ বন্ধ থাকায় গত তিন দিন মানুষ কষ্ট করেছে। চেয়ারম্যান ঘাটে গত তিন দিন ৪টি মরদেহ আটকে ছিল। পরে বিশেষ ছাড়ে সরকারি নৌযানে ৪টি মরদেহ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। নৌ যোগাযোগ চালু হওয়ায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।  
         
        হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন,নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ফুট উঁচু জোয়ার দেখা দেয়। সমুদ্র উত্তাল থাকায় গত বুধবার সকাল থেকে হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। নিম্নচাপ কেটে যাওয়ায় তিনদিন পর শনিবার সকাল ৮টা থেকে হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ শুরু হয়।  

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          হাতিয়াতে ঘাটে আটকে থাকা ৪ মরদেহ বিশেষ ছাড়ে গন্তব্যে পৌঁছাল

          জেলা প্রতিনিধি
          ৩১ মে, ২০২৫ ১৮:১৫
          জেলা প্রতিনিধি
          হাতিয়াতে ঘাটে আটকে থাকা ৪ মরদেহ বিশেষ ছাড়ে গন্তব্যে পৌঁছাল

          নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে তিন দিন অপেক্ষার পর বিশেষ ছাড়ে সরকারি নৌ-যানে ৪টি মরদেহ গন্তব্যে পৌঁছেছে।

          শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সরকারি নৌযান বেক্রুজ -১ যোগে চেয়ারম্যানঘাট থেকে মরদেহ গুলো নলচিরা ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। এরআগে, গত বুধবার বিকেল থেকে মরদেহবাহী চারটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে মরদরগুলো চেয়ারম্যান ঘাটে আটকা পড়ে।

          জানা যায, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গত বুধবার বেলা ১২টা থেকে হাতিয়ায় সব ধরনের নৌ যোগাযোগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয় উপজেলা প্রশাসন। যার কারণে গত তিন দিন থেকে হাতিয়ার সঙ্গে জেলা সদর সহ সারাদেশের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে জেলা সদর থেকে হাতিয়াগামী যাত্রীরা এবং ৪টি মরদেহ চেয়ারম্যান ঘাটে আটকা পড়ে। এদিকে মরদেহ চারটি গ্রহণ করার জন্য নলচিরা ঘাটে স্বজনরা অপেক্ষায় ছিলেন। নৌযান থেকে নামানোর পর নলচিরা ঘাট থেকে সড়ক পথে হাতিয়া উপজেলা সদর ওছখালি নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়।

          হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, বিশেষ বিবেচনায় চেয়ারম্যান ঘাট থেকে সরকারি নৌযান বেক্রুজ -১ যোগে মেঘনার নদীর উত্তর পাড়ের নলচিরা ঘাটে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে আবহাওয়ার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আগের আদেশ অনুযায়ী যথারীতি নৌ যোগাযোগ বন্ধ থাকবে।
           

          প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত