ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

হাতিয়াতে ঘাটে আটকে থাকা ৪ মরদেহ বিশেষ ছাড়ে গন্তব্যে পৌঁছাল

জেলা প্রতিনিধি
৩১ মে, ২০২৫ ১৮:১৫
জেলা প্রতিনিধি
হাতিয়াতে ঘাটে আটকে থাকা ৪ মরদেহ বিশেষ ছাড়ে গন্তব্যে পৌঁছাল

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে তিন দিন অপেক্ষার পর বিশেষ ছাড়ে সরকারি নৌ-যানে ৪টি মরদেহ গন্তব্যে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সরকারি নৌযান বেক্রুজ -১ যোগে চেয়ারম্যানঘাট থেকে মরদেহ গুলো নলচিরা ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। এরআগে, গত বুধবার বিকেল থেকে মরদেহবাহী চারটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে মরদরগুলো চেয়ারম্যান ঘাটে আটকা পড়ে।

জানা যায, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গত বুধবার বেলা ১২টা থেকে হাতিয়ায় সব ধরনের নৌ যোগাযোগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয় উপজেলা প্রশাসন। যার কারণে গত তিন দিন থেকে হাতিয়ার সঙ্গে জেলা সদর সহ সারাদেশের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে জেলা সদর থেকে হাতিয়াগামী যাত্রীরা এবং ৪টি মরদেহ চেয়ারম্যান ঘাটে আটকা পড়ে। এদিকে মরদেহ চারটি গ্রহণ করার জন্য নলচিরা ঘাটে স্বজনরা অপেক্ষায় ছিলেন। নৌযান থেকে নামানোর পর নলচিরা ঘাট থেকে সড়ক পথে হাতিয়া উপজেলা সদর ওছখালি নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, বিশেষ বিবেচনায় চেয়ারম্যান ঘাট থেকে সরকারি নৌযান বেক্রুজ -১ যোগে মেঘনার নদীর উত্তর পাড়ের নলচিরা ঘাটে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে আবহাওয়ার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আগের আদেশ অনুযায়ী যথারীতি নৌ যোগাযোগ বন্ধ থাকবে।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

শেরপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
৩১ মে, ২০২৫ ১৮:৮
অনলাইন ডেস্ক
শেরপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু

শেরপুরের নকলা ও নালিতাবাড়ীতে বজ্রপাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ মে) দুপুরে পৃথক এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—নকলার টালকি ইউনিয়নের পশ্চিম বড়পাগলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে ছমির উদ্দিন (৫৫) এবং নালিতাবাড়ীর কাকরকান্দি ইউনিয়নের পূর্ব মানিককুড়া গ্রামের খোরশেদ আলমের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৪৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাজেরা বেগম দুপুর দেড়টার দিকে তার নাতনিকে মাদ্রাসা থেকে আনতে গিয়ে মানিককুড়া গ্রামের হাজীমোড় এলাকায় বজ্রপাতে মারা যান। 

অন্যদিকে, ছমির উদ্দিন দুপুর ২টার দিকে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে বজ্রপাতে আক্রান্ত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা এবং নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নোয়াখালীতে পানি নিষ্কাশন বিরোধে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

    জেলা প্রতিনিধি
    ৩১ মে, ২০২৫ ১৭:৩৬
    জেলা প্রতিনিধি
    নোয়াখালীতে পানি নিষ্কাশন বিরোধে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

    নোয়াখালীর চাটখিলে পানি নিষ্কাশনের বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের মারধরে কৃষ্ণধন দেবনাথ (৬৫) নামে বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার (৩০ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মধ্য বদলকোট গ্রামের লালু ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত কৃষ্ণধন একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বদলকোট গ্রামের মৃত মনমোহন দেবনাথের ছেলে।  

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিহত কৃষ্ণধনের জায়গার ওপর দিয়ে তার চাচাতো ভাই রিপন দেবনাথ (৪০) ও তার ভাই শিপন দেবনাথের বাড়ির আঙ্গিনার পানি নিষ্কাশিত হয়। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পানি নিষ্কাশন নিয়ে কৃষ্ণধনের সাথে রিপন ও শিপনের বাকবিতন্ডা বেধে যায়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ একপর্যায়ে রিপনও শিপনের মারধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কৃষ্ণধন। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার রিপন দেবনাথ (৪০) ও তার ভাই শিপন দেবনাথের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।  তাই এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য দেওয়া যায়নি।      
     
    চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। নিহতের হাতে একটু ফুলা, মুখে হালকা জখম রয়েছে। তবে নিহতের শরীরে মারা যাওয়ার মত গুরুত্বর কোনো আঘাতের চিহৃ নেই।

    ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী আরো বলেন, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হবে। পরবর্তীতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।    
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মেঘনায় ৩৯ যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবি, ২ পুলিশসহ নিখোঁজ-১৯

      জেলা প্রতিনিধি
      ৩১ মে, ২০২৫ ১৭:৩২
      জেলা প্রতিনিধি
      মেঘনায় ৩৯ যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবি, ২ পুলিশসহ নিখোঁজ-১৯

      নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ঝড়ো বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি  ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনো ২ পুলিশ সদস্যসহ নিখোঁজ রয়েছেন ১৯ যাত্রী।

      শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  

      এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কুতুব উদ্দিন ও হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা।

      খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ  ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। তাৎক্ষণিক ভাসানচর থানার ওসি বিষয়টি নৌবাহিনী,কোস্টগার্ডকে জানান।

      হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ১৯-২০জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ২পুলিশ সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।  
       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জীবিত ব্যক্তিকে জুলাই ‘শহীদ’ দেখিয়ে হত্যা মামলা

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩১ মে, ২০২৫ ১২:৩২
        অনলাইন ডেস্ক
        জীবিত ব্যক্তিকে জুলাই ‘শহীদ’ দেখিয়ে হত্যা মামলা
        সুলাইমান সেলিম/ ছবি সংগৃহীত

        ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সোলায়মান সেলিম নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার শিকার হয়েছেন। তিনি দাবি করছেন, গত জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনে তাকে মৃত দেখিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়টি তিনি জানতে পারেন যখন পুলিশ তার ঠিকানায় ওই হত্যা মামলার তদন্তে যায়। অর্থাৎ, জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাকে আন্দোলনে শহীদ গণ্য করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

        এ নিয়ে বিবিসি বাংলা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া এলাকার সোলায়মান সেলিমকে জুলাই আন্দোলনে মৃত দেখিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। মামলাটির বাদী সেলিমের আপন বড় ভাই। মামলায় প্রধান আসামি শেখ হাসিনা। এছাড়া ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান কামাল, শামীম ওসমানসহ ৪১ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও দেড়শ থেকে দুশজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে।

        প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে—  জীবনের নিরাপত্তার শঙ্কা থেকে স্থানীয় থানায় সম্প্রতি একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন সেলিম। হত্যা মামলার বাদীর পাশাপাশি যে দুজন সাক্ষী তারাও তার আপন ভাই বলে ডায়রিতে উল্লেখ করে তিনি। তিন ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব থাকার কথাও জানান সেলিম।

        তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আতঙ্কের মধ্যে আছেন। তার সন্দেহ পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ভাই সাজানো হত্যা মামলা দিয়ে থাকতে পারে।

        সেলিম বলেন, জীবিত থাকতে যদি কেউ মৃত দেখায়, তার চেয়ে দুঃখ আর কী হতে পারে? আমার ভাইয়েরাই দেখাইছে আমি নাকি মারা গেছি।

        তিনি আরও বলেন, আমারে মারার জন্যই এই মামলা করছে, জুলাই আন্দোলনকে উছিলা করে। এর মধ্যে আমারে মারতে পারলে এই মামলায় যারা আসামি তারা বিনা কারণে জেল খাটতো।

        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত