শিরোনাম
নোয়াখালীতে পানি নিষ্কাশন বিরোধে প্রাণ গেল বৃদ্ধার
নোয়াখালীর চাটখিলে পানি নিষ্কাশনের বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের মারধরে কৃষ্ণধন দেবনাথ (৬৫) নামে বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৩০ মে) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মধ্য বদলকোট গ্রামের লালু ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষ্ণধন একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বদলকোট গ্রামের মৃত মনমোহন দেবনাথের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নিহত কৃষ্ণধনের জায়গার ওপর দিয়ে তার চাচাতো ভাই রিপন দেবনাথ (৪০) ও তার ভাই শিপন দেবনাথের বাড়ির আঙ্গিনার পানি নিষ্কাশিত হয়। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে পানি নিষ্কাশন নিয়ে কৃষ্ণধনের সাথে রিপন ও শিপনের বাকবিতন্ডা বেধে যায়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ একপর্যায়ে রিপনও শিপনের মারধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কৃষ্ণধন। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার রিপন দেবনাথ (৪০) ও তার ভাই শিপন দেবনাথের মুঠোফোনে কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য দেওয়া যায়নি।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। নিহতের হাতে একটু ফুলা, মুখে হালকা জখম রয়েছে। তবে নিহতের শরীরে মারা যাওয়ার মত গুরুত্বর কোনো আঘাতের চিহৃ নেই।
ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী আরো বলেন, মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হবে। পরবর্তীতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেঘনায় ৩৯ যাত্রী নিয়ে ট্রলার ডুবি, ২ পুলিশসহ নিখোঁজ-১৯
নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ঝড়ো বাতাস ও ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এ ঘটনায় এখনো ২ পুলিশ সদস্যসহ নিখোঁজ রয়েছেন ১৯ যাত্রী।
শনিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার করিম বাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কুতুব উদ্দিন ও হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে ভাসানচর থেকে ৪জন পুলিশ সদস্য, রোহিঙ্গা রোগী, আনসার সদস্য ও বিভিন্ন এনজি সংস্থার লোকসহ ৩৯জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার হরণী ইউনিয়নের আলী বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। যাত্রা পথে ভাসানচর থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে করিমবাজার সংলগ্ন ডুবারচরের মেঘনা নদীতে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। তাৎক্ষণিক ভাসানচর থানার ওসি বিষয়টি নৌবাহিনী,কোস্টগার্ডকে জানান।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, ৩৯জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ১৯-২০জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ২পুলিশ সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।
জীবিত ব্যক্তিকে জুলাই ‘শহীদ’ দেখিয়ে হত্যা মামলা
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সোলায়মান সেলিম নামের এক ব্যক্তি সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার শিকার হয়েছেন। তিনি দাবি করছেন, গত জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনে তাকে মৃত দেখিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়টি তিনি জানতে পারেন যখন পুলিশ তার ঠিকানায় ওই হত্যা মামলার তদন্তে যায়। অর্থাৎ, জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাকে আন্দোলনে শহীদ গণ্য করে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
এ নিয়ে বিবিসি বাংলা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া এলাকার সোলায়মান সেলিমকে জুলাই আন্দোলনে মৃত দেখিয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। মামলাটির বাদী সেলিমের আপন বড় ভাই। মামলায় প্রধান আসামি শেখ হাসিনা। এছাড়া ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান কামাল, শামীম ওসমানসহ ৪১ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও দেড়শ থেকে দুশজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে— জীবনের নিরাপত্তার শঙ্কা থেকে স্থানীয় থানায় সম্প্রতি একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন সেলিম। হত্যা মামলার বাদীর পাশাপাশি যে দুজন সাক্ষী তারাও তার আপন ভাই বলে ডায়রিতে উল্লেখ করে তিনি। তিন ভাইয়ের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব থাকার কথাও জানান সেলিম।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি আতঙ্কের মধ্যে আছেন। তার সন্দেহ পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ভাই সাজানো হত্যা মামলা দিয়ে থাকতে পারে।
সেলিম বলেন, জীবিত থাকতে যদি কেউ মৃত দেখায়, তার চেয়ে দুঃখ আর কী হতে পারে? আমার ভাইয়েরাই দেখাইছে আমি নাকি মারা গেছি।
তিনি আরও বলেন, আমারে মারার জন্যই এই মামলা করছে, জুলাই আন্দোলনকে উছিলা করে। এর মধ্যে আমারে মারতে পারলে এই মামলায় যারা আসামি তারা বিনা কারণে জেল খাটতো।
তিন সীমান্ত দিয়ে ৬৪ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করল বিএসএফ
মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ফেনী সীমান্ত দিয়ে আরও ৬৪ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করা হয়। পরে বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে দেখতে পেয়ে তাদের আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তাদের বেশিরভাগের বাড়ি কুড়িগ্রামে। অনেকেই কাজের জন্য ভারতে গিয়েছিলেন।
মৌলভীবাজারে ২৯ জনকে পুশইন
মৌলভীবাজারের জুড়ি ও কমলগঞ্জ উপজেলার তিনটি সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার ২৯ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় বিএসএফ। জুড়ির রাজকি ও কমলগঞ্জের বিওপির সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজকি সীমান্ত দিয়ে নারী পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশইন করা হয়। একই সময়ে কমলগঞ্জ উপজেলার বাগিছড়া ও চাম্পাপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী পুরুষ ও শিশুসহ আরও ১৪ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। তাদের আটক করে স্থানীয় ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিজিবি।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা সবাই বাংলাদেশের কুড়িগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। তাদের জিজ্ঞেসাবাদ শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল তারা। বিজিবি ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো জাকারিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি রাজকি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার আবুল হাশেম ১০ জন আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
চুনারুঘাট সীমান্তে শিশুসহ ২২ জনকে পুশইন
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্তে আবারও বিএসএফ ২২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইন করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রেমা বিওপির আওতাধীন ডেবরাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের টহল দল ঘটনাস্থল থেকে ৯ জন পুরুষ, ৮ জন নারী এবং ৫ জন শিশুকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাসনাবাদ এলাকার মৃত ওসমান মিয়ার ছেলে জোহর আলী (৮০), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (৬০), তাদের ছেলে মো. আরিফ (১৯), মো. আসাদুল (৩০), একই উপজেলার মন্ডলগড়া এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. আশরাফুল (৩৫), তার স্ত্রী মোছা. জাহানারা (৩০), মেয়ে মোছা. কাকলী (১০) ও মোছা. আশরাফী (৬), কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার স্বাধীর গ্রামের মৃত নবাব উদ্দিনের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (৩৫) ও তার স্ত্রী মোছা. আফরোজা (২৪), ফুলবাড়িয়া উপজেলার মৃত শাহনবী এলাকার মো. আ. হামিদ (৪২), মোছা. রেহানা বেগম (৪০), তাদের ছেলে মো. সুজন (২২), মেয়ে মোছা. হাসি খাতুন (১৮), একই এলাকার মো. সুজন মিয়ার স্ত্রী মোছা. পারভীন বেগম (২১), আব্দুল হামিদের ছেলে মো. শাহিনুর (৩), মো. হাসানুর (৭), ফুলবাড়িয়া উপজেলার মৃত স্বরেশ আলীর ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৫০), তার স্ত্রী মোছা. ফাতেমা বেগম (৪৭), ছেলে মো. ইমরান হোসেন, মো. ইমরান হোসেনের স্ত্রী মোছা. সাবিনা (২০), একই উপজেলার কাশিপুর এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে (২২) মো. ইসমাইল হোসেন (২)।
বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনার তিন দিন আগে ২৬ মে একই উপজেলার কালেঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইন করেছিল।
ছাগলনাইয়া সীমান্তে পরিত্যক্ত ঘরে শিশুসহ ১৩ জন
ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্তে ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইন করেছে বিএসএফ। শুক্রবার ভোরে ছাগলনাইয়া সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় ছাগলনাইয়া বিওপির টহল দল মথুয়া এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে শিশুসহ ১৩ জনকে দেখে সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৩ জন মহিলা এবং ৬ জন শিশু রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা বিভিন্ন সময় ইট ভাটার কাজ করার জন্য ভারতে যান। ৩০ মে রাত দেড়টার দিকে সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ তাদের প্রথমে হাত ও চোখ বেঁধে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যায়। পরে হাত ও চোখের বাঁধন খুলে বাংলাদেশে পুশইন করে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও অন্ধকারের কারণে তারা মথুয়া এলাকায় পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে অবস্থান করে। তাদের সকলেই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা। তারা হলেন, কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী থানার নাগদেহ গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে মো. আলতাফ (৩৯), আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোমিনা বেগম (৩২)। একই পরিবারের অন্য পাঁচজন হলেন, ফুলবাড়ী থানার পানি মাছ কুটি গ্রামের জকিরল হকের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (৩৮), মো. আমিনুলের স্ত্রী উর্মি বেগম (২৯), মো. আমিনুলের ছেলে ওহিদুল ইসলাম (১১), মো. রেজাউল হক (৯), আরিফা আক্তার (৩)। একই পরিবার আরও ৫ জন হলেন, ফুলবাড়ী থানার পানি মাছ কুটি গ্রামের জকিরুল হকের ছেলে মোমিনুল হক (৩৫), মোমিনুল হকের স্ত্রী শেফালী বেগম (৩০), মোমিনুল হকের মেয়ে মনিজা আক্তার (১৩), মনজু আক্তার (১০), মোমিনুল হকের ছেলে রমজান আলী (৩ মাস)। কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানার ছোট ধনিসরকাটা গ্রামের জামাল হোসেনের ছেলে মো. ইশরাক হোসেন (৪০)।
ফেনী ৪ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডারের কাছে মৌখিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার।
ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে মুমতাজ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর মাদ্রাসা বিভাগের উদ্যোগে আজ ৩০ মে সকাল ৯টায় নগরীর পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন মহানগর কার্যালয়ে কৃতি মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর সভাপতি শরিফুল ইসলাম খালিদ। সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর মাদ্রাসা সম্পাদক আব্দুল আউয়াল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি জনাব মোজাম্মেল হক আকন্দ। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মহানগর স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক ফারহান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ মহানগরের বিভিন্ন মাদ্রাসায় উত্তম ফল অর্জনকারী ১৬০ জন শিক্ষার্থীকে সম্মানসূচক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
ক্রেস্ট গ্রহণের পর কিছু শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পায় এবং তারা এ ধরনের উদ্যোগের জন্য ছাত্রশিবিরকে ধন্যবাদ ও প্রশংসা জানান।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য