ঢাকা, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ৪ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ঢাবিতে ইফতার মাহফিলে এক ছাদের নিচে সব ছাত্রসংগঠন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৪৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ঢাবিতে ইফতার মাহফিলে এক ছাদের নিচে সব ছাত্রসংগঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ নেতৈারা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। এতে প্রায় ২০টি ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা এক ছাদের নিচে অংশ নেন।

আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার: প্রত্যাশিত শিক্ষাঙ্গন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান, সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা এবং সম্প্রীতির পরিবেশ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহাদি হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ডুজার আহ্বানে প্রতি বছরই বিভিন্ন মত ও দলের প্রতিনিধিরা একত্রিত হওয়ার সুযোগ পান। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকলেও এমন আয়োজনে তাদের এক ছাদের নিচে আনা সম্ভব হয়, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। 

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ক্যাম্পাসে সবসময় রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় থাকুক। শিক্ষার্থীরা যেন সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা করার সুযোগ পায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠুক গণতান্ত্রিক চর্চার উন্মুক্ত ক্ষেত্র।’ 

ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে এবং অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতিও তুলে ধরে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়। 

উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, এই ধরনের আয়োজন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সংলাপের সুযোগ তৈরি করে, যা ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ শক্তিশালী করতে সহায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্প্রীতির ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কাজ করছে। 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকরা সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থিতিশীলতা ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 

ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারাও ক্যাম্পাসে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘ক্যাম্পাসে যে ‘‘মব সংস্কৃতি’’ তৈরি হয়েছিল, তা আসন্ন ছাত্রসংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। ঢাবিতে যেন অযথা কোনো মব তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

তিনি ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বন্ধের আহ্বান জানান এবং ভুয়া ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আজকের গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস ও দেশ আমরা পেয়েছি জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাদের আত্মত্যাগের কথা আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে।’ তিনি ডাকসু নির্বাচনকে বার্ষিক ক্যালেন্ডারের আওতায় আনার দাবি জানান। 

বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল বলেন, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি। 

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও শিক্ষাঙ্গনে সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখা জরুরি। তিনি সব ছাত্রসংগঠনকে সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতা পরিহার করে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। 

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান, ছাত্রপক্ষের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স, ছাত্র ফেডারেশনের ঢাবি শাখার আহ্বায়ক আরমানুল হক, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মুনতাসীর আহমেদ, এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্কসবাদী)-এর সভাপতি সালমান সিদ্দিকী। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৪২ দশমিক ৯৬

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৬:৪৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৪২ দশমিক ৯৬

    ডেস্ক রিপোর্ট: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রথম বর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের জীববিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে পাসের হার ৪২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

    বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩১ হাজার ৬৬৮ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। যার মধ্যে ১৭ হাজার ৬৬৪ জন ছাত্র এবং ১৪ হাজার চারজন ছাত্রী।

    জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার বলেন, ‘ডি' ইউনিটে ছাত্রী আবেদনকারী ছিল ৪৭ হাজার ৬৯২ জন, পাস করেছে ১৭ হাজার ৬৬৪ জন। পাসের হার ৪৪ দশমিক ২২ শতাংশ। ছাত্র আবেদনকারী ছিল ৩৯ হাজার ৭৬ জন, পাস করেছে ১৪ হাজার চারজন। পাসের হার ৪১ দশমিক ৭০।

    এবার 'ডি' ইউনিটভুক্ত জীববিজ্ঞান অনুষদে ছাত্রীদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি এবং ছাত্রদের আসন সংখ্যা ১৫৫টি। এরমধ্যে ছাত্রীদের পরীক্ষায় প্রায় ৪৭ হাজার ৬৯২ জন পরীক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছিল। উপস্থিত ছিলেন ৩৯ হাজার ৯৬৮ জন ভর্তিচ্ছু।

    অন্যদিকে ছাত্রদের পরীক্ষায় প্রায় ৩৯ হাজার ৭৬ জন পরীক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছিল। এরমধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩৩ হাজার ৭১২ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। সে হিসেবে ভর্তিচ্ছু ছাত্রীদের উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৮৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। ছাত্রদের উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৮৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বসন্তের আগমনী বার্তায় আলপনায় সাজছে রাজশাহী কলেজ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৪:৪৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বসন্তের আগমনী বার্তায় আলপনায় সাজছে রাজশাহী কলেজ

      মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম: "ঋতুরাজ বসন্ত মানেই প্রকৃতিতে প্রাণবন্ততার নতুন ছোঁয়া, রঙিন ফুলের হাসি, শীতের তীব্রতা শেষে প্রকৃতির মাঝে ঠান্ডা-গরমের সোনালী মিশ্রণ"-পুষ্পিত সৌরভে এভাবেই ঋতুরাজ বসন্ত তার আগমনের বার্তা নিয়ে প্রকৃতির দরজায় কড়া নাড়ছে।

      ঋতুরাজ বসন্তকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির রঙ বেরঙের বাহারি ফুলের পাশাপাশি রং তুলির আঁচড়ে সেজে উঠেছে দেশসেরা বিদ্যাপীঠ রাজশাহী কলেজ।

      বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় রজনীকান্ত সেন মঞ্চের সামনে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন রাজশাহী কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ২৫ জন শিক্ষার্থী, যারা আগামী দুই দিন ধরে কলেজ প্রাঙ্গণকে বসন্তের রঙে রাঙিয়ে তুলবেন।

      অগ্নীবীণা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ফাহমিদা আক্তার রেখা এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর মূল কার্যক্রমের দায়িত্বে রয়েছেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. রাবেয়া খাতুন। তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে চলেছেন অগ্নিবীণা পরিষদের শিক্ষক উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসেন।

      সরেজমিনে দেখা যায়, হরেক রকমের রং-তুলির ছোঁয়া লাগেছে ক্যাম্পাসের মাটিতে। লাল, নীল, সবুজ, হলুদসহ নানা রঙের তুলিতে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন আলপনা । কলেজের রবীন্দ্র-নজরুল চত্বর, স্বাধীনতা চত্বর, হাজী মোহাম্মদ মহসিন ভবনের সামনের রাস্তা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনের অংশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাঙালী ও লোকশিল্পের অন্যতম অংশ আলপনায় শোভা পাচ্ছে ।

      অগ্নিবীণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোছা. রাবেয়া খাতুন বলেন, প্রতিবছর অগ্নীবীণার সদস্যরা বসন্তকে বরণ করতে এই আয়োজন করে। সারা বছর আমরা এই সময়টার অপেক্ষায় থাকি। রাজশাহী কলেজের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তুলতে আমরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে চাই।

      অগ্নিবীণা পরিষদের উপদেষ্টা ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: ইকবাল হোসেন বলেন, এটা তাদের বার্ষিক একটি কার্যক্রম। তারা প্রতিবছরই এইভাবে কাজ করে যেতে চায়। যদি কোনো অর্থায়ন বা ফান্ড তাদের পরিষদকে সহযোগীতা করেন তাহলে তাদের এই পরিষদ আরও অনেক ভালোভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

      এ বছর কলেজের দেয়াল ও বিভিন্ন স্থান সেজেছে বর্ণিল চিত্রকর্মে। কোথাও ফুটে উঠেছে গ্রামবাংলার বসন্ত উৎসব, কোথাও রয়েছে বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তিদের প্রতিচ্ছবি। পলাশ, শিমুল আর কৃষ্ণচূড়ার রঙের সঙ্গে মিলিয়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন আলপনা। শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ কলেজের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস নিয়ে এই সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। অনেকেই ছবি তুলে স্মৃতি সংরক্ষণ করছেন, কেউবা বসন্তের এই উৎসবকে নিয়ে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৩:৫৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠন

        মেহরাব হোসেন, ববি প্রতিনিধি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কমিটি আগামী ৬ মাসের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে রাকিব আহমেদকে আহ্বায়ক ও সিরাজুল ইসলামকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

        বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেল স্বাক্ষরিত একপত্রে এই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

        কমিটিতে মো. শাহেদ হোসেনকে মুখ্য সংগঠক, মো. মাইনুল ইসলামকে মুখপাত্র, মো.জাহিদুল ইসলাম ও শারমিলা জামান সেঁজুতিকে সহ মুখপাত্র করা হয়।

        এছাড়া ১৫ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৪ জনকে যুগ্ম সদস্য সচিব, ৮ জনকে সংগঠক ও ৩২ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          হেল্পার চালাচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস, প্রাণ গেল পথচারীর

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৩:১১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          হেল্পার চালাচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস, প্রাণ গেল পথচারীর

          পাবিপ্রবি প্রতিনিধি: পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) বাসের চাপায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে পাবনা শহরের অনন্ত বাজার সংলগ্ন দক্ষিণ রঘবপুর মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পথচারীর নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি, তবে তার বয়স আনুমানিক পঞ্চাশ (৫০) বলে নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানা পুলিশ।

          প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে পাবনা শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস অনন্ত বাজারের দিকে আসছিলো, মসজিদের সামনে দিয়ে এক পথচারী রাস্তা অতিক্রম করতে নিলে বাসটি ঐ পথচারীকে ধাক্কা দেয়। বাসটি পথচারীরকে গাড়ির নিচে করে ১৫-২০ ফিট ছেঁচড়ে নিয়ে যায়। এরপর গাড়িটি থামানোর ২-৩ মিনিটের মধ্যেই ঐ পথচারী মৃত্যুবরণ করেন।

          তবে গাড়িতে থাকা যাত্রীরা জানান, সকালের স্টাফ বাস লাইব্রেরি বাজার দিয়ে অনন্ত হয়ে ক্যাম্পাসে যাচ্ছিলো। অনন্ত একালায় গাড়ি আসলে গাড়ির গতি কমানো হয় কিন্তু হুট করেই রাস্তা পাড় হতে এক পথচারী বাসের সামনে চলে আসেন। চালক গাড়ি থামানোর আগেই তিনি বাসের চাকার নিচে পড়ে যান। এরপর গাড়ি থামানোর ২-৩ মিনিটের ঐ পথচারীর মৃত্যু হয়।

          খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাসের চালকের নাম জালাল। তিনি বাসের একজন হেল্পার। বাসের চালকরা অনুপস্থিত থাকলে তিনি নিয়মিতই গাড়ি চালান। শুধু জালালই না, তিনজন হেল্পার নিয়মিতই চালকদের অনুপস্থিতিতে গাড়ি চালান।

          গাড়িতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক স্টাফ বলেন, ‘নিয়মিত চালক হলে এই দুর্ঘটনাটা নাও হতে পারতো। ঐ পথচারী কখন গাড়ির সামনে চলে আসেন সেটা চালক খেয়াল করেননি। গাড়ির যাত্রীরা বলার পরে তিনি গাড়ি থামিয়েছেন।’

          নিহত পথচারীর বিষয়ে পাবনা সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, ‘রাস্তা পারাপারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসটি তাকে ধাক্কা দেয়। খুব জোরে ধাক্কা লাগার কারণে লোকটি সেখানেই মারা যায়। আমরা প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছি। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু লাশের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি ’

          এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের প্রশাসক অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, ‘স্টাফ বাসের বাসটি ভার্সিটি থেকে বের হয়ে লাইব্রেরী বাজার হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফেরত আসে। ফেরত আসার সময় এ ঘটনাটি ঘটে, সকাল ৮:৪০ মিনিটের এর দিকে। আমি নিজে গিয়ে লাশটি দেখে এসেছি। যদি তদন্তে ড্রাইভারের কোনো ভুল উঠে আসে আমরা ব্যবস্থা নিবো।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত