ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
অনলাইন ডেস্ক
৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজারের মতো ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে মেনে নিয়েছে ইসরায়েল।

গতকাল শুক্রবার জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আল জাজিরার এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

এর আগে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত নিহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ইসরায়েল। যদিও জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরেই গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নথিভুক্ত নিহতের সংখ্যা নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। তবে এদিকে ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হামাসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের দেয়া তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতদের নাম ও বয়স প্রকাশ করে থাকে। সর্বশেষ হিসেবে তারা জানিয়েছে, মোট নিহতের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অক্টোবরে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৪৮০ জনের বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, আরও বহু মানুষ গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও যোদ্ধাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা না হলেও অধিকাংশ নিহত নারী ও শিশু বলে উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ের বরাত দিয়ে ইসরায়েলের ওয়াইনেট নিউজ ওয়েবসাইটসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানায়, সামরিক বাহিনীও প্রায় একই ধরনের একটি হিসেব মেনে নিয়েছে।

ওয়াইনেটকে এক সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ৭০ হাজার গাজাবাসী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত নন। (হতাহতদের মধ্যে) কারা সন্ত্রাসী ছিলেন আর কারা সরাসরি জড়িত ছিলেন না—এটি নির্ধারণে আমরা এখন কাজ করছি।’

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, ‘এই বিষয়ে যেকোনো তথ্য বা প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিক ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ট্রাম্পের অনুরোধে ইউক্রেনে হামলায় বিরতি দিলো রাশিয়া

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ট্রাম্পের অনুরোধে ইউক্রেনে হামলায় বিরতি দিলো রাশিয়া

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে ইউক্রেনে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা স্থগিত করেছে রাশিয়া। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই বিরতি চলবে।

    গতকাল ৩০ জানুয়ারি এক ব্রিফিংয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র ও প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “আমরা আশা করছি এই বিরতি (যুদ্ধাবসান) আলোচনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে।”

    এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য জানাননি পেসকভ। ইউক্রেনের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে কি না কিংবা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনও হামলায় বিরতি দেবে কি না— এসব প্রশ্নেরও কোনো উত্তর দেননি তিনি।

    গত ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “ইউক্রেনে আগামী এক সপ্তাহ কোনো হামলা চালাবে না রুশ বাহিনী। কারণ সেখানে মারাত্মক শীত পড়েছে…আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিয়েভ ও অন্যান্য শহরে হামলা বন্ধের জন্য তাকে আহ্বান জানিয়েছিলাম এবং তিনি তাতে রাজী হয়েছেন। আমাদের আলোচনা ছিল খুবই চমৎকার।”

    আগের দিন বুধবার ইউক্রেনের জনৈক এমপি অ্যালেক্সেই গোনচারেঙ্কো সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করেছিলেন, ইউক্রেনের বিদ্যুৎখাতে হামলা বন্ধের ব্যাপারে কিয়েভ ও মস্কোর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ইউক্রেনে এখন তীব্র ঠাণ্ডা চলছে। বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় গড় তাপমাত্রা মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিন্তু সামনের রোববার থেকে এই তাপমাত্রা আরও কমে মাইনাস ১৩ ডিগ্রিতে নেমে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউক্রেনের আবহাওয়া দপ্তর।

    ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া সেই অভিযান এখনও চলছে।

    অভিযানে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ও সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবারহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করেও হামলা করছে রুশ সেনারা। সর্বশেষ গত ২৬ জানুয়ারি রাতভর রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় রুশ বাহিনী। এতে বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে ইউক্রেনের ১ হাজার ৩৩০টি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনসহ ১২ লক্ষাধিক বাড়িঘর।

    বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের বিদ্যুৎমন্ত্রী ডেনিস শ্মিগাল জানিয়েছেন, সরকার বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে, তবে এখনও ১০ লাখের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

    সূত্র : আরটি

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরানে বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ৫ হাজার

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৪
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরানে বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ৫ হাজার

      ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। ইরানের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

      ওই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, বিক্ষোভের সময় ‘সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজেরা নিরীহ ইরানিদের’ ওপর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল।

      অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে সেখান থেকে সরকার পতনের ডাক দেওয়া হয়। বিক্ষোভ তীব্র হলে ৮ জানুয়ারি ইন্টারনেট বন্ধ করে মাঠে নামানো হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরপর ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। যদিও ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে সে সময় হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।

      এরই মধ্যে রোববার (১৮ জানুয়ারি) রয়টার্সকে ৫ হাজার জনের প্রাণহানির তথ্যের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান ইরানের ওই কর্মকর্তা। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, বিক্ষোভে সবচেয়ে বড় সংঘাতের কিছু ঘটনা ঘটেছে উত্তর-পশ্চিম ইরানের কুর্দিশ অঞ্চলে। সেখানে সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের চূড়ান্ত সংখ্যা ৫ হাজারের খুব বেশি হবে না বলে আশা ওই কর্মকর্তার।

      ইরানি ওই কর্মকর্তার দাবি ‘ইসরাইল ও বিদেশি বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর’ সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করেছে এবং অস্ত্র দিয়েছে। শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও বলেছিলেন, তার দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দায়ী। বিদেশি অপরাধীদের বিনা শাস্তিতে পার পেতে দেবেন না—এমন হুঁশিয়ারও দেন তিনি।

      ইরানি কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের আগে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ ইরানে বিক্ষোভ ঘিরে নিহতদের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য দিয়েছিল। শনিবার তারা জানায়, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ৩ হাজার ৩০৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করতে পেরেছে তারা। আরও ৪ হাজার ৩৮২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীকে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামাল আইস এজেন্টরা

        আন্তর্জাতিক ডেস্ক
        ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৭
        আন্তর্জাতিক ডেস্ক
        যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীকে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামাল আইস এজেন্টরা

        যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে এক নারীকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে আটক করেছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইস) এজেন্টরা। আলিয়া রহমান নামের এই নারী একজন সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং মানবাধিকার ও এলজিবিটি অধিকারকর্মী। তার শৈশবের একটি বড় অংশ কেটেছে বাংলাদেশে।

        ঘটনাটি গত মঙ্গলবারের। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযানে এসেছিলেন আইস এজেন্টরা। তাদের এই অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামেন স্থানীয় লোকজন। এসময় আলিয়া তার গাড়ি নিয়ে মুখোশধারী এজেন্টদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।

        সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুখোশধারী এজেন্টরা আলিয়ার গাড়ির কাচ ভেঙে তাকে জোর করে বের করে আনছেন। এ সময় আলিয়া নিজেকে অসুস্থ দাবি করে বলেন তিনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আশপাশে থাকা বিক্ষোভকারীরাও তখন চিৎকার করে আইস এজেন্টদের থামতে বলছিলেন।

        ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা সংক্ষেপে 'আইসিই' যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীন একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই সংস্থাটির কর্মীরা 'আইস এজেন্ট' হিসেবে পরিচিত। এই সংস্থার সদস্যরা বা এজেন্টরা মূলত অভিবাসন আইন প্রয়োগ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনের কাজ করে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের আটক, বিচার ও ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) দায়িত্বও এই সংস্থার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির কারণে আইস এজেন্টদের তৎপরতা সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারী সোলতানির মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫০
          অনলাইন ডেস্ক
          গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারী সোলতানির মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

          ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত তরুণ এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে দেশটির সরকার। তার পরিবারের সদস্য এবং নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও-এর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

          ২৬ বছর বয়সী তরুণ এরফান সোলায়মানি পেশায় দোকানব্যবসায়ী। রাজধানী তেহরানের শহরতলী এলাকা কারাজে তার বাসা। সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার অভিযোগে গত ৮ জানুয়ারি কারাজে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। তারপর মাত্র তিন দিনের বিচারের ভিত্তিতে তাকে ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়।

          আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় সোলতানির পরিবারের কোনো স্বজন কিংবা বন্ধুকে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা গেছে, সোলতানির বোন একজন নিবন্ধিত ও পেশাদার আইনজীবী। তিনিও থাকতে পারেননি। গতকাল বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল।

          সোলতানির আত্মীয় সোমায়েহ নামের এক নারী সিএনএনকে বলেছেন, “তারা খবর পেয়েছি যে সোলতানির দণ্ড কার্যকর হয়নি। তবে তার দণ্ড এখন পর্যন্ত বাতিলও হয়নি। আমরা আরও তথ্যের অপেক্ষায় আছি।”

          পরে মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও এক প্রতিবেদনে জানায় যে সোলতানির মৃত্যুদন্ড স্থগিত করা হয়েছে।

          গতকাল বুধবার ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে এক মত বিনিময়সভায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ হয়েছে এবং আটক কিংবা গ্রেপ্তার কারো মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনাও স্থগিত রেখেছে ইরান। আমরা নির্ভরযোগ্য কর্তৃপক্ষ থেকে এ তথ্যের নিশ্চয়তা পেয়েছি।”

          তিনি এই মন্তব্য করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সোলতানির মৃত্যুদন্ড স্থগিতের সংবাদ আসে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত