ঢাকা, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ২১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশে শুল্কারোপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৯
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশে শুল্কারোপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশের ওপর ব্যবসায় ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রদান করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের একটি পোস্টে এই মুহূর্ত থেকেই ওই হারে শুল্ক কার্যকর হল বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সরকার বিরোধী আন্দোলনে যখন তপ্ত ইরান, সেই আবহে তেহরানের উপর চাপ সৃষ্টি করতেই নতুন হারে শুল্কের ঘোষণা করা হল বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পোস্টে ট্রাম্প লেখেন- তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা যেকোনো এবং সমস্ত ব্যবসায়ের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রদান করবে। এই আদেশটি চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপ করা ব্যাপক নিষেধাজ্ঞায় ইরান ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিকভাবে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:২২
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি

    সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে প্রথমবারের মতো একজন বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান।

    নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে বুধবার ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।

    এদিকে ইরান হিউম্যান রাইটস এবং ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্র্যাসি ইন ইরানের তথ্যানুযায়ী, গত সপ্তাহে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালে এরফান সোলতানিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার পরিবারকে জানানো হয়, তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ১৪ জানুয়ারি সেই দণ্ড কার্যকর হতে পারে।

    ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ১৯৮০-এর দশকের মানবতাবিরোধী অপরাধের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।’ 

    ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্র্যাসি ইন ইরান জানিয়েছে, এরফান সোলতানির একমাত্র অপরাধ ছিল ইরানের জন্য স্বাধীনতার দাবি তোলা। সংগঠনটি তার মৃত্যুদণ্ড ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। 

    এছাড়া ওই সংগঠনটির দাবি, গ্রেপ্তারের পর তাকে আইনজীবীর সহায়তাও দেওয়া হয়নি।

    এদিকে মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এরফান সোলতানির বিরুদ্ধে ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’র অভিযোগ আনা হয়েছে, যা ইরানে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। তবে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত থাকায় এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, ইরানের অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন

    এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ‘বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।’

    এদিকে কূটনীতি তাদের প্রথম পছন্দ উল্লেখ করে প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের রাস্তায় মানুষ নিহত হওয়া দেখতে চায় না, অথচ সেটাই এখন ঘটছে।’

    অপরদিকে কংগ্রেসের একাধিক আইনপ্রণেতা বলেন, ‘কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া কোনো দেশকে বোমা হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া সংবিধানসম্মত নয় এবং এতে উল্টো ইরানের বিক্ষোভকারীরা সরকারের পক্ষে একত্রিত হতে পারে।’

    ইরান সরকারও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরান পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং অঞ্চলজুড়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দক্ষিণ এশিয়ায় পোর্তো বিজনেস স্কুলের অফিশিয়াল কনসালট্যান্ট ‘ট্রাভেলারকি’

      আন্তর্জাতিক ডেস্ক
      ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫১
      আন্তর্জাতিক ডেস্ক
      দক্ষিণ এশিয়ায় পোর্তো বিজনেস স্কুলের অফিশিয়াল কনসালট্যান্ট ‘ট্রাভেলারকি’

      ইউরোপের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্তুগালের পোর্তো বিজনেস স্কুল (পিবিএস) দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের শিক্ষার্থী নিয়োগ ও প্রচারের জন্য অফিশিয়াল কনসালটেন্সি এজেন্সি হিসেবে ‘ট্রাভেলারকি’কে নিয়োগ দিয়েছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে সরাসরি তথ্য ও দিকনির্দেশনা পাবেন।

      বিশ্বমানের শিক্ষা ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা পিবিএস এখন থেকে ট্রাভেলারকির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের প্রসার ঘটাবে। এই সহযোগিতার ফলে ট্রাভেলারকি মূলত বিপণন, প্রচার এবং শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে। পিবিএসের যোগাযোগনীতি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন অফার, লিফলেট ও তথ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে সংস্থাটি।

      পোর্তো বিজনেস স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট জোসে এস্তিভস এই অংশীদারিত্ব নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ডাল্টন জহির ও ট্রাভেলারকিকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে স্বাগত জানাই। পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে তার ২৪ বছরের অভিজ্ঞতা পিবিএসের আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্প্রদায় সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

      আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পিবিএসের ডিরেক্টর জোয়াও কোয়েলহো ডি ম্যাগালহায়েস বলেন, ‘পিবিএসে আমরা বিশ্বাস করি নেতৃত্ব হলো অন্বেষণ ও বৃদ্ধির এক যাত্রা। আমরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করি।’ এ ছাড়া অ্যাডমিশন ডিরেক্টর অ্যাঞ্জেলিক গার্সিয়া আসন্ন শিক্ষাবর্ষে শক্তিশালী প্রচার ও শিক্ষার্থী নিয়োগের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

      উল্লেখ্য, পিবিএস ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী বিজনেস স্কুল, যা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (এফটি) র‍্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে। এটি বিশ্বের মাত্র কয়েক শতাংশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি যাদের রয়েছে ‘ট্রিপল ক্রাউন’ স্বীকৃতি (এএমবিএ, এএসিএসবি এবং ইএফএমডি)। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি পঞ্চমবারের মতো এমবিএ স্বীকৃতি নবায়ন করেছে।

      ট্রাভেলারকির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডাল্টন জহির এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য গৌরবের মুহূর্ত বয়ে এনেছেন। পর্যটন, জনসংযোগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা উন্নয়নে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জহির বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ইকোট্যুরিজম সোসাইটির ইউরোপীয় প্রেসিডেন্ট ও পর্তুগাল শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। এর আগে তিনি এফবিসিসিআই এবং টিডিএবি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

      এ ছাড়া তিনি ব্র্যাক সার্ভিসেস, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এবং অ্যাপল ও মটোরোলার মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত অন্তত ১৯২

        আন্তর্জাতিক ডেস্ক
        ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
        আন্তর্জাতিক ডেস্ক
        বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত অন্তত ১৯২

        ইরানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হওয়া গত দুই সপ্তাহের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চলমান এই সংঘাতে আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। রোববার নরওয়ে-ভিত্তিক ইরানি মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

        এতে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার ও অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে টানা দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে অন্তত ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে ইরানে বিক্ষোভে ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তবে নতুন হিসাবে সেই সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।

        বাইরের শক্তির সমর্থনে বিভিন্ন গোষ্ঠী দেশের ভেতরে দাঙ্গা চালিয়ে যাচ্ছে অভিযোগে করে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। রোববার কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের জাতীয় পুলিশ।

        ইরান হিউম্যান রাইটস বলেছে, ‘‘আমরা বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’’ সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কয়েক দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

        এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও জনগণের দাবি নিয়ে কথা বলবেন। তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষমতাসীন সরকারের অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের উপায় ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।

        দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বলেছে, জাতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে এক কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট ভর্তুকি ব্যবস্থার সংস্কারে সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেছেন এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও জনগণের দাবির জবাবে সরকারের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করেছেন। সাক্ষাৎকারটি রোববার আরও পরে সম্প্রচার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

        অন্যদিকে, ইরানে চলমান নজিরবিহীন সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ব্যাপক কঠোর অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে ‘‘সন্ত্রাসী সংগঠন’’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

        সামাািজক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার বলেছেন, সফররত জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্টকে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার এখনই সময়।’’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কী কারণে গ্রিনল্যান্ডের দখল আবশ্যক, জানালেন ট্রাম্প

          অনলাইন ডেস্ক
          ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
          অনলাইন ডেস্ক
          কী কারণে গ্রিনল্যান্ডের দখল আবশ্যক, জানালেন ট্রাম্প

          মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গ্রিনল্যান্ডের জনগণের মতামতকে তিনি অগ্রাধিকারযোগ্য বলে মনে করেন না।
          হোয়াইট হাউসে তেল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি ইস্যুতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড যদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে না থাকে, তাহলে সেখানে চীন অথবা রাশিয়া প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাঁর ভাষায়, প্রতিবেশী হিসেবে এই দুই দেশকে যুক্তরাষ্ট্র চায় না।
           

          তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৫১ সালের চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকলেও কেবল চুক্তি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। নিরাপত্তা বজায় রাখতে হলে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র তা না করলে অন্য শক্তিধর দেশ সেই দায়িত্ব নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
           

          গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ২১ লাখ বর্গকিলোমিটারের বেশি। তবে দ্বীপটির জনসংখ্যা খুবই কম—মাত্র প্রায় ৫৭ হাজার। বাসিন্দাদের বড় অংশই ইনুইট জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকার কাছাকাছি হলেও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর জনগণ ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে গণ্য।
           

          ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এই অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছে।
          এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের একাধিক দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কেরই রয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত