শিরোনাম
দক্ষিণ এশিয়ায় পোর্তো বিজনেস স্কুলের অফিশিয়াল কনসালট্যান্ট ‘ট্রাভেলারকি’
ইউরোপের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্তুগালের পোর্তো বিজনেস স্কুল (পিবিএস) দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের শিক্ষার্থী নিয়োগ ও প্রচারের জন্য অফিশিয়াল কনসালটেন্সি এজেন্সি হিসেবে ‘ট্রাভেলারকি’কে নিয়োগ দিয়েছে। এই অংশীদারিত্বের আওতায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে সরাসরি তথ্য ও দিকনির্দেশনা পাবেন।
বিশ্বমানের শিক্ষা ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা পিবিএস এখন থেকে ট্রাভেলারকির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের প্রসার ঘটাবে। এই সহযোগিতার ফলে ট্রাভেলারকি মূলত বিপণন, প্রচার এবং শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে। পিবিএসের যোগাযোগনীতি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন অফার, লিফলেট ও তথ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে সংস্থাটি।
পোর্তো বিজনেস স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট জোসে এস্তিভস এই অংশীদারিত্ব নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ডাল্টন জহির ও ট্রাভেলারকিকে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে স্বাগত জানাই। পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে তার ২৪ বছরের অভিজ্ঞতা পিবিএসের আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্প্রদায় সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পিবিএসের ডিরেক্টর জোয়াও কোয়েলহো ডি ম্যাগালহায়েস বলেন, ‘পিবিএসে আমরা বিশ্বাস করি নেতৃত্ব হলো অন্বেষণ ও বৃদ্ধির এক যাত্রা। আমরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করি।’ এ ছাড়া অ্যাডমিশন ডিরেক্টর অ্যাঞ্জেলিক গার্সিয়া আসন্ন শিক্ষাবর্ষে শক্তিশালী প্রচার ও শিক্ষার্থী নিয়োগের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, পিবিএস ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী বিজনেস স্কুল, যা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (এফটি) র্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে। এটি বিশ্বের মাত্র কয়েক শতাংশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি যাদের রয়েছে ‘ট্রিপল ক্রাউন’ স্বীকৃতি (এএমবিএ, এএসিএসবি এবং ইএফএমডি)। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি পঞ্চমবারের মতো এমবিএ স্বীকৃতি নবায়ন করেছে।
ট্রাভেলারকির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডাল্টন জহির এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য গৌরবের মুহূর্ত বয়ে এনেছেন। পর্যটন, জনসংযোগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা উন্নয়নে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন জহির বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ইকোট্যুরিজম সোসাইটির ইউরোপীয় প্রেসিডেন্ট ও পর্তুগাল শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। এর আগে তিনি এফবিসিসিআই এবং টিডিএবি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এ ছাড়া তিনি ব্র্যাক সার্ভিসেস, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এবং অ্যাপল ও মটোরোলার মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন।
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত অন্তত ১৯২
ইরানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট থেকে শুরু হওয়া গত দুই সপ্তাহের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চলমান এই সংঘাতে আহত হয়েছেন আরও হাজার হাজার মানুষ। রোববার নরওয়ে-ভিত্তিক ইরানি মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষমতাসীন সরকার ও অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে টানা দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে অন্তত ১৯২ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে ইরানে বিক্ষোভে ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তবে নতুন হিসাবে সেই সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাইরের শক্তির সমর্থনে বিভিন্ন গোষ্ঠী দেশের ভেতরে দাঙ্গা চালিয়ে যাচ্ছে অভিযোগে করে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। রোববার কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের জাতীয় পুলিশ।
ইরান হিউম্যান রাইটস বলেছে, ‘‘আমরা বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।’’ সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কয়েক দিন ধরে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, রোববার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও জনগণের দাবি নিয়ে কথা বলবেন। তিনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ক্ষমতাসীন সরকারের অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের উপায় ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বলেছে, জাতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে এক কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট ভর্তুকি ব্যবস্থার সংস্কারে সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেছেন এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও জনগণের দাবির জবাবে সরকারের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করেছেন। সাক্ষাৎকারটি রোববার আরও পরে সম্প্রচার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানে চলমান নজিরবিহীন সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ব্যাপক কঠোর অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে ‘‘সন্ত্রাসী সংগঠন’’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সামাািজক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার বলেছেন, সফররত জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্টকে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার এখনই সময়।’’
কী কারণে গ্রিনল্যান্ডের দখল আবশ্যক, জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গ্রিনল্যান্ডের জনগণের মতামতকে তিনি অগ্রাধিকারযোগ্য বলে মনে করেন না।
হোয়াইট হাউসে তেল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি ইস্যুতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড যদি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে না থাকে, তাহলে সেখানে চীন অথবা রাশিয়া প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাঁর ভাষায়, প্রতিবেশী হিসেবে এই দুই দেশকে যুক্তরাষ্ট্র চায় না।
তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৫১ সালের চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকলেও কেবল চুক্তি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। নিরাপত্তা বজায় রাখতে হলে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র তা না করলে অন্য শক্তিধর দেশ সেই দায়িত্ব নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যার আয়তন প্রায় ২১ লাখ বর্গকিলোমিটারের বেশি। তবে দ্বীপটির জনসংখ্যা খুবই কম—মাত্র প্রায় ৫৭ হাজার। বাসিন্দাদের বড় অংশই ইনুইট জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকার কাছাকাছি হলেও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর জনগণ ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিক হিসেবে গণ্য।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এই অবস্থানের বিরোধিতা করে আসছে।
এদিকে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের একাধিক দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কেরই রয়েছে।
থালাপতি বিজয়কে তলব করল সিবিআই
দক্ষিণী সুপারস্টার অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর নতুন রাজনৈতিক দল- তামিলাগা ভেটরি কাজাগামের (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়কে তলব করল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। গত বছর তামিলনাড়ুর কারুরে অভিনেতার জনসভায় পদদলিত হয়ে সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সিবিআই দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে।
গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কারুর-ইরোড হাইওয়ের ভেলুসামিপুরমে বিজয়ের একটি বিশাল জনসভা আয়োজিত হয়। সেদিন দুপুর ১২টায় সমাবেশ স্থলে পৌঁছানোর কথা থাকলেও অভিনেতা সন্ধ্যা ৭টার দিকে সভাস্থলে পৌঁছান। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার ফলে ১০ হাজার ধারণক্ষমতার সেই মাঠে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করে সামনে এগোতে থাকলে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রায় ৪১ জন প্রাণ হারায় এবং অন্তত ৬০ জন আহত হন।
পদদলিত হয়ে মৃত্যুর দায় ওঠে বিজয়ের কাঁধে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে.কে. মহেশ্বরী এবং এন.ভি. আনজারিয়ার দ্বৈত বেঞ্চ সিবিআইকে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অজয় রাস্তোগির নেতৃত্বে একটি তিন সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর বিজয়ের দল টিভিকে-এর পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়। বিজয় নিজেই এক ভিডিও বার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলো পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এদিকে অভিনেতার নতুন সিনেমা ‘জন নায়গন’ নিয়ে আইনি জটিলতায় পড়েছেন অভিনেতা। ৯ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তির কথা থাকলেও এখনও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র মেলেনি। নির্মাতার দাবি, ১৮ ডিসেম্বর সিনেমাটি জমা দেওয়া হলেও বোর্ড বিভিন্ন সংশোধনী চেয়েছে। সময়মতো সেন্সর বোর্ডের সার্টিফিকেট না পাওয়ায় থিয়েটারে অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু করা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশিদের নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট, যুক্তরাষ্ট্রে আতঙ্ক
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ইস্যুতে ধরপাকড়ের মধ্যে বাংলাদেশিদের নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক পোস্ট নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় এখন উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার পরিবেশ।
সোমবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানে দেখানো হয়, বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা কত শতাংশ সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন। ওই তালিকায় দেখা যায়, ১৯তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশি পরিবারগুলোর ৫৪ শতাংশের বেশি সরকারি সহায়তা পাচ্ছে।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বোঝা। তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা কমানোর পক্ষে। এ কারণে অনেক অভিবাসীর মধ্যে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি আইনজীবী মঈন চৌধুরী বলেন, যারা আইন মেনে বৈধভাবে থাকেন, তাদের ভয়ের কিছু নেই। তবে কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে বা অবৈধভাবে সরকারি সুবিধা নিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি গ্রিন কার্ডও বাতিল হতে পারে।
এদিকে ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্কসহ পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে এসব অঙ্গরাজ্যে চাইল্ড কেয়ার ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য