ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, নিহত ৮০০ ছাড়াল

অনলাইন ডেস্ক
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৫:০
অনলাইন ডেস্ক
শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, নিহত ৮০০ ছাড়াল

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে গভীর রাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৮০০ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও আড়াই হাজার মানুষ। দেশটির কুনার প্রদেশে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে।

রোববার গভীর রাতে দেশটির পূর্বাঞ্চলে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। ধ্বংসস্তূপে শত শত মানুষ চাপা পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। জাতিসংঘ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ৮০০ জন নিহত এবং আড়াই হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির সরকারি মুখপাত্র মৌলভি জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এদিকে আফগানিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যম টোলোনিউজ প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, কুনারের মাজার ভ্যালিতে শত শত মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “শিশু, নারী ও প্রবীণরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। বাইরের সহায়তা না পেলে তাদের বের করা সম্ভব নয়।”

ভয়াবহ এই ভূমিকম্প ও প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে আফগানিস্তানে অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয়। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

পোস্টে বলা হয়, “পূর্ব আফগানিস্তানে বিধ্বংসী ভূমিকম্প শত শত মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”

এছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এক পোস্টে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আফগানিস্তানের মানুষের পাশে আছি। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৫০০

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৩০
    অনলাইন ডেস্ক
    আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ৫০০

    আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে গভীর রাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৫০০ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১০০০ মানুষ।

    রোববার (৩১ আগস্ট) গভীর রাতে দেশটির পূর্বাঞ্চলে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রাতের আঁধারে আঘাত হানা ভূমিকম্পে বমপক্ষে ৫০০ জন নিহত এবং আরও ১০০০ জন আহত হয়েছেন বলে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক রেডিও টেলিভিশন আফগানিস্তান (আরটিএ) জানিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ৮ কিলোমিটার (৫ মাইল)। এরপর আরও অন্তত তিনটি পরাঘাত হয়েছে, যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ২-এর মধ্যে।

    ইউএসজিএস আরও জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। সংস্থার মডেলিং অনুযায়ী, বিপর্যয়টি “বিস্তৃত” এবং “বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা” রয়েছে।

    মার্কিন এই ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাটি জানিয়েছে, একই সতর্কতা স্তরের পূর্ববর্তী ভূমিকম্পগুলোতে আঞ্চলিক বা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে।

    এদিকে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের একাধিক সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, গভীর রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে “বহু সংখ্যক বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে”। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই ভূমিকম্পে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হতে পারেন।

    প্রধানত কুনার প্রদেশের নুরগাল জেলার মাজার উপত্যকার ঘরবাড়িগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এই উপত্যকা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত।

    আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “দুঃখজনকভাবে আজকের রাতের ভূমিকম্পে আমাদের কয়েকটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।”

    তবে তিনি সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি। তিনি আরও জানান, স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো থেকে সহায়ক দল ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছে।

    জীবন রক্ষায় সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগানো হবে বলেও জানান মুজাহিদ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় ট্রাম্পের মৃত্যু, গুজব না সত্যি?

      আন্তর্জাতিক ডেস্ক
      ৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:২৪
      আন্তর্জাতিক ডেস্ক
      সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় ট্রাম্পের মৃত্যু, গুজব না সত্যি?

      মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোথায়? তিনি কি সুস্থ আছেন? নাকি মারা গিয়েছেন? – এই প্রশ্নগুলোতে সরগরম সামাজিক মাধ্যম। বিশেষ করে এক্সে (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়েছে নানা রকম গুজব।

      ট্রাম্পকে গত ২৪ ঘণ্টায় একবারও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। এ নিয়ে সন্দেহ বাড়ায় ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি পত্রিকা ‘রোল কল’-এর খবর। সেখানে বলা হয়, ৩০ ও ৩১ আগস্ট ট্রাম্পের কোনো প্রকাশ্য সভা বা কর্মসূচি নেই।

      বিষয়টি সামনে আসতেই ‘ট্রাম্প নিখোঁজ’ গুজব আরও জোর পায়। এর সঙ্গে যোগ হয় তার সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত উদ্বেগ আর হাতে বারবার দেখা যাওয়া কালশিটের দাগ। এরই মধ্যে  এক সাক্ষাৎকারে তার অনুপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্পের ডেপুটি জে ডি ভ্যান্স।

      নেটিজেনরা বিষয়টিকে দ্রুত ‘ট্রাম্প মারা গেছেন’ গল্পে রূপান্তর করেন। কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেন, কেউ আবার রসিকতা ও মিমে মেতে ওঠেন। তবে অনেকেই বলেছেন, ‘ট্রাম্পের মৃত্যু’ কথাটা অতিরিক্ত কল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়।

      হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ট্রাম্প নিজে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ সক্রিয় আছেন। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক শন বারবাবেলা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হাতে যে কালশিটে দাগ দেখা যাচ্ছে, তা আসলে নিয়মিত হাত মেলানো আর অ্যাসপিরিন সেবনের কারণে।

      বারবাবেলা বলেন, ‘এটি সাধারণ টিস্যুর হালকা জ্বালাপোড়া। প্রেসিডেন্ট অন্যথায় চমৎকার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় আছেন।’

      সামাজিক মাধ্যমে অবশ্য তুমুল আলোচনা চলছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘স্ট্রিটস আর সেয়িং ট্রাম্প ডেড।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মঙ্গলবারের পর আর দেখা যায়নি। পুরো সপ্তাহান্তে তার কোনো কর্মসূচি নেই। কী হচ্ছে আসলে?’ কেউ লিখেছেন, ‘#ট্রাম্পইজডেড চলছে। কিন্তু আমার মনে হয় ট্রাম্প একদম ভালো আছেন। স্বাস্থ্যের সমস্যা থাকতে পারে। তবে মৃত্যু খুবই অতিরঞ্জিত কথা।’

      আরেকজন মজা করে লিখেছেন, ‘আমি অপেক্ষা করছি কবে পপ বেস টুইট করবে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেড অ্যাট ৭৯।’ সব মিলিয়ে প্রকাশ্যে না আসা ও গুঞ্জনের জেরে ট্রাম্পকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় তোলপাড় অবস্থা।

       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আকাশসীমা বন্ধসহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিল তুরস্ক

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:২১
        অনলাইন ডেস্ক
        আকাশসীমা বন্ধসহ ইসরাইলের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নিল তুরস্ক

        গাজায় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ইসরাইলি বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। তুর্কি বন্দর ব্যবহারেও দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

        শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সংসদের এক বিশেষ অধিবেশনে বক্তৃতায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এ ঘোষণা দেন।

        ইসরাইলের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

        বক্তৃতায় ফিদান বলেন, গত দুই বছর ধরে সারা বিশ্বের চোখের সামনে মৌলিক ও মানবিক মূল্যবোধ উপেক্ষা করে গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে তেলআবিব। ইসরাইলের সঙ্গে আমরা বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছি। তুরস্কের কোনো জাহাজকে ইসরাইলি বন্দরে যাওয়ার অনুমতি আমরা দিই না। আমাদের আকাশসীমায় তাদের বিমান প্রবেশ করতে দিই না।

        এর আগে গত বছরের মে মাসে ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য বন্ধ করে দেয় তুরস্ক। এ সময় গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা প্রবেশের দাবি জানায় আঙ্কারা। ২০২৩ সালে ইসরাইল ও তুরস্কের মধ্যে ৭ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়েছিল।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ‘গাজা দখল ইসরাইলের জন্য ভয়াবহ অভিশাপে পরিণত হবে’

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:৪৩
          অনলাইন ডেস্ক
          ‘গাজা দখল ইসরাইলের জন্য ভয়াবহ অভিশাপে পরিণত হবে’
          হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র আবু উবাইদা।

          গাজা উপত্যাকা দখল করাটা অবৈধ দখলদার ইসরাইলের জন্য ‘ভয়াবহ এক অভিশাপে পরিণত হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র আবু উবাইদা।

          এক ঘোষণায় তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং ইসরাইল যদি গাজা দখলের চেষ্টা করে, তাহলে এর ফল হবে আরও ভয়াবহ, আরও বেশি সামরিক হতাহত ও নতুন বন্দিত্ব।

          আবু উবাইদার ভাষায়, ‘শত্রুর অপরাধমূলক গাজা দখল পরিকল্পনা তাদের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য অভিশাপে পরিণত হবে’।

          শুক্রবার (২৯ ‍আগস্ট) রাতে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর মেহের নিউজের।

          বার্তায় আল-কাসসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনি বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং গাজা দখলের যে কোনো শত্রু পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ইসরাইলের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের জন্য ভয়াবহ বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

          তিনি আরও সতর্ক করে জানান, শত্রুর দখল প্রচেষ্টার মূল্য দিতে হবে ইসরাইলি সেনাদের প্রাণ দিয়ে এবং এতে নতুন বন্দি হওয়ার সম্ভাবনাও আরও বেড়ে যাবে।

          আবু উবাইদা বলেন, ‘আমাদের যোদ্ধারা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও মনোবলে রয়েছে। তারা অতুলনীয় বীরত্ব ও সাহসিকতার উদাহরণ প্রদর্শন করছে। ইনশাআল্লাহ, তারা আগ্রাসীদের কঠিন শিক্ষা দেবে’।

          নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আল-কাসসাম মুখপাত্র বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহু ও তার নাৎসি মন্ত্রীরা জোর করে তাদের জীবিত বন্দিদের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং নিহত বন্দিদের লাশও গায়েব করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে’।

          তিনি যোগ করেন, হামাস যতটা সম্ভব শত্রুর বন্দিদের সংরক্ষণ করবে, আর তারা ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রেই থাকবে।

          পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘দখলদার সেনারা নিহত হলে তাদের প্রতিটি নাম, ছবি ও মৃত্যুর কারণ আমরা প্রকাশ করব’।

          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত