ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ট্রাম্পের ‌‘সবুজ সংকেত’, এবার পুরো গাজা দখলে নিতে চান নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
৫ আগস্ট, ২০২৫ ১৩:১৩
অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের ‌‘সবুজ সংকেত’, এবার পুরো গাজা দখলে নিতে চান নেতানিয়াহু

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ দখলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ওই এলাকায় সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। খবর আনাদোলুর।


ইয়েদিওথ আহরোনোথ পত্রিকা নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক সিনিয়র কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ফয়সালা হয়ে গেছে, আমরা গাজা উপত্যকার পূর্ণ দখলে নিতে যাচ্ছি।


তিনি বলেন, যেসব এলাকায় জিম্মিদের রাখা হয়েছে, সেখানেও অভিযান চলবে। যদি ইসরাইলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ এতে সম্মত না হন, তবে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।


ইসরাইলি চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত গাজা নিয়ে ইসরাইলের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবং এখন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো, যেমন কেন্দ্রীয় শরণার্থী শিবিরগুলোতেও অভিযান চালানো হবে।


সরকারি সম্প্রচার সংস্থা কান, সম্প্রতি নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলা কিছু মন্ত্রীর বরাতে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর আপত্তি সত্ত্বেও গাজায় সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি গাজা দখল শব্দটি ব্যবহার করেছেন হামাসকে পরাজিত করার লক্ষ্য বর্ণনা করতে।


ইয়েদিওথ আহরোনোথ আরও দাবি করেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে এই সম্প্রসারিত অভিযানের জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইসরাইলি হামলায় আরও ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত

    অনলাইন ডেস্ক
    ৫ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৪৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ইসরাইলি হামলায় আরও ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় একদিনে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৯৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৪৩৯ জন। এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলা ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ হাজার ৯৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে।


    সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যার পর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলু’র। 


    মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় প্রায় দু বছর ধরে চলা ইসরাইলি বাহিনীর অভিযানে নিহতের সংখ্যা ৬০ হাজার ৯৩৩ জনে পৌঁছেছে। এদের পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৫০ হাজার ২৭ জন ফিলিস্তিনি।


    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দখলদার বাহিনীর বোমার শিকারদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের তলায় আটকা পড়ে আছেন। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও লোকবলের অভাবে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। 


    এতে বলা হয়েছে, ত্রাণের খাবার নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপরও হামলা চালিয়েছে দখলদার সেনারা। সোমবার গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ নিতে এসে নিহত হয়েছেন ২৯ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও ৩০০ জন।


    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যোদ্ধারা। এদিন ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।


    হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। 


    কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। পুনরায় শুরু করা এ অভিযানে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৯ হাজার ৪৪০ জন ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩৭ হাজার ৯৮৬ জন।


    এছাড়া গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পাশাপাশি উপত্যকাটিতে আগ্রাসনের জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখিও রয়েছে ইসরাইল।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      খাবারের সন্ধানে ৫ ঘণ্টার পথ পাড়ি, চোখে গুলি খেয়ে ফিরল ফিলিস্তিনি কিশোর

      অনলাইন ডেস্ক
      ৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:২২
      অনলাইন ডেস্ক
      খাবারের সন্ধানে ৫ ঘণ্টার পথ পাড়ি, চোখে গুলি খেয়ে ফিরল ফিলিস্তিনি কিশোর
      চোখে গুলি খাওয়া ফিলিস্তিনি কিশোর আবদুল রহমান আবু জাজার: ছবি: সংগৃহীত

      ক্ষুধার্ত পরিবারের জন্য খাবারের সন্ধানে বেরিয়েছিলেন ফিলিস্তিনি কিশোর আবদুল রহমান আবু জাজার। খাবার মেলেনি কিন্তু গুলি খেয়ে ফিরেছেন। তার বাঁ চোখে গুলি করে ইসরায়েলি সেনারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত জিএইচএফ ত্রাণকেন্দ্রে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ১৫ বছর বয়সী জাজার। বর্তমানে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। খবর আল জাজিরার।


      বাঁ চোখে সাদা রঙের ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা জাজার আল-জাজিরাকে জানায়, ‘চোখে গুলি লাগার পরও ইসরায়েলি সেনারা তাকে লক্ষ্য করে অনবরত গুলি ছুড়তে থাকেন। তখন জাজারের মনে হয়েছিল, ‘এই বুঝি শেষ। মৃত্যু সন্নিকটে।’


      কিশোর জাজার বলেন, আমার ও ভাইবোনদের খাওয়ার মতো কিছু না থাকায় রাত প্রায় দুইটার দিকে প্রথমবারের মতো ওই ত্রাণ কেন্দ্রে যাই। অনেক ভিড়ের মধ্যে গাজা নগরীর আল-মুনতাজাহ পার্কের ওই কেন্দ্রে পৌঁছাতে জাজারের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। আমরা দৌড়াচ্ছিলাম। ঠিক তখন ওরা গুলি করা শুরু করে। আমি আরও তিনজনের সঙ্গে ছিলাম। তিনজনই আহত হই।


      তিনি বলেন, একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। যখন জ্ঞান ফেরে, আমি আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করেছি, আমি কোথায়? তখন আশপাশের লোকজন জানান, আমি গুলিবিদ্ধ হয়েছি।


      চোখে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে জানিয়ে জাজার বলেন, ‘আশা করি, আমার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে।’


      এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানায়, তারা প্রায় ১১৯টি মরদেহ পেয়েছে। যার মধ্যে ১৫টি মরদেহ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬৬ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 


      হাসপাতালের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানায়, রোববার প্রায় ৯২ জনকে গুলি করে হত্যা করে ইসরায়েল। এদের মধ্যে ৫৬ জন খাবারের সন্ধানে গিয়েছিল।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাশিয়া যাচ্ছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত

        অনলাইন ডেস্ক
        ৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৪৭
        অনলাইন ডেস্ক
        রাশিয়া যাচ্ছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত

        আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফরে যেতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। এ খবর জানিয়েছেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে চলা উত্তেজনার মধ্যেই এ ঘোষণা এলো। খবর এএফপির।


        রাশিয়াকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি এবং সাবমেরিন মোতায়েনের ঘোষণার পর ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে পারমাণবিক উত্তেজনা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যেই ট্রাম্প রোববার বলেন, ‘আমার মনে হয়, আগামী সপ্তাহের বুধ বা বৃহস্পতিবার উইটকফ রাশিয়া সফরে যাবেন।’


        ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে চুক্তিতে রাজি হতে রাশিয়াকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন ট্রাম্প, তা নাহলে দেশটির ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি। যদিও সেসব নিষেধাজ্ঞা কী হতে পারে ট্রাম্প তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। এ নিয়ে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।


        রোববার সাংবাদিকেরা ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, উইটকফ মস্কোয় কী বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন এবং রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা এড়াতে কিছু করতে পারে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, এমন একটি চুক্তি হোক, যেন মানুষ হত্যা বন্ধ হয়।’


        এর আগে ট্রাম্প হুমকির সুরে আরও বলেন, নতুন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চীন ও ভারতের মতো রাশিয়ার বাকি বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর দ্বিতীয় স্তরের শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এতে রাশিয়ার ওপর চাপ আরও বাড়বে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে বৈশ্বিক অস্থিরতার ঝুঁকিও তৈরি হবে।


        এদিকে ওয়াশিংটনের চাপ সত্ত্বেও রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। পুতিন গত শুক্রবার বলেছেন, তিনি শান্তি চান, তবে ইউক্রেনে প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে চলা আগ্রাসন বন্ধে তাঁর যেসব শর্ত ছিল তা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।


        কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্পের এই প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থ হয়েছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে পুতিনের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করতে শুরু করেছেন ট্রাম্প।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দম্পতিদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার নিয়ম কঠোর করল যুক্তরাষ্ট্র

          অনলাইন ডেস্ক
          ৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৫৬
          অনলাইন ডেস্ক
          দম্পতিদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার নিয়ম কঠোর করল যুক্তরাষ্ট্র

          পরিবার-ভিত্তিক অভিবাসন ভিসার আবেদন, বিশেষ করে বিবাহ-ভিত্তিক সব আবেদন আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাইয়ের নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিষয়ক সংস্থা (ইউএসসিআইএস)। বিবাহ-ভিত্তিক আবেদনের ক্ষেত্রে ভুয়া দাবি শনাক্ত এবং কেবল প্রকৃত সম্পর্ক রয়েছে; এমন আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড অনুমোদন নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য।


          গত ১ আগস্ট প্রকাশিত নতুন এই হালনাগাদ নির্দেশনা ইউএসসিআইএসের নীতিমালায় ‘‘ফ্যামিলি বেইজড ইমিগ্রান্টস’’ শিরোনামে যুক্ত এবং এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। আগের করা সব আবেদন ও নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে ইউএসসিআইএস।


          এক বিবৃতিতে ইউএসসিআইএস বলেছে, ‘‘ভুয়া, অপ্রাসঙ্গিক কিংবা ভিত্তিহীন পরিবার-ভিত্তিক অভিবাসন ভিসার আবেদন বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা (এলপিআর) হওয়ার পারিবারিক পথের ওপর আস্থা নষ্ট করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক ঐক্য ক্ষুণ্ন করে।’’


          ‘‘আমরা আমেরিকানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে যারা ক্ষতিকর উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছেন, তাদের চিহ্নিত করে দেশছাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু করাই আমাদের লক্ষ্য।’’


          • কী কী পরিবর্তন হলো? 

          হালনাগাদ নির্দেশনায় কঠোর যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র জমার বেশ কিছু নতুন নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—


          • পরিবার-ভিত্তিক ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে যোগ্যতা যাচাই ও অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও উন্নত করা।


          • প্রমাণ হিসেবে একসঙ্গে তোলা ছবি, যৌথ আর্থিক নথিপত্র এবং বন্ধু ও পরিবারের ঘোষণাপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; যাতে বৈবাহিক সম্পর্ক সত্যি কি না, তা বোঝা যায়।


          • দম্পতিদের সশরীরে সাক্ষাৎকার দেওয়া বাধ্যতামূলক, যাতে সম্পর্কের বাস্তবতা যাচাই করা যায়।


          • আগের সব আবেদন পর্যালোচনা করা। বিশেষ করে একই স্পন্সরের একাধিক আবেদন অথবা একই সুবিধাভোগীর করা একাধিক আবেদন।


          • ইতোমধ্যে অন্য ভিসা (যেমন—এইচ-১বি) নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আবেদনকারীদের অভিবাসন ইতিহাসের প্রতি বাড়তি নজর।


          • আবেদনকারী গ্রিন কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত হলেও, যদি তিনি অন্য কোনও কারণে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অযোগ্য বা বহিষ্কারের যোগ্য হন, তাহলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা—এমনকি তার আবেদন মঞ্জুর হলেও।


          ইউএসসিআইএস স্পষ্টভাবে বলেছে, পরিবার-ভিত্তিক আবেদন অনুমোদন পেলেই যে আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যাবাসন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রক্ষা পাবেন, বিষয়টি তেমন নয়।


          সংস্থাটি বলেছে, এই নির্দেশনা ইউএসসিআইএসের বৈধ ও বাস্তব বৈবাহিক সম্পর্ক যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করবে, যাতে তা সকল প্রচলিত আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়।


          এছাড়া ইউএসসিআইএস তাদের নীতিমালায় আরও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ধারা যুক্ত করেছে। যদি কোনও মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশি বা অন্য কোনও বিদেশি সঙ্গীকে স্পন্সর করেন, তাহলে তাদের অবশ্যই বাস্তব সম্পর্কের শক্ত প্রমাণ দিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে যৌথ ব্যাংক হিসাব, ছবি, এবং বন্ধু বা আত্মীয়দের লেখা চিঠি। তাদের বিস্তারিত সাক্ষাৎকারেও অংশ নিতে হবে; যেখানে তারা একে অপরকে কতটা ভালো জানেন তা যাচাই করা হবে।


          যদি ইউএসসিআইএস যাচাই-বাছাইয়ে সন্দেহজনক কিছু পায়—যেমন একই ব্যক্তির একাধিক স্পন্সরশিপ বা অভিবাসন ইতিহাসে অসঙ্গতি; তাহলে তা আরও বিস্তৃত তদন্ত কিংবা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের কারণও হতে পারে।


          যুক্তরাষ্ট্রের বিবাহ-ভিত্তিক অভিবাসনের আবেদনের এই নীতিমালা পরিবর্তনের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি ভুয়া বিয়ের কেলেঙ্কারির ঘটনা কাজ করেছে। কিছু দিন আগে আকাশ প্রকাশ মাকওয়ানা নামের ভারতীয় এক নাগরিকের ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড আবেদনের ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।


          গত মে মাসে ভারতীয় এই নাগরিক স্বীকার করেন, জে-১ ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার জন্য তিনি একটি ভুয়া বিয়েতে জড়িয়েছিলেন। পাশাপাশি বসবাসের ভুয়া নথিও দাখিল করেছিলেন তিনি। ওই সময় পারিবারিক ভুয়া নির্যাতনের দাবি জানিয়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন আকাশ প্রকাশ।


          সূত্র: এনডিটিভি।


          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত