শিরোনাম
রাশিয়ার কাছাকাছি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ ট্রাম্পের
রাশিয়ার জলসীমার কাছাকাছি দুটি পরমাণুচালিত সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের বক্তব্যের জবাবে এ নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। খবর আলজাজিরার।
শুক্রবার (১ আগস্ট) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের এই সিদ্ধান্ত মেদভেদেভের চরম উসকানিমূলক বক্তব্যের জবাবে নেওয়া হয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আমি দুটি পরমাণুচালিত সাবমেরিন উপযুক্ত অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছি। তার (মেদভেদেভ) এই বেপরোয়া ও উসকানিমূলক বক্তব্য যেন কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
তিনি আরও লেখেন, শব্দের গুরুত্ব অনেক। অনেক সময় অপ্রত্যাশিত পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। আমি আশা করি, এই ঘটনা তার একটি উদাহরণ হবে না।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প ও মেদভেদেভের মধ্যে বাকযুদ্ধ তীব্রতর হয়ে উঠেছে। বর্তমানে মেদভেদেভ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অধীনে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মেদভেদেভ ও পুতিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মেদভেদেভ ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় পুতিন তার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর পুতিন যখন আবার প্রেসিডেন্ট হন, মেদভেদেভ ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা থেকে সরে গিয়ে মেদভেদেভের উসকানিমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ জানান ট্রাম্প।
তিনি লেখেন, আমি ভারত ও রাশিয়ার ব্যবসার ব্যাপারে পাত্তা দিই না। তাদের মৃতপ্রায় অর্থনীতিগুলো তারা একসঙ্গে ডুবিয়ে ফেলুক, আমার কোনো আপত্তি নেই।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের পণ্যে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর মারাত্মক আঘাত হানতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই আঘাত কতটা বড় হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ, ট্রাম্প ২৫ শতাংশ শুল্কের পাশাপাশি একটি অস্পষ্ট জরিমানার ঘোষণাও দিয়েছেন।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, রাশিয়ার তেল ও অস্ত্র কেনার জন্য ১ আগস্ট থেকে ভারতকে জরিমানা করা হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরিমানা সম্পর্কিত বিস্তারিত শর্তগুলো জানা গুরুত্বপূর্ণ। এরপরই অর্থনীতির ওপর প্রকৃত প্রভাব বোঝা যাবে।
১৮ তলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল ৩ বছরের শিশু!
তিন বছর বয়সি এক শিশু ১৮ তলা ভবন থেকে নিচে পড়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের হাংঝো শহরে।
সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৫ জুলাই দক্ষিণ পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের হাংঝোতে দাদা-দাদির তত্ত্বাবধানে রেখে গিয়েছিলেন শিশুটির বাবা-মা। শিশুটি ঘুমিয়ে পড়ার পর তারা ঘরের কিছু কেনাকাটা করতে বাইরে যান। তবে তারা ফেরার আগেই শিশুটি জেগে বাথরুমে গিয়ে কমোডের ওপর উঠে একটি খোলা জানালা দিয়ে বাইরে পড়ে যায়।
জানা গেছে, শিশুটি প্রথমে একটি গাছের ওপর পড়ে। এতে সে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়। এক প্রতিবেশী একটি বাচ্চা নিচে পড়ে থাকতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও ধারণ করে তা কর্তৃপক্ষে জানায়। পরে শিশুটির বাবা-মা বিষয়টি জানতে পারেন।
শিশুটির বাবা বলেন, ভিডিও দেখে প্রথমে আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে আমার ছেলে ১৮ তলা থেকে পড়ে গেছে। সম্ভবত পড়ার সময় সে ১৭ তলার একটি খোলা জানালায় বাধাগ্রস্ত হওয়ায় তার পড়ার গতিপথে কিছুটা কমে যায় ও দিক বদলে যায়। নাহলে সে সরাসরি মাটিতে পড়ত।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটি জানালার পাশ দিয়ে পড়ে একটি গাছের ডালে আটকে যায় এবং এরপর মাটির ওপর একটি ঝোপের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে। সরাসরি কংক্রিটে না পড়ায় তার প্রাণ বেঁচে যায়। জানা গেছে, ১৮ তলা থেকে পড়ার পর শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার বা-হাত ভেঙে গেছে, মেরুদণ্ডেও আঘাত পেয়েছে এবং কিছু অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে তার মাথায় কোনো আঘাত লাগেনি। তাই সে বেঁচে গেছে। এই ঘটনাকে একটি অলৌকিক ঘটনা বলে অভিহিত করেন চিকিৎসকরা।
এদিকে এমন দুর্ঘটনার পরও সন্তানকে জীবিত পেয়ে শিশুটির বাবা ওই গাছের ডালে একটি বড় লাল ফুল ঝুলিয়ে দেন। বিষয়টিকে চীনে সম্মান ও উদযাপনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
ইসরায়েল ভুতুড়ে শহরে পরিণত হবে, খাতামির হুঁশিয়ারি
যদি ইসরায়েল আবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে, তবে তেলআবিবকে ‘ভুতুড়ে শহর’ বানিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন জুমার নামাজের খতিব আয়াতুল্লাহ আহমাদ খাতামি।
শুক্রবার (১ আগস্ট) জুমার খুতবায় তিনি বলেন, শত্রুরা বরাবরই ইরানকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। এখন তারা আরও মরিয়া হয়ে উঠেছে, কারণ তারা নিজেকে অস্তিত্বের সংকটে দেখছে। কিন্তু আমরা তোফানেও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছি।
খাতামি বলেন, বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভের বিস্তার প্রমাণ করে যে দুনিয়া দিনদিন ইসরায়েলের প্রতি ঘৃণায় ভরে উঠছে, আর ইরানের প্রভাব বাড়ছে। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো দেশ সাহসিকতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে—কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে। ইরান তা করেছে।
তিনি ইসরায়েলকে একটি ক্যান্সারসদৃশ টিউমার হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, যদি এটি মুছে না ফেলা হয়, তাহলে অন্য মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গেও ঠিক সিরিয়ার মতো ব্যবহার করবে ইসরায়েল।
ভুতুড়ে শহরে পরিণত হবে ইসরায়েল, হুঁশিয়ারি খাতামির
স্লোভেনিয়া / ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রথম ইইউ দেশ
আয়াতুল্লাহ খাতামি জোর দিয়ে বলেন, এই যুদ্ধ ইরান শুরু করেনি, কিন্তু যখন আক্রমণ হয়েছে, তখন আমরা জবাব দিয়েছি প্রতিরোধের ভাষায়।
তার ভাষ্যমতে, ইসরায়েল ১৩ জুন ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক স্থাপনাগুলোতে ১২ দিন ধরে আক্রমণ চালায়। এর জবাবে ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়—নাতানজ, ফোরদো ও ইসফাহানে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এরপর ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’র অংশ হিসেবে ইসরায়েলের দখলকৃত বিভিন্ন শহরে ২২ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান কাতারের আল-উদেইদ মার্কিন ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যেটি পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি।
গত ২৪ জুন শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি বর্তমানে কার্যকর থাকলেও, আয়াতুল্লাহ খাতামি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ইসরায়েল আবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে, তবে তেলআবিব এক ভুতুড়ে শহরে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলকে রক্ষায় যুদ্ধে নেমেছে, এজন্য ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান আজও ইরানিদের হৃদয়ে বাজে।
খাতামি অভিযোগ করেন, গত কয়েক দশকে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বা পরোক্ষভাবে অন্তত ২৫টি দেশে আগ্রাসন চালিয়েছে, যা অপরাধের কালো ইতিহাস হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি
বাংলাদেশের ওপর নিবিড় নজর রাখছি : জয়শঙ্কর
বাংলাদেশের ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। ভারতের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার জন্যই নয়াদিল্লি বাংলাদেশের যে ব্যাপারে বিশেষ ভাবে মনযোগী বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ভারতের পার্লামেন্ট লোকসভায় বর্ষাকালীন অধিবেশন চলছে। অধিবেশনে তাকে বিজেপির এক এমপি বলেন—সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ে সালতানাত-ই-বাংলা নামের একটি ইসলামপন্থি গোষ্ঠী তথাকথিত ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ নামের একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। ভারতের একাধিক রাজ্য সেই মানচিত্রে বাংলাদেশি ভূখণ্ড হিসেবে প্রদর্শন করা হয়।
“বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে সালতানাত-ই-বাংলা নামের এই গোষ্ঠীটি তুরস্কভিত্তিক এনজিও তার্কিশ ইউথ ফেডারেশনের সহায়তা ও মদতপুষ্ট। আমরা এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি”, অধিবেশনে বলেন ওই এমপি।
জবাবে জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা এ ইস্যুতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সরকারি ফ্যাক্টচেকার প্ল্যাটফরম বাংলাফ্যাক্টের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের সরকার আমাদের জানিয়েছে যে ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ইতিহাস সম্পর্কিত প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে মধ্যযুগের বাংলার একটি মানচিত্র প্রদর্শন করা হয়েছিল। ওই প্রদর্শনীর যারা আয়োজক ছিলেন, তারা বাংলাদেশের সরকারকে বলেছেন যে কোনো বিদেশি সংস্থা বা গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামের কোনো সংগঠন বা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব বাংলাদেশে নেই।”
“আমরা জাতীয় স্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগী। ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশের ওপর আমরা নিবিড় নজর রাখছি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা এগোচ্ছি”, বলেন জয়শঙ্কর।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া
আগে করেছেন ৮ বিয়ে, নবম বিয়ের চেষ্টার সময় নারীকে গ্রেপ্তার
এক নয়, দুই নয়, তিনও নয়…. আট আটবার বিয়ে করেছেন তিনি। চেষ্টা করছিলেন নবম বিয়ে করার। তবে তার আগেই তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে।
বিয়ে করে ওই ব্যক্তিদের কাছ থেকে তিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত নারীর নাম সামিরা ফাতিমা। তাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন তিনি তার পরবর্তী টার্গেট খুঁজছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এ নারী ধনী পুরুষদের টার্গেট করে বিয়ে করতেন। এরপর তাদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নিতেন। তিনি তার স্বামীদের কাছ থেকে এভাবে টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, সামিরা ফাতেমা একটি সংঘবদ্ধ গ্যাংয়ের সদস্য। তিনি ওই গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে তার বিভিন্ন স্বামীর কাছ থেকে অর্থ আদায় করছিলেন।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো সামিরা শিক্ষিত এবং পেশায় একজন শিক্ষিকা। তা সত্ত্বেও তিনি এমন প্রতারণামূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছেন।
পুলিশের আশঙ্কা, গত ১৫ বছর ধরে হয়ত তিনি অনেককে নিজের ভিকটিম বানিয়েছেন। এরমধ্যে নিজের এক স্বামীর কাছ থেকে তিনি ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত নিয়েছেন। আরেকজনের থেকে ১৫ লাখ রুপি পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
সামিরা বিয়ে বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে নিজের ‘শিকারি’ খুঁজে বেড়াতেন। কাউকে পেয়ে গেলে তাকে আবেগপূর্ণ কথাবার্তা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলতেনন। নিজেকে তিনি সন্তানসহ ডিভোর্সী নারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে টার্গেট করা পুরুষকে নিজের আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতেন।
ভয়াবহ প্রতারণা করা এ নারীকে গত ২৯ জুলাই নাগপুরের একটি চায়ের দোকান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য