শিরোনাম
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করল ভারত
রাশিয়া থেকে তেলের মূল্যে ছাড় কমে যাওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারগুলো রুশ তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, গত এক সপ্তাহে ভারতীয় অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি), হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম (এইচপিসিএল), ভারত পেট্রোলিয়াম (বিপিসিএল) এবং মাঙ্গালোর রিফাইনারি পেট্রোকেমিক্যাল (এমআরপিএল) রাশিয়া থেকে কোনো তেল কেনেনি। বরং তারা বিকল্প হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির মুরবান ও পশ্চিম আফ্রিকার তেলের দিকে ঝুঁকেছে।
এছাড়া বেসরকারি খাতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও নয়ারা এনার্জি—যার বড় একটি অংশ রাশিয়ার রসনেফটসহ বিভিন্ন রুশ প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন—তারা বার্ষিক চুক্তির আওতায় রাশিয়ান তেল কিনে যাচ্ছে।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ভারত এখন সমুদ্রপথে রপ্তানিকৃত রুশ তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।
সূত্র জানিয়েছে, ২০২২ সালের রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা থাকার পর দেশটি থেকে কম দামে তেল আমদানি করছিল ভারত।
১৪ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনের সঙ্গে বড় ধরনের শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে যারা রুশ তেল কিনবে তাদের পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২২ সালে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এই প্রথম রুশ তেলের মূল্যের ওপর ছাড় এতটা কমেছে। ফলে ভারতীয় রিফাইনারিগুলো ক্রয় থেকে পিছিয়ে এসেছে।
খাবারের জন্য খালি পায়ে ১২ কিমি হেঁটে আসা ছোট্ট আমিরকেও ছাড়ল না ইসরাইল
গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) সঙ্গে যুক্ত গাজার একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে কর্মরত এক সাবেক মার্কিন সেনা, ‘গাজার ছোট্ট আমির’ নামে পরিচিত এক ফিলিস্তিনি বালকের শেষ মুহূর্তের একটি হৃদয়বিদারক বিবরণ শেয়ার করেছেন, যাকে সামান্য খাবার পাওয়ার পরপরই গুলি করে হত্যা করে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী।
সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্থনি আগুইলার নামে সাবেক ওই সেনা সদস্য তার সাক্ষ্যে গত ২৮ মে তারিখের মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করেন, যেদিন খাবারের জন্য গিয়ে নিহত হয় আমির।
অ্যান্থনির বিবরণ মতে, খালি পায়ে এবং রোগা অবস্থায় প্রচণ্ড রোদের নিচে ১২ কিলোমিটার হেঁটে এসেছিল আমির। আশা ছিল, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও যদি খাওয়ার কিছু মেলে।
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির পরিকল্পনা হামাসকে পুরস্কৃত নয়: যুক্তরাজ্য
তবে ছোট্ট আমির সংগ্রহ করতে পেরেছিল কেবল এক মুঠো চাল এবং ডাল, যা পড়েছিল মাটিতে।
গভীর আবেগঘন মুহূর্তটির বর্ণনা দিতে গিয়ে সাবেক মার্কিন ওই সেনা বলেন, শিশুটি তার কাছে এসে তার জিনিসপত্র রেখেছিল, তার হাতে চুম্বন করেছিল এবং ইংরেজিতে তাকে ধন্যবাদও জানিয়েছিল।
ছেলেটি এরপর তার জিনিসপত্র তুলে নিয়ে ভিড়ের মধ্যে চলে যায়। কয়েক মিনিট পরে, যখন সে অন্যান্য বেসামরিক লোকদের সঙ্গে চলে যাচ্ছিল, তখন ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালায় এবং এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আমিরের।
অ্যান্থনি আগুইলারের ভাষ্য, ‘গাজার অন্যান্য দিনগুলোর থেকে ওই দিনটি আলাদা ছিল না— তবে মৃত্যু এসেছিল দ্রুত।’
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিবেচনা করছে পর্তুগাল
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পলিকল্পনা করছে পর্তুগাল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনিগ্রোর কার্যালয় বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, পর্তুগিজ সরকার সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট এবং সংসদের সঙ্গে পরামর্শ করবে। খবর টাইমস অব ইসরাইলের।
আগামী সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং কানাডার পরিকল্পনার পর, পর্তুগাল হল সর্বশেষ পশ্চিমা শক্তি যারা ফিলিস্তিনি সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আলোচনা করছে।
পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটি ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে, যা সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ৮০তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চ-স্তরের সপ্তাহে সম্পন্ন হতে পারে এমন একটি প্রক্রিয়ার অংশ।’
এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্ক কার্নি বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় মানুষের দুর্দশা অসহনীয়। দ্রুত এর অবনতি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম সম্মেলনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কানাডার।
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিচ্ছে মাল্টা
তবে এই স্বীকৃতি কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করবে বলে উল্লেখ করেন কানাডার প্রেসিডেন্ট। সেগুলো হলো ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে নিজেদের শাসনব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনার, হামাসকে বাদ দিয়ে ২০২৬ সালে সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করার এবং এ ভূখণ্ডকে নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
তার আগে, কয়েক দিন আগে সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। পরে ইসরাইল কিছু শর্ত না মানলে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যদেশের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৫০টি দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়।
ইরানের এখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা আছে: আরাগচি
ইরানের এখনও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অব্বাস আরাগচি। সম্প্রতি ফিনান্সিয়াল টাইমসকে (এফটি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
এফটিকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুদ্ধের পর আলোচনার (পরমাণু আলোচনা) পথ সংকীর্ণ।
এর আগে গত মাসে ইরান বলেছিল, ওয়াশিংটনকে তেহরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
তবে এবার এফটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি বলেন, তেহরান তার অবস্থান কঠোর করছে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য নতুন শর্ত আরোপ করছে।
তিনি বলেন, ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে ইরান ‘স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা’ করতে রাজি হবে না, যে যুদ্ধে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান সত্ত্বেও ওয়াশিংটন তাতে জড়িয়ে পড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের ব্যাখ্যা করা উচিত কেন তারা আলোচনার মাঝখানে আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে, এবং তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তারা এটি পুনরাবৃত্তি করবে না।’
ইরানের এই মন্ত্রী জানান, তিনি এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ যুদ্ধেরসময় এবং তারপর থেকে একে অপরের সঙ্গে বার্তা বিনিময় করেছেন। ইরানি আমেরিকানদের বলেছিলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলমান অচলাবস্থা সমাধানের জন্য একটি ‘উপযুক্ত সমাধান’ করা দরকার।
আরাগচি বলেছেন, ‘উইটকফ তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে এটি সম্ভব এবং তিনি আলোচনা পুনরায় শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত, বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে, এবং আলোচনার সময় ইরানের ওপর আর আক্রমণ করা হবে না এই নিশ্চয়তাও দেওয়া উচিত।’
আরাগচি বলেন, ‘ইসফাহানের কাছে তৃতীয় ও নতুন সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র সক্রিয় করা হবে। আমি যতদূর জানি (সমৃদ্ধকরণের) প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু যখন এটি আক্রমণ করা হয়েছিল তখন এটি সক্রিয় ছিল না।’
কূটনীতি পুনরায় শুরু করার চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত হিসেবে তিনি বলেন, যুদ্ধ ইরানের শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে আলোচনার প্রতি ক্রমবর্ধমান প্রতিরোধকে উৎসাহিত করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করল মিয়ানমার জান্তা
আগামী ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসামরিক নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তা। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির শাসনভার এখনও আগের মতোই সেনাপ্রধানের হাতে রয়ে গেছে। তিনি বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।
বৃহস্পতিবার দেশটিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাহিনী ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার যে আদেশ জারি করা হয়েছিল, তা বাতিল এবং একটি তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসন গঠন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দেশে একটি নতুন বিশেষ কমিশন গঠন করা হয়েছে। এই কমিশন আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন তদারকি করবে।
তবে জান্তা সরকারের এই পদক্ষেপে মিয়ানমারে প্রকৃতপক্ষে ক্ষমতার কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হলেও দেশটিতে অভ্যুত্থানের হোতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধান মিন অং হ্লেইং কার্যত সব ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। কারণ তিনি একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ও সেনাবাহিনী প্রধানের দায়িত্বে আছেন।
দেশটির সরকারের মুখপাত্র জ্য মিন তুন বলেছেন, অভ্যুত্থানের পর জারি করা জরুরি অবস্থার মেয়াদ সাত দফা বৃদ্ধি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার তা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে জান্তা সরকার বৃহস্পতিবার জরুরি প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ও সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং বলেছেন, আগামী ছয় মাস হবে নির্বাচন আয়োজন ও প্রস্তুতির সময়।’’
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বেসামরিক সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলছে। দেশটির সামরিক বাহিনী বিদ্রোহীদের দমনে ব্যাপক রক্তক্ষয়ী অভিযান পরিচালনা করছে। এসব অভিযানে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নৃশংসতা চালানোর অভিযোগ উঠলেও জান্তা বাহিনী তা অস্বীকার করেছে।
জান্তা বাহিনী নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিলেও পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ এই নির্বাচনকে ক্ষমতায় সেনা জেনারেলদের অবস্থান পাকাপোক্ত করার প্রহসন হিসেবে দেখছে। সমালোচকরা বলেছেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় অংশ নেওয়া প্রার্থীরাই প্রাধান্য পাবেন এবং বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
মিয়ানমার নিয়ে কাজ করা স্বাধীন বিশ্লেষক ডেভিড ম্যাথিসন বলেছেন, ক্ষমতার এই পরিবর্তন শুধুই বহির্বিশ্বকে দেখানোর জন্য; আসলে যারা আগেও ক্ষমতায় ছিলেন, তারাই থাকবেন এবং আগের মতো দমন-পীড়ন চালাবেন।
তিনি বলেন, তারা কেবল পুরোনো খেলোয়াড়দের নতুন সাজে উপস্থাপন করছেন। কাছাকাছি সময়ে কোনও পরিবর্তন আসবে না। তবে এটি সেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ; যার বিষয়ে আমরা তেমন কিছুই জানি না।
সূত্র: রয়টার্স।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য