ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গাজায় প্যারাসুটের মাধ্যমে ২৫ টন খাদ্যপণ্য ফেলল আমিরাত ও জর্ডান

অনলাইন ডেস্ক
২৭ জুলাই, ২০২৫ ২১:৫২
অনলাইন ডেস্ক
গাজায় প্যারাসুটের মাধ্যমে ২৫ টন খাদ্যপণ্য ফেলল আমিরাত ও জর্ডান

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান থেকে খাদ্যপণ্য ফেলা শুরু করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। শনিবার (২৬ জুলাই) থেকে আজ রোববার পর্যন্ত ২৫ টন খাদ্য সহায়তা গাজায় পৌঁছে দিয়েছে তারা।


জর্ডানের এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, গাজার খান ইউনিসে প্যারাস্যুট দিয়ে খাদ্যপণ্য নেমে আসছে। তবে সেগুলো আমিরাত আর জর্ডানের সহায়তা ছিল কি না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় শুরু হওয়া দখলদার ইসরাইলের বর্বরতায় এখন পর্যন্ত ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের একটা বড় অংশই নারী ও শিশু।


সাম্প্রতিক সময়ে শুধু গোলাবারুদ নয়, খাদ্যকেও ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করছে বর্বর ইসরাইল। তারা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক গাজার অধিবাসীদের দেওয়া ত্রাণ হামাসের হাতে চলে যায়, এমন অজুহাত দাঁড় করিয়ে অবরুদ্ধ উপত্যকায় খাদ্যপণ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।


যার ফলে গাজায় এক দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি। প্রতিদিন সেখানে ক্ষুধার তাড়নায় মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। অভুক্ত থাকার কারণে এখন পর্যন্ত গাজায় অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।


সম্প্রতি আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সীমিত পরিসরে গাজায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে বর্বর ইসরাইল। এই অনুমতি পাওয়ার পরই বিমান থেকে গাজার ভূখণ্ডে ত্রাণ ফেলা শুরু করেছে আমিরাত ও জর্ডান। তবে দাতব্য সংস্থাগুলো বলছে, এসব ত্রাণ মোটেই যথেষ্ট নয়। তারা বেশি পরিমাণে ত্রাণ সহায়তা গাজায় পাঠানোর জন্য দ্রুত সীমান্ত ক্রসিংগুলো খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    গাজা নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা চলবে না, মুসলিম বিশ্বকে সতর্কবার্তা

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    গাজা নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা চলবে না, মুসলিম বিশ্বকে সতর্কবার্তা

    ইরাকের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলি আল সিস্তানি গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে নীরব দর্শক না হয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন।


    শুক্রবার সন্ধ্যায় এক কঠোর বিবৃতিতে তিনি গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞে দুই বছরের কাছাকাছি সময়ে লক্ষাধিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে। শহর ও আবাসিক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফিলিস্তিনিরা আজ এক বিভীষিকাময় পরিবেশে দিন কাটাচ্ছে।’


    আয়াতুল্লাহ সিস্তানি বলেন, ‘গাজায় দুর্ভিক্ষ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ক্ষুধা ও বঞ্চনার প্রভাব থেকে কোনো শ্রেণি বা বয়সের মানুষই রেহাই পাচ্ছে না।’


    তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডকে ‘অমানবিক বর্বরতা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণকে উৎখাত করতে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা নতুন কিছু নয়।’


    এই সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর ভূমিকাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।


    আয়াতুল্লাহ সিস্তানি বলেন, ‘এটি তাদের নৈতিক এবং ধর্মীয় দায়িত্ব যে তারা এই মহামানবিক বিপর্যয় চলতে দেবে না।’



    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ছিটকে পড়লেন যাত্রীরা

      মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে মাঝ আকাশে ‘ডুব’ দিলো বিমান

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৫২
      অনলাইন ডেস্ক
      মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে মাঝ আকাশে ‘ডুব’ দিলো বিমান

      সামনে আরেকটি বিমান! এগোতে থাকলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে। সেই সংঘর্ষ এড়াতে মাঝ আকাশেই হঠাৎ করে বিমান উপর থেকে কয়েকশ ফুট নিচে নামিয়ে আনেন পাইলট। এতে করে যাত্রীরা তাদের আসন থেকে ছিটকে পড়েন। এ ঘটনায় দুজন ক্রু আহত হলেও; কোনো যাত্রীর ক্ষতি হয়নি।


      বার্তাসংস্থা এএফপি শনিবার (২৬ জুলাই) জানিয়েছে, গত শুক্রবার সাউথইস্ট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে যাচ্ছিল।


      এটি ক্যালিফোর্নিয়ার বুরব্যাংক থেকে উড্ডয়ন করে। এর কয়েক মিনিট পরই পাইলট বিমানটিকে মাঝ আকাশে কয়েকশ ফুট নিচে নামিয়ে আনেন।


      মার্কিন কমেডিয়ান জিমি ডোর মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছেন, অনেক যাত্রী আসন থেকে ছিটকে পড়েন এবং বিমানের সিলিংয়ে গিয়ে তাদের মাথা আঘাত করে। বিমানটি অত্যন্ত আগ্রাসীভাবে নিচে নেমে আসে বলেও জানান তিনি।


      ওই বিমানের পাইলট পরবর্তীতে যাত্রীদের জানান, আরেকটি বিমানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি করতে হয়েছে।


      যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ) এ ঘটনার তদন্ত করছে।


      সাউথইস্ট এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, অনবোর্ড ট্রাফিক এলার্ট পায় ক্রুরা। ওই সময় তাদেরকে বিমান উঁচুতে অথবা নিচুতে নামাতে বলা হয়। সফলভাবে নির্দেশনা পালনের পর বিমানটি লাস ভেগাসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে এবং সেখানে নিরাপদে অবতরণ করে।


      ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইট অ্যাওয়ার জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে যে রুট দিয়ে বিমানটি আসছিল সেই একই রুটে ছিল একটি হকার হান্টার এমকে৫৮ যুদ্ধবিমান। মার্কিন মিডিয়া জানিয়েছে, বিমানটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।


      সূত্র: এএফপি


      মন্তব্য

      ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিন’, স্টারমারকে ২ শতাধিক ব্রিটিশ এমপির চিঠি

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৯:২৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিন’, স্টারমারকে ২ শতাধিক ব্রিটিশ এমপির চিঠি

      ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারকে চিঠি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্সের ২২১ জন এমপি। গতকাল শুক্রবার তারা এই চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।


      যে ২২১ জন এমপি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাদের মধ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিসহ ৯টি রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিরা আছেন। এমনকি প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টিরও বেশ কয়েক জন এমপি আছেন এ তালিকায়।

      হাউস অব কমন্সে মোট আসনসংখ্যা ৬৫০টি। সেই হিসেবে পার্লামেন্টের এক তৃতীয়াংশ এমপি স্বাক্ষর করেছেন চিঠিটিতে। যুক্তরাজ্যের বর্তমান সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রায়েনার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপারও আছেন এ তালিকায়।


      চিঠিতে বলা হয়েছে, “আমরা জানি যে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠা করার মতো ক্ষমতা যুক্তরাজ্যের নেই; কিন্তু ফিলিস্তিনের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং যেহেতু যুক্তরাজ্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য, তাই আমাদের বিশ্বাস যে যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে দেশটির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”


      গত বুধবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স। ম্যক্রোঁ এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিনের মধ্যে স্টারমারকে চিঠি দিলেন দুই শতাধিক ব্রিটিশ এমপি।


      তবে এমপিদের চিঠির জবাবে স্টারমার জানিয়েছেন, এখনই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সময় আসেনি।


      এক বিবৃতিতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তিস্থাপন। ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া সেই লক্ষ্যের চূড়ান্ত ধাপ; কিন্তু তার আগে আরও কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এগুলো হলো— গাজায় অবরুদ্ধ সব ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তি এবং সেখানে একটি স্থায়ী ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি। এসব ধাপ না পেরোলে এই স্বীকৃতি কোনো কাজে আসবে না। যুক্তরাজ্য তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধাবসান ও ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করছে।”


      সূত্র : আলজাজিরা, আরটি


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৯:১৪
        অনলাইন ডেস্ক
        ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের

        ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠী।


        ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। 


        এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সাইরেন বাজার পর ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।


        ইসরায়েলি দৈনিক ইয়েদিয়োথ আহারোনোথ জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ফলে দক্ষিণ নেগেভ ও মৃত সাগর অঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজে। এর মধ্যে আরাদ, কিরিয়াত আরবা ও আইন গেদিতে সাইরেন শোনা যায়।


        হুথি গোষ্ঠী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে, বিশেষ করে মার্চে গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল নতুন করে অভিযান শুরু করলে তারা আক্রমণের মাত্রা বাড়ায়।


        ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় অবিরত বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এরপর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে নভেম্বর থেকে হুথিরা লোহিত সাগর, অ্যাডেন উপসাগর ও আরব সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজকেও টার্গেট করে আসছে। তারা বলছে, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলি নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা এসব হামলা চালাচ্ছে।


        জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫৯ হাজার ৬৭৬ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ জনেরও বেশি। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে বহু সংখ্যক মানুষ। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত