শিরোনাম
গাজা নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা চলবে না, মুসলিম বিশ্বকে সতর্কবার্তা
ইরাকের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলি আল সিস্তানি গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে নীরব দর্শক না হয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় এক কঠোর বিবৃতিতে তিনি গাজায় চলমান পরিস্থিতিকে ‘বিপর্যয়কর’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসযজ্ঞে দুই বছরের কাছাকাছি সময়ে লক্ষাধিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে। শহর ও আবাসিক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ফিলিস্তিনিরা আজ এক বিভীষিকাময় পরিবেশে দিন কাটাচ্ছে।’
আয়াতুল্লাহ সিস্তানি বলেন, ‘গাজায় দুর্ভিক্ষ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ক্ষুধা ও বঞ্চনার প্রভাব থেকে কোনো শ্রেণি বা বয়সের মানুষই রেহাই পাচ্ছে না।’
তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডকে ‘অমানবিক বর্বরতা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণকে উৎখাত করতে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা নতুন কিছু নয়।’
এই সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর ভূমিকাকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
আয়াতুল্লাহ সিস্তানি বলেন, ‘এটি তাদের নৈতিক এবং ধর্মীয় দায়িত্ব যে তারা এই মহামানবিক বিপর্যয় চলতে দেবে না।’
ছিটকে পড়লেন যাত্রীরা
মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে মাঝ আকাশে ‘ডুব’ দিলো বিমান
সামনে আরেকটি বিমান! এগোতে থাকলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে। সেই সংঘর্ষ এড়াতে মাঝ আকাশেই হঠাৎ করে বিমান উপর থেকে কয়েকশ ফুট নিচে নামিয়ে আনেন পাইলট। এতে করে যাত্রীরা তাদের আসন থেকে ছিটকে পড়েন। এ ঘটনায় দুজন ক্রু আহত হলেও; কোনো যাত্রীর ক্ষতি হয়নি।
বার্তাসংস্থা এএফপি শনিবার (২৬ জুলাই) জানিয়েছে, গত শুক্রবার সাউথইস্ট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে যাচ্ছিল।
এটি ক্যালিফোর্নিয়ার বুরব্যাংক থেকে উড্ডয়ন করে। এর কয়েক মিনিট পরই পাইলট বিমানটিকে মাঝ আকাশে কয়েকশ ফুট নিচে নামিয়ে আনেন।
মার্কিন কমেডিয়ান জিমি ডোর মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছেন, অনেক যাত্রী আসন থেকে ছিটকে পড়েন এবং বিমানের সিলিংয়ে গিয়ে তাদের মাথা আঘাত করে। বিমানটি অত্যন্ত আগ্রাসীভাবে নিচে নেমে আসে বলেও জানান তিনি।
ওই বিমানের পাইলট পরবর্তীতে যাত্রীদের জানান, আরেকটি বিমানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি করতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ) এ ঘটনার তদন্ত করছে।
সাউথইস্ট এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, অনবোর্ড ট্রাফিক এলার্ট পায় ক্রুরা। ওই সময় তাদেরকে বিমান উঁচুতে অথবা নিচুতে নামাতে বলা হয়। সফলভাবে নির্দেশনা পালনের পর বিমানটি লাস ভেগাসের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে এবং সেখানে নিরাপদে অবতরণ করে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইট অ্যাওয়ার জানিয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে যে রুট দিয়ে বিমানটি আসছিল সেই একই রুটে ছিল একটি হকার হান্টার এমকে৫৮ যুদ্ধবিমান। মার্কিন মিডিয়া জানিয়েছে, বিমানটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।
সূত্র: এএফপি
‘ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিন’, স্টারমারকে ২ শতাধিক ব্রিটিশ এমপির চিঠি
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমারকে চিঠি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্সের ২২১ জন এমপি। গতকাল শুক্রবার তারা এই চিঠি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
যে ২২১ জন এমপি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাদের মধ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টিসহ ৯টি রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিরা আছেন। এমনকি প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টিরও বেশ কয়েক জন এমপি আছেন এ তালিকায়।
হাউস অব কমন্সে মোট আসনসংখ্যা ৬৫০টি। সেই হিসেবে পার্লামেন্টের এক তৃতীয়াংশ এমপি স্বাক্ষর করেছেন চিঠিটিতে। যুক্তরাজ্যের বর্তমান সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রায়েনার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপারও আছেন এ তালিকায়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, “আমরা জানি যে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠা করার মতো ক্ষমতা যুক্তরাজ্যের নেই; কিন্তু ফিলিস্তিনের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং যেহেতু যুক্তরাজ্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য, তাই আমাদের বিশ্বাস যে যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে দেশটির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
গত বুধবার ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স। ম্যক্রোঁ এই ঘোষণা দেওয়ার দু’দিনের মধ্যে স্টারমারকে চিঠি দিলেন দুই শতাধিক ব্রিটিশ এমপি।
তবে এমপিদের চিঠির জবাবে স্টারমার জানিয়েছেন, এখনই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সময় আসেনি।
এক বিবৃতিতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তিস্থাপন। ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া সেই লক্ষ্যের চূড়ান্ত ধাপ; কিন্তু তার আগে আরও কয়েকটি ধাপ রয়েছে। এগুলো হলো— গাজায় অবরুদ্ধ সব ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তি এবং সেখানে একটি স্থায়ী ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি। এসব ধাপ না পেরোলে এই স্বীকৃতি কোনো কাজে আসবে না। যুক্তরাজ্য তার ঘনিষ্ঠ মিত্রদের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধাবসান ও ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করছে।”
সূত্র : আলজাজিরা, আরটি
ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের
ইসরায়েলে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠী।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুক্রবার জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সাইরেন বাজার পর ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
ইসরায়েলি দৈনিক ইয়েদিয়োথ আহারোনোথ জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ফলে দক্ষিণ নেগেভ ও মৃত সাগর অঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজে। এর মধ্যে আরাদ, কিরিয়াত আরবা ও আইন গেদিতে সাইরেন শোনা যায়।
হুথি গোষ্ঠী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে, বিশেষ করে মার্চে গাজায় দুই মাসের যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল নতুন করে অভিযান শুরু করলে তারা আক্রমণের মাত্রা বাড়ায়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় অবিরত বোমা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এরপর ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে নভেম্বর থেকে হুথিরা লোহিত সাগর, অ্যাডেন উপসাগর ও আরব সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজকেও টার্গেট করে আসছে। তারা বলছে, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলি নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা এসব হামলা চালাচ্ছে।
জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫৯ হাজার ৬৭৬ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আর আহত হয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ জনেরও বেশি। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছে বহু সংখ্যক মানুষ। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
কাঠমাণ্ডুর দুর্ঘটনায় সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে ইউএস-বাংলাকে নেপালের আদালতের নির্দেশ
২০১৮ সালে কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারান ৫১ জন। দুর্ঘটনার সাত বছর পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পক্ষে এলো ঐতিহাসিক রায়। নেপালের কাঠমাণ্ডু জেলা আদালত ইউএস-বাংলাকে ২৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
রায়ে আদালত বলেছেন, বীমা কম্পানিগুলোর দেওয়া ২০ হাজার ডলারের বীমা অর্থের বাইরে এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিমান সংস্থাটিকে।
ক্ষতিপূরণ পাবে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবার।
নেপালের সংবাদমাধ্যম কাঠমাণ্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দেশটির ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো বিমান দুর্ঘটনায় এত বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায়ের নজির তৈরি হলো। অতীতে ৭০টির বেশি বিমান দুর্ঘটনায় প্রায় এক হাজার মানুষ প্রাণ হারালেও কোনো কম্পানিকে সরাসরি এইভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়নি।
২০১৮ সালের ১২ মার্চ ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনায় ৭১ আরোহীর মধ্যে ২৮ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও ১ জন চীনা নাগরিক নিহত হন।
বিমানটি ছিল ৭৬ আসনের বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০, যা ত্রিভুবনে অবতরণের সময় রানওয়ে মিস করে বিধ্বস্ত হয় এবং আগুন ধরে যায়।
নেপালের আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস গুরুতর গাফিলতি করেছে এবং উড্ডয়নের উপযোগী বিমান পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে আদালত ওই ১৭ পরিবারের প্রতিটিকে পৃথকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্ধারণে আর্থিক, মানবিক, শারীরিক ও মানসিক দিক বিবেচনা করেছেন আদালত।
কার পরিবার কত ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে?
⦁ সাতজন এমবিবিএস শিক্ষার্থীর পরিবার : প্রত্যেকে পাবেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৮২ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৩৪ লাখ রুপি)।
⦁ আরো ছয় শিক্ষার্থীর পরিবার : পাবেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪১৮ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৪৭ লাখ রুপি)।
⦁ ডা. বল কৃষ্ণ থাপার পরিবার : ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৮ ডলার (প্রায় ৩ কোটি ৬৭ লাখ রুপি)।
⦁ নার্স জিয়ানি কুমারী গুরুঙ্গের পরিবার : ৪৫ হাজার ৩০১ ডলার (প্রায় ৬২ লাখ রুপি)।
⦁ বেঁচে যাওয়া যাত্রী ডা. সামিরা ব্যঞ্জনকর : পাবেন ৪৪ হাজার ২৯০ ডলার (প্রায় ৬১ লাখ রুপি)।
প্রতিটি ক্ষতিপূরণের অঙ্ক বীমা অর্থ বাদে নির্ধারিত হয়েছে। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ বীমা অর্থ (২০ হাজার ডলার) ছাড়াও এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
মামলার পেছনের গল্প
২০১৯ সালের জুলাইয়ে প্রথমবার ‘অবহেলার কারণে মৃত্যু’র অভিযোগ এনে মামলা করে এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের পরিবার। শুরুতে ইউএস-বাংলা ৫০ হাজার ডলারে মীমাংসার প্রস্তাব দিলেও পরিবারগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে আইনি লড়াইয়ে যায়। সাত বছর পর তারা পেল কাঙ্ক্ষিত রায়।
আদালতের নথি অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পেছনে পাইলটের মানসিক অবস্থা এবং কম্পানির ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনাই বড় কারণ ছিল।
এই রায়ের মাধ্যমে ১৯২৯ সালের ওয়ারশ কনভেনশন ও ১৯৫৫ সালের হেগ প্রটোকলের আওতায় ইউএস-বাংলাকে দায়ী করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের মন্ট্রিয়াল কনভেনশন এই মামলায় প্রযোজ্য হয়নি, কারণ রায়ের সময় নেপাল ও বাংলাদেশ—উভয় দেশই সেই চুক্তির সদস্য ছিল না।
আপিল করতে পারবে ইউএস-বাংলা
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মুখপাত্র মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘আমাদের আইনজীবীরা নিয়ম অনুযায়ী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।’
আইনজীবী অমৃত খারেল বলেন, ‘এই রায়ে প্রমাণ হলো বীমা অর্থ ক্ষতিপূরণ নয়। বীমা টিকিটের অংশ হিসেবে যাত্রীদের অধিকার, কিন্তু অবহেলার দায়ে ক্ষতিপূরণ অবশ্যই আলাদা বিষয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই রায় শুধু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করেনি, বরং এটি মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এক বড় উদাহরণ।’
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো বিমান সংস্থা ইচ্ছাকৃত অবহেলা বা মারাত্মক গাফিলতির মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ হলে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার সুযোগ থাকবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য