ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইতালির রাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়ল বিমান : দাউদাউ আগুন, নিহত ২

অনলাইন ডেস্ক
২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১৫
অনলাইন ডেস্ক
ইতালির রাস্তায় মুখ থুবড়ে পড়ল বিমান : দাউদাউ আগুন, নিহত ২

সড়কে দুরন্ত গতিতে ছুটছিল গাড়ি। আচমকই সেখানে মুখ থুবড়ে পড়ে ছোট আকারের একটি উড়োজাহাজ এবং সঙ্গে সঙ্গেই তাতে আগুন ধরে যায়।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি এ দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবারের ওই দুর্ঘটনায় বিমানের চালক এবং তাঁর সঙ্গিনী, অর্থাৎ একমাত্র যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। এছাড়া দুর্ঘটনার সময় ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আহত হয়েছেন দু’টি গাড়ির চালকও। তবে তাদের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।


উত্তর ইতালির লম্বার্দি প্রদেশের ব্রেসিয়া শহরের একটি হাইওয়েতে ঘটেছে এই কাণ্ড। মঙ্গলবার সকালে ব্যস্ত সেই হাইওয়েতে প্রচণ্ড গতিতে আছড়ে পড়ে ইতালির একটি ফ্রেসিয়া আরজি আল্ট্রালাইট উড়োজাহাজ। ভিডিয়োতে দেখা গেছে যে রাস্তায় ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে গিয়েছে।


বিমান বিধ্বস্তের পর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বিমানের চালক সার্জিও রাভাগলিয়া (৭৫) এবং তার বান্ধবী অ্যান মারি ডি স্টেফানো’র (৬০)। সার্জিও পেশায় আইনজীবী এবং শৌখিন পাইলট ছিলেন। তিনি এবং অ্যান উভয়েই লম্বার্দির রাজধানীশহর মিলানের বাসিন্দা ছিলেন।


সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সড়কে বিমানটিকে জরুরিকালীন অবতরণ করানোর চেষ্টা করছিলেন পাইলট। কিন্তু তার পরিবর্তে বিমানটি ভেঙে পড়ে রাস্তায়। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দুর্ঘটনার মুহূর্তে জ্বলন্ত বিমানটির পাশ দিয়ে দ্রুত গতিতে ছুটে যাওয়া কয়েকটি গাড়ি। সেগুলোর মধ্যে দু’টি গাড়ির চালক আহত হয়েছেন।


বিমান ভেঙে পড়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং দমকলবাহিনী। যদিও তত ক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বিমানটি। ব্রেসিয়া শহরের পাবলিক প্রসিকিউটর দপ্তর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিমানটির রক্ষণাবেক্ষণের নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে অহমদাবাদের লোকালয়ে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। সেটির গন্তব্য ছিল লন্ডনের অদূরে গ্যাটউইক । ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ২৬০ জনের। নিহতদের মধ্যে বিমানটির যাত্রী ছিলেন ২৪১ জন।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল?

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৫ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫৩
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল?

    গত মাসে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধকে সফল বলে মনে করছে ইসরায়েলের নেতৃত্ব। এই যুদ্ধে ইরানের কয়েকজন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ‘ফোর্দো’তে হামলায় অংশ নিতে রাজি করানো গেছে।


    যুদ্ধের পর দ্রুত বিজয়ের দাবি করলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রয়োজনে আবারও হামলার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন। তিনি বলেন, “আমি গ্যাসের প্যাডাল চাপা বন্ধ করার কোনো চিন্তাই করছি না।”


    বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল এরই মধ্যে সুযোগ খুঁজছে— ইরানে আরেকটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ শুরু করার, যার লক্ষ্য হবে পশ্চিম এশিয়ার ইসলামী এই প্রজাতন্ত্রটিকে নতজানু করা। তবে এ ধরনের যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি প্রয়োজন, যা পাওয়া সহজ নাও হতে পারে।


    গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েলের এক আকস্মিক হামলা থেকেই শুরু হয়েছিল যুদ্ধ, যাতে এক হাজারের বেশি ইরানি ও ২৯ জন ইসরায়েলি নিহত হন।


    ইসরায়েল যুদ্ধের পক্ষে যুক্তি দিয়েছিল, তারা ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করতে “আত্মরক্ষার” অংশ হিসেবে আগেভাগেই পদক্ষেপ নিচ্ছে। যদিও তেহরান শুরু থেকেই বলে আসছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।


    এ সপ্তাহে আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান জানান, বর্তমানে অস্ত্রবিরতি চললেও সেটি কত দিন থাকবে, তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। তিনি বলেন, “ইসরায়েল আবার কোনো হামলা চালালে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমাদের সেনাবাহিনী আবারও ইসরায়েলের গভীরে আঘাত হানতে পারবে।”


    যুদ্ধের পেছনের কারণ

    ইসরায়েল কেবল ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল বলে দাবি করলেও বাস্তবে তারা মূলত ইরানের উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও সামরিক নেতাদের টার্গেট করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে বোঝা যায় ইসরায়েল শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং ইরানি শাসনব্যবস্থাকে দুর্বল করতে চায়।


    ইরানবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও মার্কিন থিংকট্যাংক কুইন্সি ইনস্টিটিউটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পার্সি বলেন, “ইসরায়েল চায় ইরানকে সিরিয়া বা লেবাননের মতো একটা দেশে পরিণত করতে— যাকে যখন খুশি আঘাত হানা যায়।”


    ইউরোপীয় দেশগুলো যদি আবার ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তাহলে ইসরায়েলের সামনে আবার যুদ্ধের সুযোগ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এতে সিদ্ধান্ত হয়, আগস্টের মধ্যে কোনো নতুন পরমাণু চুক্তি না হলে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞাগুলো আবার কার্যকর হবে।


    ২০১৫ সালে ইরান ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশের মধ্যে পরমাণু চুক্তি হলে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ওই চুক্তি থেকে বেরিয়ে গিয়ে আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।


    এখন যদি ইউরোপও সেই পথ অনুসরণ করে, তাহলে ইরান পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি থেকেও বেরিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর এটাই ইসরায়েলের জন্য আবার হামলার সুযোগ তৈরি করতে পারে।


    ইসরায়েলের রাইখমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরানবিষয়ক অধ্যাপক মেইর জাভেদানফার বলেন, ইসরায়েল যুদ্ধ করতে চাইলে এমন প্রমাণ দিতে হবে, যাতে বোঝা যায় ইরান আবার পরমাণু কর্মসূচি চালু করছে। তবে তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুমতি ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ শুরু করা কঠিন হবে।


    গোপন অভিযান

    যুদ্ধ শুরুর সম্ভাবনা ততটা ঘনিভূত না হলেও নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ইতোমধ্যেই ইরানে গোপন অভিযান চালাচ্ছে। যার ফলে সেখানে একের পর এক বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটছে।


    তিনজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও এক ইউরোপীয় কূটনীতিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্ল্যাট, রিফাইনারি, বিমানবন্দরের পাশে ও জুতার কারখানায় আগুন বা বিস্ফোরণের পেছনে ইসরায়েলেরই হাত রয়েছে।


    ওয়াশিংটনের থিংকট্যাংক সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির বিশ্লেষক নেগার মরতাজাভি বলেন, “নেতানিয়াহু এমন একটা কৌশল বের করেছেন যাতে ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানে নির্বিঘ্নে হামলা চালানো সম্ভব হচ্ছে।”


    বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ইরানের অভ্যন্তরে যেভাবে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, তাতে তারা স্থানীয় এজেন্ট ও ড্রোন ব্যবহার করে সহজেই অভিযান চালাতে পারছে।


    ইরানবিষয়ক বিশ্লেষক ওরি গোল্ডবার্গ বলেন, “ইসরায়েল ইরানে একটি সুসংগঠিত নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এ ধরনের নেটওয়ার্ক মাঝেমধ্যে কিছু করে দেখাতে চায়— এটা কৌশলগত না হলেও কাজটা করা জরুরি হয়ে পড়ে।”


    নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা

    নেতানিয়াহু একসময় সংঘাত এড়িয়ে চলার পক্ষপাতী ছিলেন বলে ধরা হলেও, এখন তিনি সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন এবং ইরানসহ আশপাশের দেশগুলোতে বারবার হামলা চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি গাজায় চালানো নিপীড়নের মাত্রাও বাড়ছে।


    গাজা নিয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে মতবিরোধ থাকলেও ইরান বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য রয়েছে। ওরি গোল্ডবার্গ বলেন, “নেতানিয়াহু যদি মনে করেন, তার অবস্থান বিপদের মুখে, তাহলে তিনি ইরানকে আঘাত করে জনগণকে আবার নিজের পক্ষে একত্রিত করার চেষ্টা করবেন।”


    অন্যদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান দ্বিতীয়বার আর প্রস্তুতিহীন থাকবে না। নেগার মরতাজাভি বলেন, “ইরান জানে যে একটি কূটনৈতিক চুক্তি হলে ইসরায়েল হামলার সুযোগ হারাবে। তাই তারা চায় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করতে।”


    সূত্র: আল জাজিরা


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স : ম্যাক্রোঁ

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৫ জুলাই, ২০২৫ ১২:১৬
      অনলাইন ডেস্ক
      সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স : ম্যাক্রোঁ

      সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে ঘোষণা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।


      বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ফ্রান্স সময় রাত সাড়ে ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক (এক্স) পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন তিনি। তিনি জানান, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবেন।


      ফেসবুক পোস্টে ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতির প্রতি বিশ্বস্ত থেকে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ফ্রান্স ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে।’


      পোস্টে ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘আজকের জরুরি বিষয় হল গাজার যুদ্ধ বন্ধ করা এবং বেসামরিক জনগণকে বাঁচানো।’


      ম্যাক্রোঁ আরও লিখেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির প্রতি তার ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি বজায় রেখে, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ফ্রান্স ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে।’


      শান্তি সম্ভব, ম্যাক্রোঁ জোর দিয়ে বলেন, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, সমস্ত জিম্মিদের মুক্তি এবং বৃহৎ পরিসরে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানাচ্ছি।


      ম্যাক্রোঁ বলেন, লক্ষ্য হতে হবে ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গড়ে তোলা, এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সবার নিরাপত্তায় অবদান রাখার জন্য এর নিরস্ত্রীকরণ গ্রহণ এবং ইসরায়েলকে সম্পূর্ণরূপে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে এটিকে সক্ষম করা।’


      ম্যাক্রোঁ জোর দিয়ে বলেন, ফরাসি জনগণ শান্তি চায় এবং এটি অর্জনের জন্য ইসরায়েলি, ফিলিস্তিনি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।


      তিনি আরও বলেন, ‘ফরাসিরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি চায়। আমাদের, ইসরাইলি, ফিলিস্তিনি, ইউরোপীয় এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের একসঙ্গে প্রমাণ করতে হবে— শান্তি সম্ভব।’


      ফরাসি প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরই তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।


      তিনি বলেন, ‘আমি তাকে চিঠি দিয়ে আমার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছি। আজ আমাদের দরকার বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও অঙ্গীকার। আমরা শান্তি অর্জন করব।’


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত: সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কে?

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৫ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫
        অনলাইন ডেস্ক
        থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত: সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কে?

        দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই দেশ থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মাঝে কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা ভয়াবহ সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিবেশী দুই দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা পাল্টাপাল্টি বিমান ও রকেট হামলা চালিয়েছে। কম্বোডিয়ার সামরিক স্থাপনায় মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে থাইল্যান্ড। জবাবে কম্বোডিয়াও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এতে থাইল্যান্ডে অন্তত ১২ জন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কম্বোডিয়ারও।


        গত কয়েক দশকের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশের মাঝে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) তথ্য অনুযায়ী দুই দেশের সামরিক শক্তি ও অস্ত্রভাণ্ডারের তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো :


        • বাজেট ও স্থলবাহিনী


        গত বছর কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। দেশটির সক্রিয় সেনা সদস্য রয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ জন। ১৯৯৩ সালে কম্বোডিয়ার সাবেক কমিউনিস্ট সামরিক বাহিনী ও অন্য দুটি প্রতিরোধ বাহিনীর সংমিশ্রণে বর্তমান সশস্ত্র বাহিনী গঠন করা হয়েছিল।


        দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনীই সবচেয়ে বড়। কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনীতে প্রায় ৭৫ হাজার সৈন্য রয়েছেন। তাদের সহায়তায় আছে ২০০টিরও বেশি যুদ্ধ ট্যাঙ্ক ও ৪৮০টি আর্টিলারি।


        থাইল্যান্ডকে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর বাইরের প্রধান মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বৃহৎ ও ব্যাপক অর্থায়নের সামরিক বাহিনী আছে। ২০২৪ সালে থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষা বাজেট ছিল ৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীতে সক্রিয় সদস্যের সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।


        থাই সেনাবাহিনীতে মোট ২ লাখ ৪৫ হাজার সদস্য রয়েছেন। যার মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার জন নিয়োগপ্রাপ্ত। দেশটির এই বাহিনীতে প্রায় ৪০০ যুদ্ধ ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ২০০টিরও বেশি সাঁজোয়া যান এবং প্রায় ২ হাজার ৬০০ আর্টিলারি অস্ত্র রয়েছে।


        থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিমানবহরও রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনা ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার, মনুষ্যবিহীন ড্রোনের পাশাপাশি যাত্রীবাহী বিমানও রয়েছে।


        • বিমানবাহিনী

        কম্বোডিয়ার বিমানবাহিনীর সদস্য সংখ্যা মাত্র দেড় হাজার। এছাড়া দেশটির বিমানবাহিনীতে ১০টি পরিবহন বিমান ও ১০টি পরিবহন উড়োজাহাজের ছোট একটি বহর আছে। কম্বোডিয়ার বিমানবাহিনীর কাছে কোনও যুদ্ধবিমান নেই। তবে ১৬টি বহুমুখী অভিযান পরিচালনাকারী উড়োজাহাজ আছে। এর মধ্যে ছয়টি সোভিয়েত যুগের এমআই-১৭ এবং ১০টি চীনা জেড-৯এস।


        থাইল্যান্ডের বিমানবাহিনীকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সজ্জিত ও প্রশিক্ষিত বাহিনী হিসেবে মনে করা হয়। এই বাহিনীতে প্রায় ৪৬ হাজার সদস্য, ১১২টি কমব্যাট বিমান রয়েছে। যার মধ্যে ২৮টি এফ-১৬ ও ১১টি সুইডিশ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান রয়েছে। এছাড়াও তাদের বহরে আছে প্রায় এক ডজন উড়োজাহাজ।


        • নৌবাহিনী

        কম্বোডিয়ার নৌবাহিনীতে প্রায় ২ হাজার ৮০০ সদস্য রয়েছেন। যার মধ্যে ১ হাজার ৫০০ নৌ পদাতিক সৈন্য রয়েছেন। এছাড়া ১৩টি টহল ও উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি একটি উভচর অবতরণ জাহাজ রয়েছে।


        থাইল্যান্ডের নৌবাহিনী তুলনামূলক অনেক বড়। এই বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। এতে নৌ-বিমান ইউনিট, মেরিন, উপকূলরক্ষী বাহিনী ও নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যরা রয়েছেন।


        থাই নৌবহরে একটি বিমানবাহী রণতরী, সাতটি ফ্রিগেট, ৬৮টি টহল ও উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ আছে। এছাড়া থাই নৌবহরে কয়েকটি উভচর এবং অবতরণকারী জাহাজ রয়েছে। এসব জাহাজে শত শত সৈন্য ও ১৪টি ছোট অবতরণকারী বিমান রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।


        দেশটির নৌবিমান ইউনিটের উড়োজাহাজ ও ড্রোনের নিজস্ব বহর রয়েছে। মেরিন কোরে ২৩ হাজার সদস্য আছেন। এই কোরের নিয়ন্ত্রণে আছে প্রায় এক ডজন সশস্ত্র যুদ্ধযান।


        সূত্র: রয়টার্স।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গ্রেপ্তার দূত

          বিশ্ব মানচিত্রে নাম নেই এমন দেশের দূতাবাসের সন্ধান ভারতে

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৪ জুলাই, ২০২৫ ২২:৬
          অনলাইন ডেস্ক
          বিশ্ব মানচিত্রে নাম নেই এমন দেশের দূতাবাসের সন্ধান ভারতে

          ভারতের উত্তর প্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গাজিয়াবাদ থেকে ভুয়া দূতাবাস চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম হর্ষবর্ধন জৈন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ৪৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গাজিয়াবাদে একটি বাড়ি ভাড়া করে সেখান থেকেই ভুয়া দূতাবাস পরিচালনা করছিলেন বলে অভিযোগ।


          ওয়েস্টার্কটিকা, সাবোরগা, পলভিয়া এবং লোডোনিয়ার মতো তথাকথিত ‘দেশের’ রাষ্ট্রদূত বলে পরিচয় দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন বলেও এসটিএফ জানিয়েছে। মূলত দেশ হিসেবে এগুলোর স্বীকৃতি নেই।


          এসটিএফের নয়ডা ইউনিটের এসএসপি সুশীল ঘুলে সাংবাদিকদের বলেছেন, ওই ব্যক্তি ওয়েস্টার্কটিকা, সাবোরগা, পলভিয়া, লোডোনিয়া এবং আরও কয়েকটি তথাকথিত দেশের দূত সেজে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করত।


          ‘‘ওই ব্যক্তির কাছ থেকে অনেক আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। যে সমস্ত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে কূটনীতিকদের ব্যবহার করা গাড়ির নম্বর প্লেটের অনুকরণে তৈরি নম্বর প্লেট লাগানো ছিল। এতে কোনও অনুমোদিত সংস্থার স্বীকৃতি ছিল না।’’


          • ভুয়া দূতাবাস


          কয়েক বছর ধরেই ওই ভুয়া দূতাবাস চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর পাওয়া গেছে। গাজিয়াবাদের ভাড়া করা বাড়ি থেকেই কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছিল। এসএসপি সুশীল ঘুলে বলেছেন, ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি গাজিয়াবাদের কবি নগরের কেবি-৪৫ এর বাসিন্দা। কবি নগরেরই কেবি-৩৫-এ বাড়ি ভাড়া করে ওই বেআইনি দূতাবাস চালাচ্ছিল।


          আন্তর্জাতিক স্তরে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পরিচয় রয়েছে, এমন দাবি জানিয়ে বিদেশে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ আদায় করতেন ওই ব্যক্তি। প্রমাণ হিসাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বিভিন্ন ছবিও তাদের দেখাতেন যার সবই জাল করা।


          ঘুলে বলেছেন, অন্যদের সামনে নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি জাহির করতে এবং তাদের ঠকানোর উদ্দেশ্য নিয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিত্বের সঙ্গে নিজের মর্ফ করা (বিকৃত) ছবি ব্যবহার করতেন। পুলিশ বলেছে, হর্ষবর্ধন জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, বিদেশে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন তিনি।


          তাছাড়া ভুয়া শেল কোম্পানির মাধ্যমে হাওয়ালা (অর্থ স্থানান্তরের একটি পদ্ধতি) চক্র চালাতেন বলেও জানা গেছে। পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে সন্দেহজনক ও ভুয়া সামগ্রী উদ্ধার করেছে এসটিএফ। এই তালিকায় কূটনৈতিকদের অনুকরণে তৈরি ভুয়া নম্বর প্লেট লাগানো চারটি গাড়ি ছিল। এছাড়া গাড়িতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি অতিরিক্ত ১৮টি ভুয়া নম্বরপ্লেটও ছিল।


          ১২টি অবৈধ পাসপোর্ট, দুটি ভুয়া প্যান কার্ড এবং ৩৪টি দেশ ও কোম্পানির জাল সিলমোহর, দুটি প্রেস কার্ড, নগদ ৪৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা এবং কোম্পানি সম্পর্কিত নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।


          • প্রতিবেশীরা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি


          এডিজি অমিতাভ যশ বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, কয়েক বছর ধরে এভাবেই কাজ করে আসছিলেন হর্ষবর্ধন জৈন। তিনি নিজেকে বিভিন্ন মাইক্রোকান্ট্রির দূত হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং তার বিশেষ পদমর্যাদা রয়েছে বলে দাবি করতেন। এর মধ্যে কয়েকটি দেশ অস্তিত্বহীন।


          ওই এলাকার বাসিন্দারা ঘুণাক্ষরেও ভুয়া দূতাবাস চালানোর বিষয়টি টের পাননি। কারণ বাড়ির সামনে গাড়ির বহর লেগে থাকত। প্রতিবেশীদের ধারণা ছিল জৈন বাস্তবে একজন কূটনীতিক। ওই এলাকার এক তরুণী বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, আমরা ভাবতাম কোনও কূটনীতিক হয়তো এখানে থাকেন। লোকজন খুব বেশি বাড়িতে থাকতে দেখিনি। বাড়ির সামনে অনেক গাড়ি দেখা যেত। বিভিন্ন মাইক্রোকান্ট্রির পতাকাও থাকত।


          ‘‘কেউ লক্ষ্যই করিনি যে এখানে একটা ভুয়া দূতাবাস চালানো হচ্ছে। কার পক্ষে বোঝা সম্ভব! আমরা ভাবতাম প্রভাবশালী কোনও কূটনীতিক হয়ত এই পাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন।’’


          • অতীতে গ্রেপ্তার


          এর আগেও পুলিশের নজরে এসেছিলেন জৈন। তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১১ সালে এক মামলায় হর্ষ বর্ধন জৈন নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসএসপি সুশীল ঘুলে।


          তিনি বলেছেন, সেই সময় তার কাছ থেকে একটি স্যাটেলাইট ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় কবিনগর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এবার তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছে গাজিয়াবাদ থানার পুলিশ।


          বেআইনি কার্যকলাপ, নথি রাখা ও জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


          • ওয়েস্টার্কটিকা


          এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ওয়েস্টার্কটিকা নামটিও খবরের শিরোনামে চলে এসেছে। হর্ষ বর্ধন জৈন নামে গাজিয়াবাদের ওই বাসিন্দা নিজেকে যে দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরিচয় দিতেন তার মধ্যে একটি এই ওয়েস্টার্কটিকা।


          প্রথমবার নাম শুনে একে দূরবর্তী কোনও দেশ বা ছোট দেশ বলে মনে হতে পারে। তবে ওয়েস্টার্কটিকা আসলে একটা কাল্পনিক দেশ। ২০০১ সালে ট্র্যাভিস ম্যাকহেনরি নামের মার্কিন এক নৌ কর্মকর্তা এই দেশ গঠনের দাবি করেন। তিনি মার্কিন নৌবাহিনীতে ইন্টেলিজেন্স অ্যানালিস্ট হিসাবে কর্মরত ছিলেন।


          এর নিজস্ব ওয়েবসাইট, পতাকা, জাতীয় প্রতীক এবং মুদ্রাও রয়েছে। ওয়েস্টার্কটিকাকে অ্যান্টার্কটিকার বরফাচ্ছাদিত অংশের প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করা হয়; যার ওপর কোনও দেশের আনুষ্ঠানিক দাবি নেই।


          কিন্তু বিশ্বের কোনও দেশ বা জাতিসংঘ একে সত্যিকারের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ওয়েস্টার্কটিকা নামে ট্র্যাভিস ম্যাকহেনরির তৈরি একটি সংস্থাও রয়েছে। একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত যার লক্ষ্য পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো।


          ওয়েস্টার্কটিকা সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন গ্র্যান্ড ডিউক ট্র্যাভিস, যার সাহায্যের জন্য একজন প্রধানমন্ত্রী এবং রয়্যাল কাউন্সিল রয়েছে। এছাড়া গ্র্যান্ড ডুকাল কোর্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা ওয়েস্টার্কটিকায় প্রণীত বিভিন্ন আইন ব্যাখ্যা করার কাজ করে।


          তবে এসব কিছুই ডিজিটাল ও প্রতীকী কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ, বাস্তব জগতে যার কোনও আইনি বা কূটনৈতিক বৈধতা নেই। ওয়েস্টার্কটিকাতে বিভিন্ন সাম্মানিক পদ বা উপাধি রয়েছে। পিয়ার্সও রয়েছেন যারা এই নিজেদের জ্ঞান, সময় এবং দক্ষতার মাধ্যমে এই সংস্থার উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেন।


          প্রসঙ্গত, ওয়েস্টার্কটিকার দূত হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া জৈনের গ্রেপ্তারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ওই সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে।


          এতে বলা হয়েছে, এইচ ভি জৈন ওয়েস্টার্কটিকাকে উদারহস্তে অনুদান দিয়েছিলেন এবং পরবর্তীকালে তার দেশে আমাদের পরিবেশগত ও দাতব্য মিশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবকদের দলে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাকে ‘অনারারি কনসাল টু ইন্ডিয়ার’ আনুষ্ঠানিক উপাধি দেওয়া হয়েছিল, কখনই রাষ্ট্রদূতের পদ বা কর্তৃত্ব দেওয়া হয়নি।


          জালিয়াতি এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সম্প্রতি জৈনকে গ্রেপ্তারের সময়, তার কাছ থেকে কূটনৈতিক নম্বর প্লেট, পাসপোর্ট এবং ওয়েস্টার্কটিকার সিলযুক্ত বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া গেছে। একজন অনারারি কনসাল হিসেবে এসব সামগ্রী তৈরির অনুমতি তার ছিল না।


          ‘‘ওয়েস্টার্কটিকা নিজেই কোনও নম্বর প্লেট বা পাসপোর্ট ব্যবহার করে না এবং আমরা কখনও আমাদের প্রতিনিধিদের এমনটা করার অনুমতি বা উৎসাহ দেই না। তার বাসভবনকে দূতাবাস বলে অভিহিত করে জৈন ওয়েস্টার্কটিকার প্রোটোকল লঙ্ঘন করেছেন।’’ তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। বিবিসি বাংলা।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত