ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

৪৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

অনলাইন ডেস্ক
২৪ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৬
অনলাইন ডেস্ক
৪৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

৪৯ জন আরোহী নিয়ে রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে সব আরোহী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।


বৃহস্পতিবার স্থানীয় জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাইবেরিয়াভিত্তিক বিমান সংস্থা আঙ্গারার এএন-২৪ বিমানটি চীন সীমান্তবর্তী আমুর অঞ্চলের শহর টাইন্ডায় যাওয়ার পথে রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে বিমানটি নিখোঁজ বলে জানানো হলেও রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, আমুর অঞ্চলে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে।


রাশিয়ার তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, অবতরণের সময় বিমানের ক্রুদের ভুল এবং দৃশ্যমানতার অভাবকে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাসিলি অরলভ জানিয়েছেন, বিমানটিতে পাঁচ শিশুসহ ৪৩ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। যদিও জরুরি পরিস্থিতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে আরোহীর সংখ্যা ছিল ৪০ জন। 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    থাইল্যান্ডের হাসপাতালে রকেট হামলা কম্বোডিয়ার, নিহত অন্তত ১২

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৪ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২১
    অনলাইন ডেস্ক
    থাইল্যান্ডের হাসপাতালে রকেট হামলা কম্বোডিয়ার, নিহত অন্তত ১২

    থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী প্রদেশ বান নাম ইয়েনের একটি সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক এলাকায় অবস্থিত একটি হাসপাতালে বিস্ফোরক রকেট হামলা চালিয়েছে কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী। এতে অন্তত ১১ জন বেসামরিক এবং এক জন সেনা নিহত হয়েছেন।


    এক বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। দেশটির এক সেনা কর্মকর্তা বলেছেন, কম্বোডিয়া সেনাবাহিনীর ছোড়া রকেটগুলো ছিল বিএম ২১ ঘরানার বিস্ফোরক রকেট।


    থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য এবং পররাষ্ট্র— উভয় মন্ত্রণালয় থেকে এ হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং সেই সঙ্গে বেসামরিক এলাকায় হামলা করা থেকে বিরত থাকতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।


    উল্লেখ্য, এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল বা পান্না ত্রিভুজ নামের একটি এলাকা নিয়ে বেশ কয়েক দশক ধরে দ্বন্দ্ব চলছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা মিলিত হয়েছে পান্না ত্রিভুজে এবং থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া উভয়েই এ ভূখণ্ডকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। পান্না ত্রিভুজে বেশ কয়েকটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে।


    কয়েক দশক ধরে সীমান্ত সংঘাতের পর ১৫ বছর আগে যুদ্ধবিরতিতে গিয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু গত মে মাসে কম্বোডিয়ার এক সেনা থাই সীমান্তের কাছে নিহত হওয়ার পর ফের উসকে ওঠে উত্তেজনা।


    গতকাল বুধবার কম্বোডিয়া সীমান্তের কাছে ল্যান্ড মাইন বিস্ফোরণে এক থাই সেনা গুরুতর আহত হন। তারপর আজ বৃহস্পতিবার সকালে কম্বোডিয়ার দুই সেনা স্থাপনায় বিমান অভিযান চালায় থাইল্যান্ড।


    সেই হামলার জবাবে এই রকেট হামলা চালিয়েছে কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী। থাই বিমান হামলার পর কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয় এক বিবৃতিতে বলেছিল, এই অভিযানের ‘সমুচিত’ জবাব দেবে কম্বোডিয়া।


    সূত্র : বিবিসি, সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৪৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ার বিমান বিধ্বস্ত

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৪ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪৬
      অনলাইন ডেস্ক
      ৪৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ার বিমান বিধ্বস্ত

      রাশিয়ায় নিখোঁজ হয়ে যাওয়া আন-২৪ মডেলের যাত্রীবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির দূর প্রাচ্যের আমুর অঞ্চলে ওই বিমানের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।


      বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিধ্বস্ত বিমানটিতে ৪৯ জন আরোহী ছিলেন বলে আমুর অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাসিলি অরলোভ জানিয়েছেন।


      টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় বলেছে, “রোসাভিয়াতসিয়ার (রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার বিমানের পোড়া ফিউসেলাজ দেখতে পেয়েছে।”


      এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিমানটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এতে ৪০ থেকে ৫০ জন আরোহী ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিমানটি সাইবেরিয়া-ভিত্তিক এয়ারলাইন্স আঙ্গারা পরিচালনা করছিল এবং চীন সীমান্তবর্তী টাইন্দা শহরের দিকে যাচ্ছিল।

      উদ্ধারকাজে বিমান, হেলিকপ্টার ও গ্রাউন্ড টিম অংশ নেয়। বহু সময় ধরে অনুসন্ধানের পর অবশেষে আগুনে পুড়ে যাওয়া ফিউসেলাজ দেখতে পান হেলিকপ্টারের ক্রুরা।

      আমুর অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাসিলি অরলোভ এক বিবৃতিতে জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী বিমানে ৫ শিশুসহ ৪৩ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ভারতীয় ফ্লাইটের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৯ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২২
        অনলাইন ডেস্ক
        ভারতীয় ফ্লাইটের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ

        পাকিস্তান তার আকাশসীমা ব্যবহার নিয়ে ভারতের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ফলে আগামী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

         

         

        শুক্রবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে জিও নিউজ।

        পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নতুন করে একটি নোটিশ জারি করে জানিয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রেশনের অধীনে থাকা সকল ধরনের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে না। নতুন নোটিশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভারতের নিবন্ধিত কোনো বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমা দিয়ে ওভারফ্লাইট, ট্রানজিট বা অন্য কোনোভাবে চলাচল করতে পারবে না।

        এই নিষেধাজ্ঞা প্রথম শুরু হয়েছিল গত ২৩ এপ্রিল থেকে এবং তখন থেকে নিয়মিতভাবে নবায়ন করা হচ্ছে। পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে এবং কোনো ধরনের ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না।

        ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের পেহেলগাম এলাকায় প্রাণঘাতী হামলার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ওই ঘটনার পর ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়, যার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানও ভারতের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।

        পহেলগাম হামলার পর ভারত পাকিস্তানে হামলা চালায়, যাতে কয়েকজন পাকিস্তানি নিহত হন। এর পাল্টা জবাবে পাকিস্তানও ভারতের উপর হামলা চালায়। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে এবং শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়।

        আকাশসীমা বন্ধের ফলে ভারতের বিমান সংস্থাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। লম্বা রুটের ফ্লাইটগুলোকে পাকিস্তানের আকাশসীমা এড়িয়ে যেতে বাধ্য হওয়ায় অতিরিক্ত জ্বালানির খরচ এবং যাত্রার সময় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোর কয়েক কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আ.লীগ নেতাদের ভারতে আশ্রয় নিয়ে মমতার বিস্ফোরক মন্তব্য

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১৫
          অনলাইন ডেস্ক
          আ.লীগ নেতাদের ভারতে আশ্রয় নিয়ে মমতার বিস্ফোরক মন্তব্য

          ভারত সরকারের মদদেই বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা কলকাতায় রয়েছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম উল্লেখ না করে মোদী সরকারকে আক্রমণ করে মমতা বলেছেন, কয়েকজন অতিথিকে তো ভারত সরকার রেখে দিয়েছে। আমি কি তাতে বাধা দিয়েছি? দিইনি। তার কারণ রাজনৈতিক বিষয় আছে।

          পার্শ্ববর্তী দেশ বিপদে পড়েছে বা ভারত সরকারের অন্য কোনো বিষয় আছে, কই এ নিয়ে তো আমরা কোনোদিন কিছু বলিনি। তাহলে আপনারা কেন ‘বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি’ এমন তকমা দিচ্ছেন?

          বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) নিউটাউনে এক অনুষ্ঠানে বাঙালি হেনস্থার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভারত সরকার তো আমাদের অতিথি হিসেবে কয়েকজনকে রেখেছে, আমি কি না বলেছি? আশ্রয়ের কারণ হিসেবে পার্শ্ববর্তী দেশ বিপদে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

          মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, বাংলাদেশিদের নিয়ে যদি এতো সমস্যা হয়, তাহলে কিছু বাংলাদেশিকে ভারত সরকার অতিথি করে রেখেছে কেন? তাদের রাখা নিয়ে এখনও অবদি পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোনো আপত্তি করেনি।

          মোদী সরকারের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ‘একজন ভারতীয়, দেশের যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন। কিন্তু, বিভিন্ন রাজ্যে বাংলায় কথা বললেই, বাংলাদেশি বলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের নির্বাসন করার কথা বলা হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশি নয়, ভারতের ভিন রাজ্যগুলোয় বাংলাভাষীদের রোহিঙ্গা বলা হচ্ছে।’

          এসময় তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালের ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির ফলে ভারতে আসা উদ্বাস্তুরা সবাই অবশ্যই ভারতের নাগরিক। বাংলাদেশি কোনোভাবেই নয়।’

          মমতা অভিযোগ করে বলেন, ‘বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হচ্ছে, বাংলা ভাষায় কথা বললেই রিপোর্ট করে দেওয়া হবে। ওরা জানে না, বাংলা ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা এশিয়ায় দ্বিতীয়। আর বিশ্বে পঞ্চম।’

          পশ্বিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির সময়েই বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তুরা ভারতে এসেছিল। ওই সময় যে উদ্বাস্তুরা ভারতে এসেছিলেন, তারা বর্তমানে ভারতের নাগরিক।’

          তিনি আরও বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী অনেকেই দেশভাগের আগে এসেছেন বা ১৯৭১ সালে ভারতে চলে আসার আগে জন্ম হয়েছে। তাদের বাংলা ভাষায় টান রয়েছে। কিন্তু তারা বাংলাদেশি নন, সবাই ভারতীয়।’ তিনি বলেন, ‘বাংলায় বাংলাদেশি টান থাকতেই পারে। ওপার বাংলায় তারা ছিলেন এটা ভুলে গেলে চলবে না।’

          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত