ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইমরান খানকে ‘ডেথ সেলে’ বন্দি রাখা হয়েছে, দাবি পিটিআইয়ের

অনলাইন ডেস্ক
১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৫:২৮
অনলাইন ডেস্ক
ইমরান খানকে ‘ডেথ সেলে’ বন্দি রাখা হয়েছে, দাবি পিটিআইয়ের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রধান বিরোধী নেতা ইমরান খানকে ‘ডেথ সেলে’ বন্দি করে অমানবিকভাবে রাখা হয়েছে। এমনকি আইনজীবী ও নিকট আত্মীয়দের সঙ্গেও তাকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

এমনটাই দাবি করেছে ইমরান খানের প্রতিষ্ঠিত দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ইমরান খানকে ‘ডেথ সেলে’ বন্দি রাখা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্য সচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম অভিযোগ তোলেন।

তিনি জানান, ইমরান খানকে দিনে ২২ ঘণ্টা একা একটি কক্ষে আটকে রাখা হচ্ছে। তাকে পত্রিকা, টেলিভিশন বা বই পড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি আইনজীবী ও নিকট আত্মীয়দের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

আকরাম বলেন, “এই অবস্থা আসলে এক ধরনের মানসিক নির্যাতন এবং মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের নামান্তর।”

পিটিআইয়ের এই মুখপাত্র দাবি করেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরান খানের ছয়জন নির্ধারিত ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার অধিকার রয়েছে, কিন্তু সেটিও লঙ্ঘন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবিকেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না, আর ইমরান খানের বোন আলিমা খান পর্যন্ত তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারছেন না।

পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতির প্রতি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে আকরাম বলেন, “আদালতের আদেশ যেভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে, তাতে শুধু বিচার বিভাগের মর্যাদাই ক্ষুণ্ন হচ্ছে না, বরং দেশের পুরো বিচারব্যবস্থাকে উপহাস করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে আকরাম আরও দাবি করেন, কারাগারে বন্দি পিটিআই নেতাদের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে এবং তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, (সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী) শাহ মেহমুদ কুরেশির শারীরিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।

অর্থনৈতিক ইস্যুতেও সরকারকে আক্রমণ করে আকরাম বলেন, গত ১৫ মাসে পেট্রোলের দাম বেড়েছে ৮২ শতাংশ, যেখানে পিটিআই সরকারের আমলে মাত্র ৫১ রুপি বেড়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, “বর্তমান সরকার ভর্তুকি বাতিল করে পেট্রোলের দাম ২২০ রুপিতে তুলে দিয়েছে।”

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আবার হামলার প্রস্তুতি ইরানের, হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানদের

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪২
    অনলাইন ডেস্ক
    আবার হামলার প্রস্তুতি ইরানের, হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানদের

    ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আবারও শত্রুদের ওপর আঘাত হানতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুই বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। 

    গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি এবং আইআরজিসি কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরের এক বৈঠকে এই বার্তা দেওয়া হয়। খবর মেহর নিউজ এজেন্সির।

    বৈঠকে জেনারেল পাকপুর বলেন, ‘আইআরজিসি সদস্যদের মনোবল অত্যন্ত দৃঢ় এবং আমরা পূর্ণ সমন্বয়ে প্রস্তুত আছি শত্রুদের ওপর পুনরায় আঘাত হানার জন্য।’

    তিনি আরও বলেন, ‘১২ দিনের যুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে আমি বলব, ইরানি জনগণের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। জনগণের মহাকাব্যিক সমর্থনেই দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে জটিল যুদ্ধ ও ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।’

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানি জাতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতা ও ঐক্য এই যুদ্ধ জয় এনেছে। আমরা একসঙ্গে আছি। শত্রুরা কখনও আমাদের পরাজিত করতে পারেনি।’

    জেনারেল পাকপুর আরও বলেন, ‘যুদ্ধের শেষদিকে ইহুদিবাদীরা প্রতিশ্রুত নরক নিজের চোখে দেখেছে। আমরা আগ্রাসীদের ছাড় দেব না। যুদ্ধ যদি আবার শুরু হয়, তাহলে যেখানে থেমেছিল, সেখান থেকেই আমরা তা আবার শুরু করব।’

    অপরদিকে, জেনারেল হাতামিও শহীদ আইআরজিসি কমান্ডার, বিশেষ করে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সালামির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের অবদান আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    তিনি বলেন, ‘শত্রুতাপূর্ণ ইহুদিবাদী রাষ্ট্র শুধু অঞ্চলের নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই হুমকি। তারা মুসলিমদের শত্রু এবং সুযোগ পেলে আশপাশের দেশগুলোতেও আঘাত হানবে।’

    জেনারেল হাতামি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি হাতে-হাত রেখে, এক আত্মিক বাহিনী হিসেবে ইসলামি ইরানের নিরাপত্তা, শক্তি ও মর্যাদা রক্ষায় কাজ করে যাবে।’

    উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে এবং ১২ দিনব্যাপী ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এরপর ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নাতাঞ্জ, ফোরদো ও ইস্পাহানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

    জবাবে ইরানি বাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মহাকাশ ইউনিট ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’র আওতায় ইসরায়েলের দখলকৃত এলাকাজুড়ে ২২টি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে একগুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি।

    সবশেষে, ২৪ জুন কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতিতে এই সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছে।

    মন্তব্য

    ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রতিদিন ২৮ শিশুর মৃত্যু : ইউনিসেফ

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১১
    অনলাইন ডেস্ক
    ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রতিদিন ২৮ শিশুর মৃত্যু : ইউনিসেফ

    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল গাজার ওপর চলমান ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২৮ জন শিশু নিহত হচ্ছে। খবর মিডলইস্ট মনিটরের।

    তিনি বলেন, ‘এ যেন প্রতিদিন একটি শ্রেণিকক্ষের সব শিক্ষার্থীকে হারানো এবং তা যেন চলছে টানা দুই বছর।’

    তিনি আরো বলেন, ‘শিশুরা রাজনৈতিক পক্ষ নয়। তারা কোনো সংঘর্ষ শুরু করে না, আবার থামাতেও পারে না। কিন্তু তারাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় এবং তারা বুঝে উঠতে পারে না কেন বিশ্ব তাদের পাশে নেই।

    জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার জানান, গাজার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ৩৬ হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ১৭টি এবং ১৭০টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৬৩টি আংশিকভাবে চালু আছে, যেখানে প্রতিদিন বহু হতাহত আসছে।

    ফ্লেচার জানান, অর্ধেক চিকিৎসা সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে এবং জরুরি সেবা পরিচালনায় ব্যবহৃত জ্বালানির সংকট চরম পর্যায়ে রয়েছে। জুন মাসে শিশুদের অপুষ্টির হার উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

    ৫ হাজার ৮০০-এরও বেশি শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে।

    তিনি আরো বলেন, গত সপ্তাহে খাদ্য সহায়তার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় শিশু ও নারী ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে। তারা অপেক্ষা করছিল এমন কিছু খাবারের জন্য, যা তাদের বাঁচিয়ে রাখতে পারত।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ট্রাম্পের পা ফোলা, হাতে কালশিটে দাগ— ধরা পড়েছে ধমনীর জটিলতা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ট্রাম্পের পা ফোলা, হাতে কালশিটে দাগ— ধরা পড়েছে ধমনীর জটিলতা

      মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পায়ে ফোলা ও হাতে কালশিটে দাগ দেখা দিয়েছে। পরীক্ষানিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’বা দীর্ঘমেয়াদি শিরাজনিত রক্তসঞ্চালন ব্যাঘাত শনাক্ত করেছেন।

      স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

      ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘এটি একটি সাধারণ সমস্যা। শরীরের জন্য এই সমস্যা তেমন ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্ষতিকর নয়। এই রোগে শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত শিরাগুলো রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করে।’

      তিনি প্রেসিডেন্টের চিকিৎসকের চিঠি পড়ে শোনান, যেখানে বলা হয়েছে— ৭০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা বেশি। ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া ব্যক্তি।

      ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প বারবার তার প্রতিপক্ষ জো বাইডেনের বয়স ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। যদিও বাইডেন ট্রাম্পের চেয়ে তিন বছরের বড়, নির্বাচনের কিছু আগে দলীয় চাপের মুখে তিনি প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ান এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের হাতে প্রার্থিতা তুলে দেন। আর গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে পরে তাকেও হারিয়ে দেন ট্রাম্প।

      তবে হোয়াইট হাউস জানায়, ট্রাম্পের শরীরে তেমন কোনো গুরুতর অসুস্থতার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। লেভিট বলেন, ‘গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা বা ধমনী সংকটের কোনো লক্ষণ নেই। তার হার্ট, কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’

      সাম্প্রতিক সময় ট্রাম্পের হাতের কালশিটে দাগ নিয়ে অনলাইনে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। হোয়াইট হাউসের এই মুখপাত্র জানান, ‘এই দাগগুলো সাধারণ সফট টিস্যুতে সামান্য জ্বালা বা রক্তক্ষরণের কারণে হয়েছে, যা ঘন ঘন হাত মেলানো এবং প্রতিদিন অ্যাসপিরিন সেবনের কারণে হয়ে থাকে। প্রেসিডেন্টের হার্টের নিয়মিত সুরক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অ্যাসপিরিন সেবন করে থাকেন তিনি।’

      যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টদের জন্য শারীরিক প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক না হলেও এটি অনেকটা নিয়মে পরিণত হয়েছে।

      উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হ্যারল্ড বর্নস্টেইন এক চিঠিতে বলেছিলেন, ‘আমি নিঃসংশয়ে বলতে পারি, ট্রাম্প হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হতে যাওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি।’

      পরবর্তীতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্নস্টেইন স্বীকার করেন, সেই চিঠির বর্ণনাগুলো আসলে ট্রাম্প নিজেই লিখে দিয়েছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২
        অনলাইন ডেস্ক
        ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

        মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন—এমন খবর সম্প্রচার করে পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তানের দুটি শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজ ও এআরওয়াই নিউজ।

        বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চ্যানেল দুটি প্রথমে জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরেই পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু পরবর্তীতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের কাছে এমন কোনো সফরের তথ্য নেই। এরপরই জিও ও এআরওয়াই উভয়েই তাদের প্রচারিত সংবাদ সরিয়ে নেয়।

        জিও নিউজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যাচাই ছাড়াই খবর প্রচারের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।’

        এআরওয়াই-এর একজন ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন যে পররাষ্ট্র দপ্তর যখন বলেছে যে তারা ট্রাম্পের সফর সম্পর্কে কিছু জানেন না, তখন তারা (চ্যানেল) নিউজটি সরিয়ে নিয়েছেন।

        এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাকিস্তান সফরের কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই।

        উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের সফরের পর আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সফর করেননি।

        তবে গত মাসে ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়ে এক অভূতপূর্ব বৈঠক করেন। এরপর থেকেই দেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত