ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রতিদিন ২৮ শিশুর মৃত্যু : ইউনিসেফ

অনলাইন ডেস্ক
১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১১
অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রতিদিন ২৮ শিশুর মৃত্যু : ইউনিসেফ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল গাজার ওপর চলমান ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি শিশু নিহত হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২৮ জন শিশু নিহত হচ্ছে। খবর মিডলইস্ট মনিটরের।

তিনি বলেন, ‘এ যেন প্রতিদিন একটি শ্রেণিকক্ষের সব শিক্ষার্থীকে হারানো এবং তা যেন চলছে টানা দুই বছর।’

তিনি আরো বলেন, ‘শিশুরা রাজনৈতিক পক্ষ নয়। তারা কোনো সংঘর্ষ শুরু করে না, আবার থামাতেও পারে না। কিন্তু তারাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় এবং তারা বুঝে উঠতে পারে না কেন বিশ্ব তাদের পাশে নেই।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার জানান, গাজার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ৩৬ হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ১৭টি এবং ১৭০টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৬৩টি আংশিকভাবে চালু আছে, যেখানে প্রতিদিন বহু হতাহত আসছে।

ফ্লেচার জানান, অর্ধেক চিকিৎসা সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে এবং জরুরি সেবা পরিচালনায় ব্যবহৃত জ্বালানির সংকট চরম পর্যায়ে রয়েছে। জুন মাসে শিশুদের অপুষ্টির হার উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

৫ হাজার ৮০০-এরও বেশি শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে।

তিনি আরো বলেন, গত সপ্তাহে খাদ্য সহায়তার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় শিশু ও নারী ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে। তারা অপেক্ষা করছিল এমন কিছু খাবারের জন্য, যা তাদের বাঁচিয়ে রাখতে পারত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ট্রাম্পের পা ফোলা, হাতে কালশিটে দাগ— ধরা পড়েছে ধমনীর জটিলতা

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫
    অনলাইন ডেস্ক
    ট্রাম্পের পা ফোলা, হাতে কালশিটে দাগ— ধরা পড়েছে ধমনীর জটিলতা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পায়ে ফোলা ও হাতে কালশিটে দাগ দেখা দিয়েছে। পরীক্ষানিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’বা দীর্ঘমেয়াদি শিরাজনিত রক্তসঞ্চালন ব্যাঘাত শনাক্ত করেছেন।

    স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘এটি একটি সাধারণ সমস্যা। শরীরের জন্য এই সমস্যা তেমন ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্ষতিকর নয়। এই রোগে শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত শিরাগুলো রক্ত সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করে।’

    তিনি প্রেসিডেন্টের চিকিৎসকের চিঠি পড়ে শোনান, যেখানে বলা হয়েছে— ৭০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা বেশি। ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া ব্যক্তি।

    ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প বারবার তার প্রতিপক্ষ জো বাইডেনের বয়স ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। যদিও বাইডেন ট্রাম্পের চেয়ে তিন বছরের বড়, নির্বাচনের কিছু আগে দলীয় চাপের মুখে তিনি প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ান এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের হাতে প্রার্থিতা তুলে দেন। আর গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে পরে তাকেও হারিয়ে দেন ট্রাম্প।

    তবে হোয়াইট হাউস জানায়, ট্রাম্পের শরীরে তেমন কোনো গুরুতর অসুস্থতার চিহ্ন পাওয়া যায়নি। লেভিট বলেন, ‘গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধা বা ধমনী সংকটের কোনো লক্ষণ নেই। তার হার্ট, কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।’

    সাম্প্রতিক সময় ট্রাম্পের হাতের কালশিটে দাগ নিয়ে অনলাইনে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। হোয়াইট হাউসের এই মুখপাত্র জানান, ‘এই দাগগুলো সাধারণ সফট টিস্যুতে সামান্য জ্বালা বা রক্তক্ষরণের কারণে হয়েছে, যা ঘন ঘন হাত মেলানো এবং প্রতিদিন অ্যাসপিরিন সেবনের কারণে হয়ে থাকে। প্রেসিডেন্টের হার্টের নিয়মিত সুরক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অ্যাসপিরিন সেবন করে থাকেন তিনি।’

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টদের জন্য শারীরিক প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক না হলেও এটি অনেকটা নিয়মে পরিণত হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হ্যারল্ড বর্নস্টেইন এক চিঠিতে বলেছিলেন, ‘আমি নিঃসংশয়ে বলতে পারি, ট্রাম্প হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হতে যাওয়া ইতিহাসের সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি।’

    পরবর্তীতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্নস্টেইন স্বীকার করেন, সেই চিঠির বর্ণনাগুলো আসলে ট্রাম্প নিজেই লিখে দিয়েছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২
      অনলাইন ডেস্ক
      ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

      মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন—এমন খবর সম্প্রচার করে পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তানের দুটি শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজ ও এআরওয়াই নিউজ।

      বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চ্যানেল দুটি প্রথমে জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরেই পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু পরবর্তীতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের কাছে এমন কোনো সফরের তথ্য নেই। এরপরই জিও ও এআরওয়াই উভয়েই তাদের প্রচারিত সংবাদ সরিয়ে নেয়।

      জিও নিউজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যাচাই ছাড়াই খবর প্রচারের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।’

      এআরওয়াই-এর একজন ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন যে পররাষ্ট্র দপ্তর যখন বলেছে যে তারা ট্রাম্পের সফর সম্পর্কে কিছু জানেন না, তখন তারা (চ্যানেল) নিউজটি সরিয়ে নিয়েছেন।

      এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাকিস্তান সফরের কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই।

      উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের সফরের পর আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সফর করেননি।

      তবে গত মাসে ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়ে এক অভূতপূর্ব বৈঠক করেন। এরপর থেকেই দেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        গাজায় ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে ৩ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৪৮
        অনলাইন ডেস্ক
        গাজায় ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে ৩ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

        গাজার উত্তরাঞ্চলে একটি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে তিন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

        তদন্তকারীরা বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী।

        নিহত তিনজনের পরিচয় প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী। তারা হচ্ছেন- ২১ বছর বয়সী স্টাফ সার্জেন্ট শোহাম মেনাহেম, ২০ বছর বয়সী সার্জেন্ট শ্লোমো ইয়াকির শ্রেম এবং ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইউলি ফ্যাক্টর। আহত কর্মকর্তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

        আইডিএফের প্রাথমিক তদন্ত অনুসারে, সেনারা একটি ট্যাঙ্কে ছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরের দিকে উত্তর গাজার জাবালিয়ায় তারা বিস্ফোরণের শিকার হন।

        আইডিএফ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করেছিল ট্যাঙ্কটি হামাসের রকেট হামলা শিকার হয়েছে। তবে পরবর্তীতে সামরিক বাহিনী ধারণা করে, বিস্ফোরণটি সম্ভবত টাওয়ারের ভিতরে বিস্ফোরিত একটি ত্রুটিপূর্ণ শেলের কারণে ঘটে থাকতে পারে। অন্য সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

        গাজা উপত্যকা থেকে দক্ষিণ ইসরাইলে দুটি রকেট নিক্ষেপের কিছুক্ষণ আগে সেনাদের মৃত্যুর ঘোষণা আসে।

        এদিকে, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও গাজায় থামছে না ইসরাইলের বর্বর সামরিক অভিযান। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একদিনে কমপক্ষে ৭৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণ নিতে গিয়েছিলেন।

        ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণকেন্দ্রে হামলায় এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩৮ জনে পৌঁছেছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ইরাক

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩৭
          অনলাইন ডেস্ক
          ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ইরাক

          মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে চিরশত্রু ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল ইসরায়েল। এ লক্ষ্যেই আমেরিকার গ্রিন সিগন্যাল নিয়ে গত ১৩ জুন হঠাৎ ঘুমন্ত ইরানিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নেতানিয়াহুর বাহিনী। অপারেশন রাইজিং লায়ন নামের ওই বিমান হামলায় ইসরায়েল বিশ্বের তাবৎ আইন লঙ্ঘন করে। এমনকি এই হামলায় লঙ্ঘন করেছে ইরাকের আকাশসীমাও। এতে ক্ষুব্ধ বাগদাদ। শত্রু দেশের এমন আচরণের মোক্ষম জবাব দিতে এবার ইরাক নিয়েছে কড়া ব্যবস্থা।

          আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। বিশেষ করে পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালানো আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু তাও লঙ্ঘন করেছে নেতানিয়াহুর বাহিনী। এমনকি হামলা চালাতে গিয়ে অবৈধভাবে ব্যবহার করে ইরাকের আকাশসীমা। কিন্তু তখন কিছুই করার ছিল না বাগদাদের। কেননা দেশটির হাতে নেই কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বিনা অনুমতিতে ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করায়, তা হজম হচ্ছে না ইরাকের। বিবিসি ফার্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই কথাই বলেছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাইইয়া আল সুদানি।

          কিন্তু ইসরায়েলের বিমানবাহিনীকে শায়েস্তা করতে না পারায় ফুঁসছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ইসরায়েল আকাশসীমা লঙ্ঘন করলেও কিছু করতে পারেনি তার দেশ। কারণ তাদের কাছে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কোনো প্রযুক্তি নেই। এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিল ইরাক। কিন্তু আমেরিকার বাধার মুখে ভেস্তে যায় সেই প্রচেষ্টা।

          তবে ইসরায়েল যে ভুল ধারণার মধ্যে আছে, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন আল-সুদানি। তার ভাষায়, ইরানি শাসক গোষ্ঠীর সমর্থক অনেক বেশি। তাই সহজেই ইরানে সরকার বদলানো যাবে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইরানের সরকার বিরোধীরাও শাসক শ্রেণির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। আর এটাই ইরানের জাতীয় পরিচয়ের অংশ, যা নিয়ে তারা সবসময় গর্ব করে থাকে।

          অবশ্য এরই মধ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে ইরাক। দেশটির পার্লামেন্টারি সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিফেন্স কমিটির প্রধান করিম আলিউয়ি আল মোহাম্মাদাউয়ি জানান, ইসরায়েলের বিমানবাহিনী ইরাকের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বাগদাদ। এর অংশ হিসেবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরাক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত