ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

অনলাইন ডেস্ক
১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২
অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পকে নিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে ক্ষমা চাইল পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন—এমন খবর সম্প্রচার করে পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তানের দুটি শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজ ও এআরওয়াই নিউজ।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) চ্যানেল দুটি প্রথমে জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরেই পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু পরবর্তীতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের কাছে এমন কোনো সফরের তথ্য নেই। এরপরই জিও ও এআরওয়াই উভয়েই তাদের প্রচারিত সংবাদ সরিয়ে নেয়।

জিও নিউজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যাচাই ছাড়াই খবর প্রচারের জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।’

এআরওয়াই-এর একজন ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন যে পররাষ্ট্র দপ্তর যখন বলেছে যে তারা ট্রাম্পের সফর সম্পর্কে কিছু জানেন না, তখন তারা (চ্যানেল) নিউজটি সরিয়ে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাকিস্তান সফরের কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের সফরের পর আর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তান সফর করেননি।

তবে গত মাসে ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীরকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়ে এক অভূতপূর্ব বৈঠক করেন। এরপর থেকেই দেশটির সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    গাজায় ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে ৩ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৪৮
    অনলাইন ডেস্ক
    গাজায় ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে ৩ ইসরাইলি সেনার মৃত্যু

    গাজার উত্তরাঞ্চলে একটি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে তিন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

    তদন্তকারীরা বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী।

    নিহত তিনজনের পরিচয় প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী। তারা হচ্ছেন- ২১ বছর বয়সী স্টাফ সার্জেন্ট শোহাম মেনাহেম, ২০ বছর বয়সী সার্জেন্ট শ্লোমো ইয়াকির শ্রেম এবং ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইউলি ফ্যাক্টর। আহত কর্মকর্তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আইডিএফের প্রাথমিক তদন্ত অনুসারে, সেনারা একটি ট্যাঙ্কে ছিলেন। স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরের দিকে উত্তর গাজার জাবালিয়ায় তারা বিস্ফোরণের শিকার হন।

    আইডিএফ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করেছিল ট্যাঙ্কটি হামাসের রকেট হামলা শিকার হয়েছে। তবে পরবর্তীতে সামরিক বাহিনী ধারণা করে, বিস্ফোরণটি সম্ভবত টাওয়ারের ভিতরে বিস্ফোরিত একটি ত্রুটিপূর্ণ শেলের কারণে ঘটে থাকতে পারে। অন্য সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

    গাজা উপত্যকা থেকে দক্ষিণ ইসরাইলে দুটি রকেট নিক্ষেপের কিছুক্ষণ আগে সেনাদের মৃত্যুর ঘোষণা আসে।

    এদিকে, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও গাজায় থামছে না ইসরাইলের বর্বর সামরিক অভিযান। গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একদিনে কমপক্ষে ৭৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণ নিতে গিয়েছিলেন।

    ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, সোমবার দক্ষিণ গাজার রাফাহ শহরে একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণকেন্দ্রে হামলায় এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৩৮ জনে পৌঁছেছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ইরাক

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩৭
      অনলাইন ডেস্ক
      ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ইরাক

      মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে চিরশত্রু ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল ইসরায়েল। এ লক্ষ্যেই আমেরিকার গ্রিন সিগন্যাল নিয়ে গত ১৩ জুন হঠাৎ ঘুমন্ত ইরানিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নেতানিয়াহুর বাহিনী। অপারেশন রাইজিং লায়ন নামের ওই বিমান হামলায় ইসরায়েল বিশ্বের তাবৎ আইন লঙ্ঘন করে। এমনকি এই হামলায় লঙ্ঘন করেছে ইরাকের আকাশসীমাও। এতে ক্ষুব্ধ বাগদাদ। শত্রু দেশের এমন আচরণের মোক্ষম জবাব দিতে এবার ইরাক নিয়েছে কড়া ব্যবস্থা।

      আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। বিশেষ করে পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালানো আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু তাও লঙ্ঘন করেছে নেতানিয়াহুর বাহিনী। এমনকি হামলা চালাতে গিয়ে অবৈধভাবে ব্যবহার করে ইরাকের আকাশসীমা। কিন্তু তখন কিছুই করার ছিল না বাগদাদের। কেননা দেশটির হাতে নেই কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। বিনা অনুমতিতে ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করায়, তা হজম হচ্ছে না ইরাকের। বিবিসি ফার্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই কথাই বলেছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাইইয়া আল সুদানি।

      কিন্তু ইসরায়েলের বিমানবাহিনীকে শায়েস্তা করতে না পারায় ফুঁসছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ইসরায়েল আকাশসীমা লঙ্ঘন করলেও কিছু করতে পারেনি তার দেশ। কারণ তাদের কাছে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কোনো প্রযুক্তি নেই। এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিল ইরাক। কিন্তু আমেরিকার বাধার মুখে ভেস্তে যায় সেই প্রচেষ্টা।

      তবে ইসরায়েল যে ভুল ধারণার মধ্যে আছে, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন আল-সুদানি। তার ভাষায়, ইরানি শাসক গোষ্ঠীর সমর্থক অনেক বেশি। তাই সহজেই ইরানে সরকার বদলানো যাবে না। এমনকি যুদ্ধের সময় ইরানের সরকার বিরোধীরাও শাসক শ্রেণির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। আর এটাই ইরানের জাতীয় পরিচয়ের অংশ, যা নিয়ে তারা সবসময় গর্ব করে থাকে।

      অবশ্য এরই মধ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে ইরাক। দেশটির পার্লামেন্টারি সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিফেন্স কমিটির প্রধান করিম আলিউয়ি আল মোহাম্মাদাউয়ি জানান, ইসরায়েলের বিমানবাহিনী ইরাকের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বাগদাদ। এর অংশ হিসেবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরাক আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হামলার ভয়ে হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন যুবক

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৪৮
      অনলাইন ডেস্ক
      হামলার ভয়ে হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন যুবক

      মাথায় হেলমেট লাগিয়ে তাতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে রাস্তায় ঘুরছেন এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ডাকা হচ্ছে ‘হেলমেট ম্যান’ নামে। বিষয়টি মজার মনে হলেও ওই যুবক বলছেন, হামলার ভয়েই হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন তিনি।

      ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ জানিয়েছে, হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘোরা ওই যুবকের নাম সতীশ চৌহান। তিনি ভারতের ইন্দোর শহরের বাসিন্দা। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায়—তিনি কালো রঙের একটি হেলমেটে ছোট একটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে রাস্তায় হাঁটছেন।

      ভিডিওতে সতীশ বলেন, প্রতিবেশী বলিরাম চৌহান ও মুন্না চৌহানের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে তীব্র বিরোধে জড়িয়েছেন তিনি। একারণে তিনি যে কোনো সময় নিজের ওপর হামলার আশঙ্কা করছে। নিরাপত্তার জন্য তিনি হেলমেটে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ঘুরছেন, যাতে তার ওপর কোনো হামলা হলে পুলিশ হামলাকারীদের শণাক্ত করতে পারেন।

      সতীশ জানান, তার প্রতিবেশীরা তার জমি দখলের চেষ্টা করছে এবং প্রায় প্রতিদিনই এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হচ্ছে। এতে তার পরিবার আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তিনি একাধিকবার ইন্দোরের হিরানগর থানায় অভিযোগ দিতে গেলেও পুলিশ অভিযোগ নেয়নি, কোনো ধরনের নিরাপত্তাও দেয়নি।

      তিনি বলেন, ‘আমি বহুবার প্রশাসনের দ্বারে গিয়েছি, কিন্তু কেউ আমার কথা শোনেনি। শেষ পর্যন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য নিজেই ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছি।’

      তিনি আরও বলেন, অনেকে ভাবতে পারেন এটা কোনো নাটক। কিন্তু আমার জন্য এই হেলমেট-ক্যামেরা হলো ঢাল। যদি আমার বা পরিবারের কারও ক্ষতি হয়, তাহলে অন্তত প্রমাণ থাকবে যে আমাদের সঙ্গে কী ঘটেছে।

      সতীশের এই উদ্যোগ যেমন সামাজিক মাধ্যমে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে, তেমনি বহু মানুষ এটিকে এক দুঃখজনক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবেও দেখছেন।

      এক্স (সাবেক টুইটার)-এ অনুরাগ দ্বারী নামে একজন এই ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘দেখতে যেমন অদ্ভুত লাগছে, বিষয়টি ততটাই সিরিয়াস। প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো সুরক্ষা না পেয়ে মানুষ আজ নিজেই নিজের প্রহরী হয়ে উঠতে বাধ্য হচ্ছে।’

      ইন্দোর পুলিশ সতীশের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছে। এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেশীদের সঙ্গে সতীশের বিরোধ পুরোনো এবং তা ইতোমধ্যেই শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে।

      তিনি বলেন, আমরা উভয় পক্ষকে মীমাংসার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। নতুন কোনো তথ্য সামনে এলে তা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

      অনেকে বলছেন, এই ঘটনাটি সামাজিক বাস্তবতার একটি করুণ চিত্র তুলে ধরে—যেখানে নাগরিক নিজেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাধ্য হয়, কারণ রাষ্ট্র তাকে পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে পারছে না।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এবার ইসরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের পতনের ডাক

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৯
        অনলাইন ডেস্ক
        এবার ইসরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের পতনের ডাক

        গাজা যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু—এমনটাই বলছেন ইসরায়েলের বিরোধী নেতা ইয়াইর গোলান। শনিবার তিনি স্পষ্টভাবে নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করে বলেন, ‘জীবন বাঁচাতে এবং দেশকে রক্ষা করতে হলে এই সরকারকে অবিলম্বে বিদায় নিতে হবে।’

        গোলান দাবি করেন, মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেই প্রমাণ মিলেছে- নেতানিয়াহু, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার স্বার্থে বন্দি মুক্তি ও যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাগুলো বারবার নস্যাৎ করেছেন।

        এক্স (টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা গোলান বলেন, ‘এই চুক্তি বাধাগ্রস্ত করছেন নেতানিয়াহু ও তার উগ্রপন্থি মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সেনা ও বন্দিদের জীবন তাদের কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ নিজেদের মন্ত্রিত্ব ও পদ রক্ষা করা।’

        তিনি আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু, স্মোত্রিচ ও বেন গাভির হলো চরমপন্থি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, যারা পুরো দেশকে এক নির্মম নরকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বারবার শান্তি প্রচেষ্টা বানচাল করে এরা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার খেলায় মেতেছে।’

        গোলানের এই কঠোর মন্তব্য এমন সময় সামনে এলো, যখন নিউইয়র্ক টাইমস তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে জানায়—গাজায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার সিদ্ধান্ত ছিল মূলত রাজনৈতিক। এতে বলা হয়, নেতানিয়াহু এবং তার ডানপন্থি জোটসঙ্গীরা গাজায় যুদ্ধ ও মানবিক সংকট অব্যাহত রেখে নিজেদের ক্ষমতা ও জনসমর্থন ধরে রাখার কৌশল বেছে নিয়েছেন।

        এদিকে বন্দি বিনিময় চুক্তি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে শনিবার রাতভর হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা যুদ্ধ বন্ধ করে গাজায় আটক থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।

        নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ এবং চাপ বাড়ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

        সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত