ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এবার ইসরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের পতনের ডাক

অনলাইন ডেস্ক
১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৯
অনলাইন ডেস্ক
এবার ইসরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের পতনের ডাক

গাজা যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু—এমনটাই বলছেন ইসরায়েলের বিরোধী নেতা ইয়াইর গোলান। শনিবার তিনি স্পষ্টভাবে নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করে বলেন, ‘জীবন বাঁচাতে এবং দেশকে রক্ষা করতে হলে এই সরকারকে অবিলম্বে বিদায় নিতে হবে।’

গোলান দাবি করেন, মার্কিন প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনেই প্রমাণ মিলেছে- নেতানিয়াহু, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ধরে রাখার স্বার্থে বন্দি মুক্তি ও যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাগুলো বারবার নস্যাৎ করেছেন।

এক্স (টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা গোলান বলেন, ‘এই চুক্তি বাধাগ্রস্ত করছেন নেতানিয়াহু ও তার উগ্রপন্থি মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সেনা ও বন্দিদের জীবন তাদের কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ নিজেদের মন্ত্রিত্ব ও পদ রক্ষা করা।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেতানিয়াহু, স্মোত্রিচ ও বেন গাভির হলো চরমপন্থি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, যারা পুরো দেশকে এক নির্মম নরকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বারবার শান্তি প্রচেষ্টা বানচাল করে এরা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার খেলায় মেতেছে।’

গোলানের এই কঠোর মন্তব্য এমন সময় সামনে এলো, যখন নিউইয়র্ক টাইমস তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে জানায়—গাজায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার সিদ্ধান্ত ছিল মূলত রাজনৈতিক। এতে বলা হয়, নেতানিয়াহু এবং তার ডানপন্থি জোটসঙ্গীরা গাজায় যুদ্ধ ও মানবিক সংকট অব্যাহত রেখে নিজেদের ক্ষমতা ও জনসমর্থন ধরে রাখার কৌশল বেছে নিয়েছেন।

এদিকে বন্দি বিনিময় চুক্তি দ্রুত কার্যকরের দাবিতে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে শনিবার রাতভর হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা যুদ্ধ বন্ধ করে গাজায় আটক থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।

নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ এবং চাপ বাড়ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান যুক্তরাজ্যের অর্ধশতাধিক এমপির

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৯
    অনলাইন ডেস্ক
    ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আহ্বান যুক্তরাজ্যের অর্ধশতাধিক এমপির

    ফিলিস্তিনকে অবিলম্বে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির প্রায় ৬০ জন এমপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে গাজায় চলমান ‘জাতিগত নির্মূল অভিযান’ বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতেও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    শনিবার (১২ জুলাই) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। লেবার ফ্রেন্ডস অব প্যালেস্টাইন অ্যান্ড দ্য মিডল ইস্ট নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে এই চিঠি পাঠানো হয়।

    এতে স্বাক্ষর করেছেন ৫৯ জন লেবার এমপি। তারা দলটির মধ্যপন্থি ও বামঘরানার উভয় অংশের প্রতিনিধি।

    চিঠিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাফাহ শহরের ধ্বংসস্তূপে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প বা তথাকথিত “মানবিক শহর” গড়ে তুলতে চান, যেখানে সব গাজাবাসীকে স্থানান্তর করা হবে। এমপিরা এটিকে “জোরপূর্বক জনগণ সরিয়ে নেওয়া” ও “ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার পরিকল্পনা” বলে অভিহিত করেছেন।

    চিঠিতে লেখা হয়েছে, “গাজার সব ফিলিস্তিনি নাগরিককে রাফাহে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখার যে পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, তা এক ধরনের জাতিগত নির্মূল প্রক্রিয়া। এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।”

    চিঠিতে এমপিরা আরও দাবি করেছেন, ফিলিস্তিন শরণার্থীদের সহায়তায় জাতিসংঘ সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-এর অর্থায়ন পুনরায় চালু করা হোক, ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হোক, বন্দি করে রাখা নাগরিকদের মুক্তির বিষয়েও জোর দেওয়া হোক।

    তারা বলেছেন, “আমরা যদি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দিই, তাহলে নিজেরাই আমাদের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নীতিকে দুর্বল করে ফেলি। এর ফলে এই বার্তা যায় যে বর্তমান দখলদারিত্ব ও স্থিতাবস্থা অব্যাহত রাখা যাবে, যা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ধীরে ধীরে দখল ও অন্তর্ভুক্তির পথ তৈরি করে দেয়।”

    মন্তব্য

    ট্রাম্পকে ড্রোন হামলায় হত্যার হুমকি ইরানের

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৯
    অনলাইন ডেস্ক
    ট্রাম্পকে ড্রোন হামলায় হত্যার হুমকি ইরানের

    ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জীবন ঝুঁকিতে ছিল। এ প্রেক্ষাপটে ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ড্রোন হামলার হুমকি দিয়েছেন।

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা জাওয়াদ লারিজানি সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্প আর ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো রিসোর্টে নির্বিঘ্নে সময় কাটাতে পারবেন না। তিনি ইরানি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প এমন কাজ করেছেন, যার ফলে তিনি এখন আর রোদ পোহাতে পারবেন না। একটি ছোট ড্রোন যে কোনো সময় তার নাভিতে আঘাত করতে পারে। এটি খুবই সহজ কাজ।

    রিজানি ইরানের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য এবং খামেনির দীর্ঘদিনের সহযোগী। তার এই বক্তব্য এসেছে এমন সময়, যখন 'ব্লাড প্যাক্ট' নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আলোচনায় উঠে এসেছে। এই প্ল্যাটফর্মটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জীবনকে হুমকি দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

    ব্লাড প্যাক্টের দাবি, তারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ১০ কোটি ডলার তহবিল সংগ্রহ করছে। ইতোমধ্যেই তাদের সংগ্রহ চার কোটির বেশি ডলারে পৌঁছেছে বলে তারা জানিয়েছে। ওয়েবসাইটটিতে লেখা রয়েছে, যারা আল্লাহর শত্রু এবং সর্বোচ্চ নেতার জীবনকে হুমকিতে ফেলেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে।

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট সংবাদ মাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিও এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা দেশ-বিদেশের ইসলামি গোষ্ঠীগুলোকে পশ্চিমা দূতাবাস ও বড় সমাবেশস্থলগুলোতে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানিয়েছে।

    তিপূর্বে ইরানের কয়েকজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসলামি শাস্তি 'মোহারেবেহ' (আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ) প্রয়োগের দাবি তুলেছে। ইরানি আইনে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। এই হামলার নির্দেশ ট্রাম্পই দিয়েছিলেন। এর পর থেকে ইরানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ট্রাম্পকে হত্যার একাধিক পরিকল্পনা করেছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শালীর সঙ্গে প্রেম,জামাইয়ের শিরচ্ছেদ করলো শ্বশুর

      অনলাইন ডেস্ক
      ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৯
      অনলাইন ডেস্ক
      শালীর সঙ্গে প্রেম,জামাইয়ের শিরচ্ছেদ করলো শ্বশুর

      পরকীয়া প্রেম ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে শ্বশুরের হাতে খুন হলেন জামাই। ঘটনাটি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের। নিহত ওই ব্যক্তির নাম বিশ্বনাথ। তিনি ধর্মভরমের বাসিন্দা। ২০ বছর আগে ভেনকাটামনাপ্পা নামে এক ব্যক্তির বড় মেয়ে শ্যামলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বিশ্বনাথ। তবে এর পর পরই শালীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

      এ নিয়ে বিশ্বনাথ ও শ্যামলীর মধ্যে মনোমালিন্য বৃদ্ধি পেতে থাকে। তবে তা শুধু তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো না বরং ভেনকাটামনাপ্পা ও তার স্ত্রী মধ্যেও এ নিয়ে দ্বন্দ দেখা যায়।

      পারিবারিক অশান্তির জেরে শালী ও শাশুড়িকে নিয়ে ধর্মভরম ছাড়েন বিশ্বনাথ। এরপর শাশুড়ির নামে থাকা জমি বিক্রির চেষ্টা করেন তিনি। যা তার শ্বশুরকে আরও ক্ষুব্ধ করে তোলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জামাইকে হত্যা করেন ভেনকাটামনাপ্পা। এতে সহযোগিতার জন্য নিজের বন্ধুকে চার লাখ রুপি প্রদান করেন তিনি।

      ৩ জুলাই কৃষিকাজে সহযোগিতার জন্য ৫০ হাজার রূপির আর্থিক সহায়তার অজুহাতে বিশ্বনাথকে মুদিগুব্বাতে ডাকেন ভেনকাটামনাপ্পা। বিশ্বনাথ আসার পর পর ভেনকাটামনাপ্পা, তার বন্ধু ও আরও তিনজন তাকে আক্রমণ করে। পরবর্তীতে একটি পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে বিশ্বনাথকে শিরচ্ছেদ করে খুন করে তারা। এরপর মৃতদেহটি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করা হয়।

      পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের মোবাইলের লোকেশনের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

      সূত্র: এনডিটিভি

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত সমাধানের জন্য ২৮-২৯ জুলাই জাতিসংঘের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে

        অনলাইন ডেস্ক
        ১২ জুলাই, ২০২৫ ১২:২০
        অনলাইন ডেস্ক
        ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত সমাধানের জন্য ২৮-২৯ জুলাই জাতিসংঘের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে

        ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কাজ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামী ২৮-২৯ জুলাই পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। কূটনৈতিক এক সূত্র এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে।

        নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

        গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আকস্মিক সামরিক অভিযানের কারণে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।

        কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এখন এটি জুলাইয়ের শেষের দিকে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও তারা এজেন্ডা বা অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের স্তরে কোনও পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেনি। গত জুন মাসে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের যোগদানের কথা ছিল।

        সম্মেলনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক আহ্বান করা হয়েছিল এবং সৌদি আরব এবং ফ্রান্সের যৌথ সভাপতিত্বে হওয়ার কথা ছিল।

        বৃহস্পতিবার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার যুক্তরাজ্য সফরের সময় ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের যৌথভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপই এই অঞ্চলে ‘শান্তির একমাত্র আশা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত