শিরোনাম
ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত সমাধানের জন্য ২৮-২৯ জুলাই জাতিসংঘের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে
ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কাজ পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামী ২৮-২৯ জুলাই পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। কূটনৈতিক এক সূত্র এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আকস্মিক সামরিক অভিযানের কারণে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, এখন এটি জুলাইয়ের শেষের দিকে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও তারা এজেন্ডা বা অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের স্তরে কোনও পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেনি। গত জুন মাসে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের যোগদানের কথা ছিল।
সম্মেলনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক আহ্বান করা হয়েছিল এবং সৌদি আরব এবং ফ্রান্সের যৌথ সভাপতিত্বে হওয়ার কথা ছিল।
বৃহস্পতিবার, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার যুক্তরাজ্য সফরের সময় ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের যৌথভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপই এই অঞ্চলে ‘শান্তির একমাত্র আশা।
বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই
বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু হতে চায় চীন
চীন সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু হতে চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ওয়াং ই। এসময় তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বলেন, বাংলাদেশের বন্ধু হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেশী এবং সহযোগী হতে চান তারা।
এছাড়া চীন বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনকে সমর্থন জানায় বলে জানান তিনি। এর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের পথ অন্বেষণে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ওয়াং ই চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটিক্যাল ব্যুরোর একজন সদস্য।
বৈঠকে তিনি বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি দুই দেশের পুরোনো ইতিহাস এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও এশিয়ার অন্যান্য দেশকে আধুনিক এবং উন্নত করতে চীন কাজ করতে চায়।
সূত্র: সিজিটিএন
১০ ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে হামাস
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর অব্যাহত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে হামাস ১০ ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে হামাস সতর্ক করে দিয়েছে যে ইসরাইলের একরোখা জেদের কারণে চলমান আলোচনা কঠিন হবে। খবর আল জাজিরার।
হামাস জানিয়েছে, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ, গাজা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রকৃত নিশ্চয়তা।
হামাস কর্মকর্তা তাহের আল-নুনু জানান, সবশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মত হয়েছের তারা। তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণকে রক্ষা, গণহত্যা বন্ধ এবং যুদ্ধের সম্পূর্ণ সমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের জনগণকে অবাধ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রবেশ এবং ত্রাণ সরবরাহের অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ের অংশ হিসেবে ইসরাইলি সেনাদের যেসব এলাকা থেকে সরে যেতে হবে, সেগুলো এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রা প্রভাবিত না হয় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেনে, গাজায় যুদ্ধবিরতির দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সপ্তাহে দুবার হোয়াইট হাউজে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিমিন নেতানিয়াহুর সাথে বৈঠক করেছেন তিনি।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি মনে করি এই সপ্তাহে অথবা আগামী সপ্তাহে আমাদের একটা সুযোগ আছে। তবে খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে যে আমরা এই সপ্তাহে এবং যদি না হয় তবে আগামী সপ্তাহেই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।’
রেস্তোরাঁ থেকে ইসরায়েলিদের তাড়িয়ে দিলেন ম্যানেজার
স্পেনের এক রেস্তোরাঁয় ইসরায়েলি পর্যটকরা খেতে এসেছেন বুঝতে পেরে তাদেরকে বের করে দিয়েছেন রেস্তোরাঁর ম্যানেজার।
বুধবার (৯ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও অনুযায়ী, স্পেনে এক রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার একদল ইসরায়েলিকে রেস্টুরেন্ট থেকে বের করে দেন।
ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। কেউ বলছেন ঘটনাটি ভিগো শহরে ঘটেছে, আবার কেউ বলছেন মালাগায়।
ম্যানেজার যখন বুঝতে পারেন যে পর্যটকরা ইসরায়েলি, তখন ভিডিওতে দেখা যায় তিনি তাদের ওপর চিৎকার করছেন, গালিগালাজ করছেন এবং গাজায় ‘গণহত্যা’ সমর্থনের অভিযোগ করছেন। তিনি ‘ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক’ বলেও স্লোগান দেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ইসরায়েলি পর্যটকরা পানীয় অর্ডার দিয়েছিলেন, তারপরই তাদের বের করে দেওয়া হয়।
ইসরাইলের সমালোচনা, জাতিসংঘের বিশেষ দূতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি নিপীড়নের সমালোচনা ও গণহত্যার নথিপত্র প্রস্তুত করায় জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। স্থানীয় সময় বুধবার (৯ জুলাই) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। খবর আল-জাজিরার।
মার্কিন পররষ্ট্রমন্ত্রী আলবানিজের বিরুদ্ধে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের অভিযান’ পরিচালনার অভিযোগ আনেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, আলবানিজ জাতিসংঘের অধীনস্থ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ইসরাইলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে বৈশ্বিকভাবে অন্যতম সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
যদিও ইসরাইল ও তার সমর্থকেরা দীর্ঘদিন ধরেই আলবানিজের সমালোচনা করে আসছে এবং তাকে তার জাতিসংঘের পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়ে আসছে।
আল জাজিরার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আলবানিজ যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞাকে তাচ্ছিল্য করেই প্রত্যুত্তর দেন। তিনি বলেন, তিনি তার কাজ চালিয়ে যেতে মনোযোগী।
একটি টেক্সট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মাফিয়া স্টাইলের ভয়ভীতি প্রদর্শনের কৌশলের বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই। ’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে গণহত্যা বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা স্মরণ করিয়ে দিতে ব্যস্ত। আর যারা এর থেকে লাভবান হয় তাদেরও। ’
এর আগে বুধবার আলবানিজ ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযুক্ত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিচ্ছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য