শিরোনাম
রেস্তোরাঁ থেকে ইসরায়েলিদের তাড়িয়ে দিলেন ম্যানেজার
স্পেনের এক রেস্তোরাঁয় ইসরায়েলি পর্যটকরা খেতে এসেছেন বুঝতে পেরে তাদেরকে বের করে দিয়েছেন রেস্তোরাঁর ম্যানেজার।
বুধবার (৯ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও অনুযায়ী, স্পেনে এক রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার একদল ইসরায়েলিকে রেস্টুরেন্ট থেকে বের করে দেন।
ভিডিওটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। কেউ বলছেন ঘটনাটি ভিগো শহরে ঘটেছে, আবার কেউ বলছেন মালাগায়।
ম্যানেজার যখন বুঝতে পারেন যে পর্যটকরা ইসরায়েলি, তখন ভিডিওতে দেখা যায় তিনি তাদের ওপর চিৎকার করছেন, গালিগালাজ করছেন এবং গাজায় ‘গণহত্যা’ সমর্থনের অভিযোগ করছেন। তিনি ‘ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক’ বলেও স্লোগান দেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ইসরায়েলি পর্যটকরা পানীয় অর্ডার দিয়েছিলেন, তারপরই তাদের বের করে দেওয়া হয়।
ইসরাইলের সমালোচনা, জাতিসংঘের বিশেষ দূতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি নিপীড়নের সমালোচনা ও গণহত্যার নথিপত্র প্রস্তুত করায় জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। স্থানীয় সময় বুধবার (৯ জুলাই) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। খবর আল-জাজিরার।
মার্কিন পররষ্ট্রমন্ত্রী আলবানিজের বিরুদ্ধে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের অভিযান’ পরিচালনার অভিযোগ আনেন।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, আলবানিজ জাতিসংঘের অধীনস্থ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড সংক্রান্ত বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ইসরাইলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে বৈশ্বিকভাবে অন্যতম সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।
যদিও ইসরাইল ও তার সমর্থকেরা দীর্ঘদিন ধরেই আলবানিজের সমালোচনা করে আসছে এবং তাকে তার জাতিসংঘের পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়ে আসছে।
আল জাজিরার পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে আলবানিজ যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞাকে তাচ্ছিল্য করেই প্রত্যুত্তর দেন। তিনি বলেন, তিনি তার কাজ চালিয়ে যেতে মনোযোগী।
একটি টেক্সট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মাফিয়া স্টাইলের ভয়ভীতি প্রদর্শনের কৌশলের বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই। ’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে গণহত্যা বন্ধ এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা স্মরণ করিয়ে দিতে ব্যস্ত। আর যারা এর থেকে লাভবান হয় তাদেরও। ’
এর আগে বুধবার আলবানিজ ইউরোপীয় দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) অভিযুক্ত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিচ্ছে।
হুথিদের হামলায় লোহিত সাগরে জাহাজ ডুবে ৪ জনের মৃত্যু
লোহিত সাগরে হুথিদের হামলায় লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। এতে অন্তত চারজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরো ১৫ জন। বৃহস্পতিবার আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজটি থেকে ৬ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিসের মালিকানাধীন জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এতে অন্তত চারজন নাবিক নিহত হন এবং আরও ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে জানান, জাহাজটি ইসরাইলের দিকে যাচ্ছিল। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সোমবার ইটারনিটি সি-তে আক্রমণ চালানো হয়। গাজায় ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ এবং আক্রমণ বন্ধে ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে চাপ দিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, হুথিরা নাবিকদের উদ্ধার করে চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছে এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করেছে।
হুথিরা একটি ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে হামলার দৃশ্য, জাহাজে বিস্ফোরণ এবং ইয়েমেনি নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জাহাজের নাবিকদের উদ্ধার আহ্বান শোনা যায়।
তবে যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের অভিযুক্ত করেছে যে, তারা জীবিত উদ্ধার হওয়া অনেক নাবিককে অপহরণ করেছে এবং তাদের অবিলম্বে নিরাপদে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটি গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
আন্তর্জাতিক চেম্বার অব শিপিং এবং বিআইএমসিও-সহ শিপিং খাতের শীর্ষস্থানীয় সংগঠনগুলো এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, ‘এই হামলাগুলো সাধারণ নাবিকদের জীবনের প্রতি নির্মম অবহেলার প্রতিফলন।’
ইটারনিটি সি-তে হামলার একদিন আগেই হুথিরা ‘ম্যাজিক সিস’ নামের আরেকটি কার্গো জাহাজে হামলা চালায়, যেটি পরে ডুবে যায়। তবে ওই ঘটনার সব নাবিককে উদ্ধার করা হয়।
লোহিত সাগরে এই হামলাগুলো ২০২৪ সালের শেষ ভাগের পর এই প্রথম এবং তা আবার নতুন এক সামরিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারির মধ্যে হুথিরা ১০০টির বেশি জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে দুটি জাহাজ ডুবে যায়, একটি দখল করে এবং অন্তত চারজন নাবিক নিহত হন।
মস্কো ও বেইজিংয়ে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প, চাঞ্চল্যকর অডিও ফাঁস
ইউক্রেনে হামলা ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে কড়া বার্তায় হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, পুতিন ইউক্রেনে হামলা করলে, তিনি মস্কোয় বোমা ফেলে প্রতিশোধ নেবেন। এছাড়া তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়েও বোমা ফেলারও হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। গত বছর নির্বাচনী প্রচারের সময় ব্যক্তিগত অনুদানকারীদের সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প এমন দাবি করেন। ওই কথোপকথনের একটি অডিও হাতে পেয়েছে সিএনএন।
২০২৪ সালে এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে আলাপের অডিওটিতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি পুতিনকে বলেছিলাম, তুমি ইউক্রেনে ঢুকলে আমি মস্কোয় বোমা ফেলব। আমি বলছি, আমার আর অন্য কোনো বিকল্প নেয়। তারপর পুতিন আমাকে বলেছিলেন, ‘আমি তোমার কথা বিশ্বাস করি না।’ তবে অন্তত ১০ ভাগ হলেও তিনি আমার কথা বিশ্বাস করেছিলেন।’
ওই বৈঠকে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তাইওয়ান ইস্যুতে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকেও একই ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প তাকে বলেছিলেন, যদি চীন তাইওয়ানে হামলা করে, তাহলে তার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র বেইজিংয়ে বোমা ফেলবে। ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (শি জিনপিং) ভেবেছিলেন আমি উন্মাদ।’
আরও পড়ুন: চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান
২০২৪ সালে নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় তার দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছিলেন ট্রাম্প, যা অডিও টেপে রেকর্ড করা হয়। পরে সাংবাদিক জোশ ডসি, টাইলার পেজার ও আইজ্যাক আর্নসডরফ ওই অডিওগুলো সংগ্রহ করেন। তারা তাদের নতুন বই ‘২০২৪’-এমন কিছু তথ্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছেন।
অডিও রেকর্ডগুলোতে ট্রাম্পের এমন এক রূপ দেখা গেছে, যা সাধারণত জনসমক্ষে দেখা যায় না। বন্ধ দরজার আড়ালে ধনী দাতাদের মন জয় করতে গিয়ে তিনি খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনি শুধু তাঁর আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির কথাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ করা শিক্ষার্থীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার পরিকল্পনার কথাও বলেছিলেন।
ট্রাম্প পুতিন এবং শি’র সাথে তার কথোপকথনের কথা উল্লেখ করে যুক্তি দিয়েছিলেন যে জো বাইডেনের পরিবর্তে তিনি প্রেসিডেন্ট হলে ইউক্রেন এবং গাজায় সংঘাত বন্ধ করতেন তিনি। এই দাবিটি তিনি এখনও পুনরাবৃত্তি করে চলেছেন, কারণ তিনি এখন উভয় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চেষ্টা করছেন।
২০২৪ সালের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আরও জানান, তিনি ছাত্র বিক্ষোভকারীদের নির্বাসনের পরিকল্পনা করছেন। বলেন, ‘আমি একটি কাজ করব তা হলো, কোনও ছাত্র প্রতিবাদ করলে, আমি তাদের দেশ থেকে বের করে দেব।’
সতর্ক করছেন বিশ্লেষকরা
ট্রাম্পের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে ইলন মাস্কের ‘আমেরিকা পার্টি’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলন মাস্কের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনাকে ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিলেও বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই উদ্যোগ রিপাবলিকানদের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে, বিশেষ করে যখন কংগ্রেসে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সীমিত।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
গত সপ্তাহে ইলন মাস্ক ‘আমেরিকা পার্টি’ চালু করেছেন, যা ট্রাম্পের একটি বিশাল ঘরোয়া নীতিমালার বিল সই করার পরের পর্যায়ে এলো। মাস্ক ওই বিলের সমালোচনা করে বলেছেন, এতে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়বে।
টেসলার প্রতিষ্ঠাতা মাস্ক বিস্তারিত নীতিমালা না দিলেও ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের কিছু আসন লক্ষ্য করবেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট রিপাবলিকানরা বাজেট দায়িত্বের কথা বলার পরও ট্রাম্পের বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সাবেক রিপাবলিকান প্রার্থী ম্যাট শুমেকার বলেন, ‘ইলন মাস্কের ‘আমেরিকা পার্টি’ ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। কংগ্রেসে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা যেহেতু অল্প, তাই তাদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।’
মাস্কের বিপুল সম্পদ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা তাকে অন্য তৃতীয় রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে আলাদা করেছে। জুনে মাস্কের করা এক অনলাইন জরিপে ৫৬ লাখের বেশি অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৮০ শতাংশ তার নতুন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন জানিয়েছেন।
শুমেকার এএফপিকে বলেন, ‘মাস্কের ব্র্যান্ড এমন তরুণ ভোটার এবং প্রযুক্তি-সচেতন স্বাধীন ভোটারদের কাছে আকর্ষণীয়, যারা সাধারণত রিপাবলিকানদের দিকে ঝুঁকতেন।’
জনপ্রিয়তায় ট্রাম্পের চেয়ে পিছিয়ে
৪০৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক মাস্ক রাজনীতিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে আগ্রহী। ট্রাম্পের ২০২৪ সালের প্রচারণায় তিনি ২৭৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছেন। তবে উইসকনসিনে একটি স্থানীয় নির্বাচনে ২০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেও তার সমর্থিত প্রার্থী হেরে যাওয়ায় দেখা গেছে, অর্থ ও খ্যাতিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
নেইট সিলভার পরিচালিত সর্বশেষ জরিপে মাস্কের নেট ফেভারেবিলিটি মাইনাস ১৮.১, যেখানে ট্রাম্পের মাইনাস ৬.৬।
ওয়াশিংটন কলেজের রাজনৈতিক বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফ্লাভিও হিকেল বলেন, ‘আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় রিপাবলিকান ঘাঁটি এবং MAGA আন্দোলন একেবারে অভিন্ন হয়ে গেছে। মাস্কের কোনো রাজনৈতিক প্রকল্প ট্রাম্পের পক্ষে থাকা ভোটারদের কাছ থেকে ভোট কেড়ে নেবে, তা কল্পনা করা কঠিন।’
তৃতীয় দলের ইতিহাস
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় দলের প্রার্থীরা খুব কমই নির্বাচনে জিততে পেরেছেন। গত শতকে নিউইয়র্কের কনজারভেটিভ পার্টি এবং ফার্মার-লেবার পার্টি একমাত্র দুটি ছোট দল যারা সিনেট আসন জিততে পেরেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃতীয় দল হিসেবে আসন জেতা কঠিন হলেও মাস্ক রিপাবলিকানদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারেন, কারণ তিনি রিপাবলিকানদের ভোট কেটে নিতে পারেন বা ট্রাম্পের পছন্দের প্রার্থীর বিপক্ষে প্রাথমিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সহায়তা করতে পারেন।
গ্লোবাল ক্রাইসিস পিআর ফার্ম রেড বানিয়ানের প্রধান ইভান নায়ারম্যান বলেন, ‘মাস্কের দল আসন জিততে নাও পারে, কিন্তু রিপাবলিকানদের জন্য এটা ব্যয়বহুল হতে পারে। কঠিন আসনগুলোতে কয়েকটি ভোট কেটে নিলেই নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কা তৈরি হবে।’
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য