ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ফিলিস্তিনিদের অন্যদেশে পাঠানো নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৪৮
অনলাইন ডেস্ক
ফিলিস্তিনিদের অন্যদেশে পাঠানো নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠক

ফিলিস্তিনিদের অন্যদেশে স্থানান্তরের বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। স্থানীয় সময় সোমবার হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এসময় নেতানিয়াহু সাংবাদিকদের একথা জানান। খবর রয়টার্সের।

নেতানিয়াহু বলেন, গাজা থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের গ্রহণ করবে এমন দেশ খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে ইসরাইল। গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের বিতর্কিত প্রচেষ্টায় অগ্রগতিরও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘কেউ যদি থাকতে চায়, তাহলে থাকতে পারে। তবে যদি তারা যেতে চায়, তাহলে তাদের চলে যেতে পারা উচিৎ।’

ফিলিস্তিনিদের জোর করে অন্য দেশে পাঠিয়ে দেওয়া পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, যেসব দেশ সব সময় বলে যে, তারা ফিলিস্তিনিদের জন্য উন্নত ভবিষ্যত চায়, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরণের বেশ কয়েকটি দেশ খুঁজে পাওয়ার কাছাকাছি চলে এসেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।

ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তর সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এ কাজে ইসরাইলের আশপাশের দেশগুলো সাহায্য করছে। তাই ভালো কিছু ঘটবে বলে আশাবাদী তিনি।

গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন করে চাপের মধ্যেই হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে আলোচনা করেছেন।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বেনেয়ামিন নেতানিয়াহু ব্লেয়ার হাউজে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্সের সাথে দেখা করবেন।

তারপর তিনি ক্যাপিটল হিলসে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসনের সাথে সাক্ষাত করবেন। তারপর বৈঠকের জন্য ব্লেয়ার হাউজে ফিরে আসবেন। এছাড়া, ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর জন ফেটারম্যানসহ অন্যান্য সিনেটরদের সাথেও তার দেখা করার কথা রয়েছে।

 

মন্তব্য

ড. ইউনূসকে চিঠিতে যা লিখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪৭
অনলাইন ডেস্ক
ড. ইউনূসকে চিঠিতে যা লিখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পহেলা আগস্ট থেকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই বার্তা দিয়ে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

ওই চিঠিটি নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

হোয়াইট হাউস ওয়াশিংটন ৭ জুলাই, ২০২৫

মাননীয় মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ঢাকা

প্রিয় ইউনূস,

এই চিঠি পাঠানো আমার জন্য এক মহান সম্মানের বিষয়, কারণ এটি আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্কের দৃঢ়তা এবং প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বাংলাদেশের সাথে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও, একসাথে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। তবে, আমরা এখন আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও ন্যায্য বাণিজ্যের ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে চাই।

আমরা আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি বিশ্বের এক নম্বর বাজার—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অসাধারণ অর্থনীতিতে আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য। গত কয়েক বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের সাথে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্ক নিজে আলোচনা করেছি এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে আমাদের অবশ্যই এই দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী বাণিজ্য ঘাটতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, যা মূলত বাংলাদেশের শুল্ক, অ-শুল্ক নীতিমালা এবং বাণিজ্য বাধার কারণে সৃষ্টি হয়েছে।

‘দুই বিষের এক বিষ’ এটা জিয়াউর রহমানের দল না: আসিফ আকবর‘দুই বিষের এক বিষ’ এটা জিয়াউর রহমানের দল না: আসিফ আকবর
দুঃখজনকভাবে, আমাদের সম্পর্কটি বর্তমানে একমুখী এবং পারস্পরিক নয়। তাই, পহেলা অগাস্ট ২০২৫ থেকে আমরা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো বাংলাদেশি যেকোনো এবং সব পণ্যের ওপর ৩৫% শুল্ক আরোপ করবো। বর্তমানে বিভিন্ন খাতে যে শুল্ক রয়েছে, এই শুল্ক তার অতিরিক্ত হিসাবে কার্যকর হবে।

এই শুল্ক এড়াতে যদি ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে পণ্য পাঠানো হয়, সেটিও উচ্চ শুল্কের আওতায় পড়বে।

অনুগ্রহ করে উপলব্ধি করুন যে, বর্তমানে আপনার দেশের সাথে আমাদের যে বাণিজ্য বৈষম্য রয়েছে, এই ৩৫% শুল্ক হারটি সেই বৈষম্য দূর করার জন্য প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

তবে বাংলাদেশ বা আপনার দেশের কোম্পানিগুলি যদি যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য উৎপাদন বা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তাদের কোনো শুল্ক দিতে হবে না। সেক্ষেত্রে দ্রুত, পেশাদারিত্বের সাথে তাদের অনুমোদন দিতে আমরা সবকিছু করবো যা হয়তো কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই করা হবে।

তবে কোনো কারণে বাংলাদেশ যদি তার শুল্কহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আপনি যেকোনো হারে শুল্ক বাড়াবেন, আমরা একই হারে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবো।

আপনি উপলব্ধি করবেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের যে বাণিজ্য ঘাটতি, সেটা তৈরির পেছনে ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশের অনেক বছরের শুল্ক ও অশুল্ক নীতি ও নানা রকমের বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা। এই ঘাটতি আমাদের অর্থনীতির জন্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

আমরা বহু বছর ধরে আপনার বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।

যদি আপনি এতদিন ধরে বন্ধ থাকা বাণিজ্য বাজার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুলতে চান এবং আপনার শুল্ক ও অশুল্ক নীতিমালা এবং বাণিজ্য বাধাগুলি দূর করতে চান, তাহলে আমরা এই চিঠির কিছু অংশ পুনর্বিবেচনা করতে পারি। এই শুল্ক হার আপনার দেশের সাথে আমাদের সম্পর্কের উপর নির্ভর করে বাড়তে বা কমতে পারে।

আপনি কখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে হতাশ হবেন না।

এই বিষয়ে আপনার মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ!

শুভেচ্ছান্তে,

ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে নেতানিয়াহুর মনোনয়ন

    অনলাইন ডেস্ক
    ৮ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫০
    অনলাইন ডেস্ক
    নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে নেতানিয়াহুর মনোনয়ন

    এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মনোনয়ন দিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় ট্রাম্পের হাতে মনোনয়নের আবেদন করা চিঠি তুলে দেন নেতানিয়াহু।

    মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রয়টার্স ও দ্য গার্ডিয়ান জানায়, নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় তিনি ট্রাম্পকে সে সংক্রান্ত চিঠি দেখান। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনে অবদান রাখায় ট্রাম্পকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

    পরে সাংবাদিকদের নেতানিয়াহু বলেন, গাজা একটি উন্মুক্ত স্থান হওয়া উচিত এবং মানুষকে স্বাধীনভাবে পছন্দ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। আমরা এমন দেশগুলোকে খুঁজে বের করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। যারা সবসময় যা বলে তা বাস্তবায়ন করতে চাইবে। ফিলিস্তিনিদের একটি উন্নত ভবিষ্যৎ দিতে তারা কাজ করবে। আমি মনে করি, আমরা বেশ কয়েকটি দেশ খুঁজে বের করার কাছাকাছি চলে এসেছি।

    নোবেল মনোনয়ন সংক্রান্ত চিঠিটি উপস্থাপনের আগে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি কেবল সমস্ত ইসরায়েলিদের নয় বরং ইহুদি জনগণের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করতে চাই। আপনি (ট্রাম্প) এটির যোগ্য।’

    এটি ছিল ট্রাম্পের জন্য দ্বিতীয় ‘উচ্চ-প্রোফাইল’ মনোনয়ন। এর আগে গত মাসে পাকিস্তান ট্রাম্পকে এই পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করবে বলে ঘোষণা করে। এ ছাড়া পাবলিকান আইনপ্রণেতা বাডি কার্টার নোবেল পুরস্কারের জন্য ট্রাম্পকে মনোনীত করেছেন।

    এ বিষয়ে বাডি কার্টার নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটিকে একটি চিঠি লিখেছেন। তিনি ঘোষণা করেন যে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটাতে এবং বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী পরমাণু অর্জন থেকে বিরত রাখতে ট্রাম্পের ‘অসাধারণ ও ঐতিহাসিক ভূমিকা’ রয়েছে।

    চিঠিতে কার্টার বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দুই দেশের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, যা অনেকেই অসম্ভব বলে মনে করেছিল। ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রোধ করার জন্য এবং ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে সক্ষম না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য সাহসী, সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।’

    মন্তব্য

    বাংলাদেশিদের গোল্ডেন ভিসা দেবে দুবাই, সুবিধা কী

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশিদের গোল্ডেন ভিসা দেবে দুবাই, সুবিধা কী

    এত দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পেতে বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হতো। তবে এখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশিদের জন্য চালু হয়েছে একটি নতুন ধরনের গোল্ডেন ভিসা, যেটি মূলত মনোনয়ন-ভিত্তিক। ফলে এ ভিসা পেতে আর ব্যবসা বা সম্পত্তিতে বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।

    ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পেতে দেশটিতে কোনো ব্যবসা অথবা কমপক্ষে ২ মিলিয়ন দিরহাম (৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি) মূল্যের সম্পত্তি কিনতে হতো। তবে, নতুন ‘মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা নীতি’র আওতায় ভারতীয় ও বাংলাদেশিরা ১ লাখ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লাখ টাকার কিছু বেশি) ফি দিয়ে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ভারতীয় এ নতুন ভিসার জন্য আবেদন করতে প্রস্তুত।

    ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এ নতুন ভিসা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। রায়াদ গ্রুপ নামে একটি পরামর্শক সংস্থা ভারত ও বাংলাদেশে মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার প্রাথমিক রূপটি পরীক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছে। রায়াদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়াদ কামাল আইয়ুব এ নতুন ভিসাকে ভারতীয় ও বাংলাদেশিদের জন্য একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ বলে অভিহিত করেছেন।

    ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এই পাইলট প্রকল্প সফলভাবে শেষ হওয়ার পর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যান্য সিইপিএ (কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) আওতাভুক্ত দেশগুলোতেও এই নতুন ভিসা চালু করা হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া কেমন হবে?

    নতুন গোল্ডেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া এবং অনুমোদনের বিষয়ে রায়াদ কামাল আইয়ুব বলেন, যারা এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড (অতীত ইতিহাস) যাচাই করা হবে। এর আওতায় অর্থপাচার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড যাচাইও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও পরীক্ষা করা হবে।

    কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজার এবং ব্যবসাগুলো যেন আবেদনকারীর কাছ থেকে সংস্কৃতি, অর্থ, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, স্টার্টআপ, পেশাদার পরিষেবা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কীভাবে উপকৃত হতে পারে, তা নির্ধারণ করতে পারে।

    রায়াদ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘এরপর রায়াদ গ্রুপ আবেদনপত্রটি সরকারের কাছে পাঠাবে, সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তর মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

    আবেদনকারীদের দুবাই ভ্রমণ করতে হবে এবং তারা নিজ দেশ থেকে প্রাথমিক অনুমোদন নিতে পারবেন।

    রায়াদ জানান, আবেদনগুলো ভারত ও বাংলাদেশের ওয়ান ভাস্কো সেন্টার (ভিসা কনসিয়ারজ সার্ভিস কোম্পানি), তাদের নিবন্ধিত অফিস, অনলাইন পোর্টাল, অথবা তাঁদের ডেডিকেটেড কল সেন্টারের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।

    নতুন ভিসার সুবিধা

    এই নতুন ভিসার অন্যতম বড় সুবিধা হলো, এটি সম্পত্তি-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসা থেকে আলাদা। সম্পত্তি-ভিত্তিক ভিসা সম্পত্তি বিক্রি বা ভাগ হয়ে গেলে বাতিল হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা একবার পেলে তা স্থায়ী হবে।

    রায়াদ আরও জানান, যারা এই ভিসার জন্য মনোনীত হবেন, তারা পরিবারকে দুবাইতে নিয়ে আসতে পারবেন এবং তাদের ভিসার ওপর ভিত্তি করে গৃহকর্মী ও গাড়িচালক রাখতে পারবেন। এ ছাড়া তারা দুবাইতে যেকোনো ব্যবসা বা পেশাদার কাজ করতে পারবেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে টানা ২ বছর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও ইরানের মজুদ শেষ হবে না!

      অনলাইন ডেস্ক
      ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩৬
      অনলাইন ডেস্ক
      যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে টানা ২ বছর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও ইরানের মজুদ শেষ হবে না!

      সম্প্রতি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, ইরানের কাছে সব মিলিয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তবে ১২ দিনের সংঘাতে বড় ধরনের হুমকি বিবেচনায় এ সংখ্যা আগামী কয়েক বছরে বাড়তে পারে কয়েকগুণ। যদিও, তার এই দাবির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, ইরান কখনও সরাসরি জানায়নি তাদের কাছে কত সংখ্যক মিসাইল মজুদ রয়েছে। তবে, এবার ইরানের সমরাস্ত্র সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন খোদ দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি।

      ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘শহীদ জেনারেল হাজিজাদেহ (ইসরায়েলি হামলায় নিহতের আগ পর্যন্ত আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন) একবার বলেছিলেন যে যদি ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ হয়, তাহলে আমরা যদি দুই বছর ধরে প্রতিদিন তাদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করি, তাহলে আমাদের সম্পদের অভাব হবে না।’

      সোমবার (৭ জুলাই) সংবাদ সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুতির শীর্ষে রয়েছে বলেও জানান আইআরজিসি উপদেষ্টা। ইরানের বেশিরভাগ প্রতিরক্ষা স্থাপনা এখনও দেখানো হয়নি বলেও জানান তিনি। জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি বলেন, ‘বর্তমানে ভূগর্ভস্থ গুদাম, ক্ষেপণাস্ত্র শহর এবং স্থাপনাগুলো এত বিশাল যে আমরা এখনও আমাদের দেশের বেশিরভাগ প্রতিরক্ষা স্থাপনা এবং আমাদের দেশের কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করতে পারিনি।’

      তিনি আরও বলেন, ‘যদি ইহুদি শত্রু যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আমাদের দেশে আক্রমণ করতে চায়, তবে সেটি একটি দর্শনীয় দিন হবে। কারণ, তখন আমাদের সেনাবাহিনী, আইআরজিসি, স্থল ও বিমান বাহিনী তাদের সমস্ত শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে।’ গত ১৩ জুন ইসরায়েলের হামলার পর দেশটিতে অপারেশন ট্রু প্রমিজ-থ্রি অভিযান শুরু করে তেহরান। এ সময় প্রথমবারের মতো দূর পাল্লার অত্যাধুনিক সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করে দেশটি। সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর কঠিন জ্বালানি ব্যবহার। এই প্রযুক্তির কারণে এটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সক্ষম।

      এছাড়া ইরানের অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে হোভেইজেহসহ বিভিন্ন ধরনের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান হামলায় এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে দেশটি। আল–জাজিরার বিশ্লেষক গ্যাটোপুলোস বলেন, ইরানের হাতে এখন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা ক্রমাগত উন্নত ও পরিণত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থারই প্রত্যক্ষ ফলাফল।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত