ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাংলাদেশিদের গোল্ডেন ভিসা দেবে দুবাই, সুবিধা কী

অনলাইন ডেস্ক
৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৩৪
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশিদের গোল্ডেন ভিসা দেবে দুবাই, সুবিধা কী

এত দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসা পেতে বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রয়োজন হতো। তবে এখন ভারতীয় এবং বাংলাদেশিদের জন্য চালু হয়েছে একটি নতুন ধরনের গোল্ডেন ভিসা, যেটি মূলত মনোনয়ন-ভিত্তিক। ফলে এ ভিসা পেতে আর ব্যবসা বা সম্পত্তিতে বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে না।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পেতে দেশটিতে কোনো ব্যবসা অথবা কমপক্ষে ২ মিলিয়ন দিরহাম (৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি) মূল্যের সম্পত্তি কিনতে হতো। তবে, নতুন ‘মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা নীতি’র আওতায় ভারতীয় ও বাংলাদেশিরা ১ লাখ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লাখ টাকার কিছু বেশি) ফি দিয়ে দুবাইয়ের গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার ভারতীয় এ নতুন ভিসার জন্য আবেদন করতে প্রস্তুত।

ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এ নতুন ভিসা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। রায়াদ গ্রুপ নামে একটি পরামর্শক সংস্থা ভারত ও বাংলাদেশে মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার প্রাথমিক রূপটি পরীক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছে। রায়াদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়াদ কামাল আইয়ুব এ নতুন ভিসাকে ভারতীয় ও বাংলাদেশিদের জন্য একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ বলে অভিহিত করেছেন।

ভারত ও বাংলাদেশের জন্য এই পাইলট প্রকল্প সফলভাবে শেষ হওয়ার পর, সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্যান্য সিইপিএ (কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট) আওতাভুক্ত দেশগুলোতেও এই নতুন ভিসা চালু করা হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া কেমন হবে?

নতুন গোল্ডেন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া এবং অনুমোদনের বিষয়ে রায়াদ কামাল আইয়ুব বলেন, যারা এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড (অতীত ইতিহাস) যাচাই করা হবে। এর আওতায় অর্থপাচার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড যাচাইও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও পরীক্ষা করা হবে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজার এবং ব্যবসাগুলো যেন আবেদনকারীর কাছ থেকে সংস্কৃতি, অর্থ, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, স্টার্টআপ, পেশাদার পরিষেবা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কীভাবে উপকৃত হতে পারে, তা নির্ধারণ করতে পারে।

রায়াদ সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, ‘এরপর রায়াদ গ্রুপ আবেদনপত্রটি সরকারের কাছে পাঠাবে, সরকারের নির্দিষ্ট দপ্তর মনোনয়ন-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

আবেদনকারীদের দুবাই ভ্রমণ করতে হবে এবং তারা নিজ দেশ থেকে প্রাথমিক অনুমোদন নিতে পারবেন।

রায়াদ জানান, আবেদনগুলো ভারত ও বাংলাদেশের ওয়ান ভাস্কো সেন্টার (ভিসা কনসিয়ারজ সার্ভিস কোম্পানি), তাদের নিবন্ধিত অফিস, অনলাইন পোর্টাল, অথবা তাঁদের ডেডিকেটেড কল সেন্টারের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।

নতুন ভিসার সুবিধা

এই নতুন ভিসার অন্যতম বড় সুবিধা হলো, এটি সম্পত্তি-ভিত্তিক গোল্ডেন ভিসা থেকে আলাদা। সম্পত্তি-ভিত্তিক ভিসা সম্পত্তি বিক্রি বা ভাগ হয়ে গেলে বাতিল হয়ে যেতে পারে, কিন্তু মনোনয়ন-ভিত্তিক ভিসা একবার পেলে তা স্থায়ী হবে।

রায়াদ আরও জানান, যারা এই ভিসার জন্য মনোনীত হবেন, তারা পরিবারকে দুবাইতে নিয়ে আসতে পারবেন এবং তাদের ভিসার ওপর ভিত্তি করে গৃহকর্মী ও গাড়িচালক রাখতে পারবেন। এ ছাড়া তারা দুবাইতে যেকোনো ব্যবসা বা পেশাদার কাজ করতে পারবেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে টানা ২ বছর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও ইরানের মজুদ শেষ হবে না!

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৩৬
    অনলাইন ডেস্ক
    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে টানা ২ বছর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লেও ইরানের মজুদ শেষ হবে না!

    সম্প্রতি ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দাবি করেছিলেন, ইরানের কাছে সব মিলিয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তবে ১২ দিনের সংঘাতে বড় ধরনের হুমকি বিবেচনায় এ সংখ্যা আগামী কয়েক বছরে বাড়তে পারে কয়েকগুণ। যদিও, তার এই দাবির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, ইরান কখনও সরাসরি জানায়নি তাদের কাছে কত সংখ্যক মিসাইল মজুদ রয়েছে। তবে, এবার ইরানের সমরাস্ত্র সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন খোদ দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি।

    ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘শহীদ জেনারেল হাজিজাদেহ (ইসরায়েলি হামলায় নিহতের আগ পর্যন্ত আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন) একবার বলেছিলেন যে যদি ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ হয়, তাহলে আমরা যদি দুই বছর ধরে প্রতিদিন তাদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করি, তাহলে আমাদের সম্পদের অভাব হবে না।’

    সোমবার (৭ জুলাই) সংবাদ সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুতির শীর্ষে রয়েছে বলেও জানান আইআরজিসি উপদেষ্টা। ইরানের বেশিরভাগ প্রতিরক্ষা স্থাপনা এখনও দেখানো হয়নি বলেও জানান তিনি। জেনারেল ইব্রাহিম জাব্বারি বলেন, ‘বর্তমানে ভূগর্ভস্থ গুদাম, ক্ষেপণাস্ত্র শহর এবং স্থাপনাগুলো এত বিশাল যে আমরা এখনও আমাদের দেশের বেশিরভাগ প্রতিরক্ষা স্থাপনা এবং আমাদের দেশের কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করতে পারিনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘যদি ইহুদি শত্রু যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আমাদের দেশে আক্রমণ করতে চায়, তবে সেটি একটি দর্শনীয় দিন হবে। কারণ, তখন আমাদের সেনাবাহিনী, আইআরজিসি, স্থল ও বিমান বাহিনী তাদের সমস্ত শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে।’ গত ১৩ জুন ইসরায়েলের হামলার পর দেশটিতে অপারেশন ট্রু প্রমিজ-থ্রি অভিযান শুরু করে তেহরান। এ সময় প্রথমবারের মতো দূর পাল্লার অত্যাধুনিক সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করে দেশটি। সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর কঠিন জ্বালানি ব্যবহার। এই প্রযুক্তির কারণে এটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এটি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সক্ষম।

    এছাড়া ইরানের অস্ত্রভান্ডারে রয়েছে হোভেইজেহসহ বিভিন্ন ধরনের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান হামলায় এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে দেশটি। আল–জাজিরার বিশ্লেষক গ্যাটোপুলোস বলেন, ইরানের হাতে এখন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা ক্রমাগত উন্নত ও পরিণত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থারই প্রত্যক্ষ ফলাফল।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইয়েমেনে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ শুরু করেছে ইসরায়েল

      অনলাইন ডেস্ক
      ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ইয়েমেনে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ শুরু করেছে ইসরায়েল

      ইয়েমেনের হুথি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ নামে একটি সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার ভোরে চালানো এই অভিযানে হুদায়দাহ, রাস ইসা ও সালিফ বন্দর এবং রাস কানাতিব বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিমান হামলা চালানো হয়। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি বড় ধরণের সামরিক অভিযান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

      ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে জানান, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমে’ ইরান-সমর্থিত সরবরাহপথ বিচ্ছিন্ন করা।

      হুথিরা দীর্ঘদিন ধরেই ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা চালিয়েছে। ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ তারই পাল্টা প্রতিক্রিয়া বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।

      ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, হামলার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযানে ২০টির বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং ৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়।

      এদিকে, হামলার পরপরই ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে একাধিক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে হুথি বিদ্রোহীরা। তবে এসব আক্রমণ প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করে তেল আবিব।

      উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযানে ২০২৩ সালে হুথিদের দখলে যাওয়া বাণিজ্যিক জাহাজ Galaxy Leader-এও হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের অভিযোগ, হুথিরা এটি সামরিক নজরদারির কাজে ব্যবহার করছিল।

      রেড সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে—যদি হুথিরা হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ইয়েমেনের পরিণতিও হবে ইরানের মতো।

      বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযান শুধু হুথিদের ওপর চাপ সৃষ্টি নয়, বরং ইরানকেও পরোক্ষ বার্তা দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার আরও বিস্তার ঘটাতে পারে এই হামলা।

      সূত্র:রয়টার্স

      শাকিল/রাইজিং ক্যাম্পাস

       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ২ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

        অনলাইন ডেস্ক
        ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪৪
        অনলাইন ডেস্ক
        ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ২ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

        ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে দুই দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইয়েমেন থেকে তাদের দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর আগে ইয়েমেনের তিনটি বন্দর ও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুতি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

        টেলিগ্রামে এক পোস্টে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠার পর ইয়েমেন থেকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং প্রতিহতের ফলাফল পর্যালোচনা করা হচ্ছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের

        এর আগে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় হোদেইদাহ, রাস ইসা ও সাইফ বন্দরসহ তিনটি ইয়েমেনি বন্দরে হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। হামলার শিকার হয়েছে রাস কান্টিব বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং একটি জাহাজও।

        ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়েমেনে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

        গত প্রায় এক মাসের মধ্যে ইয়েমেনে এটিই প্রথম ইসরায়েলি হামলা। আজ সোমবার ভোরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

        আসন্ন বিমান হামলা নিয়ে সতর্কতা জারি করে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরপরই এ হামলা চালানো হয়।

        হুতি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হোদেইদাহ বন্দরে হামলা হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

        বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার কিছুক্ষণ পরই হুতিদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইয়েমেনের ৩ বন্দর ও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

          অনলাইন ডেস্ক
          ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২
          অনলাইন ডেস্ক
          ইয়েমেনের ৩ বন্দর ও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

          ইয়েমেনের তিনটি বন্দর ও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুতি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। আজ সোমবার ভোরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। তবে হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

          প্রায় এক মাস পর ইয়েমেনে হামলা চালাল ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, হোসেইন, রাস ইসা ও সালিফ বন্দর এবং রাস কান্তিব বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে। কারণ, হুতিরা বারবার ইসরায়েলের ওপর আক্রমণ করছিল।

          হামলার পর হুতির এক মুখপাত্র বলেন, স্থানীয়ভাবে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তাদের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইসরায়েলি হামলা প্রতিহত করেছে।

          স্থানীয় বাসিন্দারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, লোহিত সাগরের তীরবর্তী বন্দরনগরী হোদেইদাহয় ইসরায়েলি হামলার কারণে প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পুরো শহর অন্ধকারে ডুবে গেছে।

          এদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল লাগোয়া লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক এক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার লোহিত সাগরে ওই জাহাজ লক্ষ্য করে অন্তত আটটি ছোট নৌকা থেকে গুলি এবং রকেটচালিত গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে।

          তবে এই হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ স্বীকার করেনি। চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে ওই অঞ্চলে এটিই এ ধরনের প্রথম হামলার ঘটনা।

          হুতিনিয়ন্ত্রিত আল মাসিরা টিভি জানিয়েছে, ইসরায়েল হোদেইদাহয় একের পর এক হামলা চালিয়েছে। এর ঠিক আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইয়েমেনের তিনটি বন্দর থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছিল।

          ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ইয়েমেনের রাস ইসা বন্দরে ‘গ্যালাক্সি লিডার’ নামের একটি জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ দিকে হুতিরা জাহাজটি দখল করেছিল।

          ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি ইসরায়েল ও লোহিত সাগরের জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। এ কারণে বিশ্ববাণিজ্যে ব্যাঘাত ঘটছে। হুতি বলছে, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতেই এসব হামলা করা হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত