শিরোনাম
পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলদারিত্ব বেড়েছে ৪০ শতাংশ
ইসরাইলের দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে সেটেলারদের আক্রমণ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভূখণ্ডটিতে বেড়েছে সেটেলারদের দখলদারিত্ব। ২০২২ সালে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দখলদারিত্ব বেড়েছে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত। ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদুলা এজেন্সি।
ইসরাইলের সম্প্রচার মাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, বহু বিতর্ক ও টানাপোড়েন কাটিয়ে ২০২২ সালে নেতানিয়াহুর জোট সরকার ক্ষমতায় বসে। এরপর থেকেই পশ্চিম তীরে বিপুল পরিমাণে দখলদারিত্ব বেড়েছে।
গণমাধ্যমটি বলছে, পশ্চিম তীরে বসতিপূর্ণ এলাকা ১২৮টি থেকে বেড়ে ১৭৮টিতে পৌঁছেছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সময়ে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংসযজ্ঞও আগের তুলনায় বেড়েছে।
দুদনি আগে নেতানিয়াহুর ১৪ মন্ত্রী ও নেসেটের স্পিকার আমির ওয়ানা এক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। ওই চিঠিতে নেতানিয়াহুকে দখলকৃত অঞ্চলগুলোকে অবিলম্বে তাদের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য অনুরোধ করা হয়। ওই চিঠির পরই ইসরাইলি সম্প্রচার মাধ্যমটি এ তথ্য দিল।
দখলকৃত অঞ্চলগুলোতে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার বিষয়ে তেমন কর্ণপাত করে না তেলআবিব। তবে সম্প্রতি ইসরাইলি পুলিশ ও সৈন্যদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা তাদের রাজনীতিবিদদের নজর কেড়েছে।
পশ্চিম তীরের মধ্যভাগের শহর কাফর মালিকে গত ২৮ জুন এক ইহুদি বসতিস্থাপনকারীর হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত ও সাতজন আহত হয়।
চ্যানেল ১২ বলছে, নতুন করে বসতি স্থাপনের ঘোষণা, অবৈধ চৌকি স্থাপনের নজিরবিহীন গতি, কৌশলগত সড়ক নির্মাণ ও ফিলিস্তিনি ভবনগুলোর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দুই রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টাকে শেষ করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে।
কট্টর ইহুদিপন্থি রেজাভিম মুভমেন্টের সিইও মেইর ডেউটসচ বলেন, ‘এ সরকার যতটা বসতি স্থাপনকে উৎসাহ দিয়েছে, অতীতে কোনো সরকার এতটা দেয়নি।’
সম্প্রচার মাধ্যমটি বলছে, নেতানিয়াহুর জোট সরকার গঠনের পর পশ্চিম তীরে অন্তত ৫০টি বসতি স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টি বসতি ইতোমধ্যে করা হয়েছে। সাতটি বর্তমানে গবাদিপশুর চারণভূমি, ১৪টি বসতির অভ্যন্তরের পাড়া-মহল্লা এবং ১০টি কেবল কাগজে-কলমেই রয়েছে।
নতুন করে ডজন ডজন বসতি স্থাপনের পাশাপাশি গত আড়াই বছরে আগের বসতিতে নির্মাণ কাজ আগের সব রেকর্ডকে ভেঙে ফেলেছে।
চ্যানেল ১২ বলছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে ৪১ হাজার ৭০৯টি বসতিবাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা নেতানিয়াহুর বর্তমান সরকারের আগের ছয় বছরের অনুমোদিত সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি।
সম্প্রচার মাধ্যমটির তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ পশ্চিম তীরে অবৈধ চৌকির সংখ্যা ছিল ২১৪টি, যার মধ্যে ৬৬টি গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার সময় স্থাপন করা হয়। ইসরাইলের চলমান সরকারের প্রথম দুই বছরে অবৈধ বসতি চৌকির সংখ্যা আগের দুই বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধে আমরা রাশিয়াকে হারতে দেবো না: চীন
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান এবার পুরোপুরি স্পষ্ট করল চীন। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পরাজয় তারা মেনে নেবেন না।
বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে বৈঠক করেন ওয়াং ই। চার ঘণ্টাব্যাপী সেই কাজা কালাস রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে চীনের চূড়ান্ত অবস্থান জানতে চাইলে ওয়াং বলেন, “বেইজিং কোনোভাবেই এ যুদ্ধে রাশিয়ার পরাজয় মেনে নেবে না। আমরা রাশিয়াকে হারতে দেবো না।”
কী কারণে চীনের এই অবস্থান— তা ও ব্যাখ্যা করেছেন ওয়াং ই। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের মনযোগের কেন্দ্রে চলে আসবে চীন এবং এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চল এবং সেক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের একমাত্র লক্ষ্যবস্তু হবে চীন।
তবে ওয়াং ই দাবি করেছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মস্কোকে কোনো সামরিক সহায়তা দেয়নি বেইজিং। ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধানকে তিনি বলেছেন, “চীন যদি রাশিয়াকে সহায়তা দিত, তাহলে এ যুদ্ধ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেতো।”
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, বিরল খনিজ উপাদান, এবং ইইউ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠকে কথা বলেছেন কাজা কালাস এবং ওয়াং ই।
পরের দিন শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ের সময় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং-কে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মাও নিং বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চীনের অবস্থান নৈর্ব্যক্তিক। চীন চায় কূটনীতি, সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই যুদ্ধের অবসান হোক। কারণ এ যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয়— তাহলে কোনো পক্ষই লাভবান হবে না।”
সূত্র : সিএনএন, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
ইসরাইলকে এবার ‘ধ্বংসাত্মক পরিণতির’ হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইহুদিবাদী সরকার (ইসরাইল) যদি আরেকটি ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তাদের জন্য শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক সামরিক প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত প্রয়াত আইআরজিসি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোসেইন সালামির স্মরণসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর সংবাদ সংস্থা মেহের’র।
মুসাভি জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলের দিক থেকে হামলা শুরু হওয়ার পর ইসলামী বিপ্লবের নেতার (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) প্রথম নির্দেশ অনুসারে পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছিল।
যুদ্ধে বিরতির কারণে এটি স্থগিত করা হয়। তবে তিনি বলেছেন, এই পরিকল্পনা তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানি জেনারেলের এই হুঁশিয়ারি তেহরানের এই বার্তাকে আরও জোরদার করে যে— ভবিষ্যতে কোনো উত্তেজনা হলে জোরালো ও অপ্রত্যাশিত প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
মরহুম জেনারেল সালামিকে আদর্শ হিসেবে বর্ণনা করে জেনারেল মুসাভি বলেন, ‘সাহস, দৃঢ়তা ও সম্মুখসারিতে তার নির্ভীক উপস্থিতি তার জীবনযাত্রাকে সংজ্ঞায়িত করে—যে গুণাবলী তিনি তার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ধরে রেখেছিলেন’।
তিনি আরও বলেন, ‘শত্রুদের সামনে তিনি ছিলেন অটল। কিন্তু বন্ধু ও সহকর্মীদের মধ্যে ছিলেন ভদ্র এবং উৎসাহী’।
জনগণের উদ্দেশে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘আপনারা এমন একটি জাতি, যারা অন্য কারোর মতো নয়। ঐক্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে আপনারা শত্রুকে পিছু হটতে এবং হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছেন’।
আয়াতুল্লাহ খামেনি কি সত্যিই রাসূল (সা.)-এর বংশধর?
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। তিনি একজন আলেম। ধর্মীয় চর্চা, শাসনক্ষমতা, ইসলামবিরোধীদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতায় পরিণত করেছে তাকে। বিশেষ করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তার একক অবস্থান তাকে অনন্য একটি অবস্থানে নিয়ে গেছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৭ জুলাই ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন খ্যাতনামা আলেম আয়াতুল্লাহ সৈয়েদ জাওয়াদ খামেনি।
আয়তুল্লাহ খামেনি নিজেকে হোসাইনী সাইয়েদ বলে দাবি করেছেন, যার অর্থ—তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর বংশধর। যদিও আধুনিক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে এর প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবুও ইসলামী ঐতিহ্য ও বংশতালিকার ভিত্তিতে তার এই পরিচয় মুসলিম বিশ্বে তার ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রেডিও ফারডা ডটকম, উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন সাইটের তথ্য বলছে, খামেনি পরিবার বা খামেনেই রাজবংশ হলো ইরানি আজেরি সাইয়্যিদ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। যারা নিজেদেরকে ইসলামের চতুর্থ ইমাম আলী ইবনে হুসেন জয়ন আল-আবিদিনের বংশধর বলে দাবি করে। খামেনির বংশধারা অনুসারে, তার পূর্বপুরুষদের আবাসস্থল আজারবাইজান, বর্তমান ইরান, নাজাফ, তাফরেশ ইত্যাদি অঞ্চলে ছিল।
খামেনির রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয় ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে। তিনি ছিলেন ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিপ্লবের অন্যতম মুখ। বিপ্লবের পর তিনি ইরানের প্রথম আলেম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮৯ সালে ইমাম খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন, এবং আজও সেই পদে অধিষ্ঠিত আছেন।
ছদ্মবেশ ধারণ করেও বাঁচতে পারলেন না ইরানি জেনারেল
ইসরায়েলের থেকে হত্যার হুমকি ছিল। তাই সামরিক উর্দি খুলে ছদ্মবেশ ধারণ করেন ইরানি এক শীর্ষ জেনারেল। মোবাইল ফোন তো দূরের কথা; সঙ্গে ছিল না কোনো ইলেকট্রিক ডিভাইস। তবুও ইসরায়েল তাকে খুঁজে বের করে হত্যা করে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার নিযুক্ত আলী শাদমানিকে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার দিন পরেই হত্যা করা হয়। তার পূর্বসূরি গোলাম আলী রশিদ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।
শাদমানিকে হত্যার পর ইরানজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। দাবি করা হয়, হোয়াটসঅ্যাপের ডাটা ফাঁসের মাধ্যমেই শাদমানিকে খুঁজে পায় ইসরায়েল। কিন্তু এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার মেয়ে। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।
ইসরায়েল তাদের লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করত বলে অভিযোগ ওঠার পর আলী শাদমানির মেয়ে মাহদিহ শাদমানি মুখ খুলেন ।
শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, আমার বাবার অবস্থান প্রতি কয়েক ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তিত হতো। তিনি কোনো স্মার্ট ডিভাইস বা ফোন বহন করতেন না। নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করা হতো, তবুও যুদ্ধ সদর দপ্তরের কমান্ডিং করার সময় তাকে ইসরায়েল হত্যার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সমর্থ হয়।
শাদমানির মেয়ে লিখেন, তার বাবা হত্যার সময় ইউনিফর্ম পরিহিত ছিলেন না। সাধারণ, ধুলোমাখা পোশাক পরে সামরিক প্রতীক ছাড়াই অবস্থান করছিলেন। ওই সময় তাকে ট্র্যাক করে হত্যা করা হয়েছিল।
ইরানি সামরিক কমান্ডারদের খুঁজে বের করার জন্য ইসরায়েল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
বারো দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নাগরিকদের তাদের স্মার্টফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছিল। অভিযোগ করেছিল, অ্যাপটি ইসরায়েলে তথ্য সংগ্রহ করে পাঠায়।
হোয়াটসঅ্যাপ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বলেছে, এই ধরনের দাবি ইরানের অভ্যন্তরে ব্যবহারকারীদের পরিষেবা অ্যাক্সেস সীমিত করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করে। সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি, বিপ্লবী গার্ডের প্রধান হোসেইন সালামি, আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্স কমান্ডার আমির আলী হাজিজাদেহ এবং আইআরজিসি ডেপুটি ফর অপারেশনস মেহেদী রব্বানি প্রমুখ অন্যতম।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য