শিরোনাম
ইসরাইলকে এবার ‘ধ্বংসাত্মক পরিণতির’ হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইহুদিবাদী সরকার (ইসরাইল) যদি আরেকটি ভুল পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তাদের জন্য শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক সামরিক প্রতিশোধ অপেক্ষা করছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) তেহরানে আয়োজিত প্রয়াত আইআরজিসি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোসেইন সালামির স্মরণসভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর সংবাদ সংস্থা মেহের’র।
মুসাভি জোর দিয়ে বলেন, ইসরাইলের দিক থেকে হামলা শুরু হওয়ার পর ইসলামী বিপ্লবের নেতার (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি) প্রথম নির্দেশ অনুসারে পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছিল।
যুদ্ধে বিরতির কারণে এটি স্থগিত করা হয়। তবে তিনি বলেছেন, এই পরিকল্পনা তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
ইরানি জেনারেলের এই হুঁশিয়ারি তেহরানের এই বার্তাকে আরও জোরদার করে যে— ভবিষ্যতে কোনো উত্তেজনা হলে জোরালো ও অপ্রত্যাশিত প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
মরহুম জেনারেল সালামিকে আদর্শ হিসেবে বর্ণনা করে জেনারেল মুসাভি বলেন, ‘সাহস, দৃঢ়তা ও সম্মুখসারিতে তার নির্ভীক উপস্থিতি তার জীবনযাত্রাকে সংজ্ঞায়িত করে—যে গুণাবলী তিনি তার শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ধরে রেখেছিলেন’।
তিনি আরও বলেন, ‘শত্রুদের সামনে তিনি ছিলেন অটল। কিন্তু বন্ধু ও সহকর্মীদের মধ্যে ছিলেন ভদ্র এবং উৎসাহী’।
জনগণের উদ্দেশে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বলেন, ‘আপনারা এমন একটি জাতি, যারা অন্য কারোর মতো নয়। ঐক্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে আপনারা শত্রুকে পিছু হটতে এবং হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছেন’।
আয়াতুল্লাহ খামেনি কি সত্যিই রাসূল (সা.)-এর বংশধর?
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। তিনি একজন আলেম। ধর্মীয় চর্চা, শাসনক্ষমতা, ইসলামবিরোধীদের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতায় পরিণত করেছে তাকে। বিশেষ করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তার একক অবস্থান তাকে অনন্য একটি অবস্থানে নিয়ে গেছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৭ জুলাই ইরানের পবিত্র শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন খ্যাতনামা আলেম আয়াতুল্লাহ সৈয়েদ জাওয়াদ খামেনি।
আয়তুল্লাহ খামেনি নিজেকে হোসাইনী সাইয়েদ বলে দাবি করেছেন, যার অর্থ—তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর বংশধর। যদিও আধুনিক ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে এর প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবুও ইসলামী ঐতিহ্য ও বংশতালিকার ভিত্তিতে তার এই পরিচয় মুসলিম বিশ্বে তার ধর্মীয় গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রেডিও ফারডা ডটকম, উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন সাইটের তথ্য বলছে, খামেনি পরিবার বা খামেনেই রাজবংশ হলো ইরানি আজেরি সাইয়্যিদ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। যারা নিজেদেরকে ইসলামের চতুর্থ ইমাম আলী ইবনে হুসেন জয়ন আল-আবিদিনের বংশধর বলে দাবি করে। খামেনির বংশধারা অনুসারে, তার পূর্বপুরুষদের আবাসস্থল আজারবাইজান, বর্তমান ইরান, নাজাফ, তাফরেশ ইত্যাদি অঞ্চলে ছিল।
খামেনির রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয় ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে। তিনি ছিলেন ইমাম রুহুল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ সহচর ও বিপ্লবের অন্যতম মুখ। বিপ্লবের পর তিনি ইরানের প্রথম আলেম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮৯ সালে ইমাম খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন, এবং আজও সেই পদে অধিষ্ঠিত আছেন।
ছদ্মবেশ ধারণ করেও বাঁচতে পারলেন না ইরানি জেনারেল
ইসরায়েলের থেকে হত্যার হুমকি ছিল। তাই সামরিক উর্দি খুলে ছদ্মবেশ ধারণ করেন ইরানি এক শীর্ষ জেনারেল। মোবাইল ফোন তো দূরের কথা; সঙ্গে ছিল না কোনো ইলেকট্রিক ডিভাইস। তবুও ইসরায়েল তাকে খুঁজে বের করে হত্যা করে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার নিযুক্ত আলী শাদমানিকে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার দিন পরেই হত্যা করা হয়। তার পূর্বসূরি গোলাম আলী রশিদ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।
শাদমানিকে হত্যার পর ইরানজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। দাবি করা হয়, হোয়াটসঅ্যাপের ডাটা ফাঁসের মাধ্যমেই শাদমানিকে খুঁজে পায় ইসরায়েল। কিন্তু এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার মেয়ে। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।
ইসরায়েল তাদের লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করত বলে অভিযোগ ওঠার পর আলী শাদমানির মেয়ে মাহদিহ শাদমানি মুখ খুলেন ।
শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, আমার বাবার অবস্থান প্রতি কয়েক ঘণ্টা অন্তর পরিবর্তিত হতো। তিনি কোনো স্মার্ট ডিভাইস বা ফোন বহন করতেন না। নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণ করা হতো, তবুও যুদ্ধ সদর দপ্তরের কমান্ডিং করার সময় তাকে ইসরায়েল হত্যার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে সমর্থ হয়।
শাদমানির মেয়ে লিখেন, তার বাবা হত্যার সময় ইউনিফর্ম পরিহিত ছিলেন না। সাধারণ, ধুলোমাখা পোশাক পরে সামরিক প্রতীক ছাড়াই অবস্থান করছিলেন। ওই সময় তাকে ট্র্যাক করে হত্যা করা হয়েছিল।
ইরানি সামরিক কমান্ডারদের খুঁজে বের করার জন্য ইসরায়েল হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
বারো দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নাগরিকদের তাদের স্মার্টফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ মুছে ফেলার আহ্বান জানিয়েছিল। অভিযোগ করেছিল, অ্যাপটি ইসরায়েলে তথ্য সংগ্রহ করে পাঠায়।
হোয়াটসঅ্যাপ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বলেছে, এই ধরনের দাবি ইরানের অভ্যন্তরে ব্যবহারকারীদের পরিষেবা অ্যাক্সেস সীমিত করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারকে হত্যা করে। সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি, বিপ্লবী গার্ডের প্রধান হোসেইন সালামি, আইআরজিসি এরোস্পেস ফোর্স কমান্ডার আমির আলী হাজিজাদেহ এবং আইআরজিসি ডেপুটি ফর অপারেশনস মেহেদী রব্বানি প্রমুখ অন্যতম।
ইরানের ওপর আবারও যুক্তরাষ্ট্রের আঘাত
ইরানের তেলবাণিজ্যকে লক্ষ্য করে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়নের অভিযোগে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন নিষেধাজ্ঞাটি জারি হয়েছে বিশ্ববাজারে ইরানের তেল বিক্রির সঙ্গে জড়িত ও হিজবুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত একটি গোষ্ঠীর ওপর। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিষেধাজ্ঞা জারির পর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তেহরানের রাজস্বের উৎসের ওপর আমাদের চাপ প্রয়োগ অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর অস্থিতিশীল কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত আর্থিক সম্পদগুলোতে প্রবেশাধিকার ব্যাহত করার জন্য অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা হবে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরান থেকে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি তেল ক্রয় ও পরিবহন করা হচ্ছে, এমনটা বলেছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।
মার্কিন সরকার আরও বলছে, এর সঙ্গে জড়িত আছে ইরাকি-ব্রিটিশ ব্যবসায়ী সালিম আহমেদ সাইদ পরিচালিত একাধিক প্রতিষ্ঠানের একটি চক্র। ওই ব্যক্তি অন্তত ২০২০ সাল থেকে এই কাজ করে আসছেন বলে মার্কিন প্রশাসন জানতে পেরেছে।
অর্থমন্ত্রী কার্যালয় থেকে আরও বলা হয়, সাইদের প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরানের তেল ইরাকের তেলের সঙ্গে মেশানো হয়। ভুয়া নথি ব্যবহার করে এগুলোকে ইরাকের তেল হিসেবে ইরাক বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের কাছে বিক্রি হচ্ছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করুন : জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ
ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার ফ্রানচেসকা আলবানিজ।
তিনি ইসরায়েলের অর্থনীতিকে ‘গণহত্যার অর্থনীতি’ আখ্যা দিয়ে দেশটিকে দেওয়া আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ করা ও তাদের ওপর পুরোপুরি অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়েও আহ্বান জানান। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে তার সর্বশেষ প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় এমন আহ্বান জানান আলবানিজ।
এদিন ফ্রানচেসকা আলবানিজ প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি দমন-পীড়ন ও সহিংসতায় সহায়তাকারী বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পরিস্থিতি ভয়াবহ। সেখানে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর গণহত্যার জন্য ইসরায়েল দায়ী।
আলবানিজের উপস্থাপিত প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, ‘ফ্রম ইকোনমি অব অকুপেশন টু ইকোনমি অব জেনোসাইড (দখলদারির অর্থনীতি থেকে গণহত্যার অর্থনীতি)’। কীভাবে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ইসরায়েলের দখলদারি ও উপনিবেশ গঠনের পরিকল্পনাকে টিকিয়ে রাখছে, তা এ প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারি ও উপনিবেশ গঠনের পরিকল্পনাকে টিকিয়ে রাখতে বড় কোম্পানিগুলো একধরনের করপোরেট যন্ত্র হিসেবে কাজ করছে। এই যন্ত্রই ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ করে সেখানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনায় ইন্ধন জোগাচ্ছে।
ইসরায়েলকে দমন-পীড়নে সহায়তাকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর মধ্যে আছে অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, বড় প্রযুক্তি কোম্পানি, ভারী যন্ত্রপাতি নির্মাতা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কোনোটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি সম্প্রসারণে সহায়তা করছে, কেউ নজরদারির প্রযুক্তি দিচ্ছে, আবার কেউ ফিলিস্তিনিদের হত্যায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
প্রতিবেদনে আলবানিজ বলেন, রাজনৈতিক নেতারা যখন গাজায় রক্তপাত থামাতে ইসরায়েলকে চাপ দেওয়ার দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন, তখন অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলের অবৈধ দখলদারি, বর্ণবাদ ও এখনকার গণহত্যা থেকে মুনাফা করে যাচ্ছে।
মানবাধিকার পরিষদে বক্তৃতা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আলবানিজ। তিনি বলেন, এমন অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা গাজাসহ ফিলিস্তিনের অন্য অধিকৃত অঞ্চলে সহিংসতা, হত্যা, মানুষকে পঙ্গু করে দিয়েছে। মূলত এমন ধ্বংসযজ্ঞ থেকে তারা লাভবান হয়েছে।
ফ্রানচেসকা জানান, গাজা যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় ২১ মাসে তেল আবিবের শেয়ার বাজারে অন্তত ২০০ শতাংশ দর বেড়েছে, বাজারে যোগ হয়েছে ২২ হাজার কোটি ডলারের বেশি। অন্যদিকে ফিলিস্তিনিরা শোচনীয় অবস্থার মধ্যে আছেন।
এ সময় আলবানিজ বলেন, ‘এক জাতি সমৃদ্ধ হচ্ছে, আরেক জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা হচ্ছে। স্পষ্টতই কারও কারও জন্য গণহত্যাও লাভজনক।’
জাতিসংঘের মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গত ২২ মাসে ইসরায়েল প্রায় ৫৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। লাখ লাখ মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। বিভিন্ন শহর ও গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে হাসপাতাল ও স্কুলগুলোও। অবরুদ্ধ ও বোমাবর্ষণে বিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের ৮৫ শতাংশ ছিটমহল এখন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য