ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মেশিনগান দিয়ে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায় ইসরায়েলিরা

অনলাইন ডেস্ক
৪ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১৫
অনলাইন ডেস্ক
মেশিনগান দিয়ে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালায় ইসরায়েলিরা

মেশিনগান দিয়ে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর বেশ কয়েকবার গুলি চালাতে দেখেছি, যারা কোনো হুমকিই ছিল না", গাজায় ইসরায়েল ও মার্কিন-সমর্থিত বিতর্কিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের সাবেক নিরাপত্তা ঠিকাদার এই কথা বলেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, একবার একদল নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে, শুধুমাত্র একটু ধীরে চলায় ওয়াচ টাওয়ার থেকে একজন প্রহরী মেশিনগান দিয়ে গুলি চালায়।

এ বিষয়ে গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন বা জিএইচএফ এর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে তারা।

মে মাসের শেষের দিকে দক্ষিণ ও মধ্য গাজার বেশ কয়েকটি এলাকায় সীমিতভাবে ত্রাণ বিতরণের মাধ্যমে গাজায় নিজেদের কার্যক্রম শুরু করে জিএইচএফ।

এরপর গাজার ওপর ১১ সপ্তাহের সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল, এরপর থেকে ওই এলাকায় আর কোনো খাবার প্রবেশ করেনি।

শুরু থেকেই সহায়তা বিতরণের এই ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে। কারণ এর ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষকে সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে হেঁটে অল্প কয়েকটি জায়গায় যেতে বাধ্য করা হচ্ছিল।

জাতিসংঘ এবং স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন, জিএইচএফ শুরু হওয়ার পর থেকে, ইসরায়েলি বাহিনী তাদের কাছ থেকে খাদ্য সহায়তা সংগ্রহের চেষ্টার সময় ৪০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।

যদিও ইসরায়েল মনে করে, তাদের নতুন এই পদক্ষেপের ফলে হামাসের সাহায্য পাওয়ার পথ বন্ধ হয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের একটি দলের ওপর প্রহরীদের গুলি চালানো ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ওই ঠিকাদার বলেন, একজন ঠিকাদার একটি লম্বা জায়গার ওপর দাঁড়িয়ে বের হয়ে যাওয়ার রাস্তাটার দিকে তাকিয়ে জনতার ওপর বারবার ১৫ থেকে ২০টি করে গুলি চালাতে শুরু করে। একজন ফিলিস্তিনি নিশ্চল হয়ে মাটিতে পড়ে গেল। এরপর সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য আরেকজন ঠিকাদার বলল, ‘ধুর, আমি ভাবলাম তুমি একজনকে মেরেছো’। আর তারপর তারা এটা নিয়ে হেসে উঠল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ঠিকাদার বলেন, জিএইচএফের পরিচালকরা তার প্রতিবেদনটিকে কাকতালীয় ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয় এবং ফিলিস্তিনি ব্যক্তিটি ‘হোঁচট খেয়ে পড়েছিলেন’ অথবা ‘ক্লান্ত ও অজ্ঞান’ হয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করে।

জিএইচএফ পরিচালিত চারটি বিতরণ কেন্দ্রে কাজ করা ওই ব্যক্তি বিবিসিকে জানান, সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে নিয়ম, নিয়ন্ত্রণ খুবই কম যা দায়মুক্তির সুযোগ করে দেয়। একজন টিম লিডার তাদের বলেছিলেন, ‘যদি তুমি হুমকি মনে করো, গুলি করো- হত্যা করার জন্য গুলি করো এবং পরে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করো’।

পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছিল, ‘আমরা গাজায় যাচ্ছি, তুমি যা ইচ্ছা করো। এখানে এটিই নিয়ম।’

সাবেক ওই ঠিকাদার বলেন, ইসরায়েলের সেনা দলের নেতারা গাজার বাসিন্দাদের ‘জম্বি’ বা ‘মৃত মানুষের দল’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ‘যা এই মানুষগুলোর কোনো মূল্য নেই বলেই ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।’

তবে সাহায্য নিতে আগতদের ওপর নিজের সৈন্যদের ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল। তারা বলছে, জিএইচএফ এর ব্যবস্থাপনা হামাসের হস্তক্ষেপ এড়িয়ে, সাহায্য প্রার্থীদের সরাসরি সহায়তা প্রদান করে।

২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। যেখানে প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। হামাসের এই হামলার জবাবে গাজায় একটি অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গাজার হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ৫৭ হাজার ১৩০ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

মন্তব্য

নিহত হিসেবে খবর প্রচার হওয়া খামেনির উপদেষ্টা বেঁচে আছেন

অনলাইন ডেস্ক
২ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫১
অনলাইন ডেস্ক
নিহত হিসেবে খবর প্রচার হওয়া খামেনির উপদেষ্টা বেঁচে আছেন
সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার উপদেষ্টা আলী শামখানি।

ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা রিয়ার এডমিরাল আলী শামখানি বেঁচে আছেন। বুধবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

গত ১৩ জুন দখলদার ইসরায়েল ইরানে অতর্কিত হামলা চালায়। ওইদিন তেহরানে আলী শামখানির অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়ে দখলদাররা। এতে তার অ্যাপার্টমেন্টটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এটির ছাদ ধসে পড়ে। তিনি সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকাও ছিলেন। তবে তাকে পরবর্তীতে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস শামখানির পরিবারের সদস্য ও ইরানের কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছিল, তিনি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। তার সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় এবং তাকে প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ায় ওই সময় এ ধারণা আরও প্রবল হয় যে, শামখানি প্রাণ হারিয়েছেন।

কিন্তু গত শনিবার অন্যান্য কমান্ডারদের জানাজায় শামখানিকে দেখা গেছে বলে আজকের প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

তারা বলেছে, শনিবার শামখানি কালো স্যুট ও কালো শার্ট পরে আসেন। তবে ওই সময় তার হাঁটতে কষ্ট হচ্ছিল। এছাড়া হাঁটার জন্য তিনি একটি লাঠিও ব্যবহার করছিলেন। তাকে ওই সময় বেশ দুর্বল, মুখ শুকনো এবং তার ঘাড়ের অংশটি বেঁকে আছে দেখা যাচ্ছিল।

৬৯ বছর বয়সী শামখানি ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যে পারমাণবিক আলোচনা চলছিল সেখানে তিনি তেহরানের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি ছিলেন এবং সম্প্রতি সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।

শামখানি জাতিগতভাবে আরব। ইরানের খুজেস্তান প্রদেশে জন্ম নেওয়া খামেনির এ উপদেষ্টা আরবি ভাষায় বেশ পটু। সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

ইরানি টিভিকে গত শনিবার এক সাক্ষাৎকারে শামখানি বলেন, “আমি বিছানায় শুয়ে ছিলাম। আমার স্ত্রী পাশের রুমে ঘুমাচ্ছিল। আমার যে ছেলে আমাদের সঙ্গে থাকে সে হামলার ১০ মিনিট আগে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। হামলার পর প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এটি কোনো ভূমিকম্প। কিন্তু তখন আমরা একটি গাড়ি যাওয়ার শব্দ শুনতে পাই। ওই সময় আমি বলি, ইসরায়েলিরা আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। ভবনটি ধসে পড়ায় অক্সিজেনের অভাবে আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন ঘণ্টা আটকে ছিলাম। ওই সময় জোরে জোরে আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানকে ডাকছিলাম। তখন উদ্ধারকারীরা আমার কথা শুনতে পায়। তারা প্রথমে আমার পা খুঁজে বের করে। এরপর আমার পুরো দেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে।”

তবে ওই হামলায় তার স্ত্রী আহত বা নিহত হয়েছেন কি না সেটি উল্লেখ করেননি আলী শামখানি।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে হত্যার জন্য বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান ইরানের

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুলাই, ২০২৫ ২০:১৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে হত্যার জন্য বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান ইরানের

    ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে খামেনি একটি গোপন স্থানে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। ইসরায়েল তাকে হত্যা করতে পারে, এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই যুদ্ধবিরতির পরও তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তবে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার ফতোয়া ইরান থেকে জারি করা হয়েছে।

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ কট্টরপন্থি এক আলেম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার জন্য বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, সোমবার এক বক্তব্যে ওই আহ্বান জানান আলিরেজা পানাহিয়ান। তিনি বলেন, ‘খামেনিকে যে হত্যার চেষ্টা করে বা তাকে হত্যার হুমকি দেয়, সে মোহারেব বা আল্লাহর শত্রু।’

    এ সময় তিনি ইরানের শীর্ষ শিয়া আলেমদের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জারি করা ফতোয়ার প্রতিও সমর্থন প্রকাশ করেন।

    শিয়া ইসলামী ফিকাহ অনুযায়ী, কাউকে মোহারেব ঘোষণা করা এবং তার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা মানেই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা ধর্মীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়।

    মন্তব্য

    ইরান দুর্বল হয়ে গেছে, যা চাইব তা-ই পাব : ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরান দুর্বল হয়ে গেছে, যা চাইব তা-ই পাব : ট্রাম্প

    মার্কিন বিমান হামলা এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। মার্কিন দাবির বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো অবস্থানে দেশটি নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেছেন, যা খুশি তাই তেহরানের কাছ থেকে পাবেন।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) ডোনাল্ড ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।

    ট্রাম্প ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের সঙ্গে আমাদের অসাধারণ সাফল্য হয়েছে। তারা খুশি ছিল না, এত বোমাবর্ষণ হয়েছে যে, তারা ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই জায়গাটি ধ্বংস হয়ে গেছে। কেউ সেখানে পৌঁছাতেও কয়েক বছর সময় লাগবে।

    তেহরানের সঙ্গে আমেরিকার পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্প বলেন, (সফল হামলার পরে) এটি কোনো অগ্রাধিকার নয়। কিন্তু আমরা ইরানের কাছ থেকে যা চাইব তা আমরা পাব।

    তিনি বলেন, আমি মনে করি এবং আশা করি তারা একটি ভালো দেশ পেতে চায়। আপনি জানেন, তারা এখন বিশাল নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার অধীনে তাদের জন্য কিছু করা খুব কঠিন। আমি হয়তো এমন একটি সময়ের অপেক্ষায় আছি যখন আমরা একসঙ্গে থাকতে পারব এবং তারা তাদের দেশ পুনর্গঠন করতে পারবে।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিবিএস নিউজকে বলেন, আমি মনে করি না যে, আলোচনা এত তাড়াতাড়ি আবার শুরু হবে; কিন্তু কূটনীতির দরজা কখনই বন্ধ হবে না।

    অথচ মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয় মাধ্যমেই আলোচনা চলছে বলে জানান।

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ইসরায়েলকে মোকাবিলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার এখনো অটুট রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সিনিয়র উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ভাহিদি।

    জেনারেল আহমাদ ভাহিদি বলেন, ইসরায়েলের জবাব দিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি চমৎকার অবস্থায় রয়েছে। ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডারের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলের জবাব দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে শত্রুদের নিষ্ঠুর জবাব দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

    এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দেফা প্রেস জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলে কমপক্ষে ৩১ হাজার ভবন ও ৪ হাজার যানবাহন সম্পূর্ণ ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস-কে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ক্ষয়ক্ষতি প্রমাণ করে, চলমান সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে ‘অভাবনীয় ও অপূরণীয় ধ্বংস’ এনেছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করলে

      ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন ট্রাম্প!

      অনলাইন ডেস্ক
      ২ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২৬
      অনলাইন ডেস্ক
      ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন ট্রাম্প!

      রাশিয়ার সঙ্গে কোনো দেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখলে তাদের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এর প্রভাব পড়তে পারে ভারতেও। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তের ফলে ধাক্কা খেতে পারে ভারতের শেয়ার বাজার।

      সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিনেটের একটি বিলে অনুমোদন দিয়েছে, ভারত ও চীনসহ রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে। সিনেটে ৮৪ জন সদস্য এই বিল সমর্থন করেছেন। অগস্টে এটি পেশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিল অনুমোদিত হলে তার প্রত্যক্ষ এবং নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে ভারতীয় অর্থনীতিতে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

      এ খবর প্রকাশ্যে এনেছেন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। এবিসি নিউজের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আপনি যদি রাশিয়া থেকে পণ্য কেনার পাশাপাশি ইউক্রেনকে সাহায্য না করেন, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসা আপনার পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ভারত ও চীন পুতিনের ৭০ শতাংশ তেল কেনে। যা রাশিয়ার যুদ্ধযন্ত্রকে সচল রেখেছে।

      রিপাবলিকান এ সিনেটর জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে বলেছিলেন, এখন আপনার বিলটি উপস্থাপনের সময় এসেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আগে লিন্ডসে গ্রাহামকে আইনের বাধ্যতামূলক শর্তাবলী- যেমন ‘হবে’ এর পরিবর্তে ‘হতে পারে’ এর মতো আরও বিচক্ষণ শব্দ ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। যাতে এর বাধ্যতামূলক প্রয়োগের বিধানগুলোকে দুর্বল করা যায়।

      নতুন বিলটি ভারত ও চীনকে কীভাবে প্রভাবিত করতে পারে

      প্রস্তাবিত শুল্কগুলো ভারত ও চীনকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করবে। পরিসংখ্যান বলছে, ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সর্বকালের সর্বোচ্চ ৬৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা মহামারী-পূর্বে ১০.১ বিলিয়ন ডলারের পরিসংখ্যান থেকে বেশি।

      ভারতের বর্ধিত রপ্তানি এবং রাশিয়ান তেল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উল্লেখযোগ্য আমদানির কারণে এই বৃদ্ধি মূলত ইন্ধন পেয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর হওয়ায় উভয় দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত