ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা স্পেনের স্টিল কোম্পানির

অনলাইন ডেস্ক
২ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৪৬
অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা স্পেনের স্টিল কোম্পানির

স্পেনের বিখ্যাত স্টিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিডেনর ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

মূলত ইউরোপে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের সবচেয়ে কড়া সমালোচক দেশগুলোর মধ্যে স্পেন অন্যতম এবং দেশটির সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে কোম্পানিগুলোকে উৎসাহ দিচ্ছে।

বুধবার (২ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

এর আগে গত মাসে আয়ারল্যান্ডের প্রকাশনা সংস্থা দ্য ডিচ একটি প্রতিবেদনে জানায়, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে শুরু করে টানা ১০ মাসে সিডেনর ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আইএমআই সিস্টেমস-এর কাছে ১ হাজার ২০৭ টন স্টিল বার রপ্তানি করেছে।

তবে এখন ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ স্টিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত বাস্কভিত্তিক সিডেনর ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইসরায়েলের কাছে আর কোনো স্টিল পণ্য বিক্রি করবে না।

স্পেনের গণমাধ্যম কাদেনা সের-এর বরাতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার ফলে কোম্পানির আর্থিক ক্ষতি খুবই সামান্য হবে, কারণ দেশটির বাজার থেকে সিডেনরের মোট বিক্রির ০.৫ শতাংশেরও কম আসে।

সিডেনর জানায়, এই সিদ্ধান্ত স্পেন সরকারের আহ্বানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ স্পেন সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে কোম্পানিগুলোকে উৎসাহ দিচ্ছে।

স্পেনের ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী পাবলো বুস্তিন্দুই বলেন, “সিডেনর সামাজিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছে”। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্লুস্কাই-তে তিনি আরও জানান, “আমরা এখনও স্পেনের ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রধানের কাছ থেকে সেই অনুরোধের জবাব পাইনি, যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, বর্ণবৈষম্য এবং ফিলিস্তিনি জনগণের গণহত্যায় জড়িতদের সঙ্গে সব ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।”

স্পেন সরকার জানিয়েছে, তারা গাজায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ করেছে। তবে বিভিন্ন তদন্তে দেখা গেছে, কিছু পুরোনো চুক্তি এখনো চালু রয়েছে।

ইউরোপে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের সবচেয়ে কড়া সমালোচক দেশগুলোর মধ্যে স্পেন অন্যতম। গাজায় এই আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৫৬ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখো মানুষ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের চরম ঝুঁকিতে রয়েছেন।

২০২৩ সালে স্পেন ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আর চলতি সপ্তাহেই স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের স্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্থগিত করেনি, যা দুঃখজনক।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

    গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির শর্তে রাজি ইসরায়েল

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২৭
    অনলাইন ডেস্ক
    গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির শর্তে রাজি ইসরায়েল

    ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয় শর্তে রাজি হয়েছে দখলদার ইসরায়েল। বুধবার (২ জুলাই) ভোরে এ তথ্য জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে ট্রাম্প লিখেছেন, "৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চূড়ান্ত করতে ইসরায়েল প্রয়োজনীয় শর্তে রাজি হয়েছে। এ সময়ে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করব।"

    তিনি লিখেছেন, "কাতারি ও মিসরীয়রা শান্তি আনয়নে অনেক কষ্ট করেছে। তারা এটির চূড়ান্ত প্রস্তাব দেবে৷ আমি আশা করি, মধ্যপ্রাচ্যের ভালোর জন্য, হামাস এ চুক্তি গ্রহণ করবে। কারণ এটি ভালো নয়, আরও খারাপ হবে।" 

    গত কয়েক মাস ধরেই দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছে। যেটির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ৷ ট্রাম্প সম্ভবত ওই প্রস্তাবটিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।

    তবে এ প্রস্তাবের আলোচনা থমকে ছিল দীর্ঘদিন। কারণ দখলদার ইসরায়েল এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর গাজায় আবারও হামলা চালানোর অধিকার রাখতে চায়। অপরদিকে হামাস জানিয়েছে, যতক্ষণ তাদের স্থায়ী যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা না দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ তারা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে না।

    ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ট্রাম্প স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্ভবত দুইপক্ষকেই সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করছেন।

    হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য যেসব বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে, সেগুলো দূর করার চেষ্টা করছে আরব মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো।

    এদিকে এর আগে পরশুদিন ট্রাম্প জানান, তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি চান। এরপর হোয়াইট হাউসও জানায়, ট্রাম্প গাজায় আর হত্যাযজ্ঞ দেখতে চান না৷ এ কারণে যুদ্ধ বন্ধকে প্রাধান্য দিচ্ছেন তারা।

    আগামী সোমবার দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বৈঠক হবে। এর আগেই যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইসরায়েলকে চাপ দিচ্ছে মার্কিনিরা।

    সূত্র: আলজাজিরা, টাইমস অব ইসরায়েল

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরানি হামলায় ইসরাইলের ৩১০০০ ভবন ধ্বংস

      অনলাইন ডেস্ক
      ১ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪৭
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরানি হামলায় ইসরাইলের ৩১০০০ ভবন ধ্বংস

      ইসরাইলি আক্রমনের জবাবে ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দখলদার দেশটির কমপক্ষে ৩১,০০০ ভবন ও ৪,০০০ যানবাহন ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

      সোমবার ইরানের সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ডেফা প্রেসের বরাত দিয়ে এ তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা মেহের। 

      ডেফা প্রেস বলছে, এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, সংঘাতের সময় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের ‘বিশাল ও অপূরণীয় ক্ষতি’ করেছে। 

      যুদ্ধবাজ ইসরাইল গত ১৩ জুন ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করে এবং ১২ দিন ধরে তেহরানের সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক এলাকায় বিমান ও ড্রোন হামলা চালায়। ইসরাইলের সমর্থনে গত ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনা- নাতাঞ্জ, ফোরদো ও ইস্ফাহানে বোমা হামলা চালায়।

      ইসরাইলি হামলার পরপরই ইরানের সামরিক বাহিনী শক্তিশালী পাল্টা হামলা চালায়।  ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্স অপারেশন ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’-এর অংশ হিসেবে ইসরাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ২২ দফায় প্রতিশোধমূলক অভিযান চালায়। যেসব অভিযানে প্রায় ৪৫০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। যার ফলে ইসরাইলি শহরগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

      এরপর ২৪ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুদেশের মধ্যে ১২ দিন ধরে চলা যুদ্ধের অবসান হয়। ২৪ জুন থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির অধীনে এ সংঘর্ষ বন্ধ হয়ে যায়। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চান ইলন মাস্ক

        অনলাইন ডেস্ক
        ১ জুলাই, ২০২৫ ২০:১১
        অনলাইন ডেস্ক
        যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চান ইলন মাস্ক

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ব্যয় পরিকল্পনার আবারও তীব্র সমালোচনা করেছেন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক।

        তিনি বলেছেন, এই বিল দেশকে অনিয়ন্ত্রিত ঋণের পথে ঠেলে দিচ্ছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা এমন একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন— যেটি সত্যিকার অর্থে সাধারণ মানুষের কথা বলে।

        তার মতে, আমরা একদলীয় দেশের বাসিন্দা এবং এখন সময় নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের। মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

        সোমবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাস্ক লেখেন, “এটা স্পষ্ট যে আমরা একদলীয় দেশের বাসিন্দা—নাম ‘পোর্কি পিগ পার্টি’! এখন সময় নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠনের, যারা সত্যিই জনগণের কথা ভাববে।”

        মূলত মাস্ক যে বিলটির কথা বলছেন, তা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ঋণসীমা ৫ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। মাস্ক এই পরিকল্পনাকে “পাগলামী পর্যায়ের খরচ” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, দুই দলের রাজনীতিবিদরা বাজেট ও ঋণের বিষয়ে দায়িত্বশীল নয়।

        অবশ্য এর আগেও এই বিল নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্যে বাকযুদ্ধে জড়িয়েছিলেন মাস্ক। যদিও পরে তার ভাষা কিছুটা নমনীয় হয়, কিন্তু এ বিতর্ক স্পষ্ট করে দেয়— দেশের প্রভাবশালী ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য রয়েছে।

        এদিকে মাস্কের মন্তব্যের পরে টেসলার শেয়ারমূল্য বড় ধরনের পতনের মুখে পড়ে। কার্যত মুহূর্তেই কোম্পানির বাজারমূল্য থেকে হারিয়ে যায় প্রায় ১৫০ বিলিয়ন ডলার। যদিও পরে শেয়ার দর কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়, এই ঘটনা বাজারে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক নেতাদের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বের প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে, তা দেখিয়ে দিয়েছে।

        অন্যদিকে মাস্ক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি এই পাগলামিপূর্ণ ব্যয় বিল পাস হয়, তাহলে পরদিনই ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠিত হবে।”

        তিনি দাবি করেন, “যুক্তরাষ্ট্রের এখন ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান ইউনিপার্টির বাইরে একটি বিকল্প দল দরকার, যাতে জনগণের আসল কণ্ঠস্বর উঠে আসতে পারে।”

        যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে, ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—এই দুই দলের আধিপত্য রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে সংকুচিত করে ফেলেছে। যদিও নতুন দল গঠনে সাংবিধানিক বাধা নেই, তবু বাস্তব পরিস্থিতিতে তৃতীয় দল বা নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য পাওয়া কঠিন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ৫ লাখ ‘ওয়ার্ক পারমিট ভিসা’ দেবে ইতালি

          অনলাইন ডেস্ক
          ১ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১
          অনলাইন ডেস্ক
          ৫ লাখ ‘ওয়ার্ক পারমিট ভিসা’ দেবে ইতালি

          শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ৫ লাখ ‘ওয়ার্ক পারমিট ভিসা’ ইস্যু করবে ইতালি। সোমবার (৩০ জুন) দেশটির মন্ত্রিসভার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স।

          বৈধ অভিবাসন চ্যানেল সম্প্রসারণের কৌশলের অংশ হিসেবে ইতালি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের নাগরিকদের জন্য নতুন কর্ম ভিসা ইস্যু করা হবে।

          আগামী বছর মোট ১৬৪,৮৫০ জনকে অনুমতি দেওয়া হবে। এরপর ধাপে ধাপে ২০২৮ সালের মধ্যে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন নতুন কর্ম ভিসায় ইতালি যেতে পারবেন।

          প্রায় তিন বছর আগে ডানপন্থি জোটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ভিসা নীতি সহজ করে আসছেন। বিপুল বিদেশি শ্রমিক নিয়োগে এটি তার দ্বিতীয় পদক্ষেপ। সরকার এরই মধ্যে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি অভিবাসীর জন্য পারমিট ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

          নতুন কর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার নিয়মের পাশাপাশি মেলোনি অবৈধ আগমনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। প্রত্যাবাসন দ্রুততর করার এবং ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীদের উদ্ধারকারী দাতব্য সংস্থাগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

          মন্ত্রিসভার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামাজিক অংশীদারদের দ্বারা প্রকাশিত চাহিদা এবং পূর্ববর্তী বছরগুলোতে জমা দেওয়া ওয়ার্ক পারমিটের জন্য প্রকৃত আবেদনগুলো বিবেচনা করে কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবসার চাহিদা পূরণ করে এবং বাস্তবসম্মত হওয়ার লক্ষ্যে এমন একটি কর্মসূচির হাতে নেওয়া হলো।

          বয়স্ক জনসংখ্যা এবং হ্রাসপ্রাপ্ত জন্মহার ইউরো অঞ্চলের শ্রমিক সংকট তীব্র করে তুলেছে। তাই ইতালিসহ বহু দেশ ভিসা নীতি সহজ করে দক্ষ শ্রমিক প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত