ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেই মৃত্যুদণ্ড, ইরানে নতুন আইন

অনলাইন ডেস্ক
১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৩৮
অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেই মৃত্যুদণ্ড, ইরানে নতুন আইন

দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক থাকলেই পেতে হবে মৃত্যুদণ্ড। মঙ্গলবার (১ জুলাই) ইরানের সংসদে নতুন এ আইন পাস হয়েছে। ইসরায়েল ছাড়াও অন্য ‘শত্রু’ দেশগুলোর সঙ্গেও ইরানের কোনো মানুষ যোগাযোগ রাখতে পারবে না।

এছাড়া মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারসেবা স্টারলিংক ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো, গুপ্তচরগিরি, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শত্রু দেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ‘পৃথিবীতে দুর্নীতির’ অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। যার শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড।

বিশেষভাবে ইসরায়েলের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, যারা ইসরায়েলকে সামরিক, আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ভোগ করতে হবে।

অপরদিকে স্টারলিংকসহ অন্যান্য অননুমোদিত ইন্টারনেট সেবার সরঞ্জাম ক্রয়, বিক্রি ও কাছে রাখা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। কেউ এ অপরাধে অভিযুক্ত হলে তাকে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড পেতে হবে।

আর যারা এসব নিষিদ্ধ যন্ত্রাংশ ১০টির বেশি উৎপাদন বা আমদানি করবে তাদের ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।

এছাড়া কেউ যদি সামরিক ড্রোন তৈরি করে, সাইবার হামলা করে অথবা শত্রুদের জন্য ইরানি অবকাঠামোয় কোনো নাশকতামূলক কাজ করে তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এমনকি যদি শুধুমাত্র কেউ এ ধরনের কোনো চেষ্টা চালায়, তাকেই মৃত্যুদণ্ড পেতে হবে।

এরসঙ্গে কেউ যদি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে যেগুলো মানুষের মধ্যে ‘বিভক্তি, ভয়’ তৈরি করে এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়’ তাদের ১০ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

এছাড়া বিদেশি গণমাধ্যমকে কোনো ছবি বা ভিডিও পাঠালে সেগুলো যদি ইরানি জনগণের ‘মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত করে’ তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সূত্র: ইরানওয়ার

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১৮
    অনলাইন ডেস্ক
    ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

    গাজা যুদ্ধের অবসানে মার্কিন প্রচেষ্টার মাঝে আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

    ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের প্রাণঘাতী যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। ওয়াশিংটন সফরের তথ্য নিশ্চিত করে নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন।

    মঙ্গলবার ইসরায়েলের মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

    ওয়াশিংটন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আইনপ্রণেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা রয়েছে নেতানিয়াহুর। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আগামী শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং সোমবার হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, ‌‘অপারেশন রাইজিং লায়নে’ আমাদের বিশাল জয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সফর এসেছে। সফলতা অর্জনের চেয়ে সেটিকে কাজে লাগানোই গুরুত্বপূর্ণ।

    ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ১২ দিনের অভিযানের পর সিরিয়ার সঙ্গে তেল আবিবের একটি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা যুদ্ধের অবসান ও সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ব্যাপক উদ্যোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। তিনি বলেন, বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে আমাদের কয়েকটি বিষয়ের নিষ্পত্তি করতে হবে।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কলরেকর্ড ফাঁসের জেরে থাই প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত

      অনলাইন ডেস্ক
      ১ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৩৪
      অনলাইন ডেস্ক
      কলরেকর্ড ফাঁসের জেরে থাই প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত
      ব্যাংককে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারি ভবনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

      ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে থাই সাংবিধানিক আদালত।

      মঙ্গলবার (১ জুলাই) থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে আনা নৈতিক লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন। নয় সদস্যের বেঞ্চের মধ্যে সাতজন বিচারক বরখাস্তের পক্ষে মত দেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

      এ রায়ের পর সাংবাদিকদের পেতংতার্ন বলেন, ‘আদালতের রায় আমি মেনে নিয়েছি। আমি সব সময় আমার দেশের জন্য সর্বোত্তম কাজ করার চেষ্টা করেছি।’

      এই রায়ের ফলে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

      থামাসাত বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিশ্লেষক পুরাবিচ ওয়াতানাসুক বলেন, ‘আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। তবে এই অনিশ্চয়তার কারণে সরকারের স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল হতে পারে।’

      প্রতীক্ষিতভাবে উপপ্রধানমন্ত্রী সুরিয়া জুনগ্রুংরুয়াংকিত ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও সরকারিভাবে তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

      এর আগে গত বছর একই ধরনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে বরখাস্ত করেছিল এই আদালত। থাইল্যান্ডের রাজতান্ত্রিক অভিজাত মহলের ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত সাংবিধানিক আদালত ও নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধীদের দমন করার অভিযোগ রয়েছে।

      সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ ঘিরে পেতংতার্নের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। মে মাসে সীমান্তে সংঘর্ষে এক কম্বোডীয় সেনার মৃত্যুর ফোনালাপে তাকে প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সিনেট প্রেসিডেন্ট হুন সেনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা করতে শোনা যায়। ওই ফোনালাপ ঘিরে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং রাজধানী ব্যাংককে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামে।

      ফাঁস হওয়া কথোপকথনে পেতংতার্নকে থাইল্যান্ডের একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে সমালোচনা করতে শোনা যায়, যার কারণে তার দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তার বিরুদ্ধে আরেকটি নৈতিক লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করছে জাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশন, যা থেকেও তাকে অপসারণের ঝুঁকি রয়েছে।

      এই পরিস্থিতির মধ্যেই গতকালই রাজা মহা বজিরালংকর্ণ পেতংতার্নের মন্ত্রিসভায় নতুন রদবদল অনুমোদন করেছেন। ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর ক্ষমতাসীন জোট থেকে একটি বড় দল সরে গেলে এই পরিবর্তন আনা হয়।

      নতুন মন্ত্রিসভায় পেতংতার্ন নিজেই সংস্কৃতি মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ায় তার সংস্কৃতি মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

      এদিকে গতকাল পৃথক এক ঘটনায় পেতংতার্নের পিতা এবং থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রা ব্যাংককের একটি আদালতে হাজির হন রাজা-অপমানবিষয়ক মামলায়। ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাজতন্ত্র নিয়ে মন্তব্য করায় তার বিরুদ্ধে লেসবাজেস্ট (lèse-majesté) আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

      রাজনৈতিক বিশ্লেষক থিতিনান পংসুদিরাক বলেন, ‘এই দুটি মামলার মধ্যে সরাসরি ও অস্বীকার করা যায় না এমন সংযোগ রয়েছে। শিনাওয়াত্রা পরিবার এখন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায়, আমরা জানি না : জাতিসংঘ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১ জুলাই, ২০২৫ ১৫:২৮
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায়, আমরা জানি না : জাতিসংঘ

        ইরানের সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি ইউরেনিয়াম কোথায় আছে, এবং আদৌ তা আছে, না কি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে— এসব জানেন না বলে স্বীকার করেছেন জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।

        রোববার কানাডিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রসি বলেন, “ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায় আছে, কিংবা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের ১২ দিনে তা ধ্বংস হয়েছে কি না— তা আমরা জানি না।”

        সাক্ষাৎকারে গ্রসি জানান, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা শুরুর সময় অন্তত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল ইরানের এবং এ ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতার মাত্রা ছিল ৬০ শতাংশ। পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য কমপক্ষে ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রয়োজন হয় এবং ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতাতে ৯০ শতাংশ উন্নীত করা কঠিন কোনো ব্যাপার নয়।

        গ্রসি আরও বলেন, সদ্য শেষ হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের পরমাণু প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি করলেও ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাকে ধ্বংস করতে পেরেছে বলে তিনি মনে করেন না।

         “১৩ জুন সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলের এক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তারা তাদের পরমাণু প্রকল্পকে রক্ষার জন্য সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ইরানের মোট মজুতকৃত ইউরেনিয়ামের একটি বড় অংশ ছিল ফার্দোতে। কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি যে সংঘাতের প্রাথমিক সময়েই ফার্দো থেকে তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

        “যদি ইরানের কাছে ইউরেনিয়ামের মজুত থেকে থাকে, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে দেশটি আবার পরমাণু প্রকল্পের কাজ শুরু করবে। যদি তা ধ্বংস হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলেও তারা প্রকল্প শুরু করবে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ তারা জানে যে পরমাণু বোমা কীভাবে তৈরি করতে হয়”, সিবিএসকে বলেন গ্রসি।

        সূত্র : আরটি

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইরাকের বিমানবন্দরে রকেট হামলা

          অনলাইন ডেস্ক
          ১ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫১
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরাকের বিমানবন্দরে রকেট হামলা

          ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় কিরকুকের প্রধান বিমানবন্দরে রকেট হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে কিরকুকে দু’টি বিস্ফোরক রকেট আঘাত হানে।

          কিরকুক বিমান বন্দরের প্রায় অর্ধেক অংশ সামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। এই বিমান বন্দর এলাকায় ইরাকের সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি, ফেডারেল পুলিশের কার্যালয় এবং ইরাকের সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হাশেদ আল শাবির দপ্তর আছে।

          ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, সোমবার কিরকুক বিমানবন্দরে দুটি এবং কিরকুক শহরের উরুবা এলাকার একটি বাড়িতে একটি কাতিউশা রকেট আঘাত হেনেছে। বাড়িতে যেটি আঘাত হেনেছে, সেটিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। কারণ তখন বাড়িটিতে কেউ ছিলেন না।

          আর বিমান বন্দরে যে দু’টি রকেট আঘাত হেনেছে, সেটির মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়নি। অপরটি বিস্ফোরণের ফলে ২ জন আহত হয়েছেন, তবে সেই আঘাত গুরুতর নয়।

          বিমানবন্দরের যে অংশটি বেসামরিক বিমান ও যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট, সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

          ইরাকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থাপনায় রকেট হামলা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব রকেট হামলার জন্য দায়ী ইরান বা ইরানের মদতপুষ্ট গোষ্ঠীগুলো। তবে এবারের রকেট হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।

          ফলে কারা হামলা করেছে— এখনও অস্পষ্ট এবং কী উদ্দেশে এই হামলা হয়েছে— তা ও এখনও অজানা।

          সূত্র : আরব নিউজ

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত