ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কলরেকর্ড ফাঁসের জেরে থাই প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
১ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৩৪
অনলাইন ডেস্ক
কলরেকর্ড ফাঁসের জেরে থাই প্রধানমন্ত্রী বরখাস্ত
ব্যাংককে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সরকারি ভবনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে থাই সাংবিধানিক আদালত।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে আনা নৈতিক লঙ্ঘনের অভিযোগ গ্রহণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন। নয় সদস্যের বেঞ্চের মধ্যে সাতজন বিচারক বরখাস্তের পক্ষে মত দেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের পক্ষে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

এ রায়ের পর সাংবাদিকদের পেতংতার্ন বলেন, ‘আদালতের রায় আমি মেনে নিয়েছি। আমি সব সময় আমার দেশের জন্য সর্বোত্তম কাজ করার চেষ্টা করেছি।’

এই রায়ের ফলে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

থামাসাত বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিশ্লেষক পুরাবিচ ওয়াতানাসুক বলেন, ‘আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন। তবে এই অনিশ্চয়তার কারণে সরকারের স্থিতিশীলতা আরও দুর্বল হতে পারে।’

প্রতীক্ষিতভাবে উপপ্রধানমন্ত্রী সুরিয়া জুনগ্রুংরুয়াংকিত ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও সরকারিভাবে তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

এর আগে গত বছর একই ধরনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে বরখাস্ত করেছিল এই আদালত। থাইল্যান্ডের রাজতান্ত্রিক অভিজাত মহলের ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত সাংবিধানিক আদালত ও নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধীদের দমন করার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ফোনালাপ ঘিরে পেতংতার্নের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। মে মাসে সীমান্তে সংঘর্ষে এক কম্বোডীয় সেনার মৃত্যুর ফোনালাপে তাকে প্রতিবেশী কম্বোডিয়ার সিনেট প্রেসিডেন্ট হুন সেনের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা করতে শোনা যায়। ওই ফোনালাপ ঘিরে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এবং রাজধানী ব্যাংককে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাস্তায় নামে।

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে পেতংতার্নকে থাইল্যান্ডের একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে নিয়ে সমালোচনা করতে শোনা যায়, যার কারণে তার দেশপ্রেম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তার বিরুদ্ধে আরেকটি নৈতিক লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করছে জাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশন, যা থেকেও তাকে অপসারণের ঝুঁকি রয়েছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই গতকালই রাজা মহা বজিরালংকর্ণ পেতংতার্নের মন্ত্রিসভায় নতুন রদবদল অনুমোদন করেছেন। ফাঁস হওয়া ফোনালাপের পর ক্ষমতাসীন জোট থেকে একটি বড় দল সরে গেলে এই পরিবর্তন আনা হয়।

নতুন মন্ত্রিসভায় পেতংতার্ন নিজেই সংস্কৃতি মন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ায় তার সংস্কৃতি মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে গতকাল পৃথক এক ঘটনায় পেতংতার্নের পিতা এবং থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন শিনাওয়াত্রা ব্যাংককের একটি আদালতে হাজির হন রাজা-অপমানবিষয়ক মামলায়। ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাজতন্ত্র নিয়ে মন্তব্য করায় তার বিরুদ্ধে লেসবাজেস্ট (lèse-majesté) আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক থিতিনান পংসুদিরাক বলেন, ‘এই দুটি মামলার মধ্যে সরাসরি ও অস্বীকার করা যায় না এমন সংযোগ রয়েছে। শিনাওয়াত্রা পরিবার এখন সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায়, আমরা জানি না : জাতিসংঘ

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ জুলাই, ২০২৫ ১৫:২৮
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায়, আমরা জানি না : জাতিসংঘ

    ইরানের সমৃদ্ধ ৪০০ কেজিরও বেশি ইউরেনিয়াম কোথায় আছে, এবং আদৌ তা আছে, না কি ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে— এসব জানেন না বলে স্বীকার করেছেন জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)-এর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি।

    রোববার কানাডিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রসি বলেন, “ইরানের ইউরেনিয়াম কোথায় আছে, কিংবা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের ১২ দিনে তা ধ্বংস হয়েছে কি না— তা আমরা জানি না।”

    সাক্ষাৎকারে গ্রসি জানান, গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা শুরুর সময় অন্তত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম ছিল ইরানের এবং এ ইউরেনিয়ামের বিশুদ্ধতার মাত্রা ছিল ৬০ শতাংশ। পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য কমপক্ষে ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধ ইউরেনিয়ামের প্রয়োজন হয় এবং ৬০ শতাংশ বিশুদ্ধতাতে ৯০ শতাংশ উন্নীত করা কঠিন কোনো ব্যাপার নয়।

    গ্রসি আরও বলেন, সদ্য শেষ হওয়া ১২ দিনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের পরমাণু প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি করলেও ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাকে ধ্বংস করতে পেরেছে বলে তিনি মনে করেন না।

     “১৩ জুন সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলের এক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তারা তাদের পরমাণু প্রকল্পকে রক্ষার জন্য সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছেন। ইরানের মোট মজুতকৃত ইউরেনিয়ামের একটি বড় অংশ ছিল ফার্দোতে। কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি যে সংঘাতের প্রাথমিক সময়েই ফার্দো থেকে তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”

    “যদি ইরানের কাছে ইউরেনিয়ামের মজুত থেকে থাকে, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে দেশটি আবার পরমাণু প্রকল্পের কাজ শুরু করবে। যদি তা ধ্বংস হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলেও তারা প্রকল্প শুরু করবে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ তারা জানে যে পরমাণু বোমা কীভাবে তৈরি করতে হয়”, সিবিএসকে বলেন গ্রসি।

    সূত্র : আরটি

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরাকের বিমানবন্দরে রকেট হামলা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫১
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরাকের বিমানবন্দরে রকেট হামলা

      ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় কিরকুকের প্রধান বিমানবন্দরে রকেট হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে কিরকুকে দু’টি বিস্ফোরক রকেট আঘাত হানে।

      কিরকুক বিমান বন্দরের প্রায় অর্ধেক অংশ সামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। এই বিমান বন্দর এলাকায় ইরাকের সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি, ফেডারেল পুলিশের কার্যালয় এবং ইরাকের সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী হাশেদ আল শাবির দপ্তর আছে।

      ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, সোমবার কিরকুক বিমানবন্দরে দুটি এবং কিরকুক শহরের উরুবা এলাকার একটি বাড়িতে একটি কাতিউশা রকেট আঘাত হেনেছে। বাড়িতে যেটি আঘাত হেনেছে, সেটিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। কারণ তখন বাড়িটিতে কেউ ছিলেন না।

      আর বিমান বন্দরে যে দু’টি রকেট আঘাত হেনেছে, সেটির মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়নি। অপরটি বিস্ফোরণের ফলে ২ জন আহত হয়েছেন, তবে সেই আঘাত গুরুতর নয়।

      বিমানবন্দরের যে অংশটি বেসামরিক বিমান ও যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট, সেখানে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

      ইরাকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থাপনায় রকেট হামলা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব রকেট হামলার জন্য দায়ী ইরান বা ইরানের মদতপুষ্ট গোষ্ঠীগুলো। তবে এবারের রকেট হামলার দায় এখন পর্যন্ত কেউ স্বীকার করেনি।

      ফলে কারা হামলা করেছে— এখনও অস্পষ্ট এবং কী উদ্দেশে এই হামলা হয়েছে— তা ও এখনও অজানা।

      সূত্র : আরব নিউজ

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইরানে স্টারলিংক ব্যবহারে শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ জুন, ২০২৫ ২০:২২
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানে স্টারলিংক ব্যবহারে শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত

        স্যাটেলাইট ইন্টারনেট স্টারলিংকসহ অনুমোদনহীন যেকোনো বৈদ্যুতিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে কঠোর শাস্তির বিধান আরোপ করেছে ইরান। নতুন আইনের আওতায় এই প্রযুক্তি ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কারাদণ্ড থেকে শুরু করে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সাজা হতে পারে।

        ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, গত ২৩ জুন এই আইনটি পার্লামেন্টে অনুমোদন পেয়েছে এবং শনিবার (২৯ জুন) তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।

        ১২ দিনব্যাপী ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর দেশটিতে বিদেশি প্রভাব, স্পাই নেটওয়ার্ক ও তথ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ইরান সরকার মনে করছে, স্টারলিংকের মতো মনিটরবিহীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

        সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালীন হাজার হাজার স্টারলিংক টার্মিনাল গোপনে ইরানে পাচার করা হয়েছিল, যাতে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় জনগণ বিকল্প পথে সংযুক্ত থাকতে পারে।

        নতুন পাশ হওয়া আইনটি হল- ‘গোয়েন্দাগিরি, ইসরায়েল ও শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধিকরণ আইন’।

        এই আইন অনুযায়ী—ইসরায়েল বা অন্য শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা বা সামরিক সহযোগিতা করলে তা হবে ‘পৃথিবীতে দুর্নীতির’ শামিল, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩০ জুন, ২০২৫ ২০:১২
          অনলাইন ডেস্ক
          ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ
          ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

          হঠাৎ ইসরায়েলের হামলা। বিকট শব্দে চারদিক প্রকম্পিত। বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি। সেখানেই কেটে যায় তিন ঘণ্টা। নড়াচড়া করতে না পারায় ওই অবস্থাতেই আদায় করেন ফজরের নামাজ।

          এভাবেই ইসরায়েলি হামলায় তার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে বেঁচে ফেরার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

          তিনি বলেন, ‌‘নড়াচড়া করতে না পেরে আল্লাহর করুণার ওপর ভরসা রেখে ফজরের নামাজ আদায় করেছি।’

          গত ১৩ জুন তাকে হত্যার দাবি করেছিল ইসরায়েল। এরপর ছড়ায় গুরুতর আহত হওয়ার খবর। সব গুঞ্জন উড়িয়ে ইরানের সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানীদের গণজানাজায় অংশ নিতে জনসমক্ষে আসেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এই শীর্ষ উপদেষ্টা।

          ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবিকে এক সাক্ষাৎকার দেন আলি শামখানি। সেখান বর্ণনা দিয়েছেন কীভাবে তিনি মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছেন।

          শামখানি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন। তিনি জানান, ওই বাড়িতে জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় তার বাড়ি। শামখানির দাবি, নেহাত ভাগ্যের জোরেই বেঁচে ফিরেছেন তিনি।

          তিনি আরও জানান, হামলার সময়ে প্রথমে ভূমিকম্প মনে হলেও পরে বুঝতে পারেন তিনি হামলার শিকার হয়েছেন।

          একসময় ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শামখানি। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। বর্তমানে খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত