ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরানে স্টারলিংক ব্যবহারে শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুন, ২০২৫ ২০:২২
অনলাইন ডেস্ক
ইরানে স্টারলিংক ব্যবহারে শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট স্টারলিংকসহ অনুমোদনহীন যেকোনো বৈদ্যুতিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে কঠোর শাস্তির বিধান আরোপ করেছে ইরান। নতুন আইনের আওতায় এই প্রযুক্তি ব্যবহারকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কারাদণ্ড থেকে শুরু করে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত সাজা হতে পারে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, গত ২৩ জুন এই আইনটি পার্লামেন্টে অনুমোদন পেয়েছে এবং শনিবার (২৯ জুন) তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।

১২ দিনব্যাপী ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর দেশটিতে বিদেশি প্রভাব, স্পাই নেটওয়ার্ক ও তথ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ইরান সরকার মনে করছে, স্টারলিংকের মতো মনিটরবিহীন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালীন হাজার হাজার স্টারলিংক টার্মিনাল গোপনে ইরানে পাচার করা হয়েছিল, যাতে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় জনগণ বিকল্প পথে সংযুক্ত থাকতে পারে।

নতুন পাশ হওয়া আইনটি হল- ‘গোয়েন্দাগিরি, ইসরায়েল ও শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধিকরণ আইন’।

এই আইন অনুযায়ী—ইসরায়েল বা অন্য শত্রু রাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা বা সামরিক সহযোগিতা করলে তা হবে ‘পৃথিবীতে দুর্নীতির’ শামিল, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩০ জুন, ২০২৫ ২০:১২
    অনলাইন ডেস্ক
    ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ
    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

    হঠাৎ ইসরায়েলের হামলা। বিকট শব্দে চারদিক প্রকম্পিত। বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি। সেখানেই কেটে যায় তিন ঘণ্টা। নড়াচড়া করতে না পারায় ওই অবস্থাতেই আদায় করেন ফজরের নামাজ।

    এভাবেই ইসরায়েলি হামলায় তার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে বেঁচে ফেরার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

    তিনি বলেন, ‌‘নড়াচড়া করতে না পেরে আল্লাহর করুণার ওপর ভরসা রেখে ফজরের নামাজ আদায় করেছি।’

    গত ১৩ জুন তাকে হত্যার দাবি করেছিল ইসরায়েল। এরপর ছড়ায় গুরুতর আহত হওয়ার খবর। সব গুঞ্জন উড়িয়ে ইরানের সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানীদের গণজানাজায় অংশ নিতে জনসমক্ষে আসেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এই শীর্ষ উপদেষ্টা।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবিকে এক সাক্ষাৎকার দেন আলি শামখানি। সেখান বর্ণনা দিয়েছেন কীভাবে তিনি মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছেন।

    শামখানি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন। তিনি জানান, ওই বাড়িতে জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় তার বাড়ি। শামখানির দাবি, নেহাত ভাগ্যের জোরেই বেঁচে ফিরেছেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, হামলার সময়ে প্রথমে ভূমিকম্প মনে হলেও পরে বুঝতে পারেন তিনি হামলার শিকার হয়েছেন।

    একসময় ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শামখানি। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। বর্তমানে খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যে শর্তে ইরানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন ট্রাম্প

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩০ জুন, ২০২৫ ১৮:১৭
      অনলাইন ডেস্ক
      যে শর্তে ইরানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন ট্রাম্প

      ইরান যদি শান্তিপূর্ণ আচরণ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তাহলেই তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে—এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

      রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

      রোববার ফক্স নিউজে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা (ইরান) শান্তিপূর্ণভাবে থাকে, আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়, আর কোনো ক্ষতি না করে— তাহলে আমি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারি। ’

      তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনে কঠোর বা নেতিবাচক হওয়ার চেয়ে সদয় এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া বেশি কার্যকর। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের জন্য অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ’

      ট্রাম্প ফের দাবি করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর আগে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিতে পারেনি, কারণ এটি ভারী ও বিপজ্জনক পদার্থ, যা অল্প সময়ের মধ্যে সরানো সম্ভব নয়। ’

      তিনি বলেন, ‘আমরা খুব একটা আগাম সতর্কবার্তা দিইনি। সুতরাং তারা কিছু সরিয়ে নিতে পারেনি। আসলে তারা ভাবতেও পারেনি আমরা এটা করে ফেলব।’

      ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ইরান ‘ক্লান্ত’ হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে তাদের পক্ষে পরমাণু কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।  তার ভাষায়, ‘আগামী কিছু সময়ের জন্য, তারা পরমাণু নিয়ে আর কিছু করবে না। তাদের অবস্থাটা এমন যে— তারা আর পারছে না। ’

      এদিকে আব্রাহাম চুক্তিতে আরও দেশ যোগ দেবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, ইসরাইল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে করা আব্রাহাম চুক্তিতে আরও কিছু দেশ যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে, যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে কোনও দেশের নাম বলেননি।

      মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশ রয়েছে ইতোমধ্যেই। এখন আমরা আরও কয়েকটি দেশ এতে যোগ দিতে দেখবো। কারণ, ইরানই ছিল এই পুরো অঞ্চলের মূল সমস্যা। ’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল অতিরঞ্জিত করেছেন ট্রাম্প: খামেনি

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৯
        অনলাইন ডেস্ক
        যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল অতিরঞ্জিত করেছেন ট্রাম্প: খামেনি

        ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় সম্প্রতি যে হামলা চালিয়েছে, সেটার প্রভাব নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিরঞ্জিত দাবি করছেন।

        খামেনির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা কার্যত কোনও বড় সাফল্য এনে দেয়নি। সোমবার (৩০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

        রোববার নিজের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে খামেনি বলেন, “আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ঘটনাগুলোকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বলছেন। এতে বোঝা যায়, তার এই অতিরঞ্জনের পেছনে কিছু প্রয়োজন ছিল।”

        তিনি আরও বলেন, “যে কেউ ওই বক্তব্য শুনলে বুঝতে পারবে, কথার ভেতরে লুকানো আছে অন্য বাস্তবতা— আসলে তারা কিছুই করতে পারেনি। আর সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই এত বড় কথা বলেছে।”

        এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমরা হামলা চালিয়ে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছি এবং তারপর থেমে গিয়েছি। এটা ছিল এক দারুণ কাজ। তারা আর এগোতে পারত না... এটা ছিল এক ভয়ঙ্কর রকমের ১২ দিন— খুবই তীব্র।”

        মূলত গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, বেসামরিক এবং পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৬০৬ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৩২ জন আহত হন।

        পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হয়ে ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়, যা সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করে।

        এর জবাবে তেহরান ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যাতে কমপক্ষে ২৯ জন নিহত এবং ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি আহত হন বলে জানিয়েছে হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেম।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩০ জুন, ২০২৫ ১৪:১৮
          অনলাইন ডেস্ক
          ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

          যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি ধর্মীয় আদেশ বা ফতোয়া জারি করেছেন ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি। এই ফতোয়ায় তিনি ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

           সোমবার (৩০ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

          গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি এই ফতোয়ায় বিশ্বের সব মুসলমানের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে। কারণ তারা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বকে হুমকি দিয়েছে।

          ফতোয়ায় বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

          ইরানি আইন অনুযায়ী, যারা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদের শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড, শূলবিদ্ধকরণ, অঙ্গচ্ছেদ অথবা নির্বাসন।

          ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, এই শত্রুদের সঙ্গে মুসলিম বা কোনো ইসলামী রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে কোনও ধরণের সহযোগিতা বা সমর্থন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ। সব মুসলমানের উচিত এই শত্রুদের কথাবার্তা ও কাজের জন্য তাদের অনুতপ্ত করা।

          এছাড়াও এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো মুসলমান তার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পথে ক্ষতি বা কষ্টের সম্মুখীন হয়, তাহলে সে সৃষ্টিকর্তার রাস্তায় সংগ্রামরত একজন যোদ্ধার পুরস্কার লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।

          এই ফতোয়ার পেছনে ইসরায়েল ও ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকেই কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

          ইরানি ধর্মীয় নেতারা এর আগেও ফতোয়ার দিয়েছেন। ইরানের অন্যতম ভয়ংকর ফতোয়া জারি হয় ১৯৮৯ সালে। লেখক সালমান রুশদির “শয়তানি আয়াত” উপন্যাস প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করা হয়। অনেক মুসলমান মনে করেছিলেন যে বইটি তাদের ধর্মকে অবমাননা করেছে। সেই ফতোয়ার পর রুশদিকে আত্মগোপনে যেতে হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত