ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুন, ২০২৫ ২০:১২
অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন ৩ ঘণ্টা, সেখানেই পড়েন নামাজ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

হঠাৎ ইসরায়েলের হামলা। বিকট শব্দে চারদিক প্রকম্পিত। বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি। সেখানেই কেটে যায় তিন ঘণ্টা। নড়াচড়া করতে না পারায় ওই অবস্থাতেই আদায় করেন ফজরের নামাজ।

এভাবেই ইসরায়েলি হামলায় তার বাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে বেঁচে ফেরার রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শীর্ষ উপদেষ্টা আলি শামখানি।

তিনি বলেন, ‌‘নড়াচড়া করতে না পেরে আল্লাহর করুণার ওপর ভরসা রেখে ফজরের নামাজ আদায় করেছি।’

গত ১৩ জুন তাকে হত্যার দাবি করেছিল ইসরায়েল। এরপর ছড়ায় গুরুতর আহত হওয়ার খবর। সব গুঞ্জন উড়িয়ে ইরানের সামরিক কমান্ডার ও বিজ্ঞানীদের গণজানাজায় অংশ নিতে জনসমক্ষে আসেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এই শীর্ষ উপদেষ্টা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবিকে এক সাক্ষাৎকার দেন আলি শামখানি। সেখান বর্ণনা দিয়েছেন কীভাবে তিনি মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছেন।

শামখানি ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন। তিনি জানান, ওই বাড়িতে জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় তার বাড়ি। শামখানির দাবি, নেহাত ভাগ্যের জোরেই বেঁচে ফিরেছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, হামলার সময়ে প্রথমে ভূমিকম্প মনে হলেও পরে বুঝতে পারেন তিনি হামলার শিকার হয়েছেন।

একসময় ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শামখানি। এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। বর্তমানে খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    যে শর্তে ইরানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩০ জুন, ২০২৫ ১৮:১৭
    অনলাইন ডেস্ক
    যে শর্তে ইরানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন ট্রাম্প

    ইরান যদি শান্তিপূর্ণ আচরণ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তাহলেই তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে—এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

    রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

    রোববার ফক্স নিউজে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি তারা (ইরান) শান্তিপূর্ণভাবে থাকে, আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়, আর কোনো ক্ষতি না করে— তাহলে আমি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারি। ’

    তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনে কঠোর বা নেতিবাচক হওয়ার চেয়ে সদয় এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া বেশি কার্যকর। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইরানের জন্য অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। ’

    ট্রাম্প ফের দাবি করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর আগে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিতে পারেনি, কারণ এটি ভারী ও বিপজ্জনক পদার্থ, যা অল্প সময়ের মধ্যে সরানো সম্ভব নয়। ’

    তিনি বলেন, ‘আমরা খুব একটা আগাম সতর্কবার্তা দিইনি। সুতরাং তারা কিছু সরিয়ে নিতে পারেনি। আসলে তারা ভাবতেও পারেনি আমরা এটা করে ফেলব।’

    ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ইরান ‘ক্লান্ত’ হয়ে পড়েছে এবং বর্তমানে তাদের পক্ষে পরমাণু কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।  তার ভাষায়, ‘আগামী কিছু সময়ের জন্য, তারা পরমাণু নিয়ে আর কিছু করবে না। তাদের অবস্থাটা এমন যে— তারা আর পারছে না। ’

    এদিকে আব্রাহাম চুক্তিতে আরও দেশ যোগ দেবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, ইসরাইল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে করা আব্রাহাম চুক্তিতে আরও কিছু দেশ যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে, যদিও তিনি নির্দিষ্ট করে কোনও দেশের নাম বলেননি।

    মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশ রয়েছে ইতোমধ্যেই। এখন আমরা আরও কয়েকটি দেশ এতে যোগ দিতে দেখবো। কারণ, ইরানই ছিল এই পুরো অঞ্চলের মূল সমস্যা। ’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল অতিরঞ্জিত করেছেন ট্রাম্প: খামেনি

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩০ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৯
      অনলাইন ডেস্ক
      যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলাফল অতিরঞ্জিত করেছেন ট্রাম্প: খামেনি

      ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় সম্প্রতি যে হামলা চালিয়েছে, সেটার প্রভাব নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অতিরঞ্জিত দাবি করছেন।

      খামেনির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা কার্যত কোনও বড় সাফল্য এনে দেয়নি। সোমবার (৩০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

      রোববার নিজের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে খামেনি বলেন, “আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ঘটনাগুলোকে অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে বলছেন। এতে বোঝা যায়, তার এই অতিরঞ্জনের পেছনে কিছু প্রয়োজন ছিল।”

      তিনি আরও বলেন, “যে কেউ ওই বক্তব্য শুনলে বুঝতে পারবে, কথার ভেতরে লুকানো আছে অন্য বাস্তবতা— আসলে তারা কিছুই করতে পারেনি। আর সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই এত বড় কথা বলেছে।”

      এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমরা হামলা চালিয়ে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছি এবং তারপর থেমে গিয়েছি। এটা ছিল এক দারুণ কাজ। তারা আর এগোতে পারত না... এটা ছিল এক ভয়ঙ্কর রকমের ১২ দিন— খুবই তীব্র।”

      মূলত গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-ইরান সংঘাতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, বেসামরিক এবং পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৬০৬ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৩২ জন আহত হন।

      পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হয়ে ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়, যা সংঘাতকে আরও ঘনীভূত করে।

      এর জবাবে তেহরান ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যাতে কমপক্ষে ২৯ জন নিহত এবং ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি আহত হন বলে জানিয়েছে হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ জুন, ২০২৫ ১৪:১৮
        অনলাইন ডেস্ক
        ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি ধর্মীয় আদেশ বা ফতোয়া জারি করেছেন ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি। এই ফতোয়ায় তিনি ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

         সোমবার (৩০ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

        গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি এই ফতোয়ায় বিশ্বের সব মুসলমানের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে। কারণ তারা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বকে হুমকি দিয়েছে।

        ফতোয়ায় বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

        ইরানি আইন অনুযায়ী, যারা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদের শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড, শূলবিদ্ধকরণ, অঙ্গচ্ছেদ অথবা নির্বাসন।

        ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, এই শত্রুদের সঙ্গে মুসলিম বা কোনো ইসলামী রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে কোনও ধরণের সহযোগিতা বা সমর্থন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ। সব মুসলমানের উচিত এই শত্রুদের কথাবার্তা ও কাজের জন্য তাদের অনুতপ্ত করা।

        এছাড়াও এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো মুসলমান তার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পথে ক্ষতি বা কষ্টের সম্মুখীন হয়, তাহলে সে সৃষ্টিকর্তার রাস্তায় সংগ্রামরত একজন যোদ্ধার পুরস্কার লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।

        এই ফতোয়ার পেছনে ইসরায়েল ও ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকেই কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

        ইরানি ধর্মীয় নেতারা এর আগেও ফতোয়ার দিয়েছেন। ইরানের অন্যতম ভয়ংকর ফতোয়া জারি হয় ১৯৮৯ সালে। লেখক সালমান রুশদির “শয়তানি আয়াত” উপন্যাস প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করা হয়। অনেক মুসলমান মনে করেছিলেন যে বইটি তাদের ধর্মকে অবমাননা করেছে। সেই ফতোয়ার পর রুশদিকে আত্মগোপনে যেতে হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দুর্নীতির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল, কারাদণ্ড হতে পারে নেতানিয়াহুর

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩০ জুন, ২০২৫ ১৪:১০
          অনলাইন ডেস্ক
          দুর্নীতির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল, কারাদণ্ড হতে পারে নেতানিয়াহুর
          ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু

          ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল করেছে জেরুজালেম জেলা আদালত। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি এবং আস্থাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে যেগুলো প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড হতে পারে।

          ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

          বার্তাসংস্থাটি বলছে, রোববার আদালতের এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক ইদিওথ আহারনোথ। সেখানে জানানো হয়, নেতানিয়াহুর অনুরোধে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার শুনানির পর আদালতের এই রায় এসেছে।

          ওই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বিন্ডার এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া।

          আদালত বলেছে, “নেতানিয়াহুর অনুরোধে দেওয়া ব্যাখ্যায় পূর্বের তুলনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন উপাত্ত ও পরিবর্তন এসেছে। তাই আমরা আংশিকভাবে তার আবেদন মঞ্জুর করছি এবং আপাতত ৩০ জুন ও ২ জুলাই নির্ধারিত তার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল করছি।”

          নেতানিয়াহু মূলত তার ট্রায়ালের শুনানি দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন, তবে অ্যাটর্নি জেনারেল গালি বাহারাভ-মিয়ারা সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ তার মতে এতে পর্যাপ্ত কারণ দেখানো হয়নি।

          এদিকে নেতানিয়াহুর সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিলের বিষয়ে আদালতের এই সিদ্ধান্ত এসেছে এমন এক সময়ে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার নেতানিয়াহুর বিচার বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই বিচারকে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে “ডাইনি শিকার” করার মতো কাজ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

          মূলত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি এবং আস্থাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলো প্রমাণিত হলে তার কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি বর্তমানে তিনটি মামলায় অভিযুক্ত— কেস ১০০০, ২০০০ ও ৪০০০।

          এই মামলাগুলোর অভিযোগপত্র ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে জমা দেন ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল। আর ২০২০ সালের ২৪ মে থেকে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। নেতানিয়াহু ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, যিনি ফৌজদারি মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

          অবশ্য নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে শুধু দুর্নীতি নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও রয়েছে। গাজায় গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ২০২৪ সালের নভেম্বরে নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

          ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৬ হাজার ৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত