ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

অনলাইন ডেস্ক
৩০ জুন, ২০২৫ ১৪:১৮
অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ আখ্যা দিয়ে ইরানে ফতোয়া

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একটি ধর্মীয় আদেশ বা ফতোয়া জারি করেছেন ইরানের শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি। এই ফতোয়ায় তিনি ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘আল্লাহর শত্রু’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

 সোমবার (৩০ জুন) এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি এই ফতোয়ায় বিশ্বের সব মুসলমানের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে। কারণ তারা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বকে হুমকি দিয়েছে।

ফতোয়ায় বলেন, যে ব্যক্তি বা শাসক ইসলামের নেতা বা শীর্ষ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেয়, সে ‘যুদ্ধপিপাসু’ বা ‘সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইরানি আইন অনুযায়ী, যারা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, তাদের শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড, শূলবিদ্ধকরণ, অঙ্গচ্ছেদ অথবা নির্বাসন।

ফতোয়ায় আরও বলা হয়েছে, এই শত্রুদের সঙ্গে মুসলিম বা কোনো ইসলামী রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে কোনও ধরণের সহযোগিতা বা সমর্থন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ। সব মুসলমানের উচিত এই শত্রুদের কথাবার্তা ও কাজের জন্য তাদের অনুতপ্ত করা।

এছাড়াও এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো মুসলমান তার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পথে ক্ষতি বা কষ্টের সম্মুখীন হয়, তাহলে সে সৃষ্টিকর্তার রাস্তায় সংগ্রামরত একজন যোদ্ধার পুরস্কার লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।

এই ফতোয়ার পেছনে ইসরায়েল ও ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকেই কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানি ধর্মীয় নেতারা এর আগেও ফতোয়ার দিয়েছেন। ইরানের অন্যতম ভয়ংকর ফতোয়া জারি হয় ১৯৮৯ সালে। লেখক সালমান রুশদির “শয়তানি আয়াত” উপন্যাস প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করা হয়। অনেক মুসলমান মনে করেছিলেন যে বইটি তাদের ধর্মকে অবমাননা করেছে। সেই ফতোয়ার পর রুশদিকে আত্মগোপনে যেতে হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দুর্নীতির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল, কারাদণ্ড হতে পারে নেতানিয়াহুর

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩০ জুন, ২০২৫ ১৪:১০
    অনলাইন ডেস্ক
    দুর্নীতির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল, কারাদণ্ড হতে পারে নেতানিয়াহুর
    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় নির্ধারিত সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল করেছে জেরুজালেম জেলা আদালত। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি এবং আস্থাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে যেগুলো প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড হতে পারে।

    ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

    বার্তাসংস্থাটি বলছে, রোববার আদালতের এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি দৈনিক ইদিওথ আহারনোথ। সেখানে জানানো হয়, নেতানিয়াহুর অনুরোধে অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার শুনানির পর আদালতের এই রায় এসেছে।

    ওই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বিন্ডার এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়া।

    আদালত বলেছে, “নেতানিয়াহুর অনুরোধে দেওয়া ব্যাখ্যায় পূর্বের তুলনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন উপাত্ত ও পরিবর্তন এসেছে। তাই আমরা আংশিকভাবে তার আবেদন মঞ্জুর করছি এবং আপাতত ৩০ জুন ও ২ জুলাই নির্ধারিত তার সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিল করছি।”

    নেতানিয়াহু মূলত তার ট্রায়ালের শুনানি দুই সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন, তবে অ্যাটর্নি জেনারেল গালি বাহারাভ-মিয়ারা সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ তার মতে এতে পর্যাপ্ত কারণ দেখানো হয়নি।

    এদিকে নেতানিয়াহুর সাক্ষ্যগ্রহণ বাতিলের বিষয়ে আদালতের এই সিদ্ধান্ত এসেছে এমন এক সময়ে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার নেতানিয়াহুর বিচার বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই বিচারকে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে “ডাইনি শিকার” করার মতো কাজ বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

    মূলত নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি এবং আস্থাভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলো প্রমাণিত হলে তার কারাদণ্ড হতে পারে। তিনি বর্তমানে তিনটি মামলায় অভিযুক্ত— কেস ১০০০, ২০০০ ও ৪০০০।

    এই মামলাগুলোর অভিযোগপত্র ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে জমা দেন ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল। আর ২০২০ সালের ২৪ মে থেকে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। নেতানিয়াহু ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, যিনি ফৌজদারি মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    অবশ্য নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে শুধু দুর্নীতি নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের অভিযোগও রয়েছে। গাজায় গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ২০২৪ সালের নভেম্বরে নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৬ হাজার ৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সার্কের বিকল্প নতুন জোট গড়ছে চীন-পাকিস্তান, যুক্ত আছে বাংলাদেশও

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩০ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৬
      অনলাইন ডেস্ক
      সার্কের বিকল্প নতুন জোট গড়ছে চীন-পাকিস্তান, যুক্ত আছে বাংলাদেশও

      নতুন আঞ্চলিক জোট গঠনের পরিকল্পনায় একসঙ্গে কাজ করছে পাকিস্তান ও চীন। আর সম্ভাব্য ওই জোটটি দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

      এই জোট গঠনের সঙ্গে বাংলাদেশও যুক্ত আছে এবং মূলত এই উদ্যোগেরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি চীনের কুনমিং শহরে পাকিস্তান, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

      সোমবার (৩০ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

      সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পাকিস্তান ও চীন বর্তমানে একটি নতুন আঞ্চলিক জোট গঠনের পরিকল্পনায় একসঙ্গে কাজ করছে, যা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

      কূটনৈতিক বেশ কয়েকটি সূত্র জানায়, ইসলামাবাদ ও বেইজিংয়ের মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা এখন অনেক দূর এগিয়েছে। দুই দেশের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়িয়ে আঞ্চলিক সংহতির জন্য নতুন একটি জোট সময়ের দাবি।

      সম্প্রতি চীনের কুনমিং শহরে পাকিস্তান, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ছিল এই উদ্যোগেরই একটি অংশ। এটি এই তিন দেশের শীর্ষ কূটনীতিকদের মধ্যে প্রথম বৈঠক, যা ভারতের নজরে আসে এবং কিছু উদ্বেগও তৈরি করে।

      মূলত জুনের ১৯ তারিখে হওয়া এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সার্কের সদস্য দেশগুলোকে নতুন এই জোটে আমন্ত্রণ জানানো।

      বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে এক্সপ্রেস ট্রিউবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে নতুন প্রস্তাবিত এই জোটে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। তবে দিল্লি এতে ইতিবাচক সাড়া দেবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে, কারণ ভারতের আঞ্চলিক নীতি ও স্বার্থ অন্য দেশের চেয়ে আলাদা।

      তবে শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, আফগানিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নতুন এই গোষ্ঠীর অংশ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

      সম্ভাব্য নতুন এই জোট বা সংস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো বর্ধিত বাণিজ্য ও সংযোগের মাধ্যমে বৃহত্তর আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা অর্জন করা। সার্ককে এক সময় দক্ষিণ এশিয়ার ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন’ বলা হতো। কিন্তু এটি কার্যত পাকিস্তান-ভারতের শত্রুভাবাপন্ন সম্পর্কের কারণে অকার্যকর হয়ে পড়ে।

      সর্বশেষ সার্ক সম্মেলন হয়েছিল দশ বছর আগে। ২০১৬ সালে ইসলামাবাদে সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও ভারত সেটা বয়কট করে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সরকারও সেসময় ভারতপন্থি হওয়ায় ঢাকা সেই সময় সেই সম্মেলনে অংশ নেয়নি।

      এরপর সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যদিও পাকিস্তান সম্মেলন আয়োজন করতে বেশ আগ্রহীই ছিল। সম্প্রতি পেহেলগাম হামলার পর ভারত পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের জন্য সার্কের বিশেষ ভিসা সুবিধাও বাতিল করে দেয়, যা সার্কের ভবিষ্যৎকে আরও অনিশ্চিত করে তোলে।

      এমন অবস্থায় পাকিস্তান ও চীন কয়েক মাস ধরে নতুন সংস্থা বা জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিল এবং উভয় দেশই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য একই মনোভাবসম্পন্ন দেশগুলোর একে অপরের সাথে হাত মেলানো উচিত।

      মূলত বাণিজ্য, যোগাযোগ ও আঞ্চলিক সংযুক্তি বাড়ানোই হবে নতুন জোটের মূল লক্ষ্য। এছাড়া মতাদর্শগতভাবে মিল আছে এমন দেশগুলোকে একত্রিত করেই গঠন করা হবে এই নতুন সংস্থা।

      পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভারত সাম্প্রতিক সময়ে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) দিকেও খুব আগ্রহ দেখাচ্ছে না। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বশেষ দুইটি এসসিও সম্মেলনে অংশ নেননি। চীন, রাশিয়া, ইরান, পাকিস্তানসহ মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশ এসসিও-তে রয়েছে।

      এছাড়া অনেকেই এই জোটকে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখেন। তবে ভারতের নীতিগত পার্থক্য ও পশ্চিমঘেঁষা অবস্থান এসসিও-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেই অনেকের মত।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ভারতের মধ্যপ্রদেশ

        ৯০ ডিগ্রি বাঁকযুক্ত ‘অদ্ভুত’ ডিজাইনের সেতু, ৭ ইঞ্জিনিয়ার বরখাস্ত

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩০ জুন, ২০২৫ ১৩:১৬
        অনলাইন ডেস্ক
        ৯০ ডিগ্রি বাঁকযুক্ত ‘অদ্ভুত’ ডিজাইনের সেতু, ৭ ইঞ্জিনিয়ার বরখাস্ত

        ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপাল শহরের ঐশবাগ এলাকায় একটি নতুন নির্মিত রেলওভার ব্রিজে ৯০ ডিগ্রি বাঁক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার। এই অস্বাভাবিক নকশার দায়ে রাজ্য সরকার সাতজন প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করেছে।

        বরখাস্তকৃতদের মধ্যে দুইজন চিফ ইঞ্জিনিয়ারও রয়েছেন। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে রোববার (২৯ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

        রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানান, “ঐশবাগ রেলওভার ব্রিজ নির্মাণে মারাত্মক অবহেলা হয়েছে বলে আমি জানতে পারি এবং তদন্তের নির্দেশ দিই। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আটজন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

        এর মধ্যে সাতজন প্রকৌশলীকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

        তিনি আরও জানান, ব্রিজটির নকশা প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডায়নামিক কনসালট্যান্ট’ এবং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ‘পুনীত চাড্ডা’-কে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। রেলওভার ব্রিজে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার জন্য একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

        মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পরিবর্তন সম্পন্ন হওয়ার পরই ব্রিজটি উদ্বোধন করা হবে।”

        এদিকে রেলওভার ব্রিজটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে গাড়ি বা যানবাহন এমন তীক্ষ্ণ ৯০ ডিগ্রি বাঁক অতিক্রম করবে?

        ১৮ কোটি রুপিতে নির্মিত এই ব্রিজটি মহামাই কা বাগ, পুষ্পা নগর এবং স্টেশন এলাকা থেকে নিউ ভোপালের মধ্যে যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ মানুষ উপকৃত হওয়ার কথা।

        তবে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্তি দেন, ভূমির সীমাবদ্ধতা ও নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশনের উপস্থিতির কারণে তাদের এমন তীক্ষ্ণ বাঁকেই ব্রিজ নির্মাণ করতে হয়েছে।

        তাদের দাবি, “অল্প একটু অতিরিক্ত জমি পাওয়া গেলে এই বাঁকটি একটি নিরাপদ কার্ভে রূপান্তর করা যেত।”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’: ফের ট্রাম্পের সমালোচনায় ইলন মাস্ক

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৯ জুন, ২০২৫ ১৮:৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’: ফের ট্রাম্পের সমালোচনায় ইলন মাস্ক

          যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন কর ও ব্যয় হ্রাস সংক্রান্ত বিল নিয়ে আবারও কড়া সমালোচনা করেছেন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক।

          তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের এই খসড়া বিল ‘রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক আত্মহত্যা’ হবে। একইসঙ্গে এই বিল যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ চাকরি ধ্বংস করবে এবং ভবিষ্যতের শিল্প খাতগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

          রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

          শনিবার নিজের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (আগের টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মাস্ক লেখেন, “সিনেটের সর্বশেষ খসড়া বিল যুক্তরাষ্ট্রে লাখ লাখ চাকরি ধ্বংস করবে এবং আমাদের দেশের জন্য কৌশলগতভাবে মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনবে। এটি অতীতের শিল্পগুলোকে প্রণোদনা দিচ্ছে, কিন্তু ভবিষ্যতের শিল্পগুলোকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

          তিনি আরও বলেন, “এই বিল রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক আত্মহত্যা হবে।”

          টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে মাস্ক ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আবারও নতুন মাত্রা পেল। মাস্ক কিছুদিন আগেই সরকার পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধির একটি দপ্তরের প্রধান হিসেবে কাজ শেষ করে ট্রাম্পের প্রশাসন ছেড়েছেন। তবে এর পরও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ট্রাম্পের এই বিল নিয়ে তিনি একমত নন।

          প্রায় ১০০০ পৃষ্ঠার এই খসড়া বিল নিয়ে সিনেটররা এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প চান বিলটি ৪ জুলাইয়ের মধ্যে পাস করানো হোক। কিন্তু অনেক রিপাবলিকান সদস্যই এর মধ্যে থাকা বিপুল ব্যয়ের বিষয় ও কর ছাড়ের যৌক্তিকতা নিয়ে চিন্তিত।

          প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিলটিকে “বড়, সুন্দর” বললেও মাস্ক আগেই একে ‘ঘুষখোরদের বিল’ এবং ‘জঘন্য অপমানজনক উদ্যোগ’ বলে আখ্যা দেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “যারা এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, আপনারা জানেন—আপনারা ভুল করেছেন। লজ্জা হওয়া উচিত।”

          প্রসঙ্গত, এক সময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন মাস্ক। কিন্তু বিল পাসের প্রক্রিয়ায় মাস্কের বিরোধিতা তীব্র হয় এবং তিনি এমনকি ইঙ্গিত দেন, তিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিতর্কিত যৌন কেলেঙ্কারির প্রমাণ ফাঁস করতে পারেন। যদিও কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি তিনি।

          পরবর্তীতে মাস্ক কিছু মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন, তিনি ‘কিছুটা বেশি’ বলে ফেলেছিলেন। ট্রাম্পও তখন নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এ এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টিকে ‘ক্ষণিক উত্তেজনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, “আমি ওকে দোষ দিই না।”

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত