ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আগামী সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে, বললেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:৫৫
অনলাইন ডেস্ক
আগামী সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে, বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘আগামী সপ্তাহের’ মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে। শুক্রবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে যারা কাজ করছেন তাদের কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তবে কী কথা হয়েছে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

এদিকে দখলদার ইসরায়েলের কৌশলগত বিষয়াবলীর মন্ত্রী রন ডেরমার আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে যাবেন। সেখানে মার্কিনিদের সঙ্গে ইরান ও গাজা নিয়ে তার আলোচনা হবে।

জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গাজায় হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে চাপ দিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বন্ধ করে তিনি আব্রাহাম চুক্তির পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ ইসরায়েলের সঙ্গে অন্যান্য আরব দেশগুলোর সম্পর্ক গড়ার কাজ করবেন তিনি।

এদিকে গাজায় খাদ্য সরবরাহ করা বিতর্কিত ‘গাজা মানবিক ফাউন্ডেশনে’ ৩০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “গাজায় ভয়াবহ অবস্থা চলছে এবং আমরা সেখানে অনেক অর্থ এবং খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি। কারণ আমাদের দিতে হবে। আমরা এই সংঘাতের সঙ্গে জড়িত নই। কিন্তু আবার জড়িতও, কারণ সেখানে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে (যাদের আমাদের বাঁচাতে হবে)।’’

ট্রাম্প জানান, কিছু খারাপ মানুষ গাজার ত্রাণ লুটপাট করছে। কিন্তু গাজা মানবিক ফাউন্ডেশন ভালো করছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে এই ফাউন্ডেশন শুরু থেকেই বিতর্কের মুখে পড়েছে। সেখানে খাবার আনতে গিয়ে দখলদার সেনাদের গুলিতে এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫শর বেশি মানুষ মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও চার হাজার ফিলিস্তিনি।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানের হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি কত, জানাল ব্লুমবার্গ

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:৫১
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানের হামলায় ইসরায়েলের ক্ষতি কত, জানাল ব্লুমবার্গ

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় ইসরায়েল প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে দেখা গেছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অবকাঠামোগত ক্ষতি করেছে। প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী চালানো এ পাল্টা হামলা ইসরায়েলের সামরিক ও বেসামরিক খাতের ওপর বড় ধাক্কা দিয়েছে।

    গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও আবাসিক এলাকায় আক্রমণ চালায়। ১২ দিনব্যাপী এ আগ্রাসনের জবাবে ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস ফোর্স ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’র অংশ হিসেবে ২২ দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঢেউ চালায়।

    এই হামলায় অধিকৃত ফিলিস্তিনের বিভিন্ন শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বড় ধরনের নিরাপত্তা বিঘ্ন ঘটে। ব্লুমবার্গ বলছে, ইরানের পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যূহে বড় ফাঁক ধরা পড়ে এবং বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয় তারা।

    এর আগে, ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায়—নাতানজ, ফোরদো ও ইসফাহানে বিমান হামলা চালায়। ওই হামলার মধ্য দিয়ে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি জড়িয়ে পড়ে। শেষমেশ, ২৪ জুন একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘর্ষ থামে। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে এ সংঘাতের রেশ থেকে যেতে পারে।

    তথ্যসূত্র : মেহের নিউজ এজেন্সি

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কবরে ইহুদিরা, আটকে রাখল ফিলিস্তিনিরা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:৪৭
      অনলাইন ডেস্ক
      হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কবরে ইহুদিরা, আটকে রাখল ফিলিস্তিনিরা

      ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরের নাবলুসে হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কবরে গিয়েছিল ইহুদিরা। তবে ইসরায়েলি সেনাদের না বলে যাওয়ায় সেখানে তাদের আটকে রাখে ফিলিস্তিনিরা। এ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হলে তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতে হয়।

      সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল শুক্রবার (২৭ জুন) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরাতে জানিয়েছে, ইহুদিদের আরও কয়েকটি দল ইউসুফ (আঃ) এর কবরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু নাবলুসে প্রবেশের আগেই তাদের আটকে দেওয়া হয়।

      বার্তাসংস্থা ওয়াল্লা জানিয়েছে, ইসরায়েলের ইহুদি এবং ফিলিস্তিনি মুসলিমদের মধ্যে পাথর ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। ওই সময় বেশ কিছু ইসরায়েলি আহত হয়।

      ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

      তবে অপর সংবাদমাধ্যম ইসরায়েলি হাইম জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে ওই ইসরায়েলিদের উদ্ধার করে ফিলিস্তিন অথরিটি পুলিশ। এরপর তাদের ইসরায়েলি সেনাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

      এদিকে হযরত ইউসুফ (আঃ)-কে ইহুদিরা জ্যাকব নামে ডাকে। নাবলুসে যে কবরটিকে ইহুদিরা হযরত ইউসুফ (আঃ) এর কবর মনে করে, সেটিকে কিছু মুসলিমরা অস্বীকার করেন। তারা বলে থাকেন, এখানে হযরত ইউসুফ নয়, এখানে ১৮ শতকের মুসলিম পণ্ডিত শেষ ইউসুফ দাওইকতকে সমাহিত করা হয়েছে।

      সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহরের কাছে অবস্থান নিলো এক লাখের বেশি রুশ সেনা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৮ জুন, ২০২৫ ১৯:৪১
        অনলাইন ডেস্ক
        ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহরের কাছে অবস্থান নিলো এক লাখের বেশি রুশ সেনা

        ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পোকরোভস্ক শহরের কাছে অবস্থান নিয়েছে রাশিয়ার ১ লাখ ১০ হাজার সেনা। ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেক্সান্ডার স্রেসকি শুক্রবার (২৭ জুন) জানান, রুশ বাহিনীর শহরটি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছে।

        তিনি বলেছেন, যুদ্ধের ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার সম্মুখভাগের মধ্যে এখন এই জায়গাটি সবচেয়ে উত্তপ্ত।

        রুশ সেনারা প্রায় এক বছর ধরে পোকরোভস্ক দখলের চেষ্টা করছে। সেনা ও অস্ত্রের দিক দিয়ে এগিয়ে থাকলেও রুশ বাহিনী এখনো এটি দখল করতে পারেনি।

        পোকরোভস্ক রাশিয়ার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগেই জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক পুরোপুরি দখল করা।

        পোকরোভস্ক বড় কোনো শহর না হলেও, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথের কাছে অবস্থিত। এই শহরটির মাধ্যমে সেখানকার অন্যান্য সামরিক হাবগুলো সংযুক্ত হয়েছে। যারমাধ্যমে ইউক্রেনীয় সেনারা এখনো দোনেৎস্কের বৃহৎ অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছেন।

        শহরটিতে যুদ্ধের আগে ৬০ হাজার মানুষ থাকতেন। কিন্তু এখন বেশিরভাগ বাসিন্দা সেখান থেকে সরে গেছেন।

        এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হলেও; এটি আবার থমকে গেছে। ইউক্রেনের দাবি, রুশ বাহিনী যেন তাদের আরও অঞ্চল দখল করতে পারে সেজন্য আলোচনায় স্থগিত রেখেছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

        সূত্র: সিএনএন

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গাজায় ৩ দিনে ১৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৮ জুন, ২০২৫ ১৮:২৮
          অনলাইন ডেস্ক
          গাজায় ৩ দিনে ১৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত

          ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় আজ শুক্রবার এবং গত ২ দিনে অন্তত ১৫ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

          কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, আজ শুক্রবার উত্তর গাজার তুফাহ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরক রকেট ছোড়ে গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সামরিক শাখা আল কাসাম ব্রিগেড। এতে ওই সাঁজোয়া যানে থাকা ১৭ জন ইসরায়েলি সেনার মধ্যে ৭ জন নিহত হন এবং আহত হন বাকি ১০ জন।

          তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার গাজার প্রধান শহর গাজা সিটি এলাকায় আল কাসামের ব্রিগেডের গুলিতে নিহত হন এক ইসরায়েলি সেনা। এছাড়া এ সময় বিস্ফোরক রকেট ছুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর দু’টি মেরকাভা ট্যাংক, একটি সাঁজোয়া যান এবং একটি বুলডোজার ধ্বংস করা হয়।

          তার আগের দিন বুধবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আল কাসাম ব্রিগেডের গুলি ও রকেট হামলায় নিহত হন আরও ৭ জন ইসরায়েলি সেনা। নিহতদের মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট পদমর্যাদার সেনা কর্মকর্তা ছিলেন।

          ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুসারে, গত মার্চে যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় ফের ইসরায়েলি বানিহরি অভিযান শুরু হওয়ার পর এই প্রথম এত অল্প সময়ের ব্যবধানে গাজায় এত সংখ্যক ইসরায়েলি সেনা নিহত হলো।

          ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।

          হামাসের হামলার জবাব দিতে এবং জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সেই অভিযানে এ পর্যন্ত সরকারি হিসেব অনুযায়ী গাজায় নিহত হয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৬৫ জন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ২৩৯ জন।

          টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল।

          কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। সেই সঙ্গে গাজায় খাবার ও অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় শুরু হয়েছে গাজায়।

          যে ২৫১ জন জিম্মিকে হামাসের যোদ্ধারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল, তাদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন এখনও জীবিত আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তাদের উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ।

          জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধের জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানিয়েছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘের আদালত নামে পরিচিত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

          এই যুদ্ধের শুরু থেকেই মধ্যস্থতার ভূমিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতার এই তিন দেশ। কয়েক মাস আগে তেল আবিব এবং হামাস— উভয়পক্ষকে যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দিয়েছিল মধ্যস্থতাকারীরা, কিন্তু কোনো পক্ষই এ পর্যন্ত এ ইস্যুতে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।

          প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত