ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে বিশাল বিনিয়োগ করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
২৮ জুন, ২০২৫ ১৩:১৬
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে বিশাল বিনিয়োগ করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন

বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ খাতে পরমাণু শক্তি ব্যবহারের জন্য ইরানকে সহযোগিতা করতে চায় ওয়াশিংটন; আর সেই সহযোগিতার খাতিরে ইরানের বিধ্বস্ত পরমাণু প্রকল্পে ৩ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলেছে, চলতি জুনের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র ও অংশীদার ও তেহরানের মধ্যে এ ইস্যুতে গোপনে এ ইস্যুতে আলোচনা চলছে। অর্থাৎ ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাত শুরুর আগেই শুরু হয়েছিল এ সংক্রান্ত আলোচনা।

ট্রাম্প প্রশাসনের চার জন কর্মকর্তা এ ব্যাপরে সিএনএনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান যেন তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে। অন্যদিকে তেহরান এই ব্যাপারটিকে নিজেদের রেডলাইন বলে ঘোষণা করেছে।

“কিন্তু আমরা এখনও আমাদের চাওয়া থেকে সরে যাইনি। ইরানের সঙ্গে আমরা একটা সমঝোতায় আসতে চাইছি এবং তা যেন সহজে হয়— সেজন্যই আমরা সেখানে বিনিয়োগ করতে চাই। আপাতত ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই অর্থের একটি অংশ সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র, বাকিটা আসবে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের কাছ থেকে”, সিএনএনকে বলেছেন ওই কর্মকর্তা।

ইরানকে সমঝোতার পথে আনতে পরমাণু প্রকল্প খাতে বিনিয়োগের পাশপাশি বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ইরানের ফ্রিজড হিসাবগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বর্তমানে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে ইরানের ৬০০ কোটি ডলার ফ্রোজেন অবস্থায় আছে। এছাড়া দেশটির তেল রপ্তানির ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন, সেসবও শিথিল করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

তবে এসব আকর্ষণীয় প্রস্তাবে সম্মত হয়ে ইরান শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় আসতে রাজি হবে কি না— তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় ওয়াশিংটন। ট্রাম্প প্রশাসনের অপর এক কর্মকর্তা সিএনএনকে এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা আভাস-ইঙ্গিতে আমাদের প্রস্তাব ইরানকে দিয়েছি। তেহরান এখনও ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আমরা আমদের চেষ্টা চালিয়ে যাব।”

প্রসঙ্গত, পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত মে মাস থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল তেহরান। কিন্তু তার মধ্যেই ‘ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির দোরগোড়ায়’— অভিযোগ তুলে গত ১২ জুন তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিমান অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এই হামলার জবাব দিতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরানও।

উভয়পক্ষের সংঘাত প্রায় চরম পর্যায়ে ওঠার পর ২৩ জুন এতে প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্র; ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায় মার্কিন বিমান বাহিনী। এই হামলার পরের দিন ইরান-ইসরায়েলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

সূত্র : আরটি, সিএনএন

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইসরায়েলের হত্যা পরিকল্পনা থেকে যেভাবে বেঁচে গেলেন খামেনি

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ জুন, ২০২৫ ১১:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ইসরায়েলের হত্যা পরিকল্পনা থেকে যেভাবে বেঁচে গেলেন খামেনি

    সম্প্রতি ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। তবে সময়মতো গোপন স্থানে আত্মগোপনে যাওয়ার ফলে প্রাণে বাঁচেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।

    বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের ক্যান পাবলিক ব্রডকাস্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাটজ বলেন, ‘যদি খামেনি আমাদের নাগালের মধ্যে থাকতেন, আমরা তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতাম। কিন্তু তিনি ঝুঁকি বুঝতে পেরে আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে যান এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। ফলে তাকে টার্গেট করা আর সম্ভব হয়নি।’

    ১৩ জুন শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইসরায়েল একাধিক ইরানি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করে। যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনির জীবনের ঝুঁকির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যা ইরানে ‘শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনের’ আভাস হিসেবেও দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

    আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে খামেনি, জানালেন পাল্টা হুমকি

    প্রায় এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিওবার্তায় প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসেন ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ক্লান্ত ও কণ্ঠস্বর ভারী হলেও তার বক্তব্য ছিল আগ্রাসী।

    খামেনি বলেন, ‘আমরা কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আমেরিকার মুখে চপেটাঘাত দিয়েছি। যদি আরও উসকানি দেওয়া হয়, তবে আমরা পাল্টা প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করব না।’

    তবে তিনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পর্কে সরাসরি কিছু বলেননি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘পারমাণবিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে’ মন্তব্যকেও খামেনি গুরুত্বহীন ও অকার্যকর বলে উড়িয়ে দেন।
    সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান ভারতে নেমেছিল কেন

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৬ জুন, ২০২৫ ২০:১০
      অনলাইন ডেস্ক
      দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান ভারতে নেমেছিল কেন

      প্রায় দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাজ্যের একটি যুদ্ধবিমান ভারতে জরুরি অবতরণ করে। যুক্তরাজ্যের ফিফথ জেনারেশনের উন্নতমানের ফাইটার জেট এফ-৩৫বি। এটি ইন্ডিয়ান নেভির সঙ্গে যৌথ মহড়া শেষে নিজের ঘাঁটিতে ফিরছিল। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এটি তিরুবনন্তপুরম বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

      বিমানটি নিরাপদে নামলেও পরে একটি যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। এতে সেটি আর উড়তে পারেনি। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা প্রথমে বিমানটি পরীক্ষা করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিশেষজ্ঞ দল আনতে হয়।

      যুদ্ধবিমানটি যেন বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কাজে বাধা না দেয়, তাই সেটিকে আলাদা হ্যাঙ্গারে সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ দল আসছে যুক্তরাজ্য থেকে।

      ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া তাদের হ্যাঙ্গার ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে ব্রিটিশরা তা গ্রহণ করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের গোপন প্রযুক্তি নিরাপদ রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।

      যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ভারতের সহযোগিতা প্রশংসনীয়। বিমান অবতরণ থেকে শুরু করে নিরাপত্তা—সবখানে ভারতের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হয়েছে। এখনো ঠিক জানা যায়নি কবে বিমানটি উড্ডয়ন করবে।

      সূত্র : এনডিটিভি

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নেতানিয়াহু ‘একজন যোদ্ধা’, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত: ট্রাম্প

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৬ জুন, ২০২৫ ১৯:৫৭
        অনলাইন ডেস্ক
        নেতানিয়াহু ‘একজন যোদ্ধা’, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত: ট্রাম্প
        ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি-সংগৃহীত

        দুর্নীতির অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে চলা বিচারকাজ বাতিল করতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু ‘একজন যোদ্ধা’, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত।

        বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।

        নেতানিয়াহুকে ‘একজন যোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসরায়েলকে রক্ষা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন যুক্তরাষ্ট্রই নেতানিয়াহুকে রক্ষা করবে।’

        ইসরায়েলে ২০১৯ সালে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে করা তিনটি ফৌজদারি মামলার বিচার ২০২০ সালে শুরু হয়। বিচার চলাকালেও নেতানিয়াহু নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

        এ বিষয়ে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিচার অবিলম্বে বাতিল করা উচিত কিংবা তার মতো একজন মহান নায়ককে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত; যিনি রাষ্ট্রের (ইসরায়েল) জন্য অনেক কিছু করেছেন।’ 

        তিনি আরও লেখেন, তিনি জানতে পেরেছেন, সোমবার আদালতে নেতানিয়াহুর হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে।

        ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট ইসাক হারজোগ নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তবে দেশটির গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি টেনে ট্রাম্প বলেন, ‘এ মুহূর্তে ক্ষমা করার বিষয়টি বিবেচনায় নেই। আর এ ধরনের কোনো অনুরোধ করা হয়নি।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে কেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছিল, জানালেন খামেনি

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৬ জুন, ২০২৫ ১৯:২৮
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে কেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছিল, জানালেন খামেনি

          ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে ইসরায়েলকে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘প্রায় খাদের কিনারায়’ নিয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ না করলে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলত।

          বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে খামেনি বলেন, “ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলকে খাদের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল। যদি আরও কিছুদিন এই সংঘাত চলত— তাহলে ইসরায়েল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতো।”

          “এ ব্যাপারটি বুঝতে পেরেই যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে প্রবেশ করে; কিন্তু এই সংঘাত থেকে যুক্তরাষ্ট্র কিছুই অর্জন করতে পারেনি। উপরন্তু ইসলামিক রিপাবলিক গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুখে শক্ত চপোটাঘাত করেছে।”

          “সেই সঙ্গে এত সব হৈচৈ-হট্টগোলের মধ্যে জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী ইসলামি প্রজানন্ত্র ইরানের আঘাতে একই সঙ্গে উৎখাত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছে।”

          ইরান পরমাণু বোমা তৈরির দোরগোড়ায়— অভিযোগ তুলে গত ১৩ জুন রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য এলাকায় বিমান অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। এই অভিযানের জবাবে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরানও।

          ইরান-ইসরায়েলের এ সংঘাত শুরুর ১০ দিন পর ২২ জুন মধ্যরাতে ইসরায়েলের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন বিমান বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এ অভিযানের নাম দিয়েছিল ‘দ্য মিডনাইট হ্যামার’।

          ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ পরিচালনার একদিন পর ইরান-ইসরায়েলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টা পর তা মেনে নিয়ে বিবৃতি দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং ইসরায়েল পুনরায় হামলা না করলে তেহরান আর সংঘাতে যাবে না।

          সূত্র : আলজাজিরা

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত