ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে কেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছিল, জানালেন খামেনি

অনলাইন ডেস্ক
২৬ জুন, ২০২৫ ১৯:২৮
অনলাইন ডেস্ক
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে কেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ করেছিল, জানালেন খামেনি

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে ইসরায়েলকে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘প্রায় খাদের কিনারায়’ নিয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি আরও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশ না করলে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলত।

বুধবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে খামেনি বলেন, “ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলকে খাদের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল। যদি আরও কিছুদিন এই সংঘাত চলত— তাহলে ইসরায়েল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতো।”

“এ ব্যাপারটি বুঝতে পেরেই যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে প্রবেশ করে; কিন্তু এই সংঘাত থেকে যুক্তরাষ্ট্র কিছুই অর্জন করতে পারেনি। উপরন্তু ইসলামিক রিপাবলিক গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুখে শক্ত চপোটাঘাত করেছে।”

“সেই সঙ্গে এত সব হৈচৈ-হট্টগোলের মধ্যে জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী ইসলামি প্রজানন্ত্র ইরানের আঘাতে একই সঙ্গে উৎখাত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়েছে।”

ইরান পরমাণু বোমা তৈরির দোরগোড়ায়— অভিযোগ তুলে গত ১৩ জুন রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য এলাকায় বিমান অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। এই অভিযানের জবাবে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরানও।

ইরান-ইসরায়েলের এ সংঘাত শুরুর ১০ দিন পর ২২ জুন মধ্যরাতে ইসরায়েলের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন বিমান বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এ অভিযানের নাম দিয়েছিল ‘দ্য মিডনাইট হ্যামার’।

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ পরিচালনার একদিন পর ইরান-ইসরায়েলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টা পর তা মেনে নিয়ে বিবৃতি দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে এবং ইসরায়েল পুনরায় হামলা না করলে তেহরান আর সংঘাতে যাবে না।

সূত্র : আলজাজিরা

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালো ইরান

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৬ জুন, ২০২৫ ১৯:৪
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালো ইরান

    ইসরায়েল এবং তার সমর্থকদের সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার, জনগণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য ও বিবৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ঢাকার ইরান দূতাবাস।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকার ইরান দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, সহানুভূতিপূর্ণ বক্তৃতা-বিবৃতি এবং বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ, শিক্ষাবিদ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের স্পষ্ট অবস্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত এই সংহতি মানবিক সচেতনতা এবং ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও জাতীয় মর্যাদার নীতিগুলোর প্রতি গভীর প্রতিশ্রুতির স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি।

    ইরানি জনগণের এই প্রতিরোধ জাতীয় ইচ্ছাশক্তির প্রতিফলন, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রকাশ। একইসঙ্গে এটি আধিপত্যবাদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বিশ্বের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ শুধু একটি বৈধ অধিকারই নয়, বরং একটি নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আমরা আবারও জোর দিয়ে বলছি যে, সহিংসতা, আগ্রাসন ও সম্প্রসারণবাদী নীতির মোকাবিলায় জাতিসমূহের পারস্পরিক সংহতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ মূল্যবান সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্য আমরা বন্ধুপ্রতিম ও ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না : খামেনি

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৬ জুন, ২০২৫ ১৮:৫৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না : খামেনি

      যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ ইস্যুতে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

      নিজ বক্তব্যে খামেনি বলেছেন, “ট্রাম্প আমাদের সামনে সত্য স্পষ্ট করেছেন, পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র আসলে কী চায়। যুক্তরাষ্ট্র তখনই সন্তুষ্ট হবে— যখন আমরা পরাজয় স্বীকার করব এবং তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করব।”

      “কিন্তু এমনটা কখনও ঘটবে না; ইরান কখনও মাথা নত করবে না। আমরা শক্তিশালী জাতি।”

      টানা ১২ দিন সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে গত ২৩ জুন যুদ্ধবিরতিতে যায় ইরান এবং ইসরায়েল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, তেহরান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নিয়েছে এবং ইসরায়েল যদি আঘাত না করে— তাহলে ইরানও আর আঘাত করবে না।

      বিরতি ঘোষণার দু’দিন পর আজ বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো ভাষণ দেন খামেনি। সেই ভাষণে তিনি বলেন— ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে ইরানের বিজয় হয়েছে।

      সূত্র : সিএনএন

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আমেরিকার মুখে ‘কঠিন থাপ্পড়’ মেরেছে ইরান : খামেনি

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৬ জুন, ২০২৫ ১৮:৩
        অনলাইন ডেস্ক
        আমেরিকার মুখে ‘কঠিন থাপ্পড়’ মেরেছে ইরান : খামেনি

        দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) টিভিতে দেওয়া  ভাষণে তিনি বলেন, “ভুয়া ইহুদিবাদী সরকারের (ইসরায়েলের) বিরুদ্ধে জয়ের জন্য আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। যেটি পরাজিত হয়েছে এবং ইসলামিক রিপাবলিকের ধাক্কায় চূর্ণবিচূর্ণ ও ধ্বংস হয়েছে। ইহুদিবাদীরা অনেক উচ্চবাচ্য করলেও ইরানের ধাক্কায় তারা পতনের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল।”

        তিনি আরও বলেছেন, “মার্কিন সরকার যুদ্ধে সরাসরি জড়িত হয়েছিল, কারণ তারা বুঝতে পেরেছিল যদি তারা হস্তক্ষেপ না করে তাহলে ইহুদিবাদীদের পতন ঘটবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন কোনো কিছু অর্জন করেনি। এখানে বিজয়ী হয়েছে ইরান এবং আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে চূড়ান্ত আঘাত করেছি। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জয় পাওয়ায় আমি সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।"

        খামেনি বলেন, “ইরানি জনগণের অসাধারণ একতাকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি। ৯ কোটি জনগণের দেশ ইরান আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ইরানিরা তাদের নিজেদের স্বতন্ত্র চরিত্র প্রদর্শন করেছে এবং প্রমাণ করেছে, যখন প্রয়োজন হবে তারা সবাই এক হবে।”

        ইরানের বিরুদ্ধে যদি কেউ যদি আবারও আগ্রাসন দেখানোর চেস্টা করে তাহলে এরজন্য চড়া মূল্য দিতে হবে বলেও হঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম নেতা। তিনি বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের মূল্য চড়া হবে। ইহুদিবাদীরা (ইসরায়েল) কখনো ভাবেনি তারা ইরানের কাছ থেকে এমন ধাক্কা খাবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুদের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে তাদের প্রাণকেন্দ্রগুলোতে আঘাত হেনেছে।”

        ভাষণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়েও কথা বলেছেন আয়াতুল্লাহ খামেনি। তিনি জানিয়েছেন, ট্রাম্প তাদের পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার যে দাবি করেছেন সেটি সত্য নয়। খামেনি বলেন, “আমাদের পারমাণবিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিছু অর্জন করতে পারেনি। ইরানিরা একত্রিত। সবাই একত্রিত ছিল। কাতারের আল উদেইদ মার্কিন ঘাঁটিতে যে হামলা হয়েছে সেটিকে তারা উড়িয়ে দিয়েছে, সত্যকে আড়াল করার জন্য। সময়ই শত্রুদের ক্ষয়ক্ষতি প্রকাশ করবে।

        ইরান কখনো আত্মসমর্পণ করবে না জানিয়ে খামেনি বলেন, “ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। ট্রাম্প সত্য প্রকাশ করেছেন, তিনি বলেছেন, ইরান শুধুমাত্র আত্মসমর্পণ করলেই যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট হবে।। কিন্তু আত্মসমর্পণ কখনো হবে না। আমাদের দেশ শক্তিশালী। ইরান মার্কিনিদের মুখে চপেটাঘাত করেছে।”

        তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল ইরানকে বশীভূত করা। ইরানিদের মার্কিনিরা যেসব অপমান করেছে সেগুলো কখনো সফল হবে না। আমাদের জনগণ অসাধারণ, আমাদের দেশ শক্তিশালী এবং আমাদের সভ্যতা ইতিহাসের অংশ। আমাদের জনগণ বিজয়ী এবং সম্মানিত এবং তারা এমনটা থাকবে। আল্লাহকে তার শক্তির জন্য ধন্যবাদ।”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ

          ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করতে ইসরাইলকে সাহায্য করেছে ফ্রান্স

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৬ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৬
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করতে ইসরাইলকে সাহায্য করেছে ফ্রান্স

          ইসরাইলকে ইরানি ড্রোন প্রতিহত করতে সাহায্য করেছে ফ্রান্স।দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লকোহনু ফ্রান্সের পার্লামেন্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

          তিনি বলেছেন, গত কয়েকদিন ধরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিভিন্ন সামরিক অভিযানের সময় ফরাসি সেনাবাহিনী ভূমি থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা অথবা রাফায়েল যুদ্ধবিমানের সাহায্যে ১০টিরও কম ড্রোনকে প্রতিহত করেছে বলে আমি নিশ্চিত করতে পারি।

          তার মতে, ১২ দিনের ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের সময় ইসরাইলে প্রায় ৪০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং এক হাজার ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল ইরান।

          এদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় প্রায় দু বছর চলমান যুদ্ধের  তাৎক্ষণিক বিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। 

          বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ম্যাক্রোঁ বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছি। 

          এছাড়াও তিনি গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানান এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। 

          ইরান ও ইসরাইলের যুদ্ধের বিয়ে তিনি আরও লেখেন, তিনি ফোনালাপের সময় সকল পক্ষের যুদ্ধবিরতিকে সম্মান করার গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন।

          ফরাসি প্রেসিডেন্ট আরও লেখেন, উভয় নেতা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত