ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

খামেনির হুমকির পর ইসরাইলে নতুন হামলা ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জুন, ২০২৫ ১৮:৫২
অনলাইন ডেস্ক
খামেনির হুমকির পর ইসরাইলে নতুন হামলা ইরানের
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

এই খবর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে অ্যালার্ম বেজে ওঠে। কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর মধ্য ইসরাইলে সাইরেন বেজে ওঠে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স এ ইসরাইলকে হুমকি দিয়ে একটি পোস্ট দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই ইসরাইলে নতুন করে হামলা শুরু করে ইরান।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ‘জায়নিস্ট শত্রু (ইহুদি শত্রু) একটি বড় ভুল করেছে, একটি বড় অপরাধ করেছে। এবং তাকে শাস্তি পেতে হবে। শাস্তি পাচ্ছে, এখনই তাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।’

ইসরাইলের যেসব স্থানে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে, সেরকম বেশ কয়েকটি স্থানে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

দেশটির বিভিন্ন স্থানে যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র পড়ার খবর পাওয়া গেছে, সেসব স্থানে উদ্ধারকারী দলগুলো কাজ করছে।

একটি পৃথক বিবৃতিতে ইসরাইলি পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরাইলের খোলা জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র পড়ে যাওয়ার খবর রয়েছে তাদের কাছে।

এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা সম্পত্তির ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জনগণকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে দূরে থাকার জন্য অনুরোধ করেছে ইসরাইলি পুলিশ। একইসঙ্গে ওই এলাকাগুলো সুরক্ষিত করার জন্য কর্মকর্তারা এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৩ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৭
    অনলাইন ডেস্ক
    সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

    সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় হাসাকাহ প্রদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটেছ। সোমবার হাসাকাহর ওই ঘাঁটি মর্টার হামলার শিকার হয়েছে। তবে এই হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

    ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার হাসাকাহ প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি মর্টার হামলার শিকার হয়েছে। হামলার পর ওই ঘাঁটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    একাধিক সূত্র সিরিয়ায় অবস্থিত মার্কিন ওই সামরিক ঘাঁটিতে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে মেহের নিউজ। হামলার পর ঘাঁটির প্রধান ফটকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র।

    মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, কাতার, কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কয়েক ডজন ঘাঁটি রয়েছে। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর শনিবারের হামলার পর তেহরান ওই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিয়েছে।

    হাসাকাহ প্রদেশে মার্কিন ঘাঁটিতে সোমবারের এই হামলার সঙ্গে ইরান-সংশ্লিষ্ট মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বাহিনীর হামলার জবাবে সিরিয়ায় ঘাঁটিতে এই হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) গত বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ৫১টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর অন্তত ১২৮টি ঘাঁটি পরিচালনা করে। এসব ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কয়েক হাজার সৈন্য দায়িত্বরত রয়েছে।

    সূত্র: মেহের নিউজ, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরানে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে পাকিস্তান, চীন ও রাশিয়ার আহ্বান

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ জুন, ২০২৫ ১৮:২০
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরানে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে পাকিস্তান, চীন ও রাশিয়ার আহ্বান
      জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। ছবি: সংগৃহীত

      মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলি আগ্রাসনের অবসানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তুলেছে পাকিস্তান, চীন ও রাশিয়া। দেশ তিনটি একযোগে জাতিসংঘে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছে, যেখানে অবিলম্বে এবং শর্তহীন যুদ্ধবিরতির দাবি জানানো হয়েছে।

      ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এই আঞ্চলিক সংঘাত নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের মূল পারমাণবিক কেন্দ্র ফোর্ডো, নাতানজ ও ইসফাহানে সফল হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই যৌথ সামরিক অভিযান ১৯৭৯ সালের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর সবচেয়ে বড় হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

      জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, ‘ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ এক বিপজ্জনক মোড়ের সূচনা।’ তিনি বলেন, অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং ‘গম্ভীর ও ধারাবাহিক কূটনৈতিক আলোচনার’ প্রয়োজন রয়েছে।

      ইরানের অনুরোধে ডাকা এই জরুরি অধিবেশনে দেশটির রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিকে (এনপিটি) রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করা হয়েছে।  ‘শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের অধিকার নিশ্চিতে এই চুক্তি থাকলেও এখন এটিকে আগ্রাসনের অজুহাত বানিয়ে বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে।’

      অন্যদিকে, জাতিসংঘে ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রশংসা করে বলেন, ‘এই পদক্ষেপই শেষ প্রতিরক্ষা যখন অন্যান্য সব পথ ব্যর্থ হয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ইরান পারমাণবিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ভান করে গোপনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে গেছে।  ‘নিষ্ক্রিয়তা আরও মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনত। পারমাণবিক ইরান আমাদের মতো আপনাদের জন্যও মৃত্যুদণ্ডের শামিল।’

      ‘বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’ বলছে পাকিস্তান

      জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার বলেন, ইতিহাস প্রমাণ করে যে একতরফা সামরিক হস্তক্ষেপ সংঘাত আরও জটিল করে তোলে। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি যাতে আরও খারাপের দিকে না যায়, এখনই ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র টেকসই পথ।’

      ইফতিখার জাতিসংঘে তার বক্তব্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগের বিবৃতির কথা পুনরুল্লেখ করেন, যেখানে মার্কিন হামলার নিন্দা ও ইরানের আত্মরক্ষার অধিকারের প্রতি সমর্থন জানানো হয়। তিনি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলাকে ‘বিপজ্জনক নজির’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এটি গোটা অঞ্চল এবং বিশ্বব্যাপী নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।’

      পাকিস্তান জানায়, তারা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে একযোগে একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দিয়েছে, যেখানে অবিলম্বে ও শর্তহীন যুদ্ধবিরতির দাবি তোলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ‘সব পক্ষ যেন উত্তেজনা এড়ায়, বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হোক, এবং ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে সকল পক্ষের গ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক সমাধান খোঁজা হোক।’

      চীন ও রাশিয়ার তীব্র নিন্দা

      চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং বলেন, ‘বলপ্রয়োগ করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনা যায় না।’ তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে কূটনৈতিক পথ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি, এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের এখনো সুযোগ রয়েছে।

      রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, ২০০৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল জাতিসংঘে এসে দাবি করেছিলেন, ইরাকের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে—এখন আবার সেই ‘মিথ্যাচার’ পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।  তিনি বলেন, ‘আমরা আবারও যুক্তরাষ্ট্রের রূপকথায় বিশ্বাস করতে বলা হচ্ছে, যা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের কোটি মানুষের কষ্ট বাড়াবে। ইতিহাস থেকে কিছুই শেখেনি তারা।’

      তবে প্রস্তাবটি কবে নিরাপত্তা পরিষদে ভোটে উঠবে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সোমবার রাতের মধ্যে মতামত জানাতে বলা হয়েছে। পাস হতে হলে কমপক্ষে ৯টি ভোট এবং পাঁচ স্থায়ী সদস্যের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন) ভেটো এড়াতে হবে।

      এই খসড়া প্রস্তাবে যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নাম নেই, তবে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।

      ইতোমধ্যে ইরানের সংসদ হরমুজ প্রণালী অবরোধের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছে। এই প্রণালী বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

      তেহরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়ে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ‘আমরা আলোচনার মধ্যে ছিলাম। কথার বদলে যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতি থেকে সরে গিয়ে মিসাইল বেছে নিয়েছে।’

      এই বক্তব্য তিনি রোববার ইস্তাম্বুলে ওআইসি সম্মেলনের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান সমর্থিত বাহিনী

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৫
        অনলাইন ডেস্ক
        যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান সমর্থিত বাহিনী

        ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস রোববার (২২ জুন) এক কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দাসূত্র ইরান সমর্থিত বাহিনীর প্রস্তুতি শনাক্ত করেছে। তারা মূলত ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে হামলা চালাবে। এছাড়া সিরিয়াতেও হামলা হতে পারে। তবে হোয়াইট হাউজ এবং ইরান কেউই নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য করেনি।

        তবে এ মুহূর্তে ইরান সমর্থিত এসব মিলিশিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। ইরাকের সরকার হামলা আটকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

        ইরাকের আনবার প্রদেশের আইন আল আসাদ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। সেখান থেকে ইরাকি সেনাদের ও ন্যাটোর মিশনে সহায়তা করে তারা।

        ২০২০ সালে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের কুর্দস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাশেম সোলাইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করার পর এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক মিসাইল হামলা চালিয়েছিল ইরান।

        এছাড়া ইরাকের আধা স্বায়ত্ত্বশাসিত কুর্দিস্তান প্রদেশের ইরবিল বিমানঘাঁটিতেও মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি রয়েছে। এই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের জোট সেনাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাব। এখানে সামরিক প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান এবং লজিস্টিক সহায়তা থেকে সবকিছু করে তারা।

        সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, সাইরেন বাজছে ইসরাইলে

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৫১
          অনলাইন ডেস্ক
          আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, সাইরেন বাজছে ইসরাইলে

          ইসরাইলি হামলার জবাবে সোমবার আরও বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান।দেশটির ভূখণ্ড থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের কথা জানিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও। ইতোমধ্যে দেশটির মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলে সাইরেন বাজতে শুরু করেছে।

          এর কিছুক্ষণ আগে উত্তর ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে। 

          আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের শত শত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গত দশ দিনে ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

          বেশিরভাগ ক্ষতি হয়েছে মধ্য ইসরাইলে। এছাড়া হাইফা শহরেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরটি বারবার আঘাতের শিকার হয়েছে।

          এর আগে, রোববার দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটি আঘাত হানলেও সাইরেন বাজেনি। তদন্তের পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, সেটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রই ছিল।

          চলমান পরিস্থিতিতে ৩০ হাজারের বেশি ইসরাইলি ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন। কয়েকশ মানুষকে বিকল্প আশ্রয়ের সন্ধান নিতে হয়েছে। এসব জরুরি চাহিদা মেটাতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে প্রতিদিন ৪০ লাখেরও বেশি ডলার খরচ করতে হচ্ছে।

          এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতা। 

          ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে ইরানের কমান্ডার ইন চিফ আমির হাতামি একটি অপারেশন রুমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলছেন।

          তিনি বলেন, “অতীতে যুক্তরাষ্ট্র যতবারই ইরানের বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তারা একটি উপযুক্ত জবাব পেয়েছে। এবারও তাই হবে।”

          এদিকে ইরান সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ আবদুলরহিম মৌসভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তাদের সেনাদের বিরুদ্ধে ‘যেকোনো পদক্ষেপ' নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ইরান কখনই পিছু হটবে না।“

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত