ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, সাইরেন বাজছে ইসরাইলে

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৫১
অনলাইন ডেস্ক
আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান, সাইরেন বাজছে ইসরাইলে

ইসরাইলি হামলার জবাবে সোমবার আরও বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান।দেশটির ভূখণ্ড থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের কথা জানিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও। ইতোমধ্যে দেশটির মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চলে সাইরেন বাজতে শুরু করেছে।

এর কিছুক্ষণ আগে উত্তর ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে। 

আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানের শত শত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গত দশ দিনে ইসরাইলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বেশিরভাগ ক্ষতি হয়েছে মধ্য ইসরাইলে। এছাড়া হাইফা শহরেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরটি বারবার আঘাতের শিকার হয়েছে।

এর আগে, রোববার দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটি আঘাত হানলেও সাইরেন বাজেনি। তদন্তের পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, সেটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রই ছিল।

চলমান পরিস্থিতিতে ৩০ হাজারের বেশি ইসরাইলি ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেছেন। কয়েকশ মানুষকে বিকল্প আশ্রয়ের সন্ধান নিতে হয়েছে। এসব জরুরি চাহিদা মেটাতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে প্রতিদিন ৪০ লাখেরও বেশি ডলার খরচ করতে হচ্ছে।

এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক নেতা। 

ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে ইরানের কমান্ডার ইন চিফ আমির হাতামি একটি অপারেশন রুমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলছেন।

তিনি বলেন, “অতীতে যুক্তরাষ্ট্র যতবারই ইরানের বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তারা একটি উপযুক্ত জবাব পেয়েছে। এবারও তাই হবে।”

এদিকে ইরান সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ আবদুলরহিম মৌসভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র নিজেই তাদের সেনাদের বিরুদ্ধে ‘যেকোনো পদক্ষেপ' নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ইরান কখনই পিছু হটবে না।“

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানে সরকার পতন ঘটানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৪৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানে সরকার পতন ঘটানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (২২ জুন) রাতে সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে ট্রাম্প লেখেন, “রাজনৈতিকভাবে ‘সরকার পরিবর্তন’ বাক্যটি ব্যবহার করা সঠিক নয়। কিন্তু ইরানের বর্তমান ইরান সরকার যদি ইরানকে সমৃদ্ধ করতে না পারে তাহলে কেন সেখানে সরকার পরিবর্তন হবে না। ইরানকে আবারও শ্রেষ্ঠ করা হোক।”

    গতকাল রাতে ইরানের তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে সরাসরি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে ব্যবহার করা অত্যাধুনিক বি-২ স্টিলথ বোমারু। ট্রাম্প জানিয়েছেন, হামলা চালিয়ে বিমানগুলো মিসৌরিতে চলে এসেছে। তিনি দাবি করেছেন, তাদের বিমানবাহিনী ইরানে বেশ সফল হামলা চালিয়েছে।

    সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও ইসরায়েলি হামলা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৩৪
      অনলাইন ডেস্ক
      ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় আবারও ইসরায়েলি হামলা

      ইরানের ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার একদিন পর আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। খবর আল–জাজিরার।

      ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির কোম প্রদেশের সংকটকালীন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সদর দপ্তরের মুখপাত্র মোর্তজা হায়দারি।

      ইসরায়েলি হামলার কারণে ওই এলাকায় বাসিন্দাদের আপাতত কোনো বিপদ নেই বলেও জানিয়েছেন মোর্তেজা হায়দারি।

      গত ১৩ জুন ইরান আর ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় একদফা হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এরপর একাধিকবার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় ফোরদোসহ ৩ পারমাণবিক স্থাপনা। এরপর ২২ জুন ৩ স্থাপনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান দিয়ে হামলা চালায়। বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে এবং একটানা প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

      ইরানের ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনা ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক গভীরে অবস্থিত। সেখানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সেন্ট্রিফিউজ রাখা ছিল। যদিও গতকাল রোববার ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে ইরানের ফোরদো পরমাণু স্থাপনা খালি করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালাতে পারে, এমন অনুমান থেকে স্থাপনাটি ‘অনেক আগেই’ খালি করা হয়েছিল।

      আরেক শীর্ষ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, অস্ত্র তৈরির উপযোগী মানের কাছাকাছি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে একটি অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:২৬
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন
        রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

        ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন ভিত্তিহীন। রাশিয়া ইরানি জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত।’

        মস্কোতে স্থানীয় সময় সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে আলোচনার শুরুতে এই মন্তব্য করেন পুতিন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি ইরানে মার্কিন হামলার নিন্দা জানানোর জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান। রাশিয়া ‘ইতিহাসের সঠিক দিকে’ দাঁড়িয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

        তিনি আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে পুতিনের প্রতি তাদের শুভকামনা জানাতে বলেছেন।

        এদিকে ক্রেমলিন বলেছে, তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা সংঘাতে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়িয়েছে এবং উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার কী হয়েছে এবং তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

        মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হামলা সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানাননি, যদিও তারা মার্কিন সামরিক সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নিয়ে সাধারণভাবে আলোচনা করেছেন বলে জানান পেসকভ।

        ইরানের দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়া এর আগে তেহরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর পরমাণু আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এ স্থায়ী সদস্য ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির অন্যতম পক্ষও ছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের মাঝামাঝিতে, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে বের করে নিয়েছিলেন।

        ইরান সহায়তা চাইলেও মস্কোর পক্ষে এখন তাদেরকে বড় ধরনের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, রাশিয়াকে এখন নিজেই ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। তার ওপর ট্রাম্পকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে আগ্রহী দেখা যাচ্ছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          মার্কিন হামলা কী ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল?

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:১৯
          অনলাইন ডেস্ক
          মার্কিন হামলা কী ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল?

          ইরান-ইসরাইল সঙ্ঘাতের মধ্যেই ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কি ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল। আক্রান্ত দেশটি কি তাহলে এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসবে?

          এমন প্রশ্ন উঠতেই এর জবাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডার্টমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক নিকোলাস মিলার। 

          তার মতে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি (এনপিটি) থেকে সরে যেতে এবং নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি আরও এগিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারে।

          সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মিলার উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এসব হামলার ফলে ইরানকে অস্ত্র-মানের ইউরেনিয়াম তৈরি করতে আরও কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর বেশি সময় লাগতে পারে।

          এরপরই তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি (যেটি ট্রাম্প প্রশাসন বাতিল করে দেয়) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ১৫ বছর পিছিয়ে দিতো।

          তিনি লিখেছেন, ‘আর হ্যাঁ, যারা এক সময় সেই চুক্তির সমালোচনা করেছিল, এখন তারাই বিমান হামলার পক্ষে উল্লাস করছে।’

          ইরান বর্তমানে এনপিটির সদস্য রাষ্ট্র। তারা বারবার বলে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না।

          অন্যদিকে, ইসরাইলই মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যাকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী বলে ধারণা করা হয়। যদিও তারা কখনোই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।এমনকি তারা এনপিটিতেও স্বাক্ষর করেনি।

          পারমাণবিক শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আর সেই ইসরাইলই বারবার ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে, যদিও ইরান এ অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে।

          নিকোলাস মিলার আরও বলেন, ‘আমরা যদি বাদও দিই যে, একটি চুক্তি কিংবা হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বেশি পিছিয়ে দেয়—তবুও এটি স্পষ্ট যে, হামলা ইরানের জন্য রাজনৈতিকভাবে এনপিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই পারমাণবিক কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।’

          তবে এমনটা উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি।এক ঘোষণায় বলেছেন, তেহরান জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তির (এনপিটি) একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সদস্য হিসেবেই থেকে যাবে।

          ইরানের এনতেখাব সংবাদ সংস্থা তাখত-রাভানচির বরাত দিয়ে জানায়, ‘আমরা এনপিটি কাঠামোর মধ্যেই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ও জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।’

          গত শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালায়। উল্লেখযোগ্য যে, এ হামলার সময়েই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ছিল ইরানি কূটনীতিকরা।

          এ বিষয়ে তাখত-রাভানচি বলেন, ‘হামলা চলার মধ্যেই সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা শুধু আলোচনার জন্য আলোচনা করি না।’

          এদিকে আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে হামলার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো। 

          ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের চ্যানেল-৩ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। যেগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিও রয়েছে। 

          চ্যানেল-৩ এর উপস্থাপক মেহদি খানালীজাদেহ বলেন, ‘এটা এখন আগের চেয়ে স্পষ্ট, কেবল ইরানি জাতির জন্য নয়, বরং এ অঞ্চলের সব জনগণের জন্য সব মার্কিন নাগরিক ও সামরিক কর্মীরা এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু। আমরা আলোচনা করছিলাম এবং কূটনৈতিক পথে এগোচ্ছিলাম, কিন্তু আপনি (ট্রাম্প) আপনাদের সেনাদের রক্ত ঝরিয়েছেন। ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনে ৫০ হাজার মার্কিন সৈন্যের কফিন গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ’

          খামেনি-সমর্থিত কেহান পত্রিকার অতি রক্ষণশীল প্রধান হোসেইন শরিয়তমাদারি লেখেন, ‘এখন আমাদের পালা, প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর অবিলম্বে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করার। ’

          তিনি ইরানের প্রতি কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার জন্য তার দীর্ঘদিনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, তেহরানকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে জাহাজ প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে হবে।

          ইরানের সংসদের অন্যতম ডানপন্থি সদস্য হামিদ রাসাইও বলেন, ইরানকে অবশ্যই সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত করতে হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত