ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:২৬
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

ইরানের জনগণকে সাহায্য করতে রাশিয়া প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন ভিত্তিহীন। রাশিয়া ইরানি জনগণকে সাহায্য করতে প্রস্তুত।’

মস্কোতে স্থানীয় সময় সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে আলোচনার শুরুতে এই মন্তব্য করেন পুতিন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি ইরানে মার্কিন হামলার নিন্দা জানানোর জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান। রাশিয়া ‘ইতিহাসের সঠিক দিকে’ দাঁড়িয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে পুতিনের প্রতি তাদের শুভকামনা জানাতে বলেছেন।

এদিকে ক্রেমলিন বলেছে, তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা সংঘাতে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বাড়িয়েছে এবং উত্তেজনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার কী হয়েছে এবং তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হামলা সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানাননি, যদিও তারা মার্কিন সামরিক সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নিয়ে সাধারণভাবে আলোচনা করেছেন বলে জানান পেসকভ।

ইরানের দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়া এর আগে তেহরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর পরমাণু আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এ স্থায়ী সদস্য ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির অন্যতম পক্ষও ছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের মাঝামাঝিতে, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে বের করে নিয়েছিলেন।

ইরান সহায়তা চাইলেও মস্কোর পক্ষে এখন তাদেরকে বড় ধরনের সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, রাশিয়াকে এখন নিজেই ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। তার ওপর ট্রাম্পকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে আগ্রহী দেখা যাচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মার্কিন হামলা কী ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল?

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:১৯
    অনলাইন ডেস্ক
    মার্কিন হামলা কী ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল?

    ইরান-ইসরাইল সঙ্ঘাতের মধ্যেই ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কি ইরানকে ‘হার্ডলাইনে’ ঠেলে দিল। আক্রান্ত দেশটি কি তাহলে এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসবে?

    এমন প্রশ্ন উঠতেই এর জবাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ডার্টমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক নিকোলাস মিলার। 

    তার মতে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তি (এনপিটি) থেকে সরে যেতে এবং নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি আরও এগিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মিলার উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এসব হামলার ফলে ইরানকে অস্ত্র-মানের ইউরেনিয়াম তৈরি করতে আরও কয়েক মাস, এমনকি কয়েক বছর বেশি সময় লাগতে পারে।

    এরপরই তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি (যেটি ট্রাম্প প্রশাসন বাতিল করে দেয়) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ১৫ বছর পিছিয়ে দিতো।

    তিনি লিখেছেন, ‘আর হ্যাঁ, যারা এক সময় সেই চুক্তির সমালোচনা করেছিল, এখন তারাই বিমান হামলার পক্ষে উল্লাস করছে।’

    ইরান বর্তমানে এনপিটির সদস্য রাষ্ট্র। তারা বারবার বলে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না।

    অন্যদিকে, ইসরাইলই মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যাকে পারমাণবিক অস্ত্রধারী বলে ধারণা করা হয়। যদিও তারা কখনোই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।এমনকি তারা এনপিটিতেও স্বাক্ষর করেনি।

    পারমাণবিক শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র আর সেই ইসরাইলই বারবার ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে, যদিও ইরান এ অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে।

    নিকোলাস মিলার আরও বলেন, ‘আমরা যদি বাদও দিই যে, একটি চুক্তি কিংবা হামলা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বেশি পিছিয়ে দেয়—তবুও এটি স্পষ্ট যে, হামলা ইরানের জন্য রাজনৈতিকভাবে এনপিটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই পারমাণবিক কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে।’

    তবে এমনটা উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি।এক ঘোষণায় বলেছেন, তেহরান জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ সংক্রান্ত চুক্তির (এনপিটি) একজন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সদস্য হিসেবেই থেকে যাবে।

    ইরানের এনতেখাব সংবাদ সংস্থা তাখত-রাভানচির বরাত দিয়ে জানায়, ‘আমরা এনপিটি কাঠামোর মধ্যেই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ও জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।’

    গত শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের সঙ্গে মিলে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালায়। উল্লেখযোগ্য যে, এ হামলার সময়েই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ছিল ইরানি কূটনীতিকরা।

    এ বিষয়ে তাখত-রাভানচি বলেন, ‘হামলা চলার মধ্যেই সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা শুধু আলোচনার জন্য আলোচনা করি না।’

    এদিকে আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোতে হামলার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো। 

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের চ্যানেল-৩ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত কয়েকটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। যেগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিও রয়েছে। 

    চ্যানেল-৩ এর উপস্থাপক মেহদি খানালীজাদেহ বলেন, ‘এটা এখন আগের চেয়ে স্পষ্ট, কেবল ইরানি জাতির জন্য নয়, বরং এ অঞ্চলের সব জনগণের জন্য সব মার্কিন নাগরিক ও সামরিক কর্মীরা এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু। আমরা আলোচনা করছিলাম এবং কূটনৈতিক পথে এগোচ্ছিলাম, কিন্তু আপনি (ট্রাম্প) আপনাদের সেনাদের রক্ত ঝরিয়েছেন। ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনে ৫০ হাজার মার্কিন সৈন্যের কফিন গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ’

    খামেনি-সমর্থিত কেহান পত্রিকার অতি রক্ষণশীল প্রধান হোসেইন শরিয়তমাদারি লেখেন, ‘এখন আমাদের পালা, প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর অবিলম্বে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করার। ’

    তিনি ইরানের প্রতি কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার জন্য তার দীর্ঘদিনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, তেহরানকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি থেকে জাহাজ প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে হবে।

    ইরানের সংসদের অন্যতম ডানপন্থি সদস্য হামিদ রাসাইও বলেন, ইরানকে অবশ্যই সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত করতে হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় উচ্চসতর্কতা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:১৩
      অনলাইন ডেস্ক
      যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় উচ্চসতর্কতা

      ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো উচ্চসতর্কতায় রয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশের মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে সেগুলো ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় উদ্বিগ্ন। তারা আশঙ্কা করছে, যুদ্ধ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

      বাহরাইন তাদের ৭০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করতে নির্দেশনা দিয়েছে।

      দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক্সে এক পোস্টে বলেছে, “আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে, আমরা নাগরিক এবং অধিবাসীদের শুধুমাত্র প্রধান সড়ক ব্যবহারের আহ্বান জানাচ্ছি। যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কগুলো প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে।”

      আন্তর্জাতিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস ইনস্টিটিউটের মধ্যপ্রাচ্য নীতির জ্যেষ্ঠ ফেলো হাসান আলহাসান বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব এই অঞ্চলকে বিপর্যয়কারী এবং দীর্ঘকালীন যুদ্ধে নিমজ্জিত করতে পারে।”

      তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত যুদ্ধটি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িত হওয়ার বিষয়টি উপসাগরীয় দেশ— বিশেষ করে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারসহ অন্যান্য যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি আছে তাদের দ্বন্দ্বে ঠেলে দিতে পারে।”

      সূত্র: আলজাজিরা

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে একযোগে প্রতিরোধের আহ্বান উত্তর কোরিয়ার

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৫৮
        অনলাইন ডেস্ক
        যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে একযোগে প্রতিরোধের আহ্বান উত্তর কোরিয়ার

        ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন।

        একই সঙ্গে  যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে একযোগে প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান তিনি।

        পাশাপাশি এই উত্তেজনার জন্য ইসরাইলের অব্যাহত যুদ্ধ প্রচেষ্টা ও ভূমি দখলের নীতিকে দায়ী করে মুখপাত্র বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো স্বীকৃতি ও উৎসাহেই মূলত ইসরাইল এসব কাজ করে যাচ্ছে।

        সোমবার আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

        প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া ইরানের ওপর চালানো মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে, যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার স্বার্থকে সহিংসভাবে পদদলিত করেছে।’

        তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই উসকানিমূলক ও সংঘর্ষমুখী আচরণের বিরুদ্ধে একযোগে নিন্দা ও প্রত্যাখ্যানের আওয়াজ তুলতে হবে।’

        উল্লেখ্য, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং তাদের সামরিক প্রযুক্তি উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার সন্দেহ রয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          তেহরানে ‘অযৌক্তিক আগ্রাসন’ চালিয়েছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র : পুতিন

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৭
          অনলাইন ডেস্ক
          তেহরানে ‘অযৌক্তিক আগ্রাসন’ চালিয়েছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র : পুতিন

          ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলাকে ‘বিনা উসকানিতে আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চলমান এই সংঘাতে মস্কো ইরানি জনগণকে সহায়তা করার চেষ্টা করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সোমবার মস্কোতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকে এই মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

          ইরানের তিন পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হামলার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে মস্কো সফরে গেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সোমবার সকালে তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তেহরানে চালানো ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘‘বিনা উসকানির আগ্রাসন’’ বলে আখ্যায়িত করেন পুতিন।

          পুতিন বলেন, ‘‘এটি ইরানের বিরুদ্ধে একেবারে বিনা উসকানিতে আগ্রাসন।’’ তিনি এই হামলাকে ‘অযৌক্তিক’ বলেও উল্লেখ করেন।

          রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া ইরানি জনগণকে সহায়তা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

          সূত্র: এএফপি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত