শিরোনাম
যুদ্ধ শুরু করেছেন ট্রাম্প, শেষ করব আমরা : ইরানের হুমকি
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর প্রত্যাঘাতের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে ইরানের সামরিক বাহিনীর হুমকি- ‘এই যুদ্ধের শুরুটা আপনি করে থাকতে পারেন, কিন্তু শেষটা আমরাই করব।’ এ সময় ট্রাম্পকে ‘জুয়াড়ি’ বলেও সম্বোধন করে ইরান সেনাবাহিনী।
স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ইরানের সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়ার মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারির একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ্যে এসেছে।
ভিডিও বার্তায় ইরান সেনাবাহিনী বলেছে, পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তুর পরিধি বৃদ্ধি করেছে। এ সময় ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘জুয়াড়ি’ বলে অভিহিত করা হয়।
রোববার ভোরের দিকে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ফেলে ইসরায়েলের অভিযানে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর পর থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে ইরান।
যদিও ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখলেও, এখনও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি তেহরান। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার বলে আসছে যে, তাদের লক্ষ্য কেবল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা, বৃহত্তর যুদ্ধ শুরু করা নয়।
তবে রোববার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প খোলাখুলিভাবে ‘রেজিম চেইঞ্জ’ কথাটি উল্লেখ করেছেন। তিনি লেখেন, “রেজিম চেইঞ্জ’ শব্দটি ব্যবহার করা রাজনৈতিকভাবে সঠিক নয়, তবে বর্তমান ইরানি শাসন যদি ইরানকে আবার মহান করে তুলতে অক্ষম হয়, তাহলে কেন শাসন পরিবর্তন হবে না? মিগা!!!”
১২৫ বিমান দিয়ে ইরানে মার্কিন হামলা
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির এ অভিযানে সব মিলিয়ে অন্তত ১২৫ বিমান অংশ নিয়েছে।
সোমবার (২৩ জুন) সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে অপারেশন মিডনাইট হ্যামার পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান দিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের ৩টি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এগুলো হলো ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহান।
ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, আমরা ইরানের ৩টি পারমাণবিক স্থাপনা—ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহানে আমাদের অত্যন্ত সফল হামলা সম্পন্ন করেছি। সব বিমান এখন ইরানের আকাশসীমার বাইরে রয়েছে।
সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলায় বি-২ স্টিলথ বিমান ছাড়াও আরও বিভিন্ন বিমান অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ট্যাংকার, যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন বিমান রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানে সাতটি বি-২ বোমারু বিমান অংশ নিয়েছে। এসব বিমানের প্রতিটি দুটি করে বাংকার বিধ্বংসী বোমা বহনে সক্ষম। যার প্রতিটি বোমার ওজন ৩০ হাজার পাউন্ড। এছাড়া অভিযানে জ্বালানি ভরার ট্যাংকার নজরদারি উড়োজাহাজ ও যুদ্ধবিমান অন্তর্ভূক্ত ছিল।
এদিকে ইরানে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘শাস্তি অব্যাহত থাকবে’ বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা চালানোর পর এটি তার প্রথম সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জায়োনিস্ট শত্রু একটি বড় ভুল করেছে, গুরুতর অপরাধ করেছে; এটিকে শাস্তি দিতে হবে এবং তারা শাস্তি পাচ্ছে; এটি এখনই শাস্তি পাচ্ছে।
পোস্টটির সঙ্গে একটি জ্বলন্ত ভবনের পটভূমিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি খুলির ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এটার ওপর ডেভিড তারকা চিহ্ন আঁকা রয়েছে, যা ইসরায়েলি প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
গত ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় পরমাণু, সামরিক ও আবাসিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে ৪০০-এর বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণুবিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ রয়েছেন।
ইরান ওই হামলার পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে। ২৩ জুন পর্যন্ত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস থ্রি’-এর আওতায় ইরান ইসরায়েলে মোট ২১ দফায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্ধকারে ডুবে গেল দক্ষিণ ইসরায়েল
ইসরায়েলে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির এ হামলায় ইসরায়েলের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে নিশানা করা হয়েছে। এতে এলাকাজুড়ে অন্ধকার নেমে এসেছে।
সোমবার (২৩ জুন) জর্ডানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসরায়েল ইলেকট্রিক কোম্পানি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে। এতে কলে এই অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, আক্রান্ত স্থানটি একটি কৌশলগত স্থাপনা ছিল।
এদিকে ইসরায়েলে একের পর এক হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আসদোদ ও লাচিস শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলের আশদোদ এলাকায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এ ছাড়া জেরুজালেম শহরের দক্ষিণে লাচিস শহরে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াইনেট নিউজ। ইরানের এ হামলায় শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জেরুজালেম এলাকায় আরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে। এর ফলে সেন্ট্রাল ও দক্ষিণ ইসরায়েলে বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠেছে। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেরুজালেমে সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে নেসেটের (ইসরায়েলি সংসদ) আইনপ্রণেতারা নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে গেছেন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ১০ দিনে ইরানের হামলায় ইসরায়েল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষতি সেন্ট্রাল ইসরায়েলে হলেও হাইফার মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহরেও বারবার ইরান হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় পরমাণু, সামরিক ও আবাসিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে ৪০০-এর বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ রয়েছেন।
ইরান ওই হামলার পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে। ২৩ জুন পর্যন্ত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস III’ এর আওতায় ইরান ইসরায়েলে মোট ২১ দফায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করছে না যুক্তরাষ্ট্র : জেডি ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে যুদ্ধ করছে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করছে না, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ করছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
জেডি ভ্যান্স রোববার জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিন হামলার অর্থ এই নয় যে ওয়াশিংটন এখন তেহরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। বরং তাদের মূল লক্ষ্য ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করা এবং এটাই ছিল সাম্প্রতিক হামলার উদ্দেশ্য।
সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, “আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেই, আমরা যুদ্ধ করছি ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিরুদ্ধে”। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান-এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় সফলভাবে হামলা চালিয়েছে।
ভ্যান্সের মতে, “এই অভিযান ছিল সত্যিই অসাধারণ। ইরানের পরমাণু সক্ষমতাকে অনেকটা পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে”। তার মতে, মাত্র একদিনের ব্যবধানে ইরান ‘অনেকটাই পিছিয়ে গেছে’ তাদের পরমাণু কর্মসূচির অগ্রগতিতে।
ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপক্ষে ‘শান্তি চায়’, তবে সেই শান্তি হতে হবে ইরানকে পরমাণু অস্ত্রের পথে না হাঁটার শর্তে। তিনি বলেন, “আমরা কূটনৈতিক আলোচনা বাতিল করিনি। বরং ইরানই কখনো এ আলোচনায় আন্তরিক ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্থলযুদ্ধে যেতে চায় না, বরং ‘পরমাণু হুমকি বন্ধ করে’ ভবিষ্যতের জন্য ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান চায়।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এই প্রণালীটি বিশ্বে তেলের চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। ভ্যান্স একে ‘আত্মঘাতী পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষায়, “তারা যদি নিজেদের অর্থনীতি ধ্বংস করতে চায় এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা আনতে চায় — সেটি তাদের সিদ্ধান্ত।”
গত ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানে একাধিক সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানোর পর এই উত্তেজনা শুরু হয়। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠকের আবেদন করেছে। সেখানে তারা মার্কিন আগ্রাসনকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে দাবি করছে।
ভ্যান্স বলেন, যদি ইরান পাল্টা হামলায় আমেরিকান সেনাদের টার্গেট করে, তবে “তা হবে ভয়াবহ ভুল” এবং যুক্তরাষ্ট্র তখন “চূড়ান্ত শক্তি” দিয়ে জবাব দেবে।
ইরানে মার্কিন হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেল তেলের দাম
ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একদিন আগেই রাতের আঁধারে দেশটির ফোর্দো, নাতাঞ্জ আর ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলা চালায়।
পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটিতে মার্কিন ওই হামলার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেছে তেলের দাম। অবশ্য ইরানে হামলার ফলে যে এমন কিছু ঘটতে পারে, তার পূর্বাভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল অনেকটা।
সোমবার (২৩ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এনার্জি মার্কেট আবার খুলেছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে তেলের বাজারে দেখা গেছে তাৎক্ষণিক প্রভাব।
ব্রেন্ট ক্রুড নামে পরিচিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অপরিশোধিত তেলের দাম শুরুর লেনদেনে ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৭৯ মার্কিন ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
বিশ্লেষকরা আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে তেল সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কায় বাজারে অস্থিরতা বাড়বে, আর সেই আশঙ্কাই এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ এখান দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল রপ্তানি হয়ে থাকে।
এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলো কিছু সময়ের মধ্যেই খুলবে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এশিয়ার বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য