ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

একটানা ৩৭ ঘণ্টা উড়ে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান

অনলাইন ডেস্ক
২২ জুন, ২০২৫ ১৪:৫৯
অনলাইন ডেস্ক
একটানা ৩৭ ঘণ্টা উড়ে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান

ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ফোরদো, নাতাঞ্জ আর ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলা চালায়। আর এই হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে অত্যাধুনিক বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান। এই হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সরাসরি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়াল।

এসব বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে এবং একটানা প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রোববার ভোরে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা বি-২ বিমানগুলো মিসৌরিতে তাদের ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর প্রায় ৩৭ ঘণ্টা ধরে অবিরাম উড়েছিল এবং আকাশে থাকা অবস্থায়ই বেশ কয়েকবার জ্বালানি নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকর্তা বলেন, হামলায় অংশ নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমানগুলো মাঝ আকাশে একাধিকবার জ্বালানি নিয়েছে।

হামলার পর হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় না ফিরলে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্কিন বিমানবাহিনী এই প্রথম কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বাংকারবিধ্বংসী বোমা জিবিইউ-৫৭ ব্যবহার করল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৬টি বি-২ বোমারু বিমান ইরানের ভূগর্ভস্থ ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনায় ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের ১২টি বাংকারবিধ্বংসী বোমা ফেলেছে। অন্যদিকে মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ইরানের নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনায় ছোড়া হয়েছে ৩০টি টিএলএএম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।

একই মার্কিন কর্মকর্তা আরও বলেন, একটি বি-২ বোমারু বিমান নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনায় দুটি বাংকারবিধ্বংসী বোমা ফেলেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ধ্বংস করা। ইরান যে পারমাণবিক হুমকি তৈরি করেছে, তা বন্ধ করা।

হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে, চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ইরানের তিন পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তেহরান। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যে তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সেগুলো আগেই খালি করে ফেলা হয়েছিল। তাই সেখানে এমন কিছু ছিল না, যা বিকিরণ সৃষ্টি করে নাগরিকদের ক্ষতির কারণ হতে পারত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানের আলোচনার টেবিলে ফেরা উচিত: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক
    ২২ জুন, ২০২৫ ১৪:৪৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানের আলোচনার টেবিলে ফেরা উচিত: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী
    যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

    যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি ‘প্রশমনের’ জন্যই যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে হামলা চালিয়েছে। খবর বিবিসির।

    ইরানের তিন পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া যাবে না। নিরাপত্তার হুমকি দূর করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিয়েছে।’

    কিয়ার স্টারমার আরও বলেন, আমরা ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে এবং চলমান সংকটের অবসান ঘটাতে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

    এর আগে শনিবার (২১ জুন) রাতে ইরানের তিন পারমাণবিক স্থাপনায় সরাসরি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ কথা ঘোষণা করে জানান, তার দেশ ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় সফল হামলা সম্পন্ন করেছে। স্থাপনাগুলো হলো ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান।

    পরে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১০টায় হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। এ সময় ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘হয় শান্তি আসবে, নয়তো ইরানের জন্য আরও অনেক বড় ট্র্যাজেডি হবে যা আমরা গত আট দিনে দেখেছি।’

    ট্রাম্প বলেন, ‘মনে রাখবেন, এখনও অনেক লক্ষ্যবস্তু বাকি আছে। আজ রাতটি ছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন এবং সম্ভবত সবচেয়ে মারাত্মক। কিন্তু যদি শান্তি দ্রুত না আসে তবে আমরা নির্ভুলতা, দ্রুততা এবং দক্ষতার সাথে অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে যাব।’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘এ হামলার উদ্দেশ্য ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা শেষ করে দেওয়া। সন্ত্রাসের মদদদাতা বিশ্বের এক নম্বরে থাকা দেশটির পারমাণবিক হুমকি থামিয়ে দেওয়া।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মার্কিন হামলার পর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান

      অনলাইন ডেস্ক
      ২২ জুন, ২০২৫ ১৩:২৩
      অনলাইন ডেস্ক
      মার্কিন হামলার পর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান

      মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান। ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাথমিকভাবে আনুমানিক ৩০টি রকেট ছোড়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়্যা নিউজের।

      প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব হামলা মূলত ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুগুলোর দিকে চালানো হয়েছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি, তবে এমন ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দিচ্ছে।

      এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহান এলাকায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ‘সফল’ হামলা চালিয়েছে। তার কিছুক্ষণ পর থেকেই ইরানের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের পাল্টা হামলা শুরু হয়।

      বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে ধাবিত হতে পারে যদি কূটনৈতিকভাবে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগ না নেওয়া হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইরানি হামলা ঠেকাতে ইসরাইলের দৈনিক ব্যয় ২০০ মিলিয়ন ডলার

        অনলাইন ডেস্ক
        ২১ জুন, ২০২৫ ১৭:২৩
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানি হামলা ঠেকাতে ইসরাইলের দৈনিক ব্যয় ২০০ মিলিয়ন ডলার

        ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে দৈনিক প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ইসরাইল। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং অন্যান্য পশ্চিমা ও ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। 

        প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপুল খরচের বড় অংশ ব্যয় হচ্ছে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো চালাতে, যা প্রতিনিয়ত ইরানের লাগাতার হামলা ঠেকাতে সংগ্রাম করছে।

        বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, শুধু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করতেই ইসরাইলের প্রতিদিন প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে।

        এদিকে, ইরানি হামলার অর্থনৈতিক প্রভাব ইতোমধ্যেই দখলকৃত ফিলিস্তিনি শহরগুলোয় দেখা যাচ্ছে।  ইসরাইলি সংবাদপত্র মারিভ বলছে, তেলআবিবে অর্ধেকের বেশি দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে।

        প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাজার এলাকাগুলো ফাঁকা ও নিস্তব্ধ, জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।’

        বিশ্লেষকদের মতে, এই আর্থিক চাপ এবং নাগরিক জীবনে বিপর্যয় ইসরাইলি সরকারের ওপর অভ্যন্তরীণ চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, ক্ষতির পরিমাণ তত দ্রুত বাড়ছে।

        প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন থেকে ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে সামরিক ও পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। জবাবে তেহরানও তেলআবিবসহ ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।

        ইসরাইলের সরকারি হিসাব মতে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যম অনুসারে, ইসরাইলি হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত ৬৩৯ জন নিহত এবং ১৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

        সূত্র: তাসনিম 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ত্রিপক্ষীয় নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনে সম্মত বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান

          অনলাইন ডেস্ক
          ২১ জুন, ২০২৫ ১৫:৪৬
          অনলাইন ডেস্ক
          ত্রিপক্ষীয় নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনে সম্মত বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান

          বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান একটি ত্রিপক্ষীয় প্ল্যাটফর্ম গঠনে সম্মত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং তিন দেশের জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে এই প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথা বলছে বেইজিং। আর এ নিয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে।

          স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে চীন-বাংলাদেশ-পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী/পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের ওই বৈঠকে এ প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার (২০ জুন) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে।

          চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডং, বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক এবং পাকিস্তানের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ ভারচুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

          তিন পক্ষ চীন-পাকিস্তান-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেছে। তিন পক্ষ সুপ্রতিবেশীসুলভতা, সমতা ও পারস্পরিক বিশ্বাস, উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তি, সাধারণ উন্নয়ন এবং উইন-উইন সহযোগিতা নীতির ওপর ভিত্তি করে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। আর এই ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার লক্ষ্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

          তিন পক্ষ শিল্প, বাণিজ্য, মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স, জলসম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, মানবসম্পদ, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং যুবসমাজ সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা অন্বেষণ এবং বাস্তবায়ন করা। বৈঠকে হওয়া সমঝোতার ভিত্তিতে তিন পক্ষ একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করবে। তিন পক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে, চীন-বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতার ক্ষেত্রে বহুপাক্ষিকতা এবং উন্মুক্ত আঞ্চলিকতা মেনে চলে, কোনো তৃতীয় পক্ষের উদ্দেশে যার লক্ষ্য নয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত