ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধে আইন পরিবর্তন করায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক
১৭ জুন, ২০২৫ ১৪:৫০
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধে আইন পরিবর্তন করায় জাতিসংঘের উদ্বেগ
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নিষিদ্ধের সুযোগ তৈরিতে আইন সংশোধনে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৫৯তম মানবাধিকার পরিষদে পেশ করা বার্ষিক প্রতিবেদনে এ উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের বিবৃতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে ভলকার তুর্ক তাদের নানা পদক্ষেপের বিষয় তুলে ধরেন। বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তুর্ক বলেন, ‘আমি অনুপ্রাণিত বোধ করছি যে, অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপের মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জন করছে। সংস্কার, অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে অর্থবহভাবে এগিয়ে যেতে আমি আহ্বান জানিয়েছি। অবশ্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নিষিদ্ধের সুযোগ তৈরি করে সম্প্রতি আইনে পরিবর্তন আনা এবং এ সংক্রন্ত সব কর্মকাণ্ড নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এটা সংগঠনের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সমাবেশের স্বাধীনতা সীমিত করবে।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি নয়, অপেক্ষা করছে আরও বড় কিছু: ট্রাম্প

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৭ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি নয়, অপেক্ষা করছে আরও বড় কিছু: ট্রাম্প

    তড়িঘড়ি করে কানাডায় চলমান জি-৭ সম্মেলন ছেড়ে যাওয়ার কারণ ইরান ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আরও বড় কিছু বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এর আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, ট্রাম্প ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনও আলোচনায় অংশগ্রহণ করার জন্য ওয়াশিংটন ফিরে গেছেন।

    তবে, এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘ভুল’ বলেছেন উল্লেখ করে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, আমি কেন ওয়াশিংটন ফিরে যাচ্ছি, ম্যাক্রোঁর সে ব্যাপারে কোনো ধারণাই নেই। তবে, এটা নিশ্চিত যে এর সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটির তার থেকেও বড় কিছু।

    যদিও পোস্টে সেই ‘বড়’ ব্যাপারটি ঠিক কী- তার বিস্তারিত কিছু বলেননি ট্রাম্প। তবে, তিনি পোস্ট শেষ করেছেন রহস্যময়ভাবে ‘স্টে টিউনড’ বা ‘সাথেই থাকুন’ লিখে।

    এর আগে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র কিছু একটা করতে যাচ্ছে। কানাডায় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পেশ করেছে।

    ম্যাক্রোঁ ইসরায়েল-ইরান উভয়কেই বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। সেই সঙ্গে ইসরায়েলকে সতর্ক করে তনি বলেন, ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা উৎখাত করার লক্ষ্যে হামলা করাটা ‘কৌশলগত ভুল’ হবে।

    তিনি বলেন, যারা ভেবেছেন যে বাইরে থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চালানো যায়, তারা সবসময় ভুল করেছে।

    ম্যাক্রোঁ সাংবাদিকদের আরও বলেন, একটি বৈঠক ও আলোচনার প্রস্তাব সত্যিই রয়েছে। বিশেষ করে, যুদ্ধবিরতি অর্জন এবং তারপর বৃহত্তর আলোচনা শুরু করার জন্য একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন দেখতে হবে, পক্ষগুলো এটি মানে কিনা।

    এদিকে, ম্যাক্রোঁ যখন কথা বলেন ঠিক সেই সময় হোয়াইট হাউজ ঘোষণা করে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংকটের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্মেলন থেকে তাড়াতাড়ি চলে যাবেন। এরপরই ঘোষণা আসে জরুরিভিত্তিতে ইরানের রাজধানী তেহরানের বাসিন্দাদের সরে গিয়ে শহরটি খালি করতে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করা উচিত ছিল। আমি তাদের চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলেছিলাম। এটা লজ্জার, আর মানব জীবনের ক্ষতি। সাধারণভাবে বলছি, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। আমি এটি বারবার বলেছি। এখন জরুরিভিত্তিতে তেহরান খালি করুন।

    মন্তব্য

    ইরানের সঙ্গে সব সীমান্ত বন্ধ করল পাকিস্তান

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ জুন, ২০২৫ ১৯:১
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানের সঙ্গে সব সীমান্ত বন্ধ করল পাকিস্তান

    ইরানের সঙ্গে যুক্ত সব সীমান্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। বালুচিস্তান প্রদেশের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর আল জাজিরা।

    আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কাদির বখশ পিরকানি এএফপিকে বলেন- চাগাই, ওয়াশুক, পাঞ্জগুর, কেচ ও গাদার—এই পাঁচ জেলার সব সীমান্ত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের এই পাঁচ জেলার সঙ্গে ইরানের সীমান্ত রয়েছে।

    চাগাই জেলার একটি সীমান্ত চৌকির কর্মকর্তা আতাউল মুনিম জানান, ইরানে প্রবেশ আপাতত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

    তবে সীমান্তে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই বলে জানান তিনি। ইরানে অবস্থানরত পাকিস্তানি নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও কোনো বাধা থাকবে না।

    আতাউল মুনিম আরও বলেন, আজ প্রায় ২০০ পাকিস্তানি শিক্ষার্থী ফেরার কথা রয়েছে।

    মন্তব্য

    ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করলে কী হতে পারে?

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ জুন, ২০২৫ ১৮:৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করলে কী হতে পারে?

    ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দামামা বেজেই চলছে। উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে হরমুজ প্রণালীর ওপরও। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। এরইমধ্যে ইরান হুমকি দিয়েছে—প্রয়োজনে তারা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। আর সেটি ঘটলেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে।

    বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই হরমুজ প্রণালী হয়ে যায়। এই প্রণালীটি মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস রফতানির অন্যতম প্রধান পথ। ভৌগোলিকভাবে এটি অত্যন্ত সংকীর্ণ একটি সমুদ্রপথ। আর এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাবে, যা সারা পৃথিবীর অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    বিষয়টি নিয়ে একটি বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধ প্রকাশ করেছে আরব নিউজ। তাদের মতে, বিকল্প পথ থাকলেও হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে ঝুঁকিতে পড়বে সৌদি আরব আর সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ গালফের তেল উৎপাদক দেশগুলো। যদিও সৌদি আরবের তেল উৎপাদন কেন্দ্র আবকাইক থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু পর্যন্ত ৭০ লাখ ব্যারেল ক্ষমতার বিকল্প পাইপলাইন রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও ১৫ লাখ ব্যারেল ক্ষমতার পাইপলাইনের মাধ্যমে ফুজাইরাহ বন্দরে তেল পাঠায়, যা হরমুজ প্রণালীর বাইরে অবস্থিত।

    তবে এসব বিকল্প পথ পুরো রপ্তানি কাভার করতে পারবে না। ফলে কিছুটা হলেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে।

    তবে, ইরান আগেও এমন হুমকি দিয়েছে। কিন্তু তারা পুরোপুরি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেনি। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার জবাবে ইরান প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়েছিল, যদিও বাস্তবায়ন করেনি। কারণ, এই পথ দিয়েই ইরান নিজের তেলও রফতানি করে থাকে। প্রণালী বন্ধ করলে তাদের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান ড্রোন ও নৌযান ব্যবহার করে কিছু সময়ের জন্য এ রুটে নাশকতা ঘটাতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি অবরোধ সম্ভব নয়। ১৯৮০-র দশকের ‘ট্যাঙ্কার যুদ্ধের’ সময়ও হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সেসময় ৪৫০টির বেশি জাহাজে হামলা হয়েছিল, কিন্তু প্রণালী দিয়ে তেল রফতানি চলেছেই।

    অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলেও ইসরায়েলের কোনো সরাসরি ক্ষতি হবে না। কারণ দেশটির সব তেল আসে ভূমধ্যসাগর হয়ে। তারা আজারবাইজান, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, গ্যাবন ও নাইজেরিয়া থেকে তেল আমদানি করে। ফলে ইসরায়েলের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ কোনো সমস্যা নয়। বরং ক্ষতিগ্রস্ত হবে এশিয়া, ইউরোপ ও অন্যান্য অঞ্চলের দেশগুলো।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করলে চীন ও রাশিয়ার মতো দেশের সমর্থন হারাতে পারে। কারণ, এই প্রণালীর ৭৬ শতাংশ তেল এশিয়ার বাজারে যায়। চীন ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও প্রণালী বন্ধ হোক, তা কখনও চায় না।

    মন্তব্য

    হাইফায় ইরানের হামলায় ভারতের আদানির ৪.২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি!

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৬ জুন, ২০২৫ ১৩:৯
    অনলাইন ডেস্ক
    হাইফায় ইরানের হামলায় ভারতের আদানির ৪.২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি!

    ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আবারও আঘাত হেনেছে ইসরায়েলের উপকূলীয় শহর হাইফায়। রোববার (১৫ জুন) রাতে চালানো এই হামলায় বন্দরের কাছাকাছি কিছু এলাকায় সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

    এর আগের দিন, শনিবার (১৪ জুন) হাইফা বন্দরে চালানো আরেকটি হামলার পর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে—হামলায় ভারতীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য সুবিধা ধ্বংস হয়ে গেছে।

    তবে এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আদানি গ্রুপের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জুগেশিন্দর রবি সিং। রোববার (১৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ গুজবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আদানির মালিকানাধীন হাইফা বন্দরের স্থাপনাগুলোতে কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি। [সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস]

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে আদানি পোর্টস ইসরায়েলের গ্যাডোট গ্রুপের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় হাইফা বন্দর অধিগ্রহণ করে। প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বন্দরের ৭০ শতাংশ শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করছে।

    হাইফা বন্দর ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র। দেশটির মোট আমদানির ৩০ শতাংশেরও বেশি পরিচালিত হয় এখান থেকেই। ফলে এই অঞ্চলে হামলা ইসরায়েলের অর্থনীতির জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্যও তা উদ্বেগজনক।

    সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হাইফার একটি তেল শোধনাগারের কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরিত হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও আদানি বন্দরের সরাসরি কোনো ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত হয়নি।

    তবে যুদ্ধাবস্থা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে শুষ্ক বাল্ক জাহাজ চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়, আগের সংঘর্ষের সময় আদানি পোর্টসের শেয়ারমূল্যে পতন দেখা দিয়েছিল। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন, সাম্প্রতিক হামলাগুলো শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং ইসরায়েল ও ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    মন্তব্য
    সর্বশেষ সংবাদ
      সর্বাধিক পঠিত