শিরোনাম
ইসরায়েলের নিশানায় কি এবার খামেনি? বাড়ি লক্ষ্য করে মিসাইল বৃষ্টি
শুক্রবার কয়েক দফা হামলা চালিয়ে ইরানের সেনাপ্রধানসহ অন্তত ২০ জন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ও বেশ কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যার পর শনিবার (১৪ জুন) মধ্যরাত থেকে আবারও নতুন করে ইরানে হামলা চালাতে শুরু করেছে ইসরায়েল। তাদের এবারের লক্ষ্যবস্তু ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র উদ্বেগ বাড়াতে পারে ইসরায়েলের
মাত্র এক মাস আগে তেহরান প্রকাশ্যে এনেছিল তার নতুন অস্ত্র। শুক্রবার গভীর রাতে সেই মাঝারি পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসিম বশির’ ব্যবহার করেই তারা ইসরায়েলের তেল আবিবে সফল হামলা চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার পাল্লার কঠিন জ্বালানি-চালিত কাসিম বশির ক্ষেপণাস্ত্র গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীর এলিট শাখা ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বিমান বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ় নাসিরজাদেহ। বস্তুত, এটি ইরান ফৌজের গত এক দশক ধরে ব্যবহৃত ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হজ কাসিমের উন্নততর সংস্করণ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সে সময়ই আজিজ় দাবি করছিলেন, ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম হবে কাসিম বশির।
ইরান থেকে ইসরায়েলের দূরত্ব ১৫০০ কিলোমিটার। ইজ়রায়েলের আকাশের ‘নিশ্ছিদ্র রক্ষক’ আয়রন ডোম মূলত তিনটি স্তরে কাজ করে— রাডারের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করা, দ্রুত সেই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য তৎপর হওয়া এবং ‘ইন্টারস্পেটর ক্ষেপণাস্ত্র’ ছুড়ে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করা। এ ছাড়া, তেল আবিবের কাছে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা ‘থাড’।
ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে সীমান্ত নেই। ইরাক, সিরিয়া বা জর্ডানের আকাশসীমা দিয়ে উড়ে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রকে ইসরায়েলের আকাশসীমায় পৌঁছাতে হয়। একইভাবে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে জর্ডান ও ইরাক নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-কে।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ অবশ্য ইসরায়েলকে ইরানের বিরুদ্ধে নিজ দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করার অনুমতি দেননি, তবে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা গত ডিসেম্বরে ক্ষমতায় আসার পর ইসরায়েলের জন্য সিরিয়ার আকাশসীমা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।
ইরান যখন ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, তখন সাধারণত প্রথমেই প্রতিবেশী দেশ ইরাকে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনী তা ইসরায়েলকে জানিয়ে দেয়। তারপর ইসরায়েলে আঘাত হানার আগেই ইরাক কিংবা জর্ডানের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় সেসব ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইন্টারসেপ্ট’ বা ধ্বংস করে দেয় মার্কিন বাহিনী।
এত বাধা বা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শুক্রবার রাতে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবে সফল হামলা চালিয়েছে উচ্চ গতিসম্পন্ন কাসিম বশির। উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন বাহিনী এবং ইজ়রায়েলে নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারাকে তেহরানের ‘চমকপ্রদ সাফল্য’ হিসেবে দেখছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।
ইসরায়েলে পঞ্চম ধাপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান
ইসরায়েলের দিকে পঞ্চম ধাপে শনিবার সকালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। এরই মধ্যে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী (আইএএফ) ডেড সি ও পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান থেকে ছোড়া ড্রোনগুলো ভূপাতিত করেছে। ওই এলাকায় সতর্কতা সাইরেনও বেজে ওঠে। খবর জেরুজালেম পোস্টের।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রয়োজনীয় জায়গায় হামলা ও প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে হুমকি দূর করা যায়।
এর আগে ইরান চার দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েলে। এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন এবং ৭০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় জেলায় ছিলেন, যাদের মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়। এখনও একটি দুই মাসের শিশুর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তেহরান ও রামাত গান এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া, শনিবার সকালে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের কিরিয়াত শমোনা, মেতুল্লা ও গাজার—রকেট হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজেছে। তবে এ বিষয়ে এখনও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে, ইসরায়েলি হামলার পর তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে আগুন ধরে যায়। ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সির দাবি, দুটি ক্ষেপণাস্ত্র বিমানবন্দরে আঘাত হানে। তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ইরান এখন পর্যন্ত ১৫০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ছুড়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের জনগণকে বিদ্রোহ করার ডাক দিলেন নেতানিয়াহু
ইরানে ক্ষমতাসীন কট্টর ইসলামপন্থি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশটির সাধারণ জনগণকে বিদ্রোহ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে যে অশুভ ও নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠী আপনাদের ঘাড়ে চেপে বসে আছে, তাদেরকে নামানোর সময় এসেছে। আপনারা আপনাদের পতাকা এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের ছায়াতলে আসুন। নিপীড়নবাদী শাসন থেকে মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন, আওয়াজ তুলুন। যে সুযোগ আপনাদের সামনে এসেছে, তাকে গ্রহণ করুন।”
তিনি আরও বলেন, “ইরানে আমরা যে সামরিক অভিযান শুরু করেছি, তা সেখানকার জনগণের বিরুদ্ধে নয়। আমাদের সামরিক অভিযান ইরানের পরমাণু হুমকি ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে।”
গত ১৩ জুন শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ৮টি শহরে বড় ধরনের বিমান হামলা করে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ)। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৭৮ জন এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩০০ জন। এছাড়া ইরানের সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাঘেরিসহ সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও সামরিক বাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এ হামালা চালানো হয়েছিল। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় ইরানের অন্তত ১০০টি স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এ সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘দ্য রাইজিং লায়ন’।
অতর্কিত হামলার পর শুক্রবার রাতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’ সেনা অভিযান শুরু করে ইরান। এতে একজন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সূত্র : আরটি
ইরানে ইসরাইলের হামলায় বিশ্বের কোন দেশ কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে?
ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইল শুক্রবার ব্যাপক হামলা চালানোর পর বিশ্ব নেতারা শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। রুশ বার্তা সংস্থা ও রয়টার্স জানিয়েছে, এই হামলায় বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ অন্তত ২০ জন শীর্ষ ইরানি কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই অপরাধের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বৈধ ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া ইসরাইলকে অনুতপ্ত করবে। ইরানি জাতি ও নেতৃত্ব চুপ থাকবে না।’
বিশ্বজুড়ে এই সংঘাতের নানা প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হলো—
যুক্তরাষ্ট্র
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এখনো সময় আছে এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার। ইসরাইলের কাছে অনেক অস্ত্র আছে এবং তারা জানে কীভাবে তা ব্যবহার করতে হয়।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইরান পারমাণবিক বোমা পেতে পারে না। আমরা আবার আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাই।’
জাতিসংঘ
মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস দুই পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই সংঘাত আরও গভীর হলে তা গোটা অঞ্চলের জন্য মারাত্মক হবে।’ বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
রাশিয়া
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘ইসরাইলের এই আগ্রাসন অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক।’
রাশিয়ার তেল আবিব দূতাবাস দেশটিতে অবস্থানরত রুশ নাগরিকদের ইসরাইল ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
চীন
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, ‘এই ধরনের পদক্ষেপ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানাই যেন তারা উত্তেজনা না বাড়িয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভূমিকা রাখে’।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। উত্তেজনা না বাড়িয়ে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি’।
ফ্রান্স
প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখতে হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন করা যাবে না’।
জার্মানি
জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আমরা কূটনৈতিক সব উপায় ব্যবহার করে এই সংঘাতে জড়িত পক্ষদের প্রভাবিত করতে প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’
হামাস
‘এই হামলা অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা বাড়াবে’, বলে মন্তব্য করেছে হামাস।
হিজবুল্লাহ
লেবাননের হিজবুল্লাহ বলেছে, ‘ইসরাইল কোনো যুক্তি বা আইন মানে না, তারা কেবল আগ্রাসনের ভাষা বোঝে। এই হামলা গোটা অঞ্চলকে আগুনে ঝলসে দিতে পারে’।
ইরাক
ইরাক বলেছে, ‘এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক শান্তির প্রতি সরাসরি হুমকি’।
জর্ডান
জর্ডান জানায়, ‘তারা কখনোই তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন মেনে নেবে না এবং দেশটিকে কোনো সংঘাতের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করতে দেবে না’।
ওমান
পারমাণবিক আলোচনার মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান বলেছে, ‘এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত স্পষ্ট ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা’।
কাতার
কাতার ইসরাইলের হামলার ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ’ জানিয়েছে এবং বলেছে, এই উত্তেজনা কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।
তুরস্ক
প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেন, ‘ইসরাইলের এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা করে, যা স্পষ্ট উসকানি। বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত এই দস্যুতার অবসান ঘটানো’।
যুক্তরাজ্য
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘সব পক্ষের উচিত উত্তেজনা থেকে সরে আসা। সংঘাত কারওই মঙ্গল বয়ে আনবে না’।
ইয়েমেনের হুথি
তেহরানঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা বলেছে, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার বৈধ অধিকার রয়েছে এবং ইসরাইলের নৃশংস হামলার প্রতিক্রিয়া জানানোর পূর্ণ অধিকারও আছে।’
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য